খুঁজুন
                               
, ,
           

ডা. জাহিদ

সমন্বিত টিমওয়ার্কেই পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে উঠবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
সমন্বিত টিমওয়ার্কেই পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে উঠবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

চিকিৎসা খাত শুধু চিকিৎসককেন্দ্রিক নয়, বরং ডাক্তার, নার্স, টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট ও ফিজিওথেরাপিস্টসহ স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত সব পেশাজীবীর সমন্বিত টিমওয়ার্কের মাধ্যমেই একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভা ও র‍্যালিতে তিনি এসব কথা বলেন। ‘হৃদ্‌রোগ এবং স্ট্রোকের প্রতিরোধ, ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসনে ফিজিওথেরাপি এবং শারীরিক কার্যকলাপের ভূমিকা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত কেউ কারও প্রতিদ্বন্দ্বী নন। একজন রোগীকে সুস্থ করে কর্মক্ষম জীবনে ফিরিয়ে আনতে প্রত্যেকের নিজ নিজ দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে দীর্ঘমেয়াদি ফিজিওথেরাপি ও সঠিক পুনর্বাসনের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, নার্স, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্ট কিংবা ফিজিওথেরাপিস্ট—স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি স্তরেই প্রত্যেকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কোনো একটি পর্যায়ে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না হলে রোগীর পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য নিশ্চিত করা কঠিন।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আরও বলেন, আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন শাখায় উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানকে বাস্তব দক্ষতায় কাজে লাগিয়ে রোগীদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের প্রতিরোধ, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্বাসনে ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু চিকিৎসা নয়, রোগীকে স্বাভাবিক ও কর্মক্ষম জীবনে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি ফিজিওথেরাপি এবং নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম প্রয়োজন।

ফিজিওথেরাপি ও স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে শক্তিশালী নীতিগত সহায়তা ও প্রশাসনিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফিজিওথেরাপিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (প্যাব)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মো. কামরুজ্জামান কল্লোল। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মো. তানভীরুল আলম।

এ সময় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক, অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল কবির লাবু, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খান, অধ্যাপক ডা. নাজমুল হুদা বিপ্লব, ডা. জি এম এম এফ ওসমানীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

লাগেজ চুরি বন্ধে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের দাবি

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
লাগেজ চুরি বন্ধে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের দাবি

বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি ও লুটপাট বন্ধে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের পুরো কার্যক্রম সিসিটিভি মনিটরের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন এ নোটিশ পাঠান।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক ও ব্যবস্থাপকদের কাছে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে দেশে আসা ও বিদেশগামী যাত্রী, পর্যটক, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী এবং বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের লাগেজ থেকে মূল্যবান সামগ্রী চুরির অভিযোগ রয়েছে। একটি অসাধু চক্র তালাবদ্ধ লাগেজ কেটে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করছে। এতে যাত্রীরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

চুরি বন্ধে লাগেজ পরিবহন প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নোটিশে। এ জন্য উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড থেকে লাগেজ খালাস, ট্রলিতে তোলা, র‍্যাম্প এলাকা দিয়ে পরিবহন এবং ব্যাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম উচ্চমানের সিসিটিভির আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একই সঙ্গে অ্যারাইভাল লাউঞ্জে বড় পর্দার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া যাত্রীদের সামনে সরাসরি সম্প্রচারের দাবি জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা বা তল্লাশির প্রয়োজনে কাস্টমস কিংবা কোনো নিরাপত্তা সংস্থা যাত্রীর লাগেজ খুললে বা পরীক্ষা করলে সেই কার্যক্রমও ক্যামেরায় ধারণ করে যাত্রীর সামনে সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বাংলাদেশ ও মন্টেনিগ্রোর সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ও মন্টেনিগ্রোর সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও মন্টেনিগ্রোর পার্লামেন্টের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে ‘পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ বা সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্য গর্ডান স্টোজোভিক। এ সময় সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

মন্টেনিগ্রোর এমপি পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি, সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও বেস্ট প্র্যাকটিস বিনিময়ের জন্য দুই দেশের পার্লামেন্টের মধ্যে মৈত্রী গ্রুপ গঠনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। প্রস্তাবের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন ডেপুটি স্পিকার।

কায়সার কামাল বলেন, সংসদ বা আইনসভা জনগণের সরাসরি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয়। তাই গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখা, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং সরকার ও জনগণের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনে আইনসভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চায় নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ যাত্রা দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন ডেপুটি স্পিকার। তিনি বলেন, উন্নত জাতি গঠনে বিরোধী দলের গঠনমূলক ভূমিকা প্রয়োজন। কেবল বিরোধিতার জন্য সংসদে বিরোধী দল থাকা উচিত নয়।

সাক্ষাৎকালে গর্ডান স্টোজোভিক জানান, মন্টেনিগ্রোর পার্লামেন্টও বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মতো এককক্ষবিশিষ্ট। দেশটির পার্লামেন্টে সদস্য সংখ্যা ৮১ জন। সংসদীয় কমিটিগুলো নির্বাহী বিভাগের কর্মকাণ্ড পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিবিড়ভাবে কাজ করে বলেও জানান তিনি।

এ সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস বন্ধ না হলে আন্দোলন চলবে: জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস বন্ধ না হলে আন্দোলন চলবে: জামায়াত

চাঁদাবাজি হলে সেখানেই বাঁশের লাঠি হাতে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বন্ধ এবং মাদকমুক্ত নিরাপদ ঢাকা-১২ আসন গড়ার দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

রেজাউল করিম বলেন, ঢাকা-১২ আসনের যেখানেই চাঁদাবাজি হবে, সেখানেই বাঁশের লাঠি দিয়ে লড়াই করা হবে। এই কর্মসূচি সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। তার অভিযোগ, সরকার জনগণের সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে।

একটি স্বাস্থ্য ক্লিনিক ভাঙচুরের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ঘটনায় জড়িতদের শুধু পদত্যাগ করালেই হবে না, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ওই ঘটনা আড়াল করতেই মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, তাদের আন্দোলন চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে। কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি প্রশাসনের প্রতি দ্রুত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানান। একই সঙ্গে নিরপরাধ ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার না করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

বাংলামোটরে কয়েকজন নিহত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে সাইফুল আলম খান বলেন, নিহতদের কেউ কোনো রাজনৈতিক দল করতেন না। তাদের কেন হত্যা করা হলো, সেটির জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশকে চাঁদাবাজমুক্ত না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

সোমবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বাংলামোটর মোড়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি মগবাজার চৌরাস্তায় গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি