খুঁজুন
                               
, ,
           

জাপানে ইনফ্লুয়েঞ্জার দাপট, ৪৭ অঞ্চলেই সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
জাপানে ইনফ্লুয়েঞ্জার দাপট, ৪৭ অঞ্চলেই সতর্কতা

জাপানজুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা। জ্বর ও কাশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে দেশটির মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এ বছর স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশ আগেই দেশটিতে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা সতর্কসীমা ছাড়িয়ে গেছে দেশের ৪৭টি প্রিফেকচারেই।

সব অঞ্চলে সতর্কসীমা ছাড়াল সংক্রমণ

জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শুক্রবার (২ অক্টোবর) জানিয়েছে, দেশটির ৪৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলের সবগুলোতেই ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা সতর্কসীমা অতিক্রম করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে পাওয়া এই তথ্য দেশজুড়ে ইনফ্লুয়েঞ্জার দ্রুত বিস্তারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত এক সপ্তাহে জাপানের প্রায় ৩ হাজার চিকিৎসাকেন্দ্রে গড়ে প্রতি কেন্দ্রে ৭ দশমিক ১৭ জন ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর আগের সপ্তাহে এই সংখ্যা ছিল ৮ দশমিক ৪৮ জন।তবে রোগীর সংখ্যা সাময়িকভাবে কমে এলেও পরিস্থিতি নিয়ে স্বস্তির সুযোগ নেই বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। তাদের মতে, আগের বছরগুলোর সংক্রমণের প্রবণতা বিবেচনায় নিলে এই হ্রাস সাময়িক হতে পারে এবং সামনে আক্রান্তের সংখ্যা আবার বাড়তে পারে।

ওকিনাওয়ায় সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি

প্রিফেকচারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ওকিনাওয়ায়। সেখানে প্রতি চিকিৎসাকেন্দ্রে গড়ে ৪২ দশমিক ৫০ জন ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। দেশটির সতর্কতার মাত্রা ৩০ জন হওয়ায় ওকিনাওয়ার পরিস্থিতি বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে।এরপর রয়েছে সাইতামা, ইবারাকি, আইচি ও গিফু। এসব অঞ্চলে প্রতি চিকিৎসাকেন্দ্রে আক্রান্ত রোগীর গড় সংখ্যা যথাক্রমে ১৪ দশমিক ১৭, ১২ দশমিক ৫০, ১২ দশমিক ৩৩ এবং ১০ দশমিক ১৮ জন। প্রতিটি অঞ্চলেই এই হার সতর্কতার মাত্রা ১০ জনের ওপরে।

স্বাভাবিক সময়ের এক মাস আগেই মৌসুম শুরু

জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৯৯৯ সাল থেকে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুমের হিসাব রাখা শুরু হওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো এত আগে দেশটিতে ফ্লু মৌসুম শুরু হলো।২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫জাপানে ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্তের সংখ্যা নির্ধারিত সাপ্তাহিক সীমা ছাড়িয়েছিল। তবে এবার সেই সীমা ছাড়িয়েছে প্রায় এক মাস আগেই। ফলে চলতি বছর দেশটিতে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ স্বাভাবিক মৌসুমের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে আগে শুরু হয়েছে।এর আগে সবচেয়ে আগেভাগে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালে। ওই বছর ১০ থেকে ১৬ আগস্ট সময়ের মধ্যে রোগীর সংখ্যা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছিল।এদিকে ২০২৩ সালে জাপানে সারা বছরজুড়ে ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান

সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাধারণ মানুষকে নিয়মিত হাত ধোয়া, কাশি বা হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা এবং অন্যান্য মৌলিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। দেশটির সব প্রিফেকচারে সংক্রমণ সতর্কসীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় সামনে ইনফ্লুয়েঞ্জার বিস্তার কীভাবে পরিবর্তিত হয়, সেদিকে নজর রাখছে কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসএ

নিউইয়র্কে ট্রাম্পের নৈশভোজের ছবি প্রকাশ করলেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্কে ট্রাম্পের নৈশভোজের ছবি প্রকাশ করলেন তারেক রহমান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেওয়ার ছবি শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছবিটি প্রকাশ করেন তিনি। ছবিটি গত ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আয়োজিত ওই নৈশভোজের।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে জড়ো হওয়া বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে নৈশভোজটির আয়োজন করেন ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্প। নিউইয়র্কের লোটে নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও অংশ নেন।

জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাঁদের জীবনসঙ্গীরা নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে ১৪৫টি দেশের নেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীরা অংশ নেন।

এর আগে একই দিন সকালে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া প্রাতরাশেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান অংশ নেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে শুরু হয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

এসবিএসি ব্যাংকে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার নিয়োগ

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
এসবিএসি ব্যাংকে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার নিয়োগ

এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি (সাউথবাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক) শাখা পরিচালনার জন্য জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকটিতে ‘ব্রাঞ্চ ম্যানেজার’ পদে স্থায়ী ভিত্তিতে কর্মী নেওয়া হবে। পদ ও প্রার্থীর জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার থেকে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ১৮ অক্টোবর ২০২৬।

পদ ও কর্মস্থল: এসবিএসি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদে ফুলটাইম ও স্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। পদমর্যাদা হবে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার থেকে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত। নির্বাচিত প্রার্থীদের বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য হবে না। সিএ, সিএমএ, এসিসিএ, সিএফএ, এমপিএ, এমপিএফ, এমপিবি অথবা এমবিএম কোর্স সম্পন্ন করা প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

অভিজ্ঞতা: প্রার্থীর যেকোনো স্বনামধন্য ব্যাংকে ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে কমপক্ষে ৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। যারা এমটিও বা প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছেন, তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বয়সসীমা: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৫৫ বছর হতে হবে।

অন্যান্য যোগ্যতা: শাখা পরিচালনা, ব্যাংকিং অপারেশনস, ক্রেডিট ম্যানেজমেন্ট, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং ব্যবসায়িক উন্নয়নে বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাশাপাশি চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা ও আন্তব্যক্তিক সম্পর্ক বজায় রাখার সক্ষমতা প্রয়োজন। চাকরিতে বিরতি রয়েছে—এমন প্রার্থীদের আবেদন না করার জন্য বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রধান দায়িত্ব: নির্বাচিত ব্রাঞ্চ ম্যানেজারকে শাখার পোর্টফোলিও পরিচালনা এবং ব্যাংকের নির্ধারিত ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করতে হবে। উচ্চপদস্থ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দেওয়া লক্ষ্য অনুযায়ী শাখার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা, আমানত ও ঋণের প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা, সেলস টিম পরিচালনা এবং নতুন ব্যবসা ও গ্রাহক সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং (এএমএল) নির্দেশিকাসহ ব্যাংকিংয়ের সব ধরনের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধিবিধান, কমপ্লায়েন্স ও অভ্যন্তরীণ তদারকি যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে হবে। শাখার কর্মীদের পরিচালনা এবং তাঁদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তার মাধ্যমে দক্ষ টিম গঠন করাও দায়িত্বের অংশ।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীদের এসবিএসি ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। চাকরির বিস্তারিত তথ্য ও আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনা বিজ্ঞপ্তিতে পাওয়া যাবে। আবেদনের শেষ তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬।

কালের আলো/এসএ

এশিয়ান গেমসে পদকহীন বাংলাদেশ, ‘লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থী’ সালাহউদ্দীন

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
এশিয়ান গেমসে পদকহীন বাংলাদেশ, ‘লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থী’ সালাহউদ্দীন

সোনা জয়ের প্রত্যাশা নিয়ে জাপানের আইচি-নাগোয়ায় এশিয়ান গেমস খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। কিন্তু এবার ফিরতে হচ্ছে একেবারে খালি হাতে। শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সারির দলের কাছে ৬৩ রানে হেরে ব্রোঞ্জও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। এর আগে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে তিনবার অংশ নিয়ে প্রতিবারই পদক জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০১০ সালে প্রথমবার অংশ নিয়েই সোনা জিতেছিল দলটি। পরের আসরগুলোতেও পদক নিয়ে ফিরেছিল বাংলাদেশ। তবে এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হারের পর ব্রোঞ্জের লড়াইটাও জিততে পারেনি লিটন দাসের দল। এই ব্যর্থতার পর দলের পারফরম্যান্স নিয়ে জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন।

‘আমরা খুবই লজ্জিত’

জাপানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সালাহউদ্দীন বলেন, দলের প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে না পারায় তিনি হতাশ। তিনি বলেন, ‘আমরা আসলে খুবই লজ্জিত। কোচ হিসেবে মনে করি আমরা ব্যর্থ হয়েছি। জাতির কাছে যে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিলাম, আমরা সেটার কিছুই করতে পারিনি। খুবই হতাশাজনক। আমরা লজ্জিত এবং পুরো জাতির কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে শুরুতে অবশ্য ভালো অবস্থানেই ছিল বাংলাদেশ। টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে প্রথম ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কার ৪ উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ওই সময় তাদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৫১ রান।কিন্তু শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের বোলিং এলোমেলো হয়ে যায়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শ্রীলঙ্কা শেষ দিকে দ্রুত রান তুলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে।

ব্যাটিংয়েও চরম ব্যর্থতা

১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান ও অধিনায়ক লিটন দাস—তিনজনই ফেরেন শূন্য রানে।শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারানোর পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১০২ রানে অলআউট হয় দলটি। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন ৯ নম্বরে ব্যাট করতে নামা নাসুম আহমেদ। তবে তাঁর এই ইনিংসও দলের পরাজয় ঠেকাতে পারেনি।

হারের কারণ জানালেন কোচ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এমন হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সালাহউদ্দীন উইকেট ও বোলিংয়ের পাশাপাশি পাওয়ার প্লেতে দ্রুত উইকেট হারানোর বিষয়টি সামনে আনেন।তিনি বলেন, ম্যাচের উইকেটে বাংলাদেশের বোলাররা কয়েকটি ওভার খুব খারাপ করেছে। বিশেষ করে দলের টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ মূল বোলাররাই বেশি রান দিয়েছেন। ব্যাটিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাওয়ার প্লেতে একাধিক উইকেট পড়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে ম্যাচ জেতা কঠিন হয়ে পড়ে।

ক্রিকেটারদের পাশে লিটন

দলের এমন ব্যর্থতার পরও সতীর্থদের পাশে দাঁড়িয়েছেন অধিনায়ক লিটন দাস। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ক্রিকেটাররা সবসময় দেশের হয়ে লড়াই করেন। এবার তারা ব্যর্থ হয়েছেন, সেটি নিয়ে দল অবশ্যই লজ্জিত। লিটনের ভাষায়, পুরো দল হিসেবেই তারা ভালো পারফর্ম করতে পারেনি। এই পরিস্থিতি কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়, এখন সেটিই দলের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের এবারের অভিযান তাই শেষ হলো কোনো পদক ছাড়াই। সোনা জয়ের প্রত্যাশা নিয়ে যাওয়া দলটি শেষ পর্যন্ত ব্রোঞ্জের লড়াইয়েও হেরে দেশে ফিরছে খালিহাতে।

কালের আলো/এসএ