খুঁজুন
                               
, ,
           

এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মানহানির অভিযোগে মামলা

খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ
এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মানহানির অভিযোগে মামলা

ঢাকায় কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক মো. আবুল হোসেন ওরফে এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ি সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট মামলা দুটি করা হলেও বিষয়টি ১৩ সেপ্টেম্বর জানাজানি হয়।

মামলা করার বিষয়টি গোপন রেখে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুক। তবে মামলার বাদী ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

খাগড়াছড়ি সদর থানায় করা মামলাগুলোর একটি করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সম্প্রতি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া এম এন আবছার। ৩০ আগস্ট করা মামলাটি ১৭ নম্বর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এতে এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে লেখালেখির অভিযোগও করা হয়েছে।

অপর মামলাটি করেছেন খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি এইচ এম প্রফুল্ল। একই দিনে করা মামলাটি ১৮ নম্বর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে দুটি মামলাকেই হয়রানির চেষ্টা হিসেবে দেখছেন এ এইচ এম ফারুক। তার দাবি, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি সমালোচনামূলক লেখালেখি ও বক্তব্য দিয়েছেন। এ কারণে বিএনপির অভ্যন্তরের কিছু গ্রুপ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

ফারুক জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা করছেন তিনি। বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা করছেন। জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিনি নিয়মিত উপসম্পাদকীয় ও কলাম লেখেন এবং টেলিভিশনের টকশোতেও এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়েও লেখালেখি করেন বলে জানান তিনি।

নিজের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে ফারুক বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে তিনি খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার অভিযোগ, দলীয় অভ্যন্তরের কিছু গ্রুপের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করায় তিনি তাদের বিরাগভাজন হয়েছেন। এ ছাড়া দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অনিয়মে জড়িত বলে যাদের সমালোচনা করেছেন, তারাও তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ফারুক।

তিনি বলেন, ‘আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সবার আছে। আইনগতভাবেই এসব মামলা মোকাবিলা করা হবে।’ তবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তার বিরুদ্ধে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ও পরিবারের সদস্যদের ফোন ট্র্যাকিং করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন এই সাংবাদিক।

এ বিষয়ে মামলার বাদী ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এ এইচ এম ফারুক বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য এবং ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি। তিনি খাগড়াছড়ির স্থায়ী বাসিন্দা হলেও ২০০৯ সাল থেকে ঢাকায় কর্মরত। এর আগে ২০০৯ ও ২০১১ সালেও হামলা ও মামলার শিকার হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

কালের আলো/এমএসআইপি 

এসআই আলতাফ হত্যায় সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
এসআই আলতাফ হত্যায় সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ

সাভারের আমিনবাজারে হামলায় স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আলতাফ হোসেন নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলার সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের কার্যালয়ে নিহত এসআই আলতাফ হোসেনের পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করতে গেলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পরিবারকে আর্থিক সহায়তা

সাক্ষাৎকালে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার সর্বাত্মক আশ্বাস দেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি জানান, নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সার্বিক কল্যাণে পুলিশ অধিদপ্তরের কল্যাণ তহবিল থেকে ইতোমধ্যে ৬ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নিহতের পারিবারিক ব্যবসা সচল রাখতে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড থেকে প্রয়োজনীয় ঋণসহ সার্বিক সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

কর্মজীবনে সততা, নৈতিকতা ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে আলতাফ হোসেনকে মরণোত্তর ‘পুলিশ পদক (পিপিএম)’ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় নিহতের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীনের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন তিনি।

যেভাবে হামলার শিকার হন এসআই আলতাফ

গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় একটি অটোরিকশা রাখা নিয়ে সৃষ্ট তর্ক-বিতর্ক মেটাতে গিয়ে হামলার শিকার হন এসআই আলতাফ হোসেন।

প্রাণ বাঁচাতে তিনি তার বড় ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেন। পরে রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে সেখানে হামলা চালানো হয়।

বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন তার ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলামও।

পরে স্থানীয়রা বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

৪০ বছরের পুলিশি জীবন

মো. আলতাফ হোসেন ১৯৮৬ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে কনস্টেবল পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। দীর্ঘ ৪০ বছরের কর্মজীবনে তিনি ডিএমপি, রাঙামাটি, আরআরএফ রাজশাহী, আরএমপি ও বরিশাল জেলায় দায়িত্ব পালন করেন।

২০১১ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, বড় ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম (৩০) ও ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলামকে (২৪) রেখে গেছেন। বড় ছেলে শরিফুল ইসলাম মানারাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ফার্মাসি সম্পন্ন করেছেন। ছোট ছেলে আরিফুল ইসলাম ইউসেপ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত।

কালের আলো/এমএসআইপি/এসকে 

ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পাশে চান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পাশে চান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে মানুষের আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের একযোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি এটিকে নিছক পেশাগত দায়িত্ব হিসেবে না দেখে, একটি জীবন বাঁচানোর আন্তরিক সামাজিক দায়বদ্ধতা ও প্যাশন নিয়ে সৃজনশীল কাজ করার অনুরোধ জানান।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে দেশের শীর্ষস্থানীয় কনটেন্ট নির্মাতা ও সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিকেটরদের সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় মিলিত হন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে জানানো হয়, গতানুগতিক সরকারি প্রচারণার বৃত্ত ভেঙে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে দেশের জনপ্রিয় ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পাশে চায়  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত  বৈঠকে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগামী তিন মাসের একটি সমন্বিত রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, ডেঙ্গু চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতালগুলো সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিন হাজার চিকিৎসককে রিফ্রেশার ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে, স্যালাইনের সরবরাহ এবং বেড প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। তবে শুধু চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়িয়ে মৃত্যু ও সংক্রমণ কমানো সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন মানুষের আচরণগত পরিবর্তন। মানুষ যাতে সচেতন হয়ে সরাসরি পদক্ষেপ নেয়, সেই কার্যকর কাজটি করতে পারেন আপনারা—কনটেন্ট নির্মাতারা।

তিনি আরও যোগ করেন, মানুষ আপনাদের কথা শোনে। এটাকে কেবল বাণিজ্যিক চুক্তি হিসেবে না দেখে ভেতরের তাগিদ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে দেখুন। আপনার বানানো একটি সৃজনশীল ভিডিও হয়তো কারো পরিবারের একটি প্রাণ রক্ষা করতে পারে।

বৈঠকে আগামী তিন মাসের একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। অংশগ্রহণকারী ক্রিয়েটর ও এজেন্সিগুলোকে শীঘ্রই তাদের প্রাথমিক ধারণা ও রূপরেখা জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী ২০ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে এ ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের কনটেন্ট প্রচারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

লং মার্চে ছদ্মবেশে নাশকতার আশঙ্কা, দাবি রাশেদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
লং মার্চে ছদ্মবেশে নাশকতার আশঙ্কা, দাবি রাশেদের

বিরোধী দলের লং মার্চকে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান।

রাশেদ খান তার পোস্টে দাবি করেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের ব্যানারে কর্মসূচি পালনের সক্ষমতা না থাকায় সাধারণ বেশে বিরোধীদের লং মার্চে ঢুকে পরিকল্পিতভাবে নাশকতা চালিয়ে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতে পারে।

তিনি বলেন, ১৬ বছর ধরে প্রশাসনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সেক্টরে যে ‘আওয়ামীকরণ’ হয়েছে, তা থেকে দেশকে রক্ষা ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে বিরোধী দলের যথেষ্ট মনোযোগ দেখা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ খানের ভাষ্য, বিরোধী দলের বিভিন্ন কর্মসূচি আওয়ামী লীগের ফিরে আসার পথ তৈরি করতে পারে এবং লং মার্চকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কোনো ধরনের পরিকল্পনা করছে—এমন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

ঢাকা থেকে রংপুরের দূরত্ব প্রায় ৩০০ কিলোমিটার উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত দীর্ঘ পথজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকলেও কর্মসূচিতে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে কি না। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, কোনো অঘটন ঘটলে এর দায় বর্তমান বিরোধী দল বিএনপির সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা হতে পারে। এ বিষয়ে অতীতের একটি ঘটনার উদাহরণও দেন তিনি।

বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, পরিস্থিতি ও বাস্তবতা বিবেচনা করে কর্মসূচি নেওয়া উচিত। অন্যথায় ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব পুরো জাতিকে বহন করতে হতে পারে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি