খুঁজুন
                               
, ,
           

কুয়াকাটা সৈকতে ঝিনুকের সমারোহ, মুগ্ধ পর্যটকরা

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
কুয়াকাটা সৈকতে ঝিনুকের সমারোহ, মুগ্ধ পর্যটকরা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের তিন নদীর মোহনা ও গঙ্গামতী এলাকায় দেখা মিলছে বিপুলসংখ্যক ঝিনুকের। নীল সমুদ্রের জলরাশি আর বালুচরে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য সাদা ঝিনুকের মেলবন্ধনে সৃষ্টি হয়েছে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্য দেখতে এসে মুগ্ধ হচ্ছেন পর্যটকরা।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, তিন নদীর মোহনা ও গঙ্গামতী এলাকার সৈকতের বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় অসংখ্য ঝিনুক ছড়িয়ে রয়েছে। কোথাও সারি সারি ঝিনুক বালুর ওপর পড়ে আছে, আবার কোথাও অগভীর পানির সঙ্গে মিশে আছে সাদা ঝিনুকের খোলস। দূর থেকে পুরো বালুচরকে মনে হচ্ছে সাদা কার্পেটে ঢাকা।

স্থানীয়রা জানান, জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা ঝিনুক ভাটার সময় সৈকতের বিভিন্ন অংশে জমা হয়। জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে ঝিনুকের উপস্থিতিও কম-বেশি হয়। তবে এবার তুলনামূলকভাবে বেশি ঝিনুক দেখা যাচ্ছে। ফলে পর্যটকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।

খুলনা থেকে আসা পর্যটক সাজিদ বলেন, ‘কুয়াকাটায় এসে এমন দৃশ্য আগে দেখিনি। অসংখ্য ঝিনুক একসঙ্গে দেখে খুব ভালো লাগছে। ছবি তুলছি এবং দৃশ্যটি উপভোগ করছি।’

পর্যটক জাকিয়া বিশ্বাস বলেন, ‘সমুদ্রের নীল পানির সঙ্গে সাদা ঝিনুকের দৃশ্যটি খুবই সুন্দর। তবে এগুলো যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।’

কুয়াকাটার ট্যুর গাইড সুরুজ খান বলেন, জোয়ারের সময় ঢেউয়ের সঙ্গে ঝিনুক তীরে চলে আসে। ভাটা হলে সৈকতের বিভিন্ন জায়গায় এগুলো দেখা যায়। এবার ঝিনুকের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি এবং আবহাওয়াও ভালো রয়েছে।

উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, কুয়াকাটার সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের সচেতন ভূমিকা জরুরি। ঝিনুক ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট না করে সৈকতে আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। পাশাপাশি যানবাহন চলাচলের সময় ঝিনুক, বালিয়াড়ি ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয় কি না, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

লেম্বুরবন বিট কর্মকর্তা আমির হামজা বলেন, লেম্বুরবনের সৈকতে ছড়িয়ে থাকা ঝিনুক পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শীত মৌসুম পর্যন্ত এখানে ঝিনুকের প্রাচুর্য বেশি দেখা যায়। ঝিনুক সংগ্রহ, ভাঙা বা নষ্ট করা এবং আবর্জনা ফেলার বিষয়ে নজরদারি করা হচ্ছে। তবে বিস্তীর্ণ এলাকা ও সীমিত জনবলের কারণে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা কঠিন।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ মো. নাজমুল হাসান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও পর্যটন শিল্প রক্ষায় পুলিশ কাজ করছে। সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায়ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এদিকে, সৈকতে আসা পর্যটকদের অনেকেই ঝিনুকের সঙ্গে ছবি তুলছেন। কেউ বালুচরে হেঁটে হেঁটে ঝিনুক দেখছেন, আবার কেউ প্রিয়জনদের সঙ্গে এসব দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করছেন। কুয়াকাটার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সৌন্দর্যের পাশাপাশি ঝিনুকের এই প্রাকৃতিক সমারোহও পর্যটকদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

তবে এই সৌন্দর্য ধরে রাখতে ঝিনুক নির্বিচারে সংগ্রহ না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, ঝিনুকগুলো সৈকতে রেখে দিলে অন্য পর্যটকরাও প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ পাবেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। নতুন প্রজ্ঞাপনটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন কাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ পাবেন। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।

২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোয় নির্ধারিত বাড়তি মূল বেতনের শতভাগ কার্যকর হবে।

নতুন বেতন কাঠামো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বকেয়া বেতনও পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর অন্যান্য সব ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা পাবেন।

নতুন বেতন কাঠামোয় ১ম থেকে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আর ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বাড়ানো হবে।

এর আগে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে আজ (শনিবার) প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো। সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটিই নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ চূড়ান্ত করে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পরিত্যক্ত তুঁতবাগান, পড়ে আছে ভবন—নিভু নিভু ঝিনাইদহের রেশম শিল্প

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
পরিত্যক্ত তুঁতবাগান, পড়ে আছে ভবন—নিভু নিভু ঝিনাইদহের রেশম শিল্প

ঝিনাইদহের হলিধানী রেশম উন্নয়ন বোর্ডে একসময় ছিল কর্মচাঞ্চল্য। প্রতি মৌসুমে প্রায় ৩ হাজার রেশম পোকার ডিম নিয়ে চলত উৎপাদন কার্যক্রম। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছিল তুঁতবাগান। রেশম পোকা পালনসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হতো তিনটি ভবনে। তবে সময়ের সঙ্গে অব্যবস্থাপনা, তদারকির অভাব ও প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতার সংকটে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে সেখানে মাত্র ২০০ রেশম পোকার ডিমের চাষ হচ্ছে। বড় একটি অংশের তুঁতবাগান পরিত্যক্ত পড়ে আছে। রেশম চাষের জন্য নির্মিত একাধিক ভবনও দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে।

ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের পাশে ৭২ বিঘা জমির ওপর ১৯৮৩ সালে হলিধানী রেশম উন্নয়ন বোর্ড গড়ে ওঠে। রেশম চাষ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন ছিল প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। এর মধ্যে ৫৪ বিঘা জমি ছিল চাষযোগ্য। একসময় পুরো জমিতেই রেশম পোকার প্রধান খাদ্য তুঁতগাছের বাগান ছিল।

২০১৬ সালে একই স্থানে রেশম বীজাগার কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে পরবর্তী সময়ে রেশম চাষের পরিধি কমতে থাকে। বর্তমানে একটি ভবনে সীমিত পরিসরে মৌসুমি রেশম পোকার চাষ চলছে। বাকি অবকাঠামোর অধিকাংশই পড়ে আছে।

স্থানীয় কৃষক মিজান মিয়া বলেন, সরকার তুঁত চাষ ও রেশম পালনে কৃষকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতের নিশ্চয়তা দিলে অনেকে আবার এ চাষে ফিরতে আগ্রহী হবেন। এতে পতিত জমি কাজে লাগার পাশাপাশি কর্মসংস্থানও বাড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দা বজলুর রহমান বলেন, এত বড় জায়গা ও অবকাঠামো থাকার পরও কার্যক্রম সীমিত থাকা সম্পদের অপচয়। রেশম চাষের পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় যুবক মনি মিয়া বলেন, সরকারি সহযোগিতা ও নিয়মিত তদারকি থাকলে তুঁতবাগান আবারও গড়ে তোলা সম্ভব। একই সঙ্গে রেশম পোকার ডিম ও সুতা উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রেশম শিল্প টিকিয়ে রাখতে পর্যাপ্ত তুঁতবাগান, উন্নত জাতের রেশম পোকার ডিম, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষিত জনবল নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি পরিত্যক্ত বাগান পুনরায় চাষের আওতায় আনা, অব্যবহৃত ভবন সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ প্রয়োজন।

তবে সংকটের মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছে। আগে যেখানে ৮ জন শ্রমিক কাজ করতেন, সেখানে জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী নিয়মিত ১৮ জন শ্রমিক কাজ করার সুযোগ পাবেন।

হলিধানী রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ফার্ম ম্যানেজার মো. স্বপন মিয়া বলেন, আগে এখানে বড় পরিসরে রেশম চাষ ও পলুপালন হতো। বর্তমানে কার্যক্রম সীমিত থাকলেও সরকার নতুন করে জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন জনবল যুক্ত হলে আগের মতো বড় পরিসরে রেশম চাষের কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৩৯৬ জন শ্রমিক ফার্মের বিভিন্ন কাজে যুক্ত থাকেন। নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে রেশম চাষের কার্যক্রমের পাশাপাশি কর্মসংস্থানও আরও বাড়বে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

‘হাজারবার বর্ণবাদের শিকার হয়েছি’, বললেন ইয়ামাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
‘হাজারবার বর্ণবাদের শিকার হয়েছি’, বললেন ইয়ামাল

বার্সেলোনার স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ‘হাজারবার’ বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, অনেক মানুষ নিজেদের মন্তব্য বা আচরণ যে বর্ণবাদী, সেটিও বুঝতে পারেন না।

২০২৪ সালের অক্টোবরে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে বার্সেলোনার ম্যাচে ইয়ামাল, রাফিনিয়া ও আনসু ফাতিকে বর্ণবাদী গালাগাল করার দৃশ্য ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়েছিল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে।

এ ছাড়া স্পেনে অনলাইনেও নিয়মিত বর্ণবাদী আক্রমণের শিকার হয়েছেন ইয়ামাল। স্প্যানিশ অবজারভেটরি অন রেসিজম অ্যান্ড জেনোফোবিয়ার গত মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের শেষ তিন মাসে স্পেনে অনলাইনে বর্ণবাদী আক্রমণের সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছেন ইয়ামাল ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

স্পেনের সাবেক তারকা হোর্হে ভালদানোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামালকে সরাসরি বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘হাজারবার।’

নিজের অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করে ইয়ামাল বলেন, অনেক সময় মানুষ পরোক্ষভাবে বর্ণবাদী আচরণ করে, কিন্তু তারা নিজেরাই তা বুঝতে পারে না। তাঁর ভাষায়, অনেক মন্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গি বর্ণবাদী হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সেটি উপলব্ধি করেন না।

তবে কেউ তাঁকে ‘ব্ল্যাক’ বললে আপত্তি নেই ইয়ামালের। তিনি বলেন, বিষয়টি নির্ভর করে শব্দটি কীভাবে বলা হচ্ছে এবং তাঁকে অপমান করার উদ্দেশ্য আছে কি না।

ম্যাচ চলাকালে এমন মন্তব্যে সাধারণত খুব বেশি প্রতিক্রিয়া দেখান না বলেও জানান এই ফরোয়ার্ড। তাঁর মতে, দর্শক তাঁকে দেখতে টিকিট কিনে মাঠে এলেও শুধু অসম্মানজনক মন্তব্যের কারণে তিনি রেগে যেতে চান না।

স্পেনের ফুটবলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক আলোচিত বর্ণবাদী ঘটনার পর স্টেডিয়ামে এ ধরনের আচরণ ঠেকাতে বিভিন্ন উদ্যোগ জোরদার করেছে লা লিগা।

কালের আলো/এসএ