খুঁজুন
                               
, ,
           

১৩৪ বছর পরও অমীমাংসিত লিজি বোর্ডেনের রহস্য

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
১৩৪ বছর পরও অমীমাংসিত লিজি বোর্ডেনের রহস্য

১৮৯২ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ফল রিভারে নিজ বাড়িতে খুন হন অ্যান্ড্রু বোর্ডেন ও তাঁর স্ত্রী অ্যাবি বোর্ডেন। হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ গিয়ে পড়ে অ্যান্ড্রুর মেয়ে লিজি বোর্ডেনের ওপর। গ্রেপ্তার হন তিনি, আদালতে বিচারও হয়। কিন্তু ১৮৯৩ সালে সব অভিযোগ থেকে খালাস পান লিজি।

তাহলে কি সত্যিই বাবা ও সৎমাকে হত্যা করেছিলেন লিজি? ১৩৪ বছর পরও সেই প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর মেলেনি। আদালতের রায়ে তিনি নির্দোষ; অন্যদিকে মামলার বিভিন্ন পরিস্থিতিগত প্রমাণ, অসংগতি ও পরবর্তী জল্পনা তাঁকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত করেছে।

এই পুরোনো হত্যাকাণ্ডই নতুন করে আলোচনায় এসেছে নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘মনস্টার: দ্য লিজি বোর্ডেন স্টোরি’-তে। ১৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়া ছয় পর্বের এই সিরিজটি নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় ‘মনস্টার’ অ্যানথোলজির চতুর্থ কিস্তি। এবারই প্রথম এই অ্যানথোলজির কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন নারী।

লিজির চরিত্রে এলা বিটি

সিরিজটির নির্মাতা রায়ান মারফি ও ইয়ান ব্রেনান। ব্রেনান শোরানার ও নির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ছয়টি পর্ব পরিচালনা করেছেন ম্যাক্স উইঙ্কলার এবং দুটি পর্ব পরিচালনা করেছেন সারা অ্যাডিনা স্মিথ।

লিজি বোর্ডেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন এলা বিটি। গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য চরিত্রে আছেন ভিকি ক্রিপস, চার্লি হানাম, রেবেকা হল, বিলি লর্ড, জেসিকা বার্ডেন ও সারা পলসন। ভিকি ক্রিপস অভিনয় করেছেন বোর্ডেন পরিবারের গৃহকর্মী ব্রিজেট ‘ম্যাগি’ সুলিভানের চরিত্রে। চার্লি হানাম অ্যান্ড্রু বোর্ডেন এবং রেবেকা হল অ্যাবি বোর্ডেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। লিজির বড় বোন এমার ভূমিকায় আছেন বিলি লর্ড।

এলা বিটির জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। কারণ, ‘মনস্টার’ অ্যানথোলজির প্রথম নারীকেন্দ্রিক গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রে তিনিই অভিনয় করেছেন।

১৮৯২ সালের সেই হত্যাকাণ্ড

১৮৯২ সালের ৪ আগস্ট ফল রিভারের বোর্ডেন পরিবারের বাড়িতে অ্যান্ড্রু ও অ্যাবির মরদেহ পাওয়া যায়। দুজনকেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছিল।

বাড়িতে তখন ছিলেন লিজি ও পরিবারের গৃহকর্মী ব্রিজেট সুলিভান। ফলে তদন্তের শুরু থেকেই লিজিকে সন্দেহ করা হয়। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ১৮৯৩ সালে শুরু হয় বিচার।

তবে প্রসিকিউশনের হাতে ছিল মূলত পরিস্থিতিগত প্রমাণ। কোনো প্রত্যক্ষদর্শী লিজিকে হত্যাকাণ্ড ঘটাতে দেখেননি। শেষ পর্যন্ত ২০ জুন ১৮৯৩ সালে জুরি তাঁকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেয়।

আইনিভাবে মামলার সেখানেই সমাপ্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লিজি বোর্ডেনের গল্প থেমে থাকেনি।

কেন আজও সন্দেহের কেন্দ্রে লিজি?

লিজির বিরুদ্ধে সন্দেহের পেছনে ছিল বেশ কিছু ঘটনা। তদন্তে তাঁর বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরিবারের সম্পত্তি ও পারিবারিক সম্পর্ক নিয়েও নানা আলোচনা ছিল। হত্যাকাণ্ডের আগে বিষাক্ত প্রুশিক অ্যাসিড সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন লিজি—এমন তথ্যও মামলায় উঠে আসে। তবে সেটি বাবা ও সৎমাকে হত্যার পরিকল্পনার অংশ ছিল—এমন প্রমাণ আদালতে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

লিজিকে ঘিরে সবচেয়ে পরিচিত বিষয়গুলোর একটি হলো একটি পুরোনো ছড়া। সেখানে বলা হয়, কুঠার দিয়ে সৎমাকে ৪০ বার এবং বাবাকে ৪১ বার আঘাত করেছিলেন লিজি। কিন্তু ঐতিহাসিক নথির সঙ্গে এই সংখ্যার মিল নেই। ঐতিহাসিক বিবরণ অনুযায়ী, অ্যাবি বোর্ডেনকে ১৯ বার এবং অ্যান্ড্রু বোর্ডেনকে ১১ বার আঘাত করা হয়েছিল।

সিরিজে প্রেমের গল্প, ইতিহাসে প্রমাণ নেই

নতুন সিরিজের অন্যতম আলোচিত বিষয় লিজি ও ব্রিজেট সুলিভানের সম্পর্ক। গল্পে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়ে পরে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। এই সম্পর্ককে লিজির জীবনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

বাস্তবে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল—এমন নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। ব্রিজেট ছিলেন বাস্তব চরিত্র এবং বোর্ডেন পরিবারের গৃহকর্মী। হত্যাকাণ্ডের দিন তিনিও বাড়িতে ছিলেন। তবে লিজির সঙ্গে মিলে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন—এমন প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

ইতিহাসের ফাঁক পূরণ করেছে নির্মাতাদের কল্পনা

পরিচালক ম্যাক্স উইঙ্কলার জানিয়েছেন, সিরিজটি কেবল পুরোনো হত্যাকাণ্ড পুনর্নির্মাণ করতে চায়নি। লিজির গল্পের মধ্য দিয়ে নারীর ওপর সামাজিক বিধিনিষেধ, দমিয়ে রাখা আকাঙ্ক্ষা ও ক্ষোভের মতো বিষয়ও তুলে ধরতে চেয়েছেন নির্মাতারা।

তাই সিরিজটি পুরোপুরি গম্ভীর ঐতিহাসিক নাটক নয়; এতে কালো রসিকতারও ব্যবহার রয়েছে। নির্মাতারা সে সময়ের পরিবেশ ও পোশাক-আশাকের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক বাস্তবতার প্রতি যতটা সম্ভব বিশ্বস্ত থাকার চেষ্টা করলেও, যেসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই, সেসব জায়গায় নিজেদের গল্প নির্মাণ করেছেন।

ফলে ‘মনস্টার: দ্য লিজি বোর্ডেন স্টোরি’কে সরাসরি ইতিহাসের পুনর্নির্মাণের চেয়ে সত্য ঘটনার ওপর নির্মিত একটি নাটকীয় ব্যাখ্যা হিসেবে দেখাই প্রাসঙ্গিক।

তাহলে মা–বাবাকে কি সত্যিই হত্যা করেছিলেন লিজি?

নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। লিজির বিরুদ্ধে পরিস্থিতিগত প্রমাণ ছিল, কিন্তু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁকে চূড়ান্তভাবে যুক্ত করার মতো প্রমাণ আদালতে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৮৯৩ সালের বিচারে তিনি খালাস পান।

পরবর্তী ১৩৪ বছরে বই, সিনেমা, টেলিভিশন ও নানা কল্পকাহিনিতে লিজিকে কখনো খুনি, কখনো নিপীড়িত নারী, আবার কখনো বিদ্রোহী তরুণী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নতুন নেটফ্লিক্স সিরিজ সেই দীর্ঘ সাংস্কৃতিক আগ্রহেরই আরেকটি অধ্যায়।

তাই সিরিজটি দেখার সময় একটি বিষয় আলাদা করে মনে রাখা দরকার—পর্দায় দেখানো সব ঘটনা ইতিহাসে প্রমাণিত নয়। ১৮৯২ সালের সেই বাড়িতে ঠিক কী ঘটেছিল, তার চূড়ান্ত উত্তর হয়তো আর কখনো জানা যাবে না।

আইনের বিচারে লিজি বোর্ডেন খালাস পেয়েছিলেন। আর ইতিহাসেও আজ পর্যন্ত এমন চূড়ান্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যার ভিত্তিতে তাঁকে হত্যাকারী বলা যায়। রহস্যটা সেখানেই—আর সেই রহস্যই ১৩৪ বছর পরও লিজি বোর্ডেনকে নতুন গল্পের কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনছে।

কালের আলো/এসএ

এআইয়ের ভুলে চীনা জাহাজে হামলার প্রস্তুতি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
এআইয়ের ভুলে চীনা জাহাজে হামলার প্রস্তুতি!

চীনের একটি কার্গো জাহাজে পারমাণবিক কর্মসূচির উপকরণ রয়েছে—এআইয়ের দেওয়া ভুল তথ্যের ভিত্তিতে জাহাজটিতে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী। শেষ মুহূর্তে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে ভুলটি ধরা পড়ে।

সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, চলতি বছরের বসন্তে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের সময় এ ঘটনা ঘটে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে চীনা জাহাজটিতে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির উপকরণ থাকার কথা বলা হলে মার্কিন সেনারা জাহাজে ওঠার প্রস্তুতি নেয়। অভিযানের জন্য একটি সশস্ত্র দল ও সামরিক বিমানও প্রস্তুত ছিল বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

পরে ওই গোয়েন্দা প্রতিবেদন আরও যাচাই করা হয়। তখন জানা যায়, প্রতিবেদনটি তৈরিতে একজন বিশ্লেষক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নিয়েছিলেন। চীনা জাহাজে থাকা পণ্য সম্পর্কে ব্যবহৃত এআই চ্যাটবটটি ভুল তথ্য দিয়েছিল। এক সূত্রের ভাষায়, এআই দিয়ে তৈরি প্রতিবেদনটি ছিল ‘পুরোপুরি মিথ্যা’।

তথ্যটি ভুল প্রমাণিত হওয়ায় অভিযান স্থগিত করা হয়। তবে ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনার ঝুঁকি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনী গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ, রসদ ব্যবস্থাপনা ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার বাড়াচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, চীনসহ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে না পড়তে এআই ব্যবহারের গতি ধরে রাখা জরুরি।

তবে এ ঘটনার পর এআই-নির্ভর সামরিক সিদ্ধান্তের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ডেমোক্রেটিক পার্টির একদল মার্কিন সিনেটর সামরিক বাহিনীতে এআই ব্যবহারের সাম্প্রতিক ভুলগুলো তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র: সিএনএন

কালের আলো/এসএ

‘এ দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক, দরকার নাই’: অপ্রতিমের মায়ের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
‘এ দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক, দরকার নাই’: অপ্রতিমের মায়ের ক্ষোভ

কুমিল্লায় নিহত অপ্রতিমকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তার মা নাহিদা বেগম। একমাত্র সন্তানকে হারানোর বেদনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘এ দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক। এ দেশের দরকার নাই।’

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাসিমুখে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল অপ্রতিম। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে লালমাই পাহাড়ের পাদদেশের জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার সঙ্গে মায়ের দেওয়া আইফোনটি পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন মা নাহিদা বেগম। তবে শেষ পর্যন্ত জীবিত সন্তানকে ফিরে পাননি তিনি।

শনিবার মরদেহ উদ্ধারের পর বিলাপ করতে করতে নাহিদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে? আমাকে জবাব দেন, আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে? আমি এই কুমিল্লায় চাকরি করতে এসেছি, এটা কি আমার অন্যায়? আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে—আমি এটার জবাব চাই?’

অপ্রতিমের বাড়িতে এখন চলছে মাতম। দেয়ালে দেয়ালে ছড়িয়ে আছে তার হাসিমুখের স্মৃতি। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা, নির্বাক হয়ে গেছেন বাবা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে কোটবাড়ী বাগমারা কবরস্থানে অপ্রতিমের দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বাদী হয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

পুত্র না কন্যা সন্তানের মা হলেন টলিউড তারকা সোহিনী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
পুত্র না কন্যা সন্তানের মা হলেন টলিউড তারকা সোহিনী

টলিউডের তারকা দম্পতি সোহিনী সরকার ও শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের সংসারে এসেছে নতুন অতিথি। রোববার কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন অভিনেত্রী সোহিনী।

স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে সন্তানের জন্ম হয়। মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।

ইনস্টাগ্রামে যৌথ বিবৃতিতে সুখবরটি জানিয়েছেন সোহিনী ও শোভন। তাঁরা লিখেছেন, ‘আমাদের বীরপুরুষ, আমাদের নতুন সদস্য এসেছে। তোমরা সবাই আশীর্বাদ করো।’

গত জুলাইয়ে বিয়ের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে প্রথমবার মা-বাবা হওয়ার খবর জানিয়েছিলেন এই তারকা দম্পতি। সোহিনীর বেবিবাম্পের ছবি প্রকাশ করে শোভনের সঙ্গে সুখবরটি ভাগ করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। এরপর থেকেই তাঁদের ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অপেক্ষায় ছিলেন নতুন অতিথির আগমনের।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিয়ে করেন সোহিনী সরকার ও শোভন গঙ্গোপাধ্যায়।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

কালের আলো/এসএ