খুঁজুন
                               
, ,
           

ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে নতুন অধ্যায়, অনুমোদন পেল ৫ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে নতুন অধ্যায়, অনুমোদন পেল ৫ ব্যাংক

দেশে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রস্তাবিত পাঁচ ডিজিটাল ব্যাংকের লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকগুলো হলো—ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক ও বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক। পাশাপাশি আগে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা। নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ। আর বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, দেশে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এসব আবেদনের মধ্যে ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক, আমার ডিজিটাল ব্যাংক, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মার্স, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক এবং মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংকও ছিল।

এর আগে ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন গ্রহণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন আহসান এইচ মনসুর।

পরবর্তী সময়ে সরকার পরিবর্তনের পর গভর্নর পদে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়। আগের সময়ে জমা পড়া আবেদনগুলোর মধ্য থেকেই এবার পাঁচটি প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংককে এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি

গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছে বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের প্রতি এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর সরকার বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে। তবে ঢাকা মহানগরীতে চলাচলকারী অনেক বাসে নতুন ভাড়ার তালিকা টানানো হয়নি। অথচ নগর ও দূরপাল্লার বাসে দূরত্ব অনুযায়ী নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।

সংগঠনটির অভিযোগ, ভাড়ার তালিকা না থাকার সুযোগে বাসের কন্ডাক্টররা যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রী ও পরিবহনকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত চার-পাঁচ দিন ধরে রাজধানী ঢাকা এবং ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলোতে এ ধরনের পরিস্থিতি চললেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে ঢাকাসহ সারা দেশে বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্থাপনা পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্থাপনা পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠ, ভবন, সুইমিংপুল ও জিমনেসিয়ামের অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব গোলাম মোস্তফা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে তিনি রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে উপ-সচিব গোলাম মোস্তফা স্থাপনাগুলোর অবকাঠামোর গুণগত মান সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি এসব স্থাপনার প্রশংসা করেন। তবে কিছু স্থানে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মত দেন তিনি।

এ সময় জেলা ক্রীড়া অফিস স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। এ জন্য রাজশাহী স্টেডিয়ামের তৃতীয় তলায় নির্ধারিত কক্ষগুলো পরিদর্শন করেন উপ-সচিব। পরিদর্শন শেষে কক্ষগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার ও ব্যবহার উপযোগী করার বিষয়ে তিনি মতামত দেন।

পরিদর্শনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জুলহাস মিয়া, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. মোজাম্মেল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মঞ্চ থেকে রাজপথে ইয়াসের খানের এক বার্তা—’নৈরাজ্যের সুযোগ নেই’

বিশেষ সংবাদদাতা/ময়মনসিংহ ও জামালপুর প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
মঞ্চ থেকে রাজপথে ইয়াসের খানের এক বার্তা—’নৈরাজ্যের সুযোগ নেই’

রাজনীতির মাঠে একই সুরের দুটি দৃশ্য। একটি শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইলের চৌরাস্তা। আর দ্বিতীয়টি বিকেলে জামালপুর শহর। দুই মঞ্চ, দুই জেলা—কিন্তু তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল একটি বার্তাই—দেশকে অস্থিতিশীল করার কোনো চেষ্টাই মেনে নেওয়া হবে না। তাঁর বক্তব্যে একইসঙ্গে এসেছে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে সতর্কবার্তা, অতীত সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচার, অর্থ পাচারের প্রসঙ্গ এবং দেশের উন্নয়ন-স্থিতিশীলতা ধরে রাখার দৃঢ় প্রত্যয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দুই দফা রাজপথের কর্মসূচিতে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে বারবার ফিরে এসেছে একটি শব্দ—স্থিতিশীলতা।

  • নান্দাইল ও জামালপুরে পৃথক সমাবেশ-মিছিল
  • শেখ হাসিনাকে সতর্কবার্তা
  • বিচারের প্রত্যয় ও প্রতিরোধের ঘোষণা

‘ডিসেম্বরে নয়, এখনই আসুন’

এদিন দুপুরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল চৌরাস্তা চত্বরে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইয়াসের খান চৌধুরী। শুরুতেই কঠোর সীমারেখা টেনে বলেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ এরপর শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে তাঁর সরাসরি বক্তব্য, ‘নৈরাজ্যকারী শেখ হাসিনা আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ডিসেম্বরে দেশে আসার পাঁয়তারা করছেন। আমরা বলতে চাই, ডিসেম্বরে না এসে এখনই আসুন। সাবধান হয়ে যান, অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবেন না। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

’ইতিহাস টেনে বর্তমানের বার্তা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি ও হুমকি দিয়ে দেশের উন্নয়নের ধারা বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে ফিরে আসে ইতিহাসের চারটি বাঁক—১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান। তাঁর ভাষ্যে, এসব আন্দোলন দমিয়ে রাখা যায়নি। গত ১৭ বছর জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছিল অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখে তাদের ক্ষমতায় এনেছে।’ বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

‘প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের গত ১৭ বছরের শাসনামল প্রসঙ্গে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, খুন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। মা-বোনদের সন্তানদের গুলি করে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লিটন, সদস্য সচিব এনামুল কাদির, যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু পল্লব রায়, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব রফিকুজ্জামান ভূঁইয়া মনি, পৌর বিএনপি নেতা হাসনাত মাহমুদ তালহাসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। পরে প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

জামালপুরে ‘হাজার হাজার কোটি’র অভিযোগ

নান্দাইলের রাজপথের উত্তাপ পেরিয়ে বিকেলে জামালপুর শহরে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী। এবার তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে আসে অর্থ লুটপাট ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ। তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন সেতু ও ওভারপাস নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, ‘লুটপাটের মাধ্যমে অর্জিত জনগণের সম্পদ তারা বিদেশে পাচার করেছে। এখন তারা দেশে অস্থিতিশীলতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ’

জামালপুরের মঞ্চেও ফিরে আসে সেই একই সতর্কতা। তিনি বলেন, ‘দেশে কোনো ধরনের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার সুযোগ দেওয়া হবে না। যারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’ দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বাধাগ্রস্ত করতে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান ইয়াসের খান চৌধুরী।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, সংসদ সদস্য এ কে এম সুলতান মাহমুদ বাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল হক, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি লোকমান আহমেদ খান লোটন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান সাফি, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সাজিব, পৌর বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আবদুল্লাহ আল মাসুদ। সমাবেশ শেষে মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে তমালতলায় গিয়ে শেষ হয়।

কালের আলো/এমএএএমকে