খুঁজুন
                               
, ,
           

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বাড়ছে গ্রাহক, হিসাব ২৫ কোটি ৮৭ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বাড়ছে গ্রাহক, হিসাব ২৫ কোটি ৮৭ লাখ

দেশে মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) ব্যবহারের পরিধি ক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই শেষে দেশে মোট এমএফএস হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮৪ হাজার ২৮৫টি। আগের মাস জুনের তুলনায় জুলাইয়ে হিসাব বেড়েছে প্রায় ১৭ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৮টি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ই-ব্যাংকিং অ্যান্ড ই-কমার্স স্ট্যাটিসটিকস ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে মোট এমএফএস হিসাবের মধ্যে পুরুষ গ্রাহকের হিসাব ১৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৩টি। মোট হিসাবের প্রায় ৫৭ শতাংশ পুরুষ গ্রাহকের। অন্যদিকে নারী গ্রাহকের হিসাব রয়েছে ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৫৫ হাজার ১৪৭টি, যা মোট হিসাবের প্রায় ৪২ শতাংশ। লিঙ্গ পরিচয় জানানো হয়নি এমন হিসাব রয়েছে ৮ লাখ ৯০ হাজার ৪৯৭টি।

কিশোর-কিশোরীদের হিসাবেও বৃদ্ধি

এমএফএস ব্যবহারে ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণও বেড়েছে। জুলাইয়ে কিশোরদের হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১০০টি। একই সময়ে কিশোরীদের হিসাব রয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৮টি।

কমেছে এজেন্ট হিসাব, বেড়েছে মার্চেন্ট

জুলাইয়ে এজেন্ট হিসাবের সংখ্যা সামান্য কমেছে। এ মাসে এজেন্ট হিসাব দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৫টি, যা জুনে ছিল ২০ লাখ ৮৩ হাজার ৫২২টি।

তবে মার্চেন্ট ও ব্যক্তিগত খুচরা হিসাব (পিআরএ) বেড়েছে। জুনে মার্চেন্ট হিসাব ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার ৪১৩টি, জুলাইয়ে তা বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ ৬১ হাজার ১৭৮টি। একই সময়ে পিআরএ হিসাব ১০ লাখ ২৯ হাজার ৪০৯টি থেকে বেড়ে ১০ লাখ ৬২ হাজার ৫৯৪টিতে পৌঁছেছে।

নগদের তথ্য যুক্ত হওয়ায় হিসাব বেড়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে ২০২৫ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নগদ তাদের হিসাবের তথ্য জমা দিতে পারেনি। ২০২৬ সালের মার্চ থেকে নগদের তথ্য পুনরায় যুক্ত হওয়ায় মোট এমএফএস হিসাবের সংখ্যায় বড় উত্থান দেখা যায়।

ফেব্রুয়ারিতে মোট হিসাব ছিল ১৪ কোটি ৫১ লাখের কিছু বেশি। মার্চে তা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ কোটি ৩২ লাখ ৭৯ হাজারে। এরপরও হিসাবের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত চার মাসে মোট হিসাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও প্রায় ৫৪ লাখ।

গ্রামাঞ্চলে হিসাব বেশি

এমএফএস হিসাবের দিক থেকে গ্রামাঞ্চল এখনো শহরের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। জুলাইয়ে গ্রামাঞ্চলে মোট এমএফএস হিসাব ছিল ১৩ কোটি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৩টি। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে হিসাবের সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৪ হাজার ৬২২টি।

কালের আলো/এমএসআইপি 

গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি

গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছে বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের প্রতি এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর সরকার বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে। তবে ঢাকা মহানগরীতে চলাচলকারী অনেক বাসে নতুন ভাড়ার তালিকা টানানো হয়নি। অথচ নগর ও দূরপাল্লার বাসে দূরত্ব অনুযায়ী নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।

সংগঠনটির অভিযোগ, ভাড়ার তালিকা না থাকার সুযোগে বাসের কন্ডাক্টররা যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রী ও পরিবহনকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত চার-পাঁচ দিন ধরে রাজধানী ঢাকা এবং ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলোতে এ ধরনের পরিস্থিতি চললেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে ঢাকাসহ সারা দেশে বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্থাপনা পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্থাপনা পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠ, ভবন, সুইমিংপুল ও জিমনেসিয়ামের অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব গোলাম মোস্তফা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে তিনি রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে উপ-সচিব গোলাম মোস্তফা স্থাপনাগুলোর অবকাঠামোর গুণগত মান সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি এসব স্থাপনার প্রশংসা করেন। তবে কিছু স্থানে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মত দেন তিনি।

এ সময় জেলা ক্রীড়া অফিস স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। এ জন্য রাজশাহী স্টেডিয়ামের তৃতীয় তলায় নির্ধারিত কক্ষগুলো পরিদর্শন করেন উপ-সচিব। পরিদর্শন শেষে কক্ষগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার ও ব্যবহার উপযোগী করার বিষয়ে তিনি মতামত দেন।

পরিদর্শনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জুলহাস মিয়া, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. মোজাম্মেল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মঞ্চ থেকে রাজপথে ইয়াসের খানের এক বার্তা—‘নৈরাজ্যের সুযোগ নেই’

বিশেষ সংবাদদাতা/ময়মনসিংহ ও জামালপুর প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
মঞ্চ থেকে রাজপথে ইয়াসের খানের এক বার্তা—‘নৈরাজ্যের সুযোগ নেই’

রাজনীতির মাঠে একই সুরের দুটি দৃশ্য। একটি শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইলের চৌরাস্তা। আর দ্বিতীয়টি বিকেলে জামালপুর শহর। দুই মঞ্চ, দুই জেলা—কিন্তু তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল একটি বার্তাই—দেশকে অস্থিতিশীল করার কোনো চেষ্টাই মেনে নেওয়া হবে না। তাঁর বক্তব্যে একইসঙ্গে এসেছে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে সতর্কবার্তা, অতীত সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচার, অর্থ পাচারের প্রসঙ্গ এবং দেশের উন্নয়ন-স্থিতিশীলতা ধরে রাখার দৃঢ় প্রত্যয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দুই দফা রাজপথের কর্মসূচিতে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে বারবার ফিরে এসেছে একটি শব্দ—স্থিতিশীলতা।

  • নান্দাইল ও জামালপুরে পৃথক সমাবেশ-মিছিল
  • শেখ হাসিনাকে সতর্কবার্তা
  • বিচারের প্রত্যয় ও প্রতিরোধের ঘোষণা

‘ডিসেম্বরে নয়, এখনই আসুন’

এদিন দুপুরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল চৌরাস্তা চত্বরে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইয়াসের খান চৌধুরী। শুরুতেই কঠোর সীমারেখা টেনে বলেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ এরপর শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে তাঁর সরাসরি বক্তব্য, ‘নৈরাজ্যকারী শেখ হাসিনা আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ডিসেম্বরে দেশে আসার পাঁয়তারা করছেন। আমরা বলতে চাই, ডিসেম্বরে না এসে এখনই আসুন। সাবধান হয়ে যান, অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবেন না। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

’ইতিহাস টেনে বর্তমানের বার্তা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি ও হুমকি দিয়ে দেশের উন্নয়নের ধারা বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে ফিরে আসে ইতিহাসের চারটি বাঁক—১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান। তাঁর ভাষ্যে, এসব আন্দোলন দমিয়ে রাখা যায়নি। গত ১৭ বছর জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছিল অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখে তাদের ক্ষমতায় এনেছে।’ বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

‘প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের গত ১৭ বছরের শাসনামল প্রসঙ্গে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, খুন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। মা-বোনদের সন্তানদের গুলি করে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লিটন, সদস্য সচিব এনামুল কাদির, যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু পল্লব রায়, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব রফিকুজ্জামান ভূঁইয়া মনি, পৌর বিএনপি নেতা হাসনাত মাহমুদ তালহাসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। পরে প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

জামালপুরে ‘হাজার হাজার কোটি’র অভিযোগ

নান্দাইলের রাজপথের উত্তাপ পেরিয়ে বিকেলে জামালপুর শহরে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী। এবার তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে আসে অর্থ লুটপাট ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ। তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন সেতু ও ওভারপাস নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, ‘লুটপাটের মাধ্যমে অর্জিত জনগণের সম্পদ তারা বিদেশে পাচার করেছে। এখন তারা দেশে অস্থিতিশীলতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ’

জামালপুরের মঞ্চেও ফিরে আসে সেই একই সতর্কতা। তিনি বলেন, ‘দেশে কোনো ধরনের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার সুযোগ দেওয়া হবে না। যারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’ দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বাধাগ্রস্ত করতে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান ইয়াসের খান চৌধুরী।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, সংসদ সদস্য এ কে এম সুলতান মাহমুদ বাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল হক, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি লোকমান আহমেদ খান লোটন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান সাফি, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সাজিব, পৌর বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আবদুল্লাহ আল মাসুদ। সমাবেশ শেষে মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে তমালতলায় গিয়ে শেষ হয়।

কালের আলো/এমএএএমকে