খুঁজুন
                               
, ,
           

রাজধানীর বাজারে শিমের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
রাজধানীর বাজারে শিমের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’

রাজধানীর বাজারে শীতের আগমনী সবজি শিমের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। রাস্তার পাশের ভ্যানে একই শিম বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ২২০ টাকা কেজি দরে। একই সঙ্গে টমেটো, বেগুন, করলা, পটোল, ঝিঙা, চিচিঙ্গাসহ বেশিরভাগ সবজির দামও ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুর, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়ার বিভিন্ন বাজার ও সড়কের পাশের ভ্যান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ও বেগুন ১০০ টাকা, শসা ও মূলা ৬০ টাকা, করলা, পটোল, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা পর্যন্ত।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে শিমের সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এর সঙ্গে পরিবহন ও বাজারজাতকরণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়েছে। কয়েক দফা হাতবদলের কারণে সেই দাম আরও বাড়ছে।

মিরপুর ৬ বাজারের সবজি বিক্রেতা মাইনুল হাসান বলেন, শিমের দাম বেশি হলেও ক্রেতাদের চাহিদা রয়েছে। তবে বাড়তি দামের কারণে অনেকে আগের তুলনায় কম পরিমাণে কিনছেন। এক কেজির পরিবর্তে আধা কেজি বা তারও কম শিম নিয়ে বাড়ি ফিরছেন তারা।

কাজীপাড়ার রাস্তার পাশের ভ্যান বিক্রেতা জালাল উদ্দিন বলেন, আড়ত থেকে সবজি কিনে আনার পর পরিবহন, শ্রমিকসহ বিভিন্ন খরচ রয়েছে। এ কারণে ভ্যানে কিছু সবজির দাম বাজারের দোকানের তুলনায় বেশি পড়ে। শিম ২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, একসঙ্গে কয়েক ধরনের সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষের সংসারের বাজার সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে আগের তুলনায় বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। ফলে অনেকে পছন্দের সবজি কম কিনছেন বা তুলনামূলক কম দামের সবজি বেছে নিচ্ছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, সবজির দাম মূলত সরবরাহ, পরিবহন ব্যয় ও মৌসুমি উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে। বাজারে শিমসহ মৌসুমি সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে বর্তমানে পরিবহন ও বাজারজাতকরণ ব্যয় বেশি থাকায় তার পুরো সুফল ক্রেতারা পাচ্ছেন না।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সিইসি জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর থেকে আন্দোলন, ঘোষণা সিজেপির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
সিইসি জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর থেকে আন্দোলন, ঘোষণা সিজেপির

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে আগামী ২ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দিপকে শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, গান্ধীজয়ন্তীর দিন মুম্বাই থেকে এই আন্দোলন শুরু হবে। পরে তা ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে সিজেপি। তাঁকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে দলটি জানায়, এই সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না করলে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করা হবে। একই সঙ্গে দলটি ‘Election Commission Thik Karo’ নামে একটি প্রচারাভিযানও শুরু করেছে।

শুক্রবারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে অভিজিত দিপকে বলেন, শনিবারের মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে সিজেপির দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হবে। পরে তা ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। গান্ধীজয়ন্তীতে ‘গণতন্ত্র রক্ষার শপথ’ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

সিজেপির এই অবস্থানের পেছনে মূলত নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ককে সামনে আনা হয়েছে। দলটির অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ সিজেপির বক্তব্য; এগুলো স্বাধীনভাবে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত নয়।

বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে অভিজিত দিপকে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন। তিনি তাঁকে দেশের ‘সবচেয়ে বড় দেশদ্রোহী’ এবং গণতন্ত্রের জন্য ‘সবচেয়ে বড় হুমকি’ বলে মন্তব্য করেন। এ ধরনের বক্তব্য তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ ও অবস্থানের অংশ।

সিজেপির এই কর্মসূচির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনও আলোচনায় এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক প্রতিবেদনে ভোটার তালিকার সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভেতরে প্রশ্ন ও আপত্তির কথা তুলে ধরা হয়। ওই প্রতিবেদনকে ভিত্তি করেই সিজেপি তাদের অভিযোগ ও আন্দোলনের কর্মসূচি সামনে এনেছে।

অভিজিত দিপকে একই সঙ্গে বিরোধী দলগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী দলগুলো যদি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কারচুপি বা ভোট চুরির অভিযোগ করে, তাহলে একই ব্যবস্থার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করা প্রয়োজন। এমনকি নির্বাচন বর্জনের কথাও তিনি পরোক্ষভাবে বলেছেন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি কমিশনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে বিজেপির শরিক দল লোক জনশক্তি পার্টির নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে মানুষের মধ্যে যেন সংশয় তৈরি না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

চিরাগ পাসোয়ানের বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তাই কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হলে সেটি দূর করার দায়িত্ব কমিশনেরই। তিনি সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের কাছে জনসমক্ষে কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

চিরাগ অবশ্য সিইসির পদত্যাগ দাবি করেননি। বরং তিনি বলেন, বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ; কিন্তু নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো জনগণের কাছে নিজেদের নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা স্পষ্ট করা।

এদিকে সিজেপির ঘোষণায় বলা হয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে আন্দোলন শুরু হবে। এরপর কর্মসূচি ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে রাজনৈতিক কর্মসূচির ঘোষণা সামনে এলো।

কালের আলো/এসএ

সাত দশকের সম্পর্ক শেষ, জার্মানির গায়ে আর দেখা যাবে না অ্যাডিডাস

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
সাত দশকের সম্পর্ক শেষ, জার্মানির গায়ে আর দেখা যাবে না অ্যাডিডাস

জার্মান জাতীয় ফুটবল দলে চলছে পরিবর্তনের সময়। কোচিংয়ে নতুন অধ্যায়ের পাশাপাশি দলটির দীর্ঘদিনের পরিচিত একটি সম্পর্কও এবার শেষের পথে। সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে জার্মান ফুটবলের সঙ্গে থাকা ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসকে বিদায় জানিয়ে ২০২৭ সাল থেকে নতুন চুক্তিতে নাইকির সঙ্গে পথচলা শুরু করতে যাচ্ছে জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফবি)।

সম্পর্কচ্ছেদের সেই অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে নেশনস লিগের ম্যাচে। আমস্টারডামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জার্মানির ১–১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে জার্মান খেলোয়াড়দের গায়ে দেখা গেছে অ্যাডিডাসের তৈরি শেষ জাতীয় দলের জার্সি।

কালো রঙের এই জার্সিটি জার্মানির প্রচলিত সাদা জার্সির চেয়ে একেবারেই আলাদা। ভি-নেক কলারের ওপর সাদা ও সোনালি রঙের বর্ডার এবং একই রঙের কালো শর্টস—সব মিলিয়ে বিশেষ নকশায় তৈরি করা হয়েছে জার্সিটি। জার্মানির সাবেক তারকা ফিলিপ লাম ও ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানকে সামনে রেখে কিছুদিন আগে এই জার্সি উন্মোচন করেছিল অ্যাডিডাস।

তবে জার্সিটির বিশেষত্ব শুধু নকশায় নয়। এটি জার্মান জাতীয় দলের জন্য অ্যাডিডাসের তৈরি শেষ জার্সি। এরপর আর জার্মানির জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের গায়ে এই জার্মান ব্র্যান্ডের তিন দাগের লোগো দেখা যাবে না।

জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ও অ্যাডিডাসের সম্পর্ক শুরু হয়েছিল ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপ থেকে। সেই আসরেই জার্মানি প্রথমবার অ্যাডিডাসের সঙ্গে জাতীয় দলের সরঞ্জাম নিয়ে পথচলা শুরু করে। এরপর বিশ্বকাপ, ইউরোসহ অসংখ্য বড় আসরে জার্মানির সাফল্যের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল অ্যাডিডাসের নাম।

জাতীয় দলের সঙ্গে কোনো ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের এত দীর্ঘ সম্পর্ক ফুটবল ইতিহাসে বিরল। জার্মান ফুটবলের পরিচিত সাদা জার্সি আর অ্যাডিডাসের তিন দাগ যেন দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের সমার্থক হয়ে উঠেছিল।

কিন্তু সেই সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিএফবি। ২০২৪ সালে তারা ঘোষণা দেয়, ২০২৬ সালের পর অ্যাডিডাসের সঙ্গে চুক্তি আর নবায়ন করা হবে না। ২০২৭ সাল থেকে জার্মান জাতীয় দলের নতুন সরঞ্জাম সরবরাহকারী হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান নাইকি।

এই পরিবর্তনের পেছনে বড় কারণ অর্থনৈতিক। জার্মান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, নাইকি বছরে প্রায় ১০ কোটি ইউরো দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। অ্যাডিডাসের আগের প্রস্তাবের তুলনায় এই অঙ্ক প্রায় দ্বিগুণ। তবে দরপত্রের আর্থিক তথ্য গোপন রাখার নিয়মের কারণে ডিএফবি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট অঙ্ক নিশ্চিত করেনি। তারা শুধু জানিয়েছে, নাইকি ‘সেরা আর্থিক প্রস্তাব’ দিয়েছিল।

ডিএফবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইকিকে নির্বাচিত করা হয়েছে। আগামী এক দশকে জার্মান ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এগিয়ে নিতে নতুন চুক্তিটি ভূমিকা রাখবে বলেও জানিয়েছিল সংস্থাটি।

তবে অ্যাডিডাসের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের সিদ্ধান্ত জার্মানিতে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে। দেশের অন্যতম পরিচিত ব্র্যান্ডের সঙ্গে জাতীয় দলের দীর্ঘ সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক ফুটবলপ্রেমী ও সাধারণ মানুষ হতাশা প্রকাশ করেন।

তৎকালীন জার্মান অর্থমন্ত্রী রবার্ট হাবেকও এ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তিনি অ্যাডিডাসের তিন দাগের লোগোর সঙ্গে জার্মান জাতীয় দলের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন, ‘থ্রি-স্ট্রাইপস’ ছাড়া জার্মানি জাতীয় দলকে কল্পনা করা তার জন্য কঠিন।

অন্যদিকে ডিএফবির যুক্তি ছিল, জাতীয় দলের সরঞ্জাম সরবরাহের চুক্তি শুধু আবেগের বিষয় নয়; অর্থনৈতিক দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ। নাইকির প্রস্তাব থেকে পাওয়া অতিরিক্ত অর্থ জার্মান ফুটবলের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও উন্নয়নে কাজে লাগানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অ্যাডিডাসের সঙ্গে এই সম্পর্কচ্ছেদের সময়েই জার্মানি জাতীয় দলেও এসেছে বড় পরিবর্তন। দলটির দীর্ঘদিনের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার এবং ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগারকে ঘিরে একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। কোচিংয়েও নতুন ভাবনা সামনে এসেছে।

ফলে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটি শুধু একটি নেশনস লিগের ম্যাচ হিসেবেই নয়, জার্মান ফুটবলের একটি দীর্ঘ ঐতিহ্যের শেষ অধ্যায়ের সূচনা হিসেবেও আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে। ১৯৫৪ বিশ্বকাপ থেকে শুরু হওয়া অ্যাডিডাস-জার্মানি সম্পর্ক ২০২৬ সালে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে। ২০২৭ সাল থেকে জার্মান ফুটবলের নতুন দৃশ্যপটে দেখা যাবে নাইকির লোগো।

কালের আলো/এসএ

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সিসিইউ চালুর আশ্বাস যশোরে

যশোর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সিসিইউ চালুর আশ্বাস যশোরে

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যশোরবাসীর জন্য পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) সেবা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

গুরুতর হৃদরোগীদের চিকিৎসার জন্য যাতে অন্য জেলায় যেতে না হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় যশোর সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত যশোর জেলা হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রোগীদের সেবা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।

সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি মূলত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে পূর্ববর্তী সভার সিদ্ধান্তগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

সিংহভাগ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অবশিষ্ট কাজগুলো দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে হাসপাতালের সেবা আরও উন্নত হবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যাতে উন্নত চিকিৎসাসেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিসিইউ চালু করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

দেশের সামগ্রিক গ্যাস ও জ্বালানি পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় বঙ্গোপসাগরে ভাসমান দুটি এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) থেকে এলএনজি খালাসে বৃহস্পতিবার কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। তবে শুক্রবার সকাল ৭টা ১৮ মিনিট থেকে খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিকেলের মধ্যেই গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসার কথা।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল ও কমলে দেশে দ্রুত সময়ে জ্বালানির দাম সমন্বয় করে জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নি, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা, যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত, যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ