খুঁজুন
                               
, ,
           

ঐতিহ্যের শীতলপাটি এবার পায়ের নিচে, স্বপ্ন বুনছেন চার শিক্ষার্থী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্যের শীতলপাটি এবার পায়ের নিচে, স্বপ্ন বুনছেন চার শিক্ষার্থী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চার শিক্ষার্থী ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটিকে আধুনিক পণ্যে রূপ দিয়ে নতুন বাজার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন। ‘বুনন বাজার’ নামে তাদের উদ্যোগের প্রথম পণ্য শীতলপাটির তৈরি স্যান্ডেল। দেশীয় উপকরণের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় কারিগরদের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিই তাদের লক্ষ্য।

একসময় গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে শীতলপাটির ব্যাপক ব্যবহার ছিল। গরমের দিনে মেঝেতে বিছিয়ে স্বস্তি পাওয়ার পাশাপাশি এর নকশা ও বুননে ফুটে উঠত বাংলার লোকজ ঐতিহ্য। সময়ের সঙ্গে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসায় শীতলপাটির ব্যবহার কমেছে। এতে সংকুচিত হয়েছে বাজার, অনিশ্চয়তায় পড়েছেন এ কারুশিল্পের সঙ্গে যুক্ত অনেক কারিগর।

এই বাস্তবতা থেকেই উদ্যোগের ভাবনা আসে রাবির ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষার্থী অপূর্ব কৃষ্ণ দের। টাঙ্গাইলের গ্রামের বাড়িতে ছোটবেলা থেকেই মূর্তা বা বেতি গাছ, শীতলপাটি ও কারিগরদের কাজ দেখে বড় হয়েছেন তিনি। পরিবারের অনেকেই মূর্তা চাষের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় শীতলপাটির কাঁচামাল সংগ্রহ ও তৈরির প্রক্রিয়াও তার পরিচিত ছিল।

শীতলপাটির চাহিদা কমে যাওয়ার বিষয়টি তাকে ভাবিয়ে তোলে। ঐতিহ্যবাহী এই উপকরণকে আধুনিক পণ্যে ব্যবহার করা গেলে নতুন বাজার তৈরি হওয়ার পাশাপাশি কারিগরদের বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে—এমন চিন্তা থেকেই শুরু হয় উদ্যোগটি।

পরে তার সঙ্গে যুক্ত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আবির দে, মো. আশিক মিয়া ও চৌধুরী খুবাইব বিন করিম। চারজন মিলে উদ্যোগটির নাম দেন ‘বুনন বাজার’।

ক্লাসরুমের ধারণা থেকে বাস্তব উদ্যোগ

বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টারপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্ট কোর্সের ব্যবহারিক অংশে ব্যবসায়িক ধারণাটি উপস্থাপন করেন তারা। প্রায় ১০টি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিতকরণ, ক্রেতার চাহিদা, বাজার সম্ভাবনা, ব্যবসায়িক মডেল, বিপণন কৌশল ও আর্থিক সম্ভাব্যতা বিশ্লেষণ করেন শিক্ষার্থীরা।

পরে বিভিন্ন পিচিং ও উদ্যোক্তা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ক্রেতাদের মতামত এবং মেন্টরদের পরামর্শের ভিত্তিতে উদ্যোগটিকে আরও পরিণত করেন তারা।

শীতলপাটি থেকে স্যান্ডেল

শীতলপাটি দিয়ে স্যান্ডেল তৈরি করতে গিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে উদ্যোক্তাদের। পাটির বুনন, ঘনত্ব, নমনীয়তা, আকার, কাটিং, স্ট্র্যাপের অবস্থান এবং সোলের সঙ্গে সংযোগ—প্রতিটি বিষয় নিয়ে একাধিকবার কাজ করতে হয়েছে।

স্যান্ডেলটি যেন দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ার পাশাপাশি আরামদায়ক ও টেকসই হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা। এজন্য সাধারণ শীতলপাটির পরিবর্তে স্যান্ডেল তৈরির উপযোগী মান ও ঘনত্বের পাটি তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া হয়।

একাধিক প্রোটোটাইপ তৈরির পর সম্ভাব্য ক্রেতাদের মতামত নিয়ে বর্তমান নকশায় পৌঁছেছেন তারা। বর্তমানে ‘বুনন বাজার’-এর তৈরি শীতলপাটির স্যান্ডেলের বিক্রয়মূল্য ৬৫০ টাকা।

কারিগরদের নতুন বাজার তৈরির লক্ষ্য

উদ্যোক্তারা স্থানীয় কারিগরদের সঙ্গে কাজ করে স্যান্ডেল তৈরির উপযোগী শীতলপাটি সংগ্রহ করছেন। তাদের লক্ষ্য শুধু কাঁচামাল সংগ্রহ নয়, বরং ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের দক্ষতাকে আধুনিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা।

তাদের মতে, শীতলপাটির ব্যবহার কমে গেলে শুধু একটি পণ্যের বাজারই সংকুচিত হয় না, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কারিগরদের কাজের সুযোগও কমে যায়। নতুন পণ্য তৈরির মাধ্যমে শীতলপাটির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি কারিগরদের জন্য নতুন বাজার তৈরি করতে চান তারা।

পেয়েছে অর্থায়ন ও স্বীকৃতি

দ্য আর্থ সোসাইটির সহযোগিতায় এবং নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহায়তায় আয়োজিত গ্রিন ভয়েস মাস্টার বুটক্যাম্প থেকে এক লাখ টাকা তহবিল পেয়েছে ‘বুনন বাজার’। এই অর্থ দিয়ে প্রোটোটাইপ তৈরি ও পণ্য পরীক্ষার কাজ এগিয়ে নেন তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাল্ট প্রাইজ প্রতিযোগিতায় উদ্যোগটি প্রথম রানারআপ হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টারপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব আয়োজিত প্রতিযোগিতায় সেরা আট উদ্যোগের মধ্যে জায়গা করে নেয়। ওই প্রতিযোগিতায় আকিজ রিসোর্সেসের পৃষ্ঠপোষকতায় চার উদ্যোক্তাই ইন্টার্নশিপের সুযোগ পান।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারেও প্রদর্শিত হয়েছে তাদের তৈরি শীতলপাটির স্যান্ডেল। সেখানে কয়েক জোড়া স্যান্ডেল বিক্রিও হয়েছে।

সামনে বড় পরিসরে যাওয়ার পরিকল্পনা

শুধু স্যান্ডেলেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না চার শিক্ষার্থী। দেশীয় ঐতিহ্যবাহী উপকরণকে কেন্দ্র করে ‘বুনন বাজার’-কে পূর্ণাঙ্গ লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চান তারা। ভবিষ্যতে ব্যাগ, ঘর সাজানোর সামগ্রীসহ বিভিন্ন টেকসই পণ্য তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

একই সঙ্গে স্থানীয় কারিগরদের যুক্ত করে ক্লাস্টারভিত্তিক উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান উদ্যোক্তারা। তবে হাতে তৈরি পণ্যের উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় ও ক্রেতার সাধ্যের মধ্যে ভারসাম্য রাখা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

তবু একটি শ্রেণিকক্ষের ধারণা থেকে শুরু করে প্রোটোটাইপ তৈরি, উদ্যোক্তা প্রতিযোগিতায় সাফল্য, অর্থায়ন পাওয়া এবং বাস্তব ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার মতো কয়েকটি ধাপ ইতোমধ্যে পেরিয়েছে ‘বুনন বাজার’।

একসময় যে শীতলপাটি ঘরের মেঝেতে বিছিয়ে মানুষকে স্বস্তি দিত, সেই পরিচিত বুনন এখন নতুন রূপে জায়গা করে নিচ্ছে মানুষের পায়ের নিচেও। ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সঙ্গে মিলিয়ে সেই বুননেই নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন রাবির চার শিক্ষার্থী।

কালের আলো/এমএসআইপি 

নারী-শিশুর বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা বন্ধে শক্তিশালী পদক্ষেপ চান শামা ওবায়েদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
নারী-শিশুর বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা বন্ধে শক্তিশালী পদক্ষেপ চান শামা ওবায়েদ

নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধে আরও শক্তিশালী বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহের পার্শ্ব বৈঠক হিসেবে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘জি-৭৭ ও উদীয়মান অংশীদারদের প্রযুক্তি সহায়তাপ্রসূত নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে’ এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে শামা ওবায়েদ বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ আরও জোরদার করেছে। এর মধ্যে দ্রুত তদন্ত ও বিচার, আইনি সহায়তা, সামাজিক সুরক্ষা, পুনর্বাসন, নিরাপদ আশ্রয় এবং মানসিক সহায়তার মতো কার্যক্রম রয়েছে।

নারীদের নিরাপদ গণপরিবহন নিশ্চিত করতে সম্প্রতি চালু হওয়া বিশেষ ‘পিংক বাস সার্ভিস’ উদ্যোগের কথাও বৈঠকে তুলে ধরেন তিনি।

এ ছাড়া সংঘাতপ্রবণ পরিস্থিতিতে নারীদের সুরক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নারী ও কন্যাশিশুদের সহায়তায় নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে ডিজিটাল হয়রানি প্রতিরোধে বাংলাদেশের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ ‘ঢাকা ডায়ালগ’-এর বিষয়েও আলোচনা করেন শামা ওবায়েদ। এ উদ্যোগের আওতায় ডিজিটাল হয়রানি প্রতিরোধ, তদন্ত ও মোকাবিলায় স্বেচ্ছামূলক নির্দেশিকা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি এ উদ্যোগের ‘গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস’-এ যোগ দিতে সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

ক্রোয়েশিয়া ও জাতিসংঘ নারী সংস্থা (ইউএন উইমেন) আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে উদীয়মান ডিজিটাল হুমকি নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে অনলাইন হয়রানি, মানহানি, পরিচয় জালিয়াতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর অপব্যবহারের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

কালের আলো/এমএসআইপি 

এলএনজি ট্রান্সফার শুরু, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
এলএনজি ট্রান্সফার শুরু, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি

কক্সবাজারের মহেশখালী ভাসমান টার্মিনালে কার্গো থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থানান্তর শুরু হওয়ায় দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালী ভাসমান টার্মিনালে কার্গো থেকে এলএনজি স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর ফলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং স্বাভাবিক সরবরাহ ফিরতে শুরু করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে গ্যাস স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বিঘ্নের কথা জানিয়েছিল পেট্রোবাংলা। এর প্রভাবে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা কমে যায়।

পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে। আবহাওয়ার উন্নতির পর এখন এলএনজি স্থানান্তর কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় সরবরাহ পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হওয়ার পথে রয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

জাতিসংঘকে ভবিষ্যৎ উপযোগী করতে সংস্কারের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১০ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘকে ভবিষ্যৎ উপযোগী করতে সংস্কারের আহ্বান

জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে এটি অপরিহার্য এবং এর কোনো বিকল্প অকল্পনীয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘের কোথায় কোথায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে হবে। যেসব বিষয় বর্তমানে কার্যকর নয়, সেগুলোতে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হবে।

তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের আলোচনায় শিল্পখাতের নেতা থেকে শুরু করে তরুণ পরিবর্তনকারীদের মতো আরও বেশি কণ্ঠকে যুক্ত করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে জাতিসংঘের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব আরও বিস্তৃত করা সম্ভব হবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘আস্থা চাওয়া যায় না, এটি অর্জন করতে হয়।’

তিনি আরও বলেন, এবারের অধিবেশন এমন একটি জাতিসংঘ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করেছে, যা কঠিন বাস্তবতা মোকাবিলায় যথেষ্ট বাস্তববাদী, সংস্কারের জন্য সাহসী এবং প্রয়োজনীয় অংশীজনদের অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে উন্মুক্ত।

ড. খলিলুর রহমানের মতে, প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বৃহত্তর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই জাতিসংঘকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও উপযোগী করে তোলা সম্ভব।

কালের আলো/এমএসআইপি