খুঁজুন
                               
, ,
           

শ্রম মন্ত্রণালয়ে ১৫ পদে নিয়োগ

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
শ্রম মন্ত্রণালয়ে ১৫ পদে নিয়োগ

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ১২ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পদে মোট ১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ১৪ অক্টোবর ২০২৬।

পদ ও বেতন

১. হিসাবরক্ষক
পদসংখ্যা: ১টি।
গ্রেড: ১২।
বেতন স্কেল: ১১,৩০০ থেকে ২৭,৩০০ টাকা।

২. সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ৩টি।
গ্রেড: ১৩।
বেতন স্কেল: ১১,০০০ থেকে ২৬,৫৯০ টাকা।

৩. অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৩টি।
গ্রেড: ১৬।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ থেকে ২২,৪৯০ টাকা।

৪. অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৮টি।
গ্রেড: ২০।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ থেকে ২০,০১০ টাকা।

সব মিলিয়ে চারটি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে মোট ১৫ জনকে।

বয়সসীমা

আবেদনকারীর বয়স ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।

আবেদন পদ্ধতি

নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। আবেদন করার আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য শর্ত ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

আবেদন ফি

পদের ধরন অনুযায়ী আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

হিসাবরক্ষক পদে আবেদন ফি ১৬৮ টাকা,সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে আবেদন ফি ১১২ টাকা,অফিস সহায়ক পদে আবেদন ফি ৫৬ টাকা।

আবেদনের শেষ সময়

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এই নিয়োগে আবেদন করার শেষ তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২৬। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত যোগ্যতা, আবেদন পদ্ধতি, পরীক্ষার সময়সূচি ও অন্যান্য শর্ত সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ

পার্কিং নিয়ে বিরোধ, প্রকাশ্যে গুলি করে তিন খুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
পার্কিং নিয়ে বিরোধ, প্রকাশ্যে গুলি করে তিন খুন

ভারতের উত্তর প্রদেশের লক্ষ্ণৌতে গাড়ি পার্কিং নিয়ে বিরোধের জেরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় নতুন একটি ভিডিও সামনে এসেছে। এতে দেখা গেছে, প্রকাশ্য রাস্তায় মাত্র ২২ সেকেন্ডের মধ্যে পাঁচবার গুলি ছোড়েন অভিযুক্ত ব্যক্তি। প্রথমে দুই রাউন্ড গুলি করার পর পিস্তলে আবার গুলি ভরে আরও তিনবার গুলি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত ভিডিওটির বরাতে শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

ভিডিওতে ২২ সেকেন্ডের হামলার দৃশ্য
পুলিশের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম শুক্লা। ভিডিওতে গুলি চালানোর পর তাকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ‘ওরা আমাকে ইট দিয়ে মেরেছে, তাই আমি গুলি করেছি।’ পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত পিস্তল এবং চারটি খালি কার্তুজ অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই তাকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পার্কিং নিয়ে বিরোধ থেকে প্রাণঘাতী হামলা
গত ২৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষ্ণৌর সাদাতগঞ্জ এলাকায় একটি খালি জায়গায় গাড়ি পার্কিং নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ৩০ বছর বয়সী শুক্লা গুলি চালান বলে পুলিশের অভিযোগ। এতে তিওয়ারি পরিবারের তিন সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। তারা হলেন শিবাজি তিওয়ারি (৬২), শিবেন্দ্র তিওয়ারি (৫৫) ও সুয়াশ তিওয়ারি (৩০)। পরে তাদের কিং জর্জ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রমা সেন্টারে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত শুক্লা একসময় বাণিজ্যিক জাহাজে নেভিগেশন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেন।

হত্যা ও দাঙ্গার অভিযোগে মামলা
নিহত শিবেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী রুচি তিওয়ারির অভিযোগের ভিত্তিতে এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় আটজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও দাঙ্গার অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাদাতগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার আর্য এবং কাশ্মীরি মহল্লা পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অজয় কুমার চৌরাসিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

লক্ষ্ণৌ পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ কমিশনার তরুণ গৌবা এ ব্যবস্থা নিয়েছেন। বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নিহতদের একজন লক্ষ্ণৌতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) জেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল ছিলেন। ঘটনার পর নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছেন বিজেপি ও আরএসএস-সংশ্লিষ্ট নেতারা। পরে ন্যায়বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন স্বজনেরা।

সূত্র এনডিটিভি ও পিটিআই,

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে ত্রুটি, তদন্তে কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে ত্রুটি, তদন্তে কমিটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান, সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা নির্ধারণ করবে চার সদস্যের এই কমিটি। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় ফেরার আগে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৩৭৭-এ এ ত্রুটি দেখা দেয়।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রশাসন সেলের পরিচালক মো. নিয়ামুল কবির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।

চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
অফিস আদেশ অনুযায়ী, কমিটির সভাপতি করা হয়েছে চিফ (প্রশাসন ও সিভিল) পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাকশন) এবং ডেপুটি চিফ (ফ্লাইট সেফটি)। এ ছাড়া ব্যবস্থাপক (আইনবিষয়ক) পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে বিমানের যেকোনো কর্মকর্তাকে কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

ত্রুটির কারণ ও দায়িত্বে অবহেলা খতিয়ে দেখবে কমিটি
তদন্ত কমিটিকে নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট বিজি-৩৭৭-এর উড্ডয়নের আগে দেখা দেওয়া কারিগরি ত্রুটির প্রকৃত কারণ ও ধরন অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ত্রুটি শনাক্তকরণ ও নিরসনে কী ধরনের কারিগরি এবং পরিচালনাগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, তা পর্যালোচনা করবে কমিটি। ভবিষ্যতে ডেডিকেটেড এয়ারক্রাফটের উন্নয়ন ও উপযোগিতা নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, সেটিও তদন্তের আওতায় থাকবে।

ফ্লাইট বিলম্ব ও অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রভাব পর্যালোচনা
ঘটনার কারণে ফ্লাইটের বিলম্ব, অতিরিক্ত পরিচালন ব্যয় এবং যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি। একই সঙ্গে এ ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তির ওপর কী প্রভাব পড়েছে, তা নিরূপণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পর্যালোচনা করে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে অবহেলা, সমন্বয়হীনতা কিংবা প্রক্রিয়াগত ত্রুটি ছিল কি না, তা যাচাই করা হবে।

চার কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন
তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সুপারিশও তৈরি করবে কমিটি। অফিস আদেশে বলা হয়েছে, কমিটিকে আগামী চার কর্মদিবসের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

পুরোনো বগি বদলে যুক্ত হবে ২০০ কোচ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
পুরোনো বগি বদলে যুক্ত হবে ২০০ কোচ

বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে পর্যায়ক্রমে যুক্ত হচ্ছে প্রায় ২০০টি নতুন কোচ। এসব কোচ দিয়ে নতুন ট্রেন চালুর পাশাপাশি পুরোনো ও জরাজীর্ণ কোচ প্রতিস্থাপন করা হবে। এরই মধ্যে দেশে আসা নতুন কোচের একটি অংশ দিয়ে প্রাথমিকভাবে নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে রেলওয়ে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন। এ সময় তিনি রেলওয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং যাত্রীসেবার মান বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

নতুন কোচ দিয়ে চালু হবে ট্রেন
রেলওয়ের মহাপরিচালক জানান, প্রায় ২০০টি নতুন কোচ পর্যায়ক্রমে রেলবহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এর একটি অংশ ইতিমধ্যে দেশে এসেছে। এসব কোচ ব্যবহার করে প্রাথমিক পর্যায়ে একটি নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আরও কোচ দেশে আসার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে নতুন ট্রেন চালু করা হবে। একই সঙ্গে পুরোনো ও জরাজীর্ণ কোচগুলো পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করা হবে।

পঞ্চগড়-কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন নিয়ে পরিকল্পনা
পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন মহাপরিচালক। তিনি জানান, বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। তবে দেশের সব রেলপথ এখনো ব্রডগেজে রূপান্তরিত না হওয়ায় এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, রেলপথগুলো ব্রডগেজে রূপান্তরের বিষয়টি বিবেচনার পাশাপাশি পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত দীর্ঘ পথে পর্যাপ্ত যাত্রী পাওয়া যাবে কি না, সেটিও যাচাই করতে হবে।

বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণে ভারতের সংযোগ জরুরি
পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের বিষয়ে আফজাল হোসেন বলেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হলে ভারতের অংশেও রেলপথের সংযোগ প্রয়োজন। শুধু বাংলাদেশের অংশে রেললাইন নির্মাণ করলে প্রত্যাশিত আঞ্চলিক যোগাযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে না। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে দুই দেশের সম্মতি প্রয়োজন বলে জানান তিনি। বর্তমানে বিষয়টি বিবেচনাধীন থাকলেও কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

যাত্রী চাহিদা অনুযায়ী বাড়বে সুবিধা
মহাপরিচালক আরও জানান, রেলওয়ের বিভিন্ন স্টেশনে মালামাল ওঠানো-নামানোর সুবিধা এবং যাত্রীদের চাহিদা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেসব স্টেশনে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাহিদা বেশি, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী রেললাইন সম্প্রসারণ, লুপ লাইন বৃদ্ধি এবং ট্রেনের কোচের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনকালে স্টেশন মাস্টার জাহিদ হাসানসহ রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি