খুঁজুন
                               
, ,
           

কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমায় পরিবর্তন আনছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমায় পরিবর্তন আনছে সরকার

মাঠ পর্যায়ে রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা বাড়াতে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৬৪ সংশোধনের জন্য অধ্যাদেশটির খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়।

সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, প্রতি তিন কর মেয়াদ শেষে একবার রিটার্ন দাখিলের পরিবর্তে প্রত্যেক কর মেয়াদ শেষ হওয়ার অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র জমা দিতে হবে। ১৫তম দিনে সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে তা জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বিমা এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর মেয়াদ শেষ হওয়ার অনধিক ২০ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র জমা দিতে পারবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে অধ্যাদেশটির খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বাণিজ্যমেলার মাঠে পরিত্যক্ত ১৫ ককটেল উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ
বাণিজ্যমেলার মাঠে পরিত্যক্ত ১৫ ককটেল উদ্ধার

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠ এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৫টি ককটেল উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগারগাঁও বাণিজ্যমেলার মাঠের একটি অংশে অভিযান চালিয়ে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ।

শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মনির জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে এসআরবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৫টি ককটেল দেখতে পান। পরে সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের অন্তর্গত বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি নিরাপত্তার জন্য কর্ডন করে।

পরে নিরাপদ পরিবেশে ককটেলগুলো উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এসব ককটেল কারা এবং কী উদ্দেশ্যে সেখানে রেখে গেছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ইরানের আকাশে মার্কিন চাপের কালো মেঘ

কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, কালের আলো:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৫ অপরাহ্ণ
ইরানের আকাশে মার্কিন চাপের কালো মেঘ

যুদ্ধের আগুন কিছুটা নিভেছে। কিন্তু ইরানের চারপাশের পথগুলো একে একে বন্ধ হচ্ছে। কোথাও ফ্লাইট নেই, কোথাও বিমানবন্দরসেবা অনিশ্চিত, কোথাও জ্বালানি দিতে প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বিধায়। আকাশ খোলা থাকলেও ইরানের জন্য আন্তর্জাতিক আকাশপথ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।

  • ৩৬ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা
  • বিদেশি এয়ারলাইন ও সেবা প্রতিষ্ঠানও পড়ছে ওয়াশিংটনের নজরে
  • মিত্র দেশগুলোর প্রতিষ্ঠানকে ওয়াশিংটনের কড়া বার্তা

এবার যুদ্ধের ময়দানে নয়—ইরানের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে আকাশে, ব্যাংকে ও বাণিজ্যের পথে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞায় শুধু ইরানি বিমান সংস্থাকে নিশানা করা হয়নি। তাদের সঙ্গে কাজ করা বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ঝুঁকির মুখে ফেলা হয়েছে।

জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কিংবা টিকিট বিক্রিতে সহায়তা করলেও মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার হারানোর আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা এখন শুধু বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নয়; হয়ে উঠছে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির হিসাব।

৩৬ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানে নতুন নিষেধাজ্ঞা
গত ৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিমান চলাচল খাতসংশ্লিষ্ট ৩৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তালিকায় রয়েছে ২৭টি ইরানি বিমান সংস্থা। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি বেসামরিক যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি সামরিক সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়েছে। ইরান অবশ্য এ ধরনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
কিন্তু নিষেধাজ্ঞার আসল অভিঘাত তালিকার বাইরেও।

কারণ ইরানি কোনো এয়ারলাইনকে জ্বালানি দেওয়া, বিমানবন্দরে সেবা দেওয়া কিংবা আর্থিক লেনদেনে সহায়তা করা বিদেশি প্রতিষ্ঠানও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ফলে ইরানের বিমান চলাচল ব্যবস্থাকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে এক ধরনের পরোক্ষ অবরোধ।

একের পর এক রুট হারাচ্ছে তেহরান
এরই মধ্যে ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগে তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত হয়েছে। মাহান এয়ার তেহরান থেকে ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার ফ্লাইট বন্ধ করেছে। তুরস্কের টার্কিশ এয়ারলাইনস, পেগাসাস ও আজেটও ইরানের সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

মাসকাট, ইস্তাম্বুল, আঙ্কারা কিংবা জর্জিয়ার পথ—বিকল্প যত কমছে, ততই কঠিন হচ্ছে ইরান থেকে বেরিয়ে আসা বা সেখানে পৌঁছানো। তবে পুরো আকাশ বন্ধ হয়ে যায়নি। ইরানের জাতীয় বিমান সংস্থার কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু রয়েছে। ইস্তাম্বুল, বাকু ও নাজাফের মতো কিছু রুটও কার্যকর থাকার তথ্য রয়েছে। চীন ও রাশিয়ার সঙ্গেও বিমান যোগাযোগ অব্যাহত আছে। অর্থাৎ ইরান এখনো পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন নয়। কিন্তু তার আন্তর্জাতিক যোগাযোগের পরিধি সংকুচিত হচ্ছে—এটাই নতুন বাস্তবতা।

আকাশ বন্ধ করতে হয় না, পথ বন্ধ করলেই হয়
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি কোনো দেশের আকাশসীমা বন্ধ করতে পারে না। কিন্তু একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালাতে শুধু আকাশসীমার অনুমতি যথেষ্ট নয়। লাগে জ্বালানি। লাগে বিমানবন্দর। লাগে গ্রাউন্ড সার্ভিস। লাগে রক্ষণাবেক্ষণ। লাগে বিমা ও ব্যাংকিং সুবিধা। লাগে আন্তর্জাতিক টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা। এই প্রতিটি জায়গায় যদি নিষেধাজ্ঞার চাপ তৈরি হয়, তাহলে আকাশ খোলা রেখেও একটি দেশের বিমান যোগাযোগ কার্যত সংকুচিত করা সম্ভব। ইরানের ক্ষেত্রে এখন সেই চাপই দৃশ্যমান হচ্ছে।

ব্যাংকের দরজাও সংকুচিত
বিমানপথের পাশাপাশি আর্থিক যোগাযোগেও চাপ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। ইরানের সঙ্গে লেনদেনের অভিযোগে বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হচ্ছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও বলেছেন, ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টায় ওয়াশিংটন অগ্রগতি করছে। অর্থাৎ লক্ষ্য শুধু একটি দেশের বিমান চলাচল সীমিত করা নয়; আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে তেহরানের সংযোগ দুর্বল করাও এর অংশ। এখানেই নিষেধাজ্ঞার প্রকৃত শক্তি। ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে না গিয়েও তার বাণিজ্যিক অংশীদারদের সামনে ঝুঁকি তৈরি করা।

বিপদে পড়ছে সাধারণ মানুষ
এই ভূরাজনৈতিক লড়াইয়ের সবচেয়ে বাস্তব চাপ পড়ে যাত্রীদের ওপর। যুদ্ধের সময় ইরান থেকে বাংলাদেশিদের দেশে ফেরাতেও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। মার্চে আজারবাইজানের মাধ্যমে ১৮৬ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এপ্রিলে আরও ১৪ বাংলাদেশিকে ফেরানোর ব্যবস্থা করে বাংলাদেশ দূতাবাস। তাঁদের মধ্যে বন্দর আব্বাসে আটকে পড়া ব্যক্তি, জেনাভেহ বন্দরে থাকা নাবিক এবং চিকিৎসার জন্য গিয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশিও ছিলেন। অনেককেই ইরান থেকে স্থলপথে সীমান্ত পেরিয়ে পরে বিমানে দেশে ফিরতে হয়েছে। অর্থাৎ একটি ফ্লাইট বন্ধ হওয়ার অর্থ শুধু একটি রুটের সূচি বদলে যাওয়া নয়। এর অর্থ—আরও দীর্ঘ পথ, বেশি খরচ, বাড়তি ঝুঁকি এবং অনিশ্চিত প্রত্যাবর্তন।

যুদ্ধের পর নতুন যুদ্ধ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের এভিয়েশন সেফটি এজেন্সিও ইরানের আকাশসীমাকে উচ্চঝুঁকির এলাকা হিসেবে বিবেচনা করছে। সংস্থাটির সতর্কতা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল রয়েছে। ফলে তেহরানের ওপর চাপ এখন তিন দিক থেকে—নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ। যুদ্ধের সময় বোমা যেমন একটি বিমানবন্দর অচল করে দিতে পারে, নিষেধাজ্ঞা তেমনি অচল করে দিতে পারে তার চারপাশের পুরো সেবাব্যবস্থা। ইরানের সামনে তাই নতুন লড়াই। এবার রণক্ষেত্রে নয়। একটি একটি করে বন্ধ হচ্ছে পথ। কমছে আকাশের দরজা। সংকুচিত হচ্ছে ব্যাংক ও বাণিজ্যের জানালা।

কালের আলো/জিকেএম/এমকে

কার্গো সংকটে এলপিজি, বাড়ছে সিলিন্ডারের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
কার্গো সংকটে এলপিজি, বাড়ছে সিলিন্ডারের দাম

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) আমদানি কমে যাওয়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে খুচরা বাজারে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দুই হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বর্তমানে প্রতি সিলিন্ডারে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বিইআরসি ও আমদানিকারক সূত্র জানায়, আগস্টে দেশে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করা হলেও সেপ্টেম্বরে তা কমে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক মাসে আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ হাজার টন বা ২৫ শতাংশ।

গত ২ সেপ্টেম্বর ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। কিন্তু সরবরাহ সংকটের কারণে বর্তমানে বাজারে একই সিলিন্ডার কিনতে ভোক্তাদের ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে আমদানিতে প্রভাব

আমদানিকারকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। এতে জাহাজ সংকটের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। বাংলাদেশের এলপিজির বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি হওয়ায় এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।

মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) আবু সাঈদ রেজা বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে প্রয়োজনীয় কার্গো পাওয়া। আগে একটি নৌপথ বন্ধ থাকলে বিকল্প পথে কার্গো আনা সম্ভব হতো। এখন সেই সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে।

তিনি জানান, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকার পরও অনেক বৈশ্বিক সরবরাহকারী প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। এমনকি বাড়তি প্রিমিয়াম দিয়েও খোলাবাজার থেকে প্রয়োজনীয় কার্গো সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সদস্যদের দাবি, কার্গো প্রিমিয়াম টনপ্রতি ১৬০ ডলার থেকে বেড়ে বর্তমানে ২৬০ থেকে ৪০০ ডলারে উঠেছে।

অক্টোবরেও সংকটের আশঙ্কা

ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানজীম চৌধুরী বলেন, সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছে। বৈশ্বিক সংকটের কারণে উৎপাদক পর্যায় থেকে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত জাহাজ যথাসময়ে দেশে না পৌঁছানোয় সেপ্টেম্বরে বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সংকট কাটাতে দ্রুত আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক নৌপথের জটিলতা দ্রুত না কাটলে এবং প্রয়োজনীয় কার্গো নিশ্চিত করা না গেলে অক্টোবর মাসেও এলপিজির সরবরাহ সংকট অব্যাহত থাকার ঝুঁকি রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি