খুঁজুন
                               
, ,
           

আইসিবিতে ২২ পদে চাকরি

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
আইসিবিতে ২২ পদে চাকরি

আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পিএলসিতে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ৯ম থেকে ২০তম গ্রেডে মোট সাত ধরনের পদে ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ২৭ অক্টোবর ২০২৬।

কোন পদে কত নিয়োগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেওয়া হবে সিনিয়র অফিসার পদে। এ পদে পাঁচজন নেওয়া হবে। পদটির বেতন স্কেল ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা এবং গ্রেড-৯।

একই গ্রেডে অ্যাসিস্ট্যান্ট ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট পদে দুজন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার পদে চারজন নিয়োগ দেওয়া হবে। উভয় পদের বেতন স্কেলও ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা।

অফিসার পদে দুজন নিয়োগ দেওয়া হবে। এ পদের গ্রেড-১০ এবং বেতন স্কেল ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা।

অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (ডাটা এন্ট্রি অপারেটর) পদে চারজন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (ক্যাশিয়ার) পদে একজন নিয়োগ দেওয়া হবে। দুটি পদই গ্রেড-১৬-এর। এ গ্রেডের বেতন স্কেল ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

এ ছাড়া অফিস সহায়ক পদে চারজন নেওয়া হবে। এ পদটি গ্রেড-২০-এর এবং বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

পদ ও বেতন স্কেল

১. সিনিয়র অফিসার
পদসংখ্যা: ৫
গ্রেড: ৯
বেতন স্কেল: ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা

২. অ্যাসিস্ট্যান্ট ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট
পদসংখ্যা: ২
গ্রেড: ৯
বেতন স্কেল: ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা

৩. অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার
পদসংখ্যা: ৪
গ্রেড: ৯
বেতন স্কেল: ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা

৪. অফিসার
পদসংখ্যা: ২
গ্রেড: ১০
বেতন স্কেল: ১৬,০০০–৩৮,৬৪০ টাকা

৫. অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (ডাটা এন্ট্রি অপারেটর)
পদসংখ্যা: ৪
গ্রেড: ১৬
বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

৬. অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (ক্যাশিয়ার)
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড: ১৬
বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

৭. অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৪
গ্রেড: ২০
বেতন স্কেল: ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা

যেভাবে আবেদন

আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পিএলসির এই নিয়োগে আবেদন করতে হবে অনলাইনে। আবেদন শুরু হবে ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে। প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২৬।

আবেদন ফি

পদভেদে আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি ২০০ টাকা। ৫ ও ৬ নম্বর পদের জন্য ফি ১০০ টাকা। আর ৭ নম্বর অর্থাৎ অফিস সহায়ক পদের জন্য আবেদন ফি ৫০ টাকা।

মোট ২২টি পদে নিয়োগের এই বিজ্ঞপ্তিতে নবম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের প্রার্থীদের জন্য আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। আগ্রহীদের আবেদন করার আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত ভালোভাবে দেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

কালের আলো/এসএ

স্ত্রীর মৃত্যুর পরই হাসপাতালে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
স্ত্রীর মৃত্যুর পরই হাসপাতালে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী

স্ত্রীর মৃত্যুর এক দিন পরই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট (আইজেএন) হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তার কার্যালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

১০১ বছর বয়সী মাহাথিরকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

‘গত দুই দিন তার জন্য বেশ কঠিন ছিল’

মাহাথিরের দীর্ঘদিনের সহকারী সুফি ইউসুফ এএফপিকে জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের কাছ থেকে তার শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

মাহাথিরের ছেলে মোখজানি বুধবার মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামাকে বলেন, পর্যবেক্ষণের জন্য তার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গত দুই দিন মাহাথিরের জন্য বেশ কঠিন ছিল। তবে বর্তমানে তিনি ভালো আছেন এবং উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

এক দিন আগেই মারা যান স্ত্রী

মাহাথির হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঠিক এক দিন আগে মারা যান তার স্ত্রী সিতি হাসমাহ মোহাম্মদ আলী। ১০০ বছর বয়সী সিতি হাসমাহও কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তারা মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণভাবে পরিচিত ছিলেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর মাহাথিরকে নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ছোট ভিডিওতে পাহাংয়ের সুলতান আবদুল্লাহ আহমদ শাহের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মাহাথিরকে। সেখানে স্ত্রীর মৃত্যুতে নিজের কষ্ট ও অবিশ্বাসের কথা জানান তিনি।

মাহাথির বলেন, ‘আজ তাকে হারাব, তা আমি ভাবিনি।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিকবার হাসপাতালে

বয়সজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকবার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে মাহাথিরকে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাড়িতে পড়ে গিয়ে তার ডান নিতম্বের হাড় ভেঙে যায়। এরপর প্রায় তিন সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। বয়সের কারণে চিকিৎসকেরা তার অস্ত্রোপচার না করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর থেকে হুইলচেয়ার ব্যবহার করছেন মাহাথির।

জুলাইয়ে নিজের ১০০তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে প্রায় দুই সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগের সমস্যাতেও ভুগছেন মাহাথির। ১৯৮৯ ও ২০০৭ সালে তার দুটি বাইপাস অস্ত্রোপচার হয়েছিল।

মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে দীর্ঘ প্রভাব

মাহাথির মোহাম্মদ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা। তিনি ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত প্রথম দফায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দীর্ঘ এই সময়ে দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে।

তার সরকারের সময়ে কৃষিনির্ভর অর্থনীতি থেকে মালয়েশিয়া শিল্প ও উৎপাদন খাতে আরও এগিয়ে যায়। দেশজুড়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প, সড়ক নির্মাণ ও শিল্পায়নের বিস্তার ঘটে।

১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে এশিয়ার আর্থিক সংকটের সময় মাহাথিরের অর্থনৈতিক নীতিও ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ গ্রহণের পরিবর্তে তিনি রিঙ্গিতের বিনিময় হার মার্কিন ডলারের সঙ্গে নির্দিষ্ট করে দেন।

তার সমর্থকদের মতে, এই নীতি মালয়েশিয়াকে আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করেছিল। তবে তার শাসনামল নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে।

বিতর্কও ছিল দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে

মাহাথিরের বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনীতিক, কর্মী ও সমালোচকদের দমনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ১৯৮৭ সালের ‘অপারেশন লালাং’-এর সময় শতাধিক বিরোধী রাজনীতিক, কর্মী ও সাংবাদিককে আটক করা হয়েছিল। সমালোচকেরা ওই অভিযানকে সরকারের বিরোধীদের দমনের পদক্ষেপ হিসেবে দেখেন।

তবে এসব বিতর্কের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক রূপান্তর ও দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দেশটির আধুনিক ইতিহাসে মাহাথির একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।

স্ত্রী সিতি হাসমাহর মৃত্যুর পর শোকের মধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় ১০১ বছর বয়সী এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

দুর্গাপূজায় মণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি, থাকবে মনিটরিং টিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজায় মণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি, থাকবে মনিটরিং টিম

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে দেশজুড়ে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে মণ্ডপের স্বেচ্ছাসেবকদের তথ্য সংগ্রহ, যাচাই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দুর্গাপূজা সামনে রেখে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। সভায় উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বও বণ্টন করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এবার পূজামণ্ডপের সরকারি বরাদ্দ বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে। গত বছর দেশে প্রায় ৩২ হাজার মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হলেও এবার মণ্ডপের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩৩ হাজার ৮০০ হয়েছে।

নিরাপত্তার অংশ হিসেবে জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (এনটিএমসি) একটি অ্যাপ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা পর্যায়ে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কোনো অঘটন ঘটলে দ্রুত তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যেই অ্যাপটি ব্যবহার করা হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরে ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং টিমের পাশাপাশি জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েও মনিটরিং ব্যবস্থা থাকবে। প্রতিটি মণ্ডপের স্বেচ্ছাসেবকদের নাম ও ফোন নম্বর সংশ্লিষ্ট থানায় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনে তাদের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।

বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়েও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মণ্ডপগুলোতে ২৪ ঘণ্টা জেনারেটর প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। জেনারেটরেও সমস্যা হলে চার্জার লাইটের ব্যবস্থা রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি এবার তিন দিন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় কার্যত পাঁচ দিনের ছুটি হবে।

এখন পর্যন্ত কোনো পূজামণ্ডপকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কোথাও ঝুঁকির তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পূজার প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো খবর সত্য হলে পুলিশ প্রধান বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নেবেন।

চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, অপরাধীদের তালিকা পুলিশের কাছে নিয়মিত থাকে এবং তা হালনাগাদ করা হয়। রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

রাজধানীর মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করতে বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, রাজউক বা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল বলে মনে হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনগণের উদ্বেগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এক-দুইটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বাবার কষ্ট কমাতে শিক্ষিত দুই ভাইয়ের কৃষিযুদ্ধ

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
বাবার কষ্ট কমাতে শিক্ষিত দুই ভাইয়ের কৃষিযুদ্ধ

গ্রামের মাটির সঙ্গে শৈশব থেকেই তাদের নিবিড় সম্পর্ক। অভাব-অনটনের মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন দুই ভাই রুবেল ও রাহুল। উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পরও কৃষিকাজকে কখনো দূরে ঠেলে দেননি তারা। বরং বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কৃষিকাজের পাশাপাশি গ্রামের মানুষের সহযোগিতায়ও এগিয়ে আসছেন।

রুবেল জানান, একসময় তাদের কোনো জমি ছিল না। বাবা ও চার ভাই মিলে দীর্ঘদিন কৃষিকাজ করে ধীরে ধীরে হাওরে কিছু জমি কিনেছেন। ভবিষ্যতে আরও জমি কিনে বাবার কষ্ট কিছুটা কমাতে চান তারা।

রুবেল-রাহুলের পরিচিত সূর্য কুমার বৈষ্ণব বলেন, পড়াশোনায় ভালো হলেও দুই ভাই কখনো কৃষিকাজ ছাড়েননি। এখনো তারা মা-বাবার কাজে সহযোগিতা করেন। গ্রামের কেউ বিপদে পড়লে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ান।

বাবা রবীন্দ্র দাস বলেন, ‘নিজে পড়াশোনার সুযোগ পাইনি। চাইনি ছেলেরা আমার মতো থাকুক। তাই কষ্ট করে হলেও তাদের পড়াশোনা করিয়েছি। এখন তারা শিক্ষিত হয়েও কৃষিকাজ করছে, এটা দেখলে খুব আনন্দ লাগে।’

মা সফলা রানী দাস জানান, অসুস্থ হলে দুই ছেলে রাত জেগে তার পাশে থাকেন। কাজ থেকে ফিরে মাথায় তেল মেখে দেন, রান্নাও করেন। আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলেরা মাটির মানুষ।’

সিলেট মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, কৃষক রবীন্দ্র দাসের সংগ্রাম এবং সন্তানদের মানুষ করে তোলার চেষ্টা অনুকরণীয়। তার মতে, এই পরিবারের গল্প তরুণদের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি