খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে: হুমায়ুন কবির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলছে: হুমায়ুন কবির

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করার বিষয়ে বাংলাদেশ আশাবাদী।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

হুমায়ুন কবির বলেন, নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এটি তার প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। এসব চ্যালেঞ্জ আমরা সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে অতিক্রম করব। আমরা আশাবাদী, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।’

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তবে সফরের সময় বা তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, পারস্পরিকভাবে অনুকূল একটি পরিবেশ তৈরি হওয়ার পর সফরের সময় ও তারিখ নিয়ে আলোচনা হবে। নভেম্বরে সফর হতে পারে—এমন গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আলোচনা চলছে; তবে তিনি গুঞ্জন নয়, বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাস্তবতা হচ্ছে, আজ আমাদের খুব ভালো বৈঠক হয়েছে। আমি খুবই আশাবাদী যে খুব শিগগিরই ইতিবাচক ফলাফল আসতে পারে।’

দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

স্মার্টফোনে হারিয়ে যাচ্ছে সম্পর্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
স্মার্টফোনে হারিয়ে যাচ্ছে সম্পর্ক

একই ছাদের নিচে, একই ঘরে পাশাপাশি বসে আছেন দুজন। অথচ দুজনের মন যেন দুই ভুবনে। একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যস্ত, অন্যজন একের পর এক মেসেজের উত্তর দিচ্ছেন। মাঝখানে নেই তেমন কোনো কথা, এমনকি কখনো দুজনের চোখাচোখিও হচ্ছে না।

প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে এমন দৃশ্য এখন আর অচেনা নয়। স্মার্টফোন আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করেছে। দূরে থাকা মানুষকে মুহূর্তেই কাছে এনেছে, কাজ ও যোগাযোগের গতি বাড়িয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের এই যন্ত্রটিই কখনো কখনো সবচেয়ে কাছের মানুষটির সঙ্গে অদৃশ্য দূরত্ব তৈরি করছে।

বিষয়টি ঘটে খুব ধীরে এবং নীরবে। ফলে সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব বুঝতে অনেক সময় দেরি হয়ে যায়।

কমে যাচ্ছে কথা বলার সময়

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে দুজন যখন বাড়ি ফেরেন, তখন একে অপরের সঙ্গে দিনের গল্প করার সুযোগ তৈরি হয়। দিন কেমন গেল, কী ঘটল, কী ভালো লাগল কিংবা কোন বিষয়টি মন খারাপ করেছে—এমন ছোট ছোট কথাই সম্পর্ককে জীবন্ত রাখে।

কিন্তু সেই সময়টাতেই যদি ফোন হাতে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকে পড়া হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই কথোপকথনের জায়গা সংকুচিত হতে থাকে। প্রতিদিনের এই ছোট ছোট আলাপ কমে গেলে ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে মানসিক দূরত্ব তৈরি হতে পারে।

ফোনে মনোযোগ, সঙ্গীর মনে অবহেলা

সঙ্গী হয়তো গুরুত্বপূর্ণ কোনো কথা বলছেন, নিজের দিনের অভিজ্ঞতা জানাচ্ছেন কিংবা কোনো সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে চাইছেন। কিন্তু কথা শোনার মাঝেই বারবার চোখ চলে যাচ্ছে ফোনের পর্দায়।

আপনার কাছে বিষয়টি হয়তো সামান্য মনে হতে পারে। আপনি ভাবতে পারেন, কথা তো শুনছেনই। কিন্তু সঙ্গীর কাছে এর অর্থ ভিন্ন হতে পারে। তার মনে হতে পারে, তার চেয়ে ফোনটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

একবার-দুবার এমন ঘটনা সহজেই এড়িয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু নিয়মিত এমন আচরণ থেকে অভিমান, বিরক্তি কিংবা একাকিত্বের অনুভূতি তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ সমস্যাটি সব সময় ফোন নয়; অনেক ক্ষেত্রে মূল বিষয় হয়ে দাঁড়ায় সঙ্গীকে যথেষ্ট মনোযোগ না দেওয়া।

নীরবতার সৌন্দর্যও হারিয়ে যাচ্ছে

সম্পর্কে সব সময় কথা বলতেই হবে—এমন নয়। অনেক সময় পাশাপাশি বসে নীরব থাকাও সম্পর্কের সুন্দর একটি অংশ। একসঙ্গে জানালার বাইরে তাকানো, নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত থাকা কিংবা কোনো কথা না বলেও কাছাকাছি থাকার মধ্যে আলাদা এক ধরনের স্বস্তি রয়েছে।

কিন্তু কথা থামলেই যদি দুজনের হাত ফোনের দিকে চলে যায়, তাহলে সেই নীরবতার সৌন্দর্যও হারিয়ে যায়। দুজনই নিজেদের আলাদা ডিজিটাল জগতে ঢুকে পড়েন। ফলে একই জায়গায় থেকেও মানসিকভাবে আরও দূরে সরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

ফোন নিয়ে শুরু হতে পারে অশান্তি

সম্পর্কে ফোনের ব্যবহার নিয়ে ছোটখাটো অভিযোগ অনেক সময় বড় ধরনের মনোমালিন্যের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

‘সব সময় ফোন নিয়েই থাকো’, ‘আমার সঙ্গে কথা বলার সময়ও ফোন রাখতে পারো না’—এ ধরনের অভিযোগ যদি বারবার শুনতে হয়, তাহলে বিষয়টিকে একেবারে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। কারণ এর আড়ালে থাকতে পারে আরও গভীর কোনো অভিমান।

সঙ্গী হয়তো মনে করছেন, তিনি আপনার কাছে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পাচ্ছেন না। ফলে ফোনকে ঘিরে তৈরি হওয়া ঝগড়ার আসল কারণ অনেক সময় ফোন নয়, বরং অবহেলার অনুভূতি।

অপরিচিত মানুষের জীবন বেশি জানা, কাছের মানুষটির কম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলেই অন্য মানুষের জীবনের নানা খবর চোখের সামনে আসে। কে কোথায় ঘুরতে গেলেন, কোন তারকা কী পোস্ট করলেন কিংবা পরিচিত কেউ কী করছেন—এসব তথ্য খুব সহজেই জানা যায়।

কিন্তু এই ভার্চ্যুয়াল জগতের ব্যস্ততায় নিজের সঙ্গীর জীবনটাই যদি অজানা থেকে যায়, তখন সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ভাবার প্রয়োজন তৈরি হয়।

সঙ্গী কী নিয়ে ভাবছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কী তাকে আনন্দ দিয়েছে, কোন বিষয়টি তাকে চিন্তায় ফেলেছে কিংবা কোন স্বপ্ন নিয়ে তিনি এগোচ্ছেন—এসব জানার সময় যদি না থাকে, তাহলে সম্পর্কের ভেতরের যোগাযোগ দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

তাহলে কি ফোন ছেড়ে দিতে হবে?

অবশ্যই নয়। বর্তমান জীবনে স্মার্টফোন কাজ, যোগাযোগ ও বিনোদনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সম্পর্ক ভালো রাখার জন্য প্রযুক্তিকে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

বরং প্রয়োজন ফোন ব্যবহারে সচেতনতা। সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার সময় ফোনটি কিছুক্ষণের জন্য পাশে রাখা, একসঙ্গে থাকার সময় পরস্পরকে মনোযোগ দেওয়া এবং অকারণে প্রতিটি নীরব মুহূর্ত স্ক্রল করে না ভরানো—এই ছোট অভ্যাসগুলোই সম্পর্কের উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।

কারণ একই ঘরে থাকা আর সত্যিকার অর্থে একসঙ্গে থাকা—দুটি এক বিষয় নয়। ফোনের পর্দার ওপারে যতই বড় একটি দুনিয়া থাকুক, সম্পর্কের উষ্ণতা ধরে রাখতে মাঝেমধ্যে সেই পর্দা থেকে চোখ সরিয়ে পাশে থাকা মানুষটির দিকেও তাকানো জরুরি।

কালের আলো/এসএ

পদক তালিকায় চীন শীর্ষে, নিচের দিকে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ
পদক তালিকায় চীন শীর্ষে, নিচের দিকে বাংলাদেশ

আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের মাঠের লড়াই জমে উঠেছে। এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরে বরাবরের মতোই পদক তালিকায় নিজেদের আধিপত্য ধরে রেখেছে চীন। স্বর্ণপদকের সংখ্যায় অন্য দেশগুলোর তুলনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে দেশটি। অন্যদিকে বাংলাদেশের ঝুলিতে এখন পর্যন্ত রয়েছে একটি ব্রোঞ্জ পদক।

২৮ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ প্রকাশিত পদক তালিকা অনুযায়ী, চীন ১৩২টি স্বর্ণ, ৫৩টি রৌপ্য ও ৪৫টি ব্রোঞ্জসহ মোট ২৩০টি পদক নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। স্বাগতিক জাপান ৪১টি স্বর্ণ, ৬৮টি রৌপ্য ও ৬৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৭২টি পদক নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। দক্ষিণ কোরিয়া ২১টি স্বর্ণ, ২৬টি রৌপ্য ও ৪৩টি ব্রোঞ্জসহ ৯০টি পদক নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

চীনের একক আধিপত্য

এশিয়ান গেমসে চীনের শক্তিশালী অবস্থান এবারও স্পষ্ট। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে স্বর্ণপদকের তালিকায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে দেশটি। ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনের স্বর্ণের সংখ্যা ১৩২, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা জাপানের ৪১টি স্বর্ণের তিন গুণেরও বেশি।

জাপান স্বাগতিক হিসেবে ১৭২টি পদক নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও স্বর্ণের সংখ্যায় চীনের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। দক্ষিণ কোরিয়াও ৯০টি পদক নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

ভারতের অবস্থান

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থানও উল্লেখযোগ্য। ২৯ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, ভারত পাঁচটি স্বর্ণ, ২১টি রৌপ্য ও ২১টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৪৭টি পদক অর্জন করেছে। পদক এসেছে কাবাডি, শুটিং, ক্রিকেট, কুরাশ, ভারোত্তোলন, ব্যাডমিন্টন, অ্যাথলেটিকসসহ বিভিন্ন ইভেন্ট থেকে।

বাংলাদেশের ঝুলিতে এক ব্রোঞ্জ

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত একটি ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে। ফলে পদক তালিকার নিচের সারিতে রয়েছে বাংলাদেশ।

তবে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সামনে আরও পদক জয়ের সুযোগ রয়েছে। বৃষ্টির কারণে কোয়ার্টার ফাইনালে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ সরাসরি সেমিফাইনালে উঠেছে। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।

জমে উঠেছে শেষ পর্বের লড়াই

আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস চলবে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। ফলে শেষ কয়েক দিনে অ্যাথলেটিকস, শুটিং, বক্সিং, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ইভেন্টে আরও পদক নির্ধারিত হবে।

চীনের শীর্ষস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থানও নজরে রয়েছে। আর বাংলাদেশের জন্য সামনে রয়েছে ক্রিকেটসহ কয়েকটি ইভেন্টে পদক জয়ের সুযোগ। ফলে আসর শেষ হওয়ার আগে বাংলাদেশের পদকসংখ্যা আরও বাড়ে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

কালের আলো/এসএ

বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশে প্রস্তুত আইসিসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশে প্রস্তুত আইসিসি

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরুর এক বছর আগে পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএসএ)। আগামী বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি উন্মোচন করা হবে।

শুধু সূচি প্রকাশ নয়, একই দিন থেকে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর টিকিট কেনার জন্য ব্যালট ও নাম নিবন্ধনের প্রক্রিয়াও শুরু হবে। ফলে সূচি প্রকাশের দিনটিকে ঘিরে এরই মধ্যে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

২ অক্টোবর শুরু, ফাইনাল ২১ নভেম্বর

ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিনে মাঠে গড়াতে পারে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। প্রায় দেড় মাসের লড়াই শেষে ২১ নভেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে টুর্নামেন্টের দ্বাদশ আসর।

দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ম্যাচ। তিন দেশই যৌথভাবে আয়োজন করবে বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রিকেট আসরটি।

১৪ দলের মধ্যে ১০ দল চূড়ান্ত

২০২৭ বিশ্বকাপে অংশ নেবে মোট ১৪টি দল। এর মধ্যে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ১০টি দলের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার কথা।

স্বাগতিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি মূল পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে। অন্য সহ-আয়োজক নামিবিয়ার অংশগ্রহণ অবশ্য এখনো নিশ্চিত নয়।

স্বাগতিক কোটার বাইরে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ আটটি দল সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা পাবে। বাকি চার দলকে বাছাইপর্বের কঠিন পথ পেরিয়ে মূল আসরে জায়গা করে নিতে হবে।

সরাসরি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সুযোগ

বর্তমানে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে নবম অবস্থানে থাকলেও বাংলাদেশের সামনে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কারণ স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা র‌্যাংকিংয়ের মাধ্যমে একটি জায়গা দখল করলেও তারা স্বাগতিক কোটায় মূল পর্বে জায়গা পেয়েছে।

ফলে র‌্যাংকিংয়ের নবম স্থানে থাকা বাংলাদেশের জন্য সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়ার পথ খুলে গেছে। নাজমুল হোসেন শান্তদের জন্য এটি বড় স্বস্তির খবর।

অন্যদিকে, বর্তমানে ভারতের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে মূল পর্বে জায়গা করে নিতে বাছাইপর্বের বাধা পেরোতে হবে।

কীভাবে হবে বিশ্বকাপের লড়াই

২০২৭ বিশ্বকাপের মূল প্রতিযোগিতাকে সেমিফাইনাল ও ফাইনালের আগে তিনটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে।

প্রথম ধাপে র‌্যাংকিংয়ের নিচের দিকে থাকা তিন দলকে নিয়ে আয়োজন করা হবে একটি ‘সুপার সিরিজ’। রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই পর্ব থেকে শুধু পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দল পরবর্তী ধাপে যাওয়ার সুযোগ পাবে।

এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১২টি দল নিয়ে শুরু হবে মূল লড়াই। দলগুলো দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে একে অপরের বিপক্ষে খেলবে। এই পর্বে মোট ৩০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

‘সুপার সেভেন’ নির্ধারণ করবে শেষ চার

দুই গ্রুপের সেরা তিনটি করে মোট ছয়টি দল পরের ধাপে যাবে। এর সঙ্গে দুই গ্রুপের পরবর্তী সেরা দলগুলোর মধ্যে সামগ্রিকভাবে সপ্তম অবস্থানে থাকা একটি দল যুক্ত হয়ে গঠন করবে ‘সুপার সেভেন’।

এই পর্বে সাতটি দল একে অপরের বিপক্ষে খেলবে। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ২১টি ম্যাচ।

সুপার সেভেন পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চার দল জায়গা করে নেবে সেমিফাইনালে।

২১ নভেম্বর ফাইনাল

সেমিফাইনালে পয়েন্ট টেবিলের প্রথম স্থানে থাকা দল মুখোমুখি হবে চতুর্থ স্থানে থাকা দলের। অন্য সেমিফাইনালে লড়বে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানের দল।

দুটি সেমিফাইনালের বিজয়ী দল ২১ নভেম্বর মুখোমুখি হবে শিরোপার লড়াইয়ে। সেদিনই নির্ধারিত হবে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের নতুন চ্যাম্পিয়ন।

সূচি প্রকাশের মধ্য দিয়ে তাই বিশ্বকাপের মাঠের লড়াইয়ের আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। আর ১ অক্টোবর কেপটাউনের অনুষ্ঠানেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কোন দল কোন গ্রুপে, কোন ভেন্যুতে এবং কখন নিজেদের ম্যাচ খেলবে।

কালের আলো/এসএ