খুঁজুন
                               
, ,
           

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ ও জাপান একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। জাপানের ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও স্বাস্থ্যখাতের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ হেলথকেয়ার বিজনেস সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ দূতাবাস, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতকে টেকসই ও ভবিষ্যৎমুখী করতে জাপানের সহযোগিতা ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব কামনা করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্বাস্থ্যখাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে জাপানি বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, জাপান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার। মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা, টিকাদান কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়নে জাইকা ও জেট্রোর মাধ্যমে জাপানের সহযোগিতার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৭ কোটির বেশি মানুষের বাংলাদেশে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা, আধুনিক হাসপাতাল অবকাঠামো, রোগনির্ণয়, চিকিৎসা প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা বাড়ছে।

জাপানের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সেবা ও চিকিৎসা খাতে নার্স ও কেয়ার গিভারের চাহিদা পূরণে প্রশিক্ষিত বাংলাদেশি স্বাস্থ্যকর্মীরা ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশে ওষুধ, বায়োটেকনোলজি, ভ্যাকসিন ও এপিআই উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ এবং যৌথ উদ্যোগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।

সেমিনারে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহ ইমাম আলী রেজা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাবনা নিয়ে দুটি প্রেজেন্টেশন দেন।

এ সময় জাইকার দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক তেতসুয়া ইয়ামাদা, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ-৪-এর উপপরিচালক হিরোকি সাসাকি এবং জেট্রোর সিনিয়র ডিরেক্টর ফর গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজি (সাউথ ওয়েস্ট এশিয়া) ইউজি আন্দো বাংলাদেশ-জাপান স্বাস্থ্য সহযোগিতা, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মিষ্টিকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
মিষ্টিকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগের নির্দেশ

সংরক্ষিত নারী আসনের সদ্য পদত্যাগ করা সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় দল থেকেও তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মিষ্টিকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

নির্দেশনা পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন মিষ্টি। পরে পদত্যাগ কার্যকর হলে সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা করা হয়।

পদত্যাগপত্রে মিষ্টি জানান, তিনি সম্পূর্ণ সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সেখানে পদত্যাগের কোনো কারণ উল্লেখ করেননি।

এর আগে সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাড্ডা সেন্টারের ঘটনা তদন্তের দাবি জানান মিষ্টি। তিনি বলেন, তদন্তে যা বেরিয়ে আসবে, সেটিই গ্রহণযোগ্য হবে। দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিএনপির সিদ্ধান্ত যা হবে, সেটিই হবে।

রাড্ডা সেন্টারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির সাংগঠনিক পর্যায়েও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় দল ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তবে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়ে শুক্রবার রাত পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসেনি। বিষয়টি এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতেই জানা গেছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মহড়ার নামে একা ডাক, মাঝরাতে দরজায় নির্মাতা: স্বরার তিক্ত অভিজ্ঞতা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
মহড়ার নামে একা ডাক, মাঝরাতে দরজায় নির্মাতা: স্বরার তিক্ত অভিজ্ঞতা

বলিউডে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে যৌন হয়রানির অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার কথা জানালেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর। তার দাবি, একটি বড় বাজেটের সিনেমায় কাজের সময় মদ্যপ অবস্থায় এক পরিচালক মাঝরাতে তার দরজায় কড়া নাড়েন এবং তাকে জড়িয়ে ধরার অনুমতি চান।

স্বরা জানান, ‘তনু ওয়েডস মনু’ সিনেমার সাফল্যের পর তিনি একটি বড় বাজেটের ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান। ওই সিনেমার পরিচালক তাকে নিয়ে একাধিকবার অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন বলে দাবি তার।

অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমার দৃশ্যের মহড়ার কথা বলে পরিচালক তাকে একা ডেকে পাঠাতেন। ব্যক্তিগত বার্তা পাঠানোর পাশাপাশি তাকে কবিতাও পাঠাতেন পরিচালক।

একদিন একটি রোমান্টিক দৃশ্যের মহড়ার জন্য স্বরাকে একা ডাকা হয়। তখন তিনি জানতে চান, মহড়ার সময় আর কারা উপস্থিত থাকবেন। পরিচালক তাকে জানান, শুধু তারা দুজন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন।

স্বরার দাবি, তিনি এতে আপত্তি জানিয়ে বলেন, অভিনেতা ও ক্যামেরাপারসনকে ডেকে মহড়া করার কথা। তাহলে তারা দুজন একা কেন মহড়া করবেন?

এরপরও পরিস্থিতি বদলায়নি বলে জানান স্বরা। তার ভাষ্য, একটি অতিথিকক্ষে গিয়ে তিনি দেখতে পান পরিচালক ও সিনেমাটোগ্রাফার সেখানে মদ্যপান করছেন। সেখানে চিত্রনাট্য পড়ার পর কোনোভাবে পরিস্থিতি সামলে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।

তবে ঘটনার সেখানেই শেষ হয়নি বলে জানান অভিনেত্রী। তার দাবি, ওইদিন মাঝরাতে পরিচালক তার দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেন। একপর্যায়ে তার মনে হয়, পরিচালক হয়তো দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়তে পারেন।

স্বরা বলেন, শেষ পর্যন্ত তিনি দরজা খুলতে বাধ্য হন। তখন মদ্যপ অবস্থায় পরিচালক তাকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কি তাকে জড়িয়ে ধরতে পারেন।

অভিনেত্রীর দাবি, তিনি ওই প্রস্তাবে সাড়া দেননি। বরং কোনোভাবে পরিচালককে বুঝিয়ে দ্রুত সেখান থেকে বিদায় করেন। পরে ওই পরিচালকের সঙ্গে তার আরও অনেকবার দেখা হয়েছে বলেও জানান স্বরা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

সৌদিতে মাটিচাপায় মৃত্যু, ৩ লাখ টাকায় আটকে আছে মরদেহ ফেরানো

বরগুনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
সৌদিতে মাটিচাপায় মৃত্যু, ৩ লাখ টাকায় আটকে আছে মরদেহ ফেরানো

পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করতে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন বরগুনার ইসমাইল হোসেন (৪০)। বিদেশে কাজ করে ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন ছিল তার। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই সৌদি আরবের রিয়াদে কর্মরত অবস্থায় মাটি ধসে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। এখন অর্থের অভাবে তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

নিহত ইসমাইল হোসেন বরগুনা সদর উপজেলার ১ নম্বর বদরখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আমজাদ হোসেনের বড় ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। পড়াশোনা শেষ করেও কাঙ্ক্ষিত চাকরি না পাওয়ায় পরিবারের সচ্ছলতার আশায় ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি শ্রমিক ভিসায় সৌদি আরবে যান তিনি।

সৌদি আরবে যাওয়ার পর কয়েকদিন বেকার থাকার পর এক আত্মীয়ের মাধ্যমে রিয়াদ বিমানবন্দর এলাকায় একটি চীনা কোম্পানির অধীনে শ্রমিক হিসেবে কাজে যোগ দেন ইসমাইল। কাজ পাওয়ার পর পরিবারের আর্থিক সংকট কিছুটা কমলেও বিদেশ যাওয়ার জন্য নেওয়া ঋণ পুরোপুরি পরিশোধ করতে পারেননি তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টার দিকে রিয়াদ বিমানবন্দর এলাকায় পাইপলাইনের গভীর গর্তে কাজ করছিলেন ইসমাইল। এ সময় হঠাৎ মাটি ধসে তিনি নিচে চাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে বিকেল ৫টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছে।

ইসমাইলের মৃত্যুর খবরে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ছেলেকে হারিয়ে মা বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। বৃদ্ধ বাবা আমজাদ হোসেনও বাকরুদ্ধ। স্বামীকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী সোনিয়া বেগম। আট বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের চার বছরের একটি ছেলে রয়েছে।

সোনিয়া বেগম জানান, প্রতিদিন সকালে স্বামীর সঙ্গে তার কথা হতো। বৃহস্পতিবার সকালেও তাদের কথা হয়। তখন দুপুরে আবার ফোন দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন ইসমাইল। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও ফোন না আসায় তিনি স্বামীর সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিকেল ৪টার দিকে তারা ইসমাইল দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার খবর দেন।

তিনি বলেন, সৌদি আরব থেকে তাকে জানানো হয়েছে, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রায় তিন লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু অভাবের সংসারে এত টাকা জোগাড় করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। স্বামীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ করে দিতে সরকারের সহযোগিতা চান তিনি।

ইসমাইলের বাবা আমজাদ হোসেন বলেন, পরিবারের আর্থিক কষ্ট দূর করার আশায় ধার-দেনা করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। উপার্জন করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবে—এটাই ছিল তাদের স্বপ্ন। কিন্তু মাটিচাপায় সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে। এখন ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার মতো সামর্থ্যও তাদের নেই।

স্বজনেরা জানান, বিদেশ যাওয়ার সময় নেওয়া ঋণ এখনো পুরোপুরি পরিশোধ হয়নি। এর মধ্যে পরিবারের অন্যতম উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে তারা আরও সংকটে পড়েছেন। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করাও তাদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইসমাইলের স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে গ্রামের বাড়িতে দাফনের ব্যবস্থা করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি