খুঁজুন
                               
, ,
           

পর্যটকের ভিড় বাড়ছে রাঙামাটিতে, পিছিয়ে অবকাঠামো উন্নয়ন

রাঙামাটি সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
পর্যটকের ভিড় বাড়ছে রাঙামাটিতে, পিছিয়ে অবকাঠামো উন্নয়ন

বর্ষা শেষে রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে পর্যটনের ব্যস্ত মৌসুম। কাপ্তাই হ্রদের স্বচ্ছ জলরাশি, সবুজ পাহাড়, ঝরনার কলতান ও মেঘের আনাগোনায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা ছুটছেন পাহাড়ি এ জনপদে। একই সঙ্গে বাঘাইছড়ির সাজেকেও বাড়ছে পর্যটকদের আনাগোনা।

তবে পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও পর্যটন খাতের অবকাঠামোগত সংকট কাটেনি। পর্যাপ্ত বিনোদন সুবিধা, নিরাপদ নৌঘাট, মানসম্মত ওয়াশরুম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নতুন পর্যটন আকর্ষণ তৈরিতে ঘাটতি রয়েছে। নেওয়া হলেও কয়েকটি বড় প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।

রাঙামাটির অন্যতম আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী ঝুলন্ত সেতু। তবে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে সেতুটির প্রায় ৮ ইঞ্চি অংশ এখনো তলিয়ে থাকায় সেখানে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এরপরও কিছু পর্যটক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সেতুতে ওঠার চেষ্টা করছেন। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

সেতুতে চলাচল বন্ধ থাকলেও আশপাশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীর উপস্থিতি কমেনি। পলওয়েল পার্ক, আরণ্যক, কাপ্তাই হ্রদে নৌভ্রমণ, সুবলং ঝরনা, পেদা টিংটিং, চাংপাং ও বরগাঙসহ বিভিন্ন স্থানে পর্যটকের আনাগোনা বাড়ছে। বর্ষার পানি থাকায় ঝরনাগুলোও এখনো প্রাণবন্ত।

পর্যটক বাড়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে। বোটচালক, হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ী ও হস্তশিল্প বিক্রেতারা বলছেন, কয়েক মাসের মন্দার পর এখন বুকিং ও বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, স্থানীয় তাঁতশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের প্রতিও পর্যটকদের আগ্রহ রয়েছে।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব রাঙামাটির (টোয়ার) সভাপতি ও গর্বা সংস্থার স্বত্বাধিকারী মো. বাদশা ফয়সাল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাঙামাটির পর্যটনের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও সে অনুযায়ী নতুন আকর্ষণ গড়ে ওঠেনি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, সঠিক পরিকল্পনা ও সহজ শর্তে ঋণের অভাবে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অনেকে এগোতে পারছেন না।

তিনি বিদেশি পর্যটকদের জন্য বিদ্যমান নীতিমালা সহজ করা, কাপ্তাই হ্রদ খনন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, শহরের প্রবেশমুখের ময়লার ভাগাড় অপসারণ এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের পর্যটন উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার দাবি জানান।

রাঙামাটি পর্যটন মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, পর্যটন খাতে সরকারি উদ্যোগ রয়েছে। বর্তমানে জেলা পরিষদের সহায়তায় হলিডে কমপ্লেক্সে কিছু সংস্কারকাজ চলছে। তবে বরাদ্দের কারণে আপাতত কাজ বন্ধ রয়েছে। সুইমিংপুল, ক্যাবলকারসহ আরও কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বড় সরকারি প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। রাঙামাটি সদরে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার ‘অ্যাক্সক্লুসিভ পর্যটন জোন’ প্রকল্প নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। পর্যটন বোর্ডের ৬৩০ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ২০২২ সালে একটি দল রাঙামাটি পরিদর্শন করলেও পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া ‘লুসাই পাহাড়ে পর্যটন উন্নয়ন’ নামে তিন কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে কাজ শুরুর কথা থাকলেও সেখানে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রকল্পের অর্থ ভুয়া বিলের মাধ্যমে উত্তোলনের অভিযোগও উঠেছে। তবে প্রকল্পটি বাতিল হয়নি এবং চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কান্তি দেওয়ান।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাপ্তাই হ্রদ, পাহাড়, ঝরনা ও পাহাড়ি সংস্কৃতিকে ঘিরে রাঙামাটিতে পরিবেশবান্ধব পর্যটনের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, হ্রদের নাব্যতা ও পরিবেশ রক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এ খাত আরও বিকশিত হতে পারে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

আখতারুজ্জামানকাণ্ড নিয়ে মন্ত্রীর অভিযোগ, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
আখতারুজ্জামানকাণ্ড নিয়ে মন্ত্রীর অভিযোগ, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনের ঘটনাকে ‘মব ও ইচ্ছাকৃত বিশৃঙ্খলা’ বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে আকস্মিকভাবে বিমানবন্দর পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিমানমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নির্বাহী পরিচালককে ডেকে রূঢ় আচরণ এবং মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা অনভিপ্রেত এবং ইচ্ছাকৃত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভোগান্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তি ছিল। বিশেষ করে হজ বা ওমরাহ শেষে ফেরার সময় জমজমের পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগতে পারে। লাগেজ দ্রুত পাওয়া গেলেও জমজমের পানি অনেক সময় পরে দেওয়া হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে যাত্রীদের কিছুটা ধৈর্য ধরতে হয়। তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চান, সেটি গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি পক্ষ সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে অস্থির করার চেষ্টা করছে। সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি এবং কর্মকর্তাদের কাজ না করার বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিমানবন্দরে ট্রলি ও কাস্টমসের বিষয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তার ভাষ্য, কয়েকটি ফ্লাইট একই সময়ে অবতরণ করলে সব যাত্রীর জন্য ট্রলি আনতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। এ ছাড়া যাত্রীদের নির্ধারিত কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স পথ ব্যবহার করার কথাও বলেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে সৌদি আরব থেকে ওমরাহ শেষে ঢাকায় ফেরার পর জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে শাহজালাল বিমানবন্দরে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। এ সময় জামায়াত নেতা ও কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান রঞ্জন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগীব সামাদকে ডেকে রূঢ় আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ভিসা সাক্ষাৎকারে মিথ্যা তথ্য দিলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
ভিসা সাক্ষাৎকারে মিথ্যা তথ্য দিলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে সাক্ষাৎকারের সময় কোনো ধরনের মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস। আবেদনকারীর অতীতের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের তথ্য কনস্যুলার কর্মকর্তাদের জানা থাকতে পারে উল্লেখ করে দূতাবাস সতর্ক করেছে, অসত্য তথ্য দিলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিসাসংক্রান্ত সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানায় মার্কিন দূতাবাস।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর অতীতের যেকোনো অভিবাসন-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে অবগত থাকতে পারেন। তাই সাক্ষাৎকারে কোনো তথ্য গোপন না করে সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়ার জন্য আবেদনকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

দূতাবাস আরও জানায়, কোনো আবেদনকারী মিথ্যা তথ্য দিলে বা জাল নথিপত্র উপস্থাপন করলে তার ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এ কারণে ভিসা আবেদন ও সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীদের সব তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বা জাল কাগজপত্র ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ইয়েমেনে ৪৭৪ সামরিক অভিযান, হুথিদের দেড় হাজারের বেশি হতাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে ৪৭৪ সামরিক অভিযান, হুথিদের দেড় হাজারের বেশি হতাহত

ইয়েমেনের বিভিন্ন সামরিক ফ্রন্টে সরকারি বাহিনীর অভিযান জোরদারের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১ হাজার ৫৪০ জন হুথি যোদ্ধা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। একই সময়ে হুথিদের একাধিক হামলা প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছে তারা।

আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২ অক্টোবর) সেনাসূত্র জানায়, গত এক দিনে হুথিদের বিভিন্ন অবস্থান, কমান্ড সেন্টার ও শক্তিবৃদ্ধির লক্ষ্যবস্তুতে মোট ৪৭৪টি সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে।

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর আব্দুল্লাহ আল-নাজিলি জানান, বিমান, ড্রোন, আর্টিলারি ও রকেট লঞ্চারের সমন্বয়ে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। দক্ষিণাঞ্চলীয় হারাদ ও উপকূলীয় অঞ্চল থেকে শুরু করে মারিব, সানা, সাদা ও অন্যান্য ফ্রন্টেও সামরিক তৎপরতা চালানো হয়। তবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ অঞ্চল ছিল অভিযানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

সেনাবাহিনীর দাবি, সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তাইজ ফ্রন্টে। এ ছাড়া অভিযানে হুথিদের ২১৬টি সামরিক যান ও সরঞ্জাম ধ্বংস অথবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে তাইজে হুথি বাহিনীর অগ্রগতি ঠেকানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।

এদিকে সানা ও সাদায় কয়েকটি ‘উচ্চমূল্যের লক্ষ্যবস্তুতে’ বিমান হামলা চালানোর কথাও জানিয়েছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।

এর আগে গত বুধবার সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তিনটি ফ্রন্টে হুথি যোদ্ধা ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে ৪৬৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ওই অভিযানে শত শত হুথি সদস্য হতাহত হওয়ার দাবিও করা হয়েছিল।

ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ, আঞ্চলিক প্রভাব এবং লোহিত সাগরের কৌশলগত জলপথকে কেন্দ্র করে সংঘাত চলছে। ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর লড়াইয়ে দেশটিতে দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।

২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর চলতি বছরের জুলাই থেকে দেশটিতে আবারও সামরিক উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বর্তমানে তাইজসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি