খুঁজুন
                               
, ,
           

বাব আল-মান্দেব নিয়ন্ত্রণে নিতে হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযানের প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
বাব আল-মান্দেব নিয়ন্ত্রণে নিতে হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযানের প্রস্তুতি

ইরান-সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব। সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীকে সামনে রেখে একাধিক ফ্রন্টে একযোগে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আঞ্চলিক ও পশ্চিমা কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ অভিযান শুরু হতে পারে। স্থলভাগে অভিযান পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীর ওপর। তাদের সহায়তায় সৌদি আরব বিমান হামলা চালাবে। অভিযানের পরিধি অনুযায়ী এক লাখের বেশি ইয়েমেনি সেনা মোতায়েন করা হতে পারে।

পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয় ব্যক্তি জানিয়েছেন, সৌদি অভিযানে গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করছে। এ ছাড়া কয়েকটি আঞ্চলিক ও ইউরোপীয় দেশ সৌদি আরবকে প্রতিরক্ষামূলক সামরিক সহায়তা দিচ্ছে। তবে এসব মিত্র সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সৌদি অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হুথিদের অগ্রযাত্রা ঠেকানো। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, হুথিরা উপকূল ধরে অগ্রসর হয়ে কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

পরিকল্পনায় দুটি সম্ভাব্য পথ বিবেচনা করা হচ্ছে। এর একটি হলো বাব আল-মান্দেবের আশপাশে সীমিত সামরিক অভিযান। অন্যটি হলো আল-বায়দা, মারিব, তাইজ ও আল-জাওফসহ বিভিন্ন প্রদেশে একযোগে অভিযান চালানো।

লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বাব আল-মান্দেব ভূমধ্যসাগর ও এশিয়ার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নৌবাণিজ্যপথ। হরমুজ প্রণালী ঘিরে সংঘাতের কারণে এ নৌপথের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

পশ্চিমা কূটনীতিক ও উপসাগরীয় এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, বাব আল-মান্দেব হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাদের সঙ্গে নতুন করে শান্তি আলোচনায় যেতে অনাগ্রহী রিয়াদ।

তবে অভিযানের সুনির্দিষ্ট সময় এখনো জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অথবা নভেম্বরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর অভিযান শুরু হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সহায়তা

এক পশ্চিমা কূটনীতিকের দাবি, সৌদি বিমান অভিযানে সামরিক পরামর্শক ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করছে। তবে রয়টার্সের আগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সরাসরি সামরিক সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত মাসে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে। পাকিস্তান ইয়েমেনের এডেনে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, হালকা কামান, ড্রোন ও ড্রোনবিরোধী ব্যবস্থা পাঠিয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তুরস্কের ড্রোনও ইয়েমেনে মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখাও রিয়াদের অন্যতম উদ্বেগ।

পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদি আরবের স্থলসীমান্ত সুরক্ষা এবং ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে পাকিস্তান ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। তবে ইয়েমেনে যুদ্ধ করার জন্য পাকিস্তানি সেনা পাঠানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।

ফ্রান্সও লোহিত সাগরের বন্দরনগরী ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।

বিভক্ত ইয়েমেনি বাহিনী

ইয়েমেনে স্থল অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ পাওয়া বিভিন্ন ইয়েমেনি যোদ্ধাগোষ্ঠীর ওপর নির্ভর করতে হবে রিয়াদকে।

ইয়েমেন বিশ্লেষক মোহাম্মদ আলবাশার মতে, দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের জন্য হুথিবিরোধী অনেক বাহিনী এখনো যথেষ্ট সংগঠিত বা প্রস্তুত নয়।

গত শীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত-সমর্থিত দক্ষিণাঞ্চলীয় যোদ্ধারা পূর্বাঞ্চলে ভূখণ্ড দখল ও বিচ্ছিন্নতার উদ্যোগ নিলে সৌদি-সমর্থিত যোদ্ধাদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। পরে তারা পরাজিত হয়।

সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলি শিহাবি বলেন, হুথিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানের সাফল্য অনেকটাই স্থানীয় স্থলবাহিনীর কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করবে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

সাংবাদিকদের স্বার্থে ওয়েজবোর্ড নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের স্বার্থে ওয়েজবোর্ড নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সাংবাদিকদের স্বার্থে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রয়োজনে বিষয়টি মন্ত্রিসভায়ও উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা না হলে ভালো সাংবাদিকরা কাজের আগ্রহ হারাবেন এবং নতুন ভালো সাংবাদিক তৈরি বাধাগ্রস্ত হবে।

তিনি বলেন, ওয়েজবোর্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের অচলাবস্থা চলছে। নবম ওয়েজবোর্ড যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। একই সঙ্গে দশম ওয়েজবোর্ডের দাবিও উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শ্রম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছে। এ উদ্যোগ আরও জোরদার করা হবে।

মিডিয়া হাউজের মালিকদেরও সাংবাদিকদের অধিকার ও কল্যাণের বিষয়ে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তা বাস্তবায়ন না করলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না বলেও মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকের সংজ্ঞা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া ভুয়া সাংবাদিকদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকরা হুমকির মুখে পড়ছেন। এতে জনগণ ও গণতন্ত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কারা সাংবাদিক হিসেবে বিবেচিত হবেন, সে বিষয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ বা সাংবাদিকদের লেখালেখি বন্ধ করার জন্য এ আইন করা হচ্ছে না। জনগণকে নিরাপদ রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হয়রানি, অসত্য তথ্য ও অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনা মোকাবিলায় সাইবার নিরাপত্তা প্রয়োজন।

সভায় ডিইউজে নেতারা সাংবাদিকদের ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত, নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং দ্রুত দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণার দাবি জানান।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

প্রভাবশালীদের অপরাধে আইন প্রয়োগে আপস হয়: ডেপুটি স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রভাবশালীদের অপরাধে আইন প্রয়োগে আপস হয়: ডেপুটি স্পিকার

প্রভাবশালীদের অপরাধের ক্ষেত্রে অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং শিশু অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘শিশুশ্রম নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, দেশে অনেক ভালো আইন রয়েছে। কিন্তু এসব আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব রয়েছে। আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা অনেক সময় আপস করে ফেলেন। বিশেষ করে প্রভাবশালীদের অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হলেও সরকারের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয় না। জনগণের করের টাকায় যাদের বেতন দেওয়া হয়, তাদের কাজেরও কঠোর তদারকি প্রয়োজন।

শিশুশ্রম নিরসনে নিজ নিজ ঘরে ১৪ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে গৃহকর্মী হিসেবে না রাখার শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান কায়সার কামাল। একই সঙ্গে শিশু অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা গণমাধ্যমে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জুলাই অভ্যুত্থানে শিশুদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশ হওয়ায় শিশুরাই বিভিন্ন ঘটনায় বেশি ভুক্তভোগী হয়। শিশু ধর্ষণের মতো ঘটনা সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এ থেকে উত্তরণে গণসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

শিশুদের সুরক্ষায় সরকারি হেল্পলাইন ‘১০৩৮’ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সংলাপে শিশুদের কল্যাণে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ডেপুটি স্পিকার।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। হতাশা থাকলেও প্রত্যাশা শেষ হয়ে যায়নি। শিশুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার, রাজনৈতিক কর্মী, এনজিও, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আইএলও প্রতিনিধি, বিভিন্ন এনজিও কর্মকর্তা, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঢাকার যানজট কমাতে রিং রোড প্রকল্পে গতি চান প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার যানজট কমাতে রিং রোড প্রকল্পে গতি চান প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার যানজট নিরসনে ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে দ্রুত তা দূর করারও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইনার সার্কুলার রিং রোড প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে দ্রুত নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্রকল্পের কাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকতে হবে। পাশাপাশি কাজ শেষ করতে একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী অগ্রসর হতে হবে।

ঢাকা মহানগরের যানজট নিরসনে ইনার সার্কুলার রিং রোড প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব বাধা রয়েছে, সেগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের মাধ্যমে নির্মাণকাজে গতি আনার ওপর সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি