খুঁজুন
                               
, ,
           

বোয়িংয়ের পাশে এয়ারবাস, আকাশে নতুন সম্ভাবনা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ণ
বোয়িংয়ের পাশে এয়ারবাস, আকাশে নতুন সম্ভাবনা

বাংলাদেশের আকাশপথে নতুন যুগের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। দীর্ঘদিনের বোয়িংনির্ভর বহরে এবার বড় পরিসরে যুক্ত হতে যাচ্ছে ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাসের উড়োজাহাজ। চারটি এ৩৫০-৯০০ ও ছয়টি এ৩২১নিও—মোট ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আগামীকাল বুধবার (০৭ অক্টোবর) সই হওয়ার কথা। এ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বোয়িং ও এয়ারবাস মিলিয়ে বিমানের নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের পাইপলাইনে থাকবে ৩৫টি উড়োজাহাজ। বহর সম্প্রসারণের এই উদ্যোগকে শুধু উড়োজাহাজ কেনার কর্মসূচি হিসেবে দেখলে এর ব্যাপ্তি বোঝা যাবে না। এটি একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের নিজস্ব এয়ারলাইনসকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও শক্ত অবস্থানে নেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

  • ৭ অক্টোবর ১০ উড়োজাহাজের চুক্তি
  • ৩৫ নতুন উড়োজাহাজে আধুনিক হচ্ছে বিমানের বহর
  • আন্তর্জাতিক রুট ও বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ

নতুন পরিকল্পনায় বিমানের জন্য নির্ধারিত ৩৫টি উড়োজাহাজের মধ্যে ২৫টি বোয়িং ও ১০টি এয়ারবাস। এর মধ্যে ১৯টি হবে ওয়াইডবডি এবং ১৬টি ন্যারোবডি। ফলে দীর্ঘপাল্লার আন্তর্জাতিক রুট থেকে শুরু করে আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের গন্তব্য—বিভিন্ন ধরনের রুটে প্রয়োজন অনুযায়ী উড়োজাহাজ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। বোয়িংয়ের ২৫টি উড়োজাহাজের মধ্যে রয়েছে ৭৮৭-১০, ৭৮৭-৯ ও ৭৩৭-৮ মডেল। আগে ১৪টি বোয়িং কেনার জন্য প্রায় ৩৭০ কোটি ডলারের একটি প্যাকেজে সম্মতি দেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ১১টি বোয়িং কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর ফলে বিমানের বহর আধুনিকায়নের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ রুট সম্প্রসারণের জন্যও একটি বড় ভিত্তি তৈরি হচ্ছে।

এয়ারবাসে খুলবে নতুন সম্ভাবনা

এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজের সংযোজন বিমানের বহরে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে। এ৩৫০-৯০০ দীর্ঘপাল্লার রুটে ব্যবহারের মাধ্যমে দূরবর্তী আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে। আর এ৩২১নিও তুলনামূলক ছোট ও মাঝারি দূরত্বের রুটে ব্যবহারের সুযোগ দেবে। এর ফলে যাত্রী চাহিদা ও রুটের দূরত্ব অনুযায়ী উড়োজাহাজ নির্বাচন করা সহজ হবে। বড় উড়োজাহাজের পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত ছোট উড়োজাহাজ থাকায় নতুন গন্তব্যে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্লাইট চালু এবং চাহিদা অনুযায়ী ফ্লাইট বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হতে পারে।

এয়ারবাসের উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ ২০৩৩ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০৩৬ বা ২০৩৭ সাল পর্যন্ত চলতে পারে। অর্থাৎ আগামী এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ধাপে ধাপে বহরে যুক্ত হবে নতুন উড়োজাহাজ। এতে পরিকল্পিতভাবে পুরোনো উড়োজাহাজ প্রতিস্থাপন এবং নতুন সক্ষমতা যোগ করার সুযোগ থাকবে।

বাংলাদেশের বড় বাজার, বিমানের বড় সুযোগ

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসা-বাণিজ্যের বিস্তার, পর্যটন ও শিক্ষার জন্য বিদেশগামী যাত্রী—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক আকাশপথে বাংলাদেশের বাজারের সম্ভাবনা বড়। এই বাজারে দেশের নিজস্ব পতাকাবাহী সংস্থার অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগও তাই যথেষ্ট। নতুন উড়োজাহাজ সেই সুযোগ কাজে লাগানোর অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হতে পারে।

বিশেষ করে দীর্ঘপাল্লার আধুনিক ওয়াইডবডি উড়োজাহাজ বিমানের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে যেসব গন্তব্যে কানেক্টিং ফ্লাইটের ওপর নির্ভর করতে হয়, ভবিষ্যতে সেসব রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে নতুন সক্ষমতার সমন্বয়

বিমানের বহর সম্প্রসারণের সময়েই ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালকে ঘিরে বিমানবন্দর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ এগোচ্ছে। ফলে নতুন উড়োজাহাজ ও উন্নত বিমানবন্দর অবকাঠামো একসঙ্গে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়লে ফ্লাইট পরিচালনার পরিসরও বাড়বে। নতুন উড়োজাহাজ দিয়ে সেই অতিরিক্ত সক্ষমতা কাজে লাগানো গেলে ঢাকা আরও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাবে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিমানের সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো ঢাকাকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী কানেক্টিং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা। দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানও এ সম্ভাবনাকে সমর্থন করে।

বহরে বৈচিত্র্য, রুটে নমনীয়তা

বিমানের বহরে এয়ারবাস যুক্ত হওয়ার ফলে বোয়িংয়ের পাশাপাশি আরেকটি নির্মাতার আধুনিক উড়োজাহাজ পরিচালনার অভিজ্ঞতা তৈরি হবে। এতে বহরের বৈচিত্র্য বাড়বে এবং বিভিন্ন রুটের জন্য ভিন্ন ধরনের উড়োজাহাজ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। অবশ্যই এর জন্য পাইলট ও প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা এবং যন্ত্রাংশ ব্যবস্থাপনায় নতুন বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই প্রস্তুতি বিমানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও বাড়াতে পারে। নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ পরিচালনার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ বহর পরিকল্পনায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বাড়বে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা

আধুনিক উড়োজাহাজের সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর একটি হলো জ্বালানি দক্ষতা। নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ দীর্ঘপথে তুলনামূলক দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা যায়। একই সঙ্গে যাত্রীদের জন্য উন্নত কেবিন, বেশি আরাম এবং দীর্ঘপথের ফ্লাইটে উন্নত ভ্রমণ অভিজ্ঞতা দেওয়ার সুযোগ থাকে।

ফলে নতুন বহর বিমানের পণ্য ও সেবার মান উন্নয়নেরও সুযোগ তৈরি করবে। আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় শুধু টিকিটের দাম নয়, উড়োজাহাজের মান, সময়ানুবর্তিতা, কানেক্টিভিটি ও যাত্রীসেবাও গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বহর এসব ক্ষেত্রে বিমানের সক্ষমতা বাড়াতে পারে।

সামনে বড় সম্ভাবনার দশক

বিমানের ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আগামী দশকে বাংলাদেশের আকাশপথে একটি বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। পুরোনো উড়োজাহাজের জায়গায় আধুনিক বহর, নতুন আন্তর্জাতিক রুট, বাড়তি আসন সক্ষমতা এবং উন্নত যাত্রীসেবা—সব মিলিয়ে বিমান নতুন পর্যায়ে প্রবেশের সুযোগ পাবে।

তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে বহরের সঙ্গে সমানতালে বাড়াতে হবে রুট পরিকল্পনা, দক্ষ জনবল, বিপণন, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীসেবার সক্ষমতা। নতুন উড়োজাহাজের প্রতিটি আসনকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোই হবে মূল লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ এবং বোয়িংয়ের ২৫টি উড়োজাহাজ শুধু বিমানের বহর বড় করার পরিকল্পনা নয়; এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক আকাশপথে নিজের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করার একটি দীর্ঘমেয়াদি সুযোগ। পরিকল্পনাটি দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হলে আগামী দশকেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য নতুন রুট, নতুন বাজার এবং নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলতে পারে।

কালের আলো/টিইকে/এমকে

সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য বাসযোগ্য, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নগরগুলো এখন শুধু নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন মানুষের বসবাসের স্থান নয়; এগুলো কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তাই পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ টেকসই উন্নয়নের অন্যতম শর্ত।

বাংলাদেশের নগরাঞ্চল ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, যানজট, দূষণ এবং অপর্যাপ্ত ও মানহীন আবাসনের মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বাস্তবতায় এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, নিরাপদ, সাশ্রয়ী, দূষণমুক্ত, পর্যাপ্ত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভূমির উচ্চমূল্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে আবাসন সংকট ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এ সংকট আরও প্রকট।

অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়ন ও সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান রাষ্ট্রপতি। সুবিধাবঞ্চিতদের আবাসন কর্মসূচি, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো, নিরাপদ ভবন নির্মাণবিধির যথাযথ প্রয়োগ, ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার এবং স্মার্ট ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এ কাজে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী, গবেষক ও তরুণ প্রজন্মের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সুপরিকল্পিত নগরায়ণ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নগরাঞ্চলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাসযোগ্য ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছে প্রসিকিউশন।

আপিলে ইনুর সাজা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ আপিল করা হয়। পরে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম।

এর আগে গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আপিলের মাধ্যমে এখন ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানানো হলো।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পাটওয়ারীর ওপর হামলা: দ্রুত হামলাকারীদের বিচারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
পাটওয়ারীর ওপর হামলা: দ্রুত হামলাকারীদের বিচারের দাবি

কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর এটি পঞ্চম হামলার ঘটনা।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়ায় একটি মাজারের ভেতরে প্রবেশ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলার জন্য তিনি বিএনপির নেতা-কর্মীদের দায়ী করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর এটি পঞ্চমবারের মতো হামলা। একজন নেতাকে কতটা ভয় পেলে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা এমন আচরণ করতে পারেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান এনসিপির আহ্বায়ক। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ভয়ভীতি, দমন-পীড়ন বা হামলা চালিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীদের কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না।

এর আগে কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগের খবর প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ ঘটনায় নাহিদ ইসলাম বিএনপির নেতা-কর্মীদের দায়ী করলেও এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি