খুঁজুন
                               
, ,
           

মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর

দেশের সব মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন ও প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত মাপ ও শর্ত অনুসরণ করে নম্বরপ্লেট লাগাতে হবে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনের পাশাপাশি সামনেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। এ বিধান বাস্তবায়নে মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন ও প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটার মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। প্লেটে ব্যবহৃত অক্ষর ও সংখ্যার ফন্টের উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।

নম্বরপ্লেট তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করতে হবে। এতে কালো রঙে বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে হবে। পাশাপাশি নম্বরপ্লেটে কোনো ধরনের শোভাবর্ধক উপাদান বা নকশা করা যাবে না।

স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার। এ ক্ষেত্রেও অক্ষর ও সংখ্যার ফন্টের উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। সামনের দিকে নিবন্ধন নম্বরের একটি অনুলিপি প্রদর্শন করা যাবে। উদাহরণ হিসেবে বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-ল-১১-১২২৯ নম্বরটি উল্লেখ করেছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে মোটরসাইকেলের মালিকদের নির্ধারিত মাপ ও শর্ত অনুসরণ করে আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজন ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বন্ধ হতে পারে ফিফার শান্তি পুরস্কার, একমাত্র বিজয়ী থাকবেন ট্রাম্প?

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
বন্ধ হতে পারে ফিফার শান্তি পুরস্কার, একমাত্র বিজয়ী থাকবেন ট্রাম্প?
ফিফার ‘শান্তি পুরস্কার’ নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এবার এর ভবিষ্যৎ পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরের শেষ দিকে পুরস্কারটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন শুরু হবে। আগামী ডিসেম্বরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পর্যালোচনার পর পুরস্কারটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই হবেন এর প্রথম ও একমাত্র বিজয়ী।

ফিফার ফুটবল সামাজিক দায়বদ্ধতা কমিটি পুরস্কারটির বিষয়ে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হবে, ভবিষ্যতে এই পুরস্কার চালু থাকবে, নাকি তা বাতিল করা হবে। তবে পুরস্কারটি বন্ধ করার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

ট্রাম্পকে পুরস্কার দেওয়ার পর থেকেই বিতর্ক

গত বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ফুটবল বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে শান্তি পুরস্কার তুলে দেন। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে হঠাৎ করেই এই পুরস্কার চালুর ঘোষণা দিয়েছিল বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

পুরস্কারটি ঘোষণার সময় ফিফা জানিয়েছিল, বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং শান্তির জন্য ব্যতিক্রমী ও অসাধারণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাম্পকে প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর থেকেই এর উদ্দেশ্য, নির্বাচনপ্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

বিশেষ করে ট্রাম্প এর আগে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার পর ফিফার কাছ থেকে নতুন এই স্বীকৃতি পাওয়ায় পুরস্কারটির সময় নির্বাচন ও সিদ্ধান্তের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে সমালোচনা আরও জোরালো হয়।

ইনফান্তিনোকে ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন

চলতি সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিলের সভায় সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে একাধিক বিতর্কিত বিষয় নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির একটি পরিকল্পনা বাতিল হওয়ার পর এটিই ছিল কাউন্সিলের প্রথম সভা।

ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) সভাপতি ডেবি হিউইট জানিয়েছেন, ইনফান্তিনোকে ঘিরে বিভিন্ন বিতর্কের বিষয়ে তিনি এখনো তাঁর কাছ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করেন। সমালোচকদের মতে, ফিফার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগের বিষয়ে এখনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

এর মধ্যে রয়েছে ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) পরিকল্পনায় ইনফান্তিনোর ভূমিকা, বিশ্বকাপে ফোলারিন বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত। এসব বিষয় নিয়ে সমালোচনা চলতে থাকায় ফিফার নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে ফিফার অবস্থান প্রশ্নের মুখে

ফিফার নীতিমালায় রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার বিষয়ে কঠোর বিধান রয়েছে। এ কারণে কোনো রাজনৈতিক নেতাকে পুরস্কৃত করার ক্ষেত্রে সংস্থাটির সিদ্ধান্ত কতটা নিরপেক্ষ ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকেরা।

ট্রাম্পকে পুরস্কার দেওয়ার পক্ষে ইনফান্তিনোর প্রকাশ্য মন্তব্যও বিতর্ক বাড়িয়েছে। তিনি বলেছিলেন, ট্রাম্প ‘নিশ্চিতভাবেই’ এই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। সমালোচকদের মতে, এমন মন্তব্য ফিফার রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতির সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন।

তবে পুরস্কারটির ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে ফিফার সংশ্লিষ্ট কমিটির মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। কমিটির প্রতিবেদনে পুরস্কারটির উদ্দেশ্য, কার্যকারিতা, নির্বাচনপ্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যতে এটি চালু রাখার যৌক্তিকতা পর্যালোচনা করা হতে পারে।

ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হতে পারে পুরস্কারের ভাগ্য

ফিফার ফুটবল সামাজিক দায়বদ্ধতা কমিটির মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়ার পর আগামী ডিসেম্বরে পুরস্কারটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের কথা রয়েছে। তবে পুরস্কারটি বাতিল করা হবে, নাকি নতুন কাঠামোয় চালু রাখা হবে—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

পুরস্কারটি বন্ধ করে দেওয়া হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পই এর প্রথম ও একমাত্র বিজয়ী হিসেবে থেকে যাবেন। আর এটি চালু রাখার সিদ্ধান্ত হলে ভবিষ্যতে কারা এই স্বীকৃতি পাবেন, সেই প্রক্রিয়া নিয়েও নতুন করে আলোচনা হতে পারে।

ফিফার শান্তি পুরস্কার চালুর ঘোষণার পর থেকে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত সংস্থাটির সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

কালের আলো/এএইচ/এসএ

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৭ জনের মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৭ জনের মৃত্যু, সবচেয়ে বেশি রোগী ঢাকায়

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৭২ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪২ এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার। শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়  ,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে রোগটিতে সর্বোচ্চ ১৪৮ জন মারা যান। মাসভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন এবং মে মাসে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪২ জনে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৮৭২ জন ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৩১২ জনে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৯৯১ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৪৯১ জন। নতুন রোগী ভর্তি ও হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার এই পরিসংখ্যান ডেঙ্গু পরিস্থিতির ধারাবাহিক চাপের চিত্র তুলে ধরছে। রোগীদের চিকিৎসা দিতে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালকে নিয়মিত সেবা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে নতুন রোগীর সংখ্যা ৮৬৫ জন।অন্যান্য বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রামে ২৬০ জন, খুলনায় ২৩৩ জন, বরিশালে ১৯০ জন, রাজশাহীতে ১৭৩ জন, ময়মনসিংহে ৬৭ জন এবং রংপুরে ৫৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিভাগভিত্তিক এই পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে রোগী ভর্তির সংখ্যা অন্য বিভাগগুলোর তুলনায় বেশি দেখা গেছে। তবে ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের সব এলাকায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা গুরুত্বপূর্ণ। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, টায়ার কিংবা অন্য কোনো স্থানে পানি জমে থাকলে সেখানে এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। জ্বর, শরীরব্যথা বা ডেঙ্গুর অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাত, অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা শ্বাসকষ্টের মতো সতর্কসংকেত দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

 

ওআইসি সম্মেলনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন হুমায়ুন কবির

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
ওআইসি সম্মেলনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন হুমায়ুন কবির

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অনুষ্ঠিত ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের ৫২তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এবারের অধিবেশনে শান্তি ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে সংলাপ ও সংহতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ওআইসিভুক্ত বিভিন্ন সদস্যরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

সংলাপ ও সংহতিতে গুরুত্ব

এবারের ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের মূল প্রতিপাদ্য—‘শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের প্রসারে সংলাপ ও সংহতি, এই দুটি মৌলিক স্তম্ভ’। এই প্রতিপাদ্যের আওতায় সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সংহতি জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে হুমায়ুন কবিরের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি ওআইসির বিভিন্ন সদস্যরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন হুমায়ুন কবির। এসব বৈঠকে কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। ওআইসি মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। সংস্থাটির মন্ত্রী পর্যায়ের অধিবেশনে সদস্যরাষ্ট্রগুলো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশেষ বৈঠকে সহসভাপতিত্ব

রোববার (১৮ অক্টোবর) রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়ে আয়োজিত একটি বিশেষ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের সহসভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর। রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জবাবদিহির বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র। এ বিষয়ে বিশেষ বৈঠকে হুমায়ুন কবিরের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করবে। এবারের অধিবেশনের সঙ্গে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের সভাপতিত্বেও পরিবর্তন এসেছে। তুরস্কের কাছ থেকে ইরাক আগামী এক বছরের জন্য পরিষদের সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি