খুঁজুন
                               
, ,
           

শাদমান-হৃদয়ের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
শাদমান-হৃদয়ের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়লেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের দ্রুত বিদায় এবং মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেছেন শাদমান ইসলাম ও তাওহীদ হৃদয়।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের চা বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১৭৭ রান। চতুর্থ উইকেটে শাদমান ও হৃদয়ের অবিচ্ছিন্ন জুটি স্বাগতিকদের ইনিংসে স্থিতি এনে দিয়েছে।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
মিরপুরে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে শুরুতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। দলীয় ৯ রানে মাত্র ৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। প্রথম উইকেট হারানোর পর শাদমান ইসলামের সঙ্গে জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন মুমিনুল হক। দুজনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে বাংলাদেশ।

মুমিনুলের সঙ্গে শাদমানের ৫৯ রানের জুটি
দ্বিতীয় উইকেটে শাদমান ও মুমিনুল হক মিলে ৫৯ রান যোগ করেন। তাঁদের এই জুটি প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়। তবে দলীয় ৬৮ রানে ভাঙে এই জুটি। ব্যক্তিগত ২৮ রান করে জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে আউট হন মুমিনুল হক। এরপর শাদমানের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক শান্ত। কিন্তু শান্তও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৯ রান করে তিনি ফিরে গেলে ১১০ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ফলে আবারও চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।

শাদমান-হৃদয়ের ব্যাটে স্বস্তি
তৃতীয় উইকেট পতনের পর দলের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন শাদমান ইসলাম ও তাওহীদ হৃদয়। দুজনই পরিস্থিতি বুঝে সতর্কতার সঙ্গে ব্যাটিং করেন এবং উইকেট ধরে রেখে রান বাড়াতে থাকেন। চতুর্থ উইকেটে তাঁদের অবিচ্ছিন্ন জুটি বাংলাদেশের ইনিংসকে এগিয়ে নেয়। দ্বিতীয় সেশনে শান্তর উইকেট হারানোর পর আর কোনো উইকেট পড়তে দেননি তাঁরা। এতে চা বিরতির আগে ম্যাচে স্বস্তির অবস্থানে ফেরে স্বাগতিকরা। চা বিরতিতে শাদমান ১৬৭ বলে ৭৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার ছাপ। অন্যদিকে হৃদয় ৭৪ বলে ৩৬ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন।

ওয়ারিক্যানের দুই উইকেট
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল জোমেল ওয়ারিক্যান। তিনি বাংলাদেশের দুটি উইকেট নিয়েছেন। আরেকটি উইকেট পেয়েছেন জেইডেন সিলস। প্রথম সেশনে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও দ্বিতীয় সেশনে শাদমান ও হৃদয়ের ব্যাটিংয়ে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করেছে বাংলাদেশ। দিনের বাকি সময়ে এই জুটি কতটা বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দিতে পারে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে তালেবানের গুলি, নিহত ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে তালেবানের গুলি, নিহত ১

পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের বাড়িঘর ও একটি বাজার লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে আফগান তালেবানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই এ হামলা চালানো হয়।

পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে পাকিস্তানি বাহিনী
দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান লোয়ারের ডেপুটি কমিশনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে হামলার তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঘটনার জবাবে পাকিস্তানি বাহিনী জোরালো পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে।

এ বিষয়ে আফগান তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বাড়ছে দুই দেশের উত্তেজনা
একসময় মিত্র হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে বিরোধ ক্রমেই বাড়ছে। দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের অন্যতম কারণ সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা।

পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে হামলা চালানো জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, জঙ্গি তৎপরতা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।

কূটনৈতিক সমাধানের আশ্বাসের পরই হামলা
সম্প্রতি আফগান তালেবানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পাকিস্তানের সঙ্গে বিরোধ কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। এর কয়েক দিনের মধ্যেই সীমান্তে নতুন করে গুলির ঘটনা ঘটল।

দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চলমান সংঘাতে চলতি বছর শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন এই হামলার পর সীমান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি/জেএন

ব্যাংক পরিচালনায় পরিবার ও মেয়াদ সীমিত করতে নতুন প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
ব্যাংক পরিচালনায় পরিবার ও মেয়াদ সীমিত করতে নতুন প্রস্তাব

বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ কমানো এবং পরিচালকদের মেয়াদ সীমিত করার প্রস্তাবে অনড় রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক মালিকদের আপত্তি সত্ত্বেও একই পরিবারের সদস্যসংখ্যা কমানো, পরিচালকদের টানা দায়িত্ব পালনের সময়সীমা হ্রাস এবং পুনর্নিয়োগের আগে বাধ্যতামূলক বিরতি রাখার প্রস্তাব বহাল রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনীতে এসব পরিবর্তনের পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদের গঠন, স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা এবং ব্যাংকের পরিচালক হওয়ার যোগ্যতা নিয়েও নতুন বিধান যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। সংশোধনীগুলোর লক্ষ্য ব্যাংকের পরিচালনায় জবাবদিহি বাড়ানো এবং ঋণ বিতরণে রাজনৈতিক প্রভাব কমানো।

এক পরিবারের সদস্য তিনজন থেকে কমে দুজন করার প্রস্তাব
গত সপ্তাহে অর্থ বিভাগে পাঠানো ব্যাংক কোম্পানি আইনের খসড়া সংশোধনীতে একটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে একই পরিবারের সদস্যসংখ্যা সর্বোচ্চ তিনজন থেকে কমিয়ে দুজন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের উপস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তন কার্যকর হলে একটি পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে পর্ষদে অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তারের সুযোগ সীমিত হতে পারে। এ ছাড়া পরিচালকদের টানা দায়িত্ব পালনের মেয়াদ ১২ বছর থেকে কমিয়ে ছয় বছর করার প্রস্তাব রয়েছে। ছয় বছর দায়িত্ব পালনের পর পুনর্নিয়োগ পেতে হলে সংশ্লিষ্ট পরিচালককে তিন বছর বিরতি দিতে হবে।

সংস্কার প্রস্তাবে আগের অবস্থানেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাংক খাত সংস্কারের জন্য নেওয়া প্রস্তাবেও পরিচালকদের মেয়াদ কমানো এবং একই পরিবারের সদস্যসংখ্যা সীমিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ব্যাংকও নতুন খসড়ায় সেই অবস্থান ধরে রেখেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই অবস্থানের ফলে ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে মতপার্থক্য অব্যাহত রয়েছে। মালিকপক্ষ পর্ষদে পরিবারের সদস্যসংখ্যা সর্বোচ্চ তিনজন রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। পাশাপাশি পরিচালকদের মেয়াদ ছয় বছরের পরিবর্তে নয় বছর করার দাবি জানিয়েছে তারা।

পর্ষদে সর্বোচ্চ ২০ সদস্য, স্বতন্ত্র পরিচালক পাঁচজন করার প্রস্তাব
ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনী খসড়ায় পরিচালনা পর্ষদের আকার ও স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা নিয়েও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন প্রস্তাবে একটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সর্বোচ্চ ২০ জন সদস্য রাখার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা দুইজন থেকে বাড়িয়ে পাঁচজন করার প্রস্তাব রয়েছে। এর আগে প্রস্তাবিত সংস্কারে পর্ষদের সদস্যসংখ্যা সর্বোচ্চ ১৫ জনে সীমিত রাখার পাশাপাশি অন্তত অর্ধেক আসন স্বতন্ত্র পরিচালকদের জন্য বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছিল।

নতুন খসড়ায় পর্ষদের সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ রাখা হলেও স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। ব্যাংকের সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীন মতামত, তদারকি এবং জবাবদিহি জোরদার করার ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র পরিচালকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

এমপি-মন্ত্রীর ব্যাংক পরিচালক হওয়ার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব
ব্যাংকের ঋণ বিতরণে রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর লক্ষ্যেও নতুন বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ব্যাংকের পরিচালক হওয়ার সুযোগ বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে রাজনৈতিক পদধারীদের সরাসরি অংশগ্রহণ সীমিত হবে। এর মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন ও ব্যাংকের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সংস্কার উদ্যোগের লক্ষ্য। এ ছাড়া কৌশলগত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ধারণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ১০ শতাংশ সীমা শিথিল করার ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে রাখার প্রস্তাবও রয়েছে। এতে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ধারণের সীমা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে থাকবে।

মন্ত্রিসভায় তোলার আগে আন্তমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের আগে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে ব্যাংক কোম্পানি আইনের খসড়া সংশোধনী পর্যালোচনা করা হবে। আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন ও পাস করাই সরকারের লক্ষ্য। তবে প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো এখনো খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। আইন সংশোধনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সংসদে অনুমোদনের পরই নতুন বিধানগুলোর বাস্তবায়ন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সংস্কার নিয়ে ব্যাংক মালিকদের আপত্তি
ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবি প্রস্তাবিত সংস্কারের বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে। সংগঠনটির দাবি, একটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে একই পরিবারের সর্বোচ্চ তিনজন সদস্য থাকতে পারবেন এবং পরিচালকদের মেয়াদ হবে নয় বছর। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিবারের সদস্যসংখ্যা কমানো এবং পরিচালকদের দায়িত্ব পালনের মেয়াদ ছয় বছরে নামিয়ে আনার প্রস্তাবে অনড় রয়েছে। ফলে ব্যাংক খাতের পরিচালনা কাঠামো সংস্কার নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংক মালিকদের মধ্যে মতপার্থক্য এখনো রয়েছে। প্রস্তাবিত সংশোধনী চূড়ান্ত হলে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের গঠন, পরিচালকদের দায়িত্ব পালনের মেয়াদ এবং ব্যাংক পরিচালনায় রাজনৈতিক ও পারিবারিক প্রভাবের বিষয়ে নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

আঙুল থেঁতলে গেছে মুশফিকের, সিলেট টেস্টে ফেরার আশা

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
আঙুল থেঁতলে গেছে মুশফিকের, সিলেট টেস্টে ফেরার আশা

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের। অনুশীলনের সময় ডান হাতের তর্জনিতে চোট পেয়েছেন তিনি। আঙুল থেঁতলে যাওয়ায় প্রথম টেস্টের একাদশে রাখা হয়নি তাঁকে। তবে চোট গুরুতর না হওয়ায় আগামী ৫ নভেম্বর সিলেটে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিককে পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ দল।

গতকাল নেটে ব্যাটিং অনুশীলনের সময় বল এসে লাগে মুশফিকের আঙুলে। সঙ্গে সঙ্গে ব্যথায় কাতর হয়ে নেটের পাশে বসে পড়েন তিনি। পরে মিরপুরের একাডেমি মাঠে প্রায় আধা ঘণ্টা চিকিৎসা নেওয়ার পর হাতে টেপ পেঁচিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। এরপর আর ব্যাটিং অনুশীলনে ফেরেননি তিনি।

এক্স-রেতে গুরুতর কিছু ধরা পড়েনি
চোট পাওয়ার পর মুশফিকের আঙুলে এক্স-রে করা হয়। তাতে গুরুতর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। ফলে দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর খেলার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী ছিল দল। তবে আজ সকাল পর্যন্ত আঙুলের অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় মিরপুর টেস্টের একাদশে তাঁকে রাখা হয়নি। তাঁর পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন তাওহিদ হৃদয়।

বাংলাদেশ দলের ফিজিও বায়েজীদুল ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় মুশফিকের চোটের বিষয়ে বলেন, ‘মুশফিকুর রহিম ডান হাতের তর্জনিতে ব্যথা পেয়েছে। পরবর্তী সময় থেকে সে আমাদের পর্যবেক্ষণে ছিল। আজ সকাল পর্যন্ত যথেষ্ট উন্নতি হয়নি। এটা একটা কনটিউশন (থেঁতলে যাওয়া) ইনজুরি। আমরা আশা করছি, আগামী তিন দিনের মধ্যে এটা ঠিক হয়ে যাবে। পরের টেস্টে খেলতে পারবে।’

সিলেট টেস্টে ফেরার অপেক্ষা
মুশফিকের চোট নিয়ে আপাতত বড় কোনো শঙ্কা দেখছে না বাংলাদেশ দল। ফিজিওর প্রত্যাশা, কয়েক দিনের মধ্যেই আঙুলের অবস্থা ভালো হবে। সে ক্ষেত্রে আগামী ৫ নভেম্বর সিলেটে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে ফিরতে পারেন তিনি।

দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ব্যাটার হিসেবে মুশফিকের অনুপস্থিতি প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা। এখন তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার অপেক্ষায় থাকবে দল। তবে সিলেট টেস্টে তাঁর খেলা চূড়ান্তভাবে নির্ভর করবে চোটের উন্নতি ও পরবর্তী মূল্যায়নের ওপর।

কালের আলো/এমডিএইচ/জেএন