খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

‘জনবান্ধব’ ডিসি-এসপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৮, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
‘জনবান্ধব’ ডিসি-এসপি

অ্যাক্টিং এডিটর | কালের আলো :

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্নে তাঁরা উচ্চকন্ঠ। জঙ্গিবাদ দমনেও সোচ্চার। তাদের সময়ে ময়মনসিংহ শান্তিপূর্ণ এক জেলা। জেলা প্রশাসনে নীতি নির্ধারণী পদে থেকে পরিচ্ছন্ন মনে জনসাধারণের জন্য সেবার দূয়ার খুলে দিয়েছেন। নিজ নিজ প্রশাসনে গতিশীলতা এনেছেন।
কাজের মাধ্যমেই উজ্জ্বল করেছেন সরকারের ভাবমূর্তি। সাধারণের সঙ্গে মিশে যাওয়ার অসাধারণ ক্ষমতার কারণেও তারা জনপ্রিয়। জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ দু’পদের ‘জনবান্ধব’ এ দু’ কর্মকর্তা হচ্ছেন মো: খলিলুর রহমান ও সৈয়দ নুরুল ইসলাম। একজন জেলা প্রশাসক (ডিসি)। অন্যজন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)।

সফলতা ও সুনামের সঙ্গে প্রশাসন চালাতে গিয়ে নিজেদের কাজের মাঝেও অপূর্ব সমন্বয় রেখেছেন। এসব কারণেই ময়মনসিংহের ইতিহাসে তাদের ধরা হচ্ছে অন্যতম শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে। জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে সুশীল সমাজ এমনকি নতুন প্রজন্মও তাদের ভূমিকায় মুগ্ধ।

ময়মনসিংহে যোগদানের প্রথম দিনেই তদ্বিরবাজদের সতর্ক করেছিলেন ডিসি খলিলুর রহমান। চাটুকারিতাকে ‘না’ জানিয়েছিলেন। তার মতো এমন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহে খুব কমই এসেছেন। তিনি সংস্কৃতি নগরী ময়মনসিংহে সাংস্কৃতিক জাগরণ সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছেন। সচেতনতা বিকাশে বিস্তৃত করেছেন সামাজিক আন্দোলন।

তাঁর আলোচিত ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপের একটি প্যানাফ্ল্যাক্স, ব্যানারের জঞ্জালমুক্ত নগরী উপহার দেয়ার প্রচেষ্টা। এক সময় ঠাহর করাই কষ্টকর ছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। ডিসি অফিসের সামনের পুকুরটি এক সময় ছিল ময়লা আবর্জনায় পরিপূর্ণ। চারপাশে ছিল ঘন জঙ্গল।

কিন্তু এখন সৌন্দর্যবর্ধনের অফিসের সামনের দিকটায় মনোরম পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বিউটিফিকেশনের ছোঁয়ায় এসেছে ঝকঝকে তকতকে চেহারা। সৌন্দর্যবর্ধন হয়েছে পুকুরেরও। অফিসে প্রবেশ পথেই স্বাগত জানাচ্ছে সুদৃশ্য ‘ডিসি গার্ডেন।’

জেলা প্রশাসক (ডিসি) খলিলুর রহমান নিজ অফিসেই প্রতিষ্ঠা করেছেন আইসিটি ল্যাব। সেখানে নারী উদ্যোক্তাদের দেয়া হচ্ছে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড.মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক খান এসব উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন দেখে গেছেন। উদ্বোধন করেছেন আইসিটি ল্যাব ও ডিসি গার্ডেনের। মোহনীয় এক পরিবেশ ফিরিয়ে আনায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) এমন কর্মযজ্ঞেরও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বক্তব্য স্থানীয় জনসাধারণকে উদ্দীপ্ত করেছে। দুর্নীতিমুক্ত গতিশীল প্রশাসন পরিচালনা করে রীতিমতো মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন। জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে জেলাবাসীর সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের নজির স্থাপন করেছেন ডিসি খলিলুর রহমান। এর মাধ্যমে সরাসরি যে কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন। নিজেদের সমস্যার কথাও অকপটে তুলে ধরতে পারছেন।

মূলত কল্যাণকর কাজেই সামাজিক এ নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করে নিজের কর্মকৌশল নাগরিকদের সম্মুখে তুলে ধরছেন তিনি। তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে সব রকমের সেবা প্রদানে সরকারি অঙ্গীকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

এতো গেলো জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ডিসি’র কথা। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃষ্টান্ত পুলিশ প্রশাসনের নাম্বার ওয়ান কর্মকর্তা এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলামও। শুরু থেকেই তিনি জনসম্পৃক্ত কর্মপরিকল্পনা নিয়েই এগিয়েছেন। জঙ্গিবাদ নির্মুল, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং জনহয়রানির বিষয়ে নিজের আপোষহীন অবস্থার কথাও বলেছিলেন একাধিকবার। তিনি কথা রেখেছেন।

ময়মনসিংহে এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চ্যালেঞ্জে উত্তীর্ণ হয়েছেন। কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ করেছেন তিনি সেরা। অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে দেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তও তিনি।

ছাত্রজীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় চাকরি জীবনের শুরুতেই বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের রোষানলের শিকার হয়েছিলেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

মাঠ পর্যায়ে প্রভেশনাল পিরিয়ডের ২ মাস ২১ দিন পরই তিনি সাসপেন্ড হয়েছিলেন। একটানা প্রায় সাড়ে ৫ বছর ছিলেন চাকরিহারা। তবে নিজের অনুকূলে ছিল আদালতের রায়। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত সরকার সেই রায় বাস্তবায়ন করেনি।

পরবর্তীতে ২০০৭ সালে কেয়ার টেকার সরকার ক্ষমতায় এলে আদালতের রায়ে আবারো চাকরিতে বহাল হন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
ময়মনসিংহে যোগদানের আগে এ পুলিশ কর্মকর্তা চাকরি জীবনে দীর্ঘদিন রমনা ডিভিশনের এডিসি এবং ডিসি, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার, সিটিএসবি’র এসএস (পলিটিকক্যাল), ওয়ারি ডিভিশনের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে অনার্স, মাস্টার্স এবং পপুলেশন সায়েন্স থেকে মাষ্টার্স সম্পন্ন করা সৈয়দ নুরুল ইসলাম ২০০১ সালে বিসিএসে উত্তীর্ণ হন।

ওই সময়েই সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে যোগদান করেন চাপাইনবাবগঞ্জের এ বাসিন্দা। পুলিশের ২০ তম ব্যাচের এ কর্মকর্তা ময়মনসিংহের এসপি’র দায়িত্ব পালনকালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে সাফল্যের পাশাপাশি জেলা পুলিশের তথ্য প্রযুক্তিকে বিকশিত করে গোটা দেশে চমক সৃষ্টি করেছেন।

অপরাধ দমন ও সনাক্তে ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার এলাকা প্রথমবারের মতো সিসি ক্যামেরা নেটওয়ার্কের আওতায় এনেছেন। এমন সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে দেশপ্রেমিক পুলিশ বাহিনীতে প্রশংসিত হয়েছেন। তাঁর হাত ধরেই ময়মনসিংহ মিডিয়া সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে রচিত হয়েছে নতুন এক ইতিহাস।


পুলিশ ও জনগণের সম্পর্কেও নতুন মাত্রা যুক্ত করেছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম। নিজের চিন্তা-চেতনাতেও মুক্তিযুদ্ধকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন। তাঁর কৃতিত্বপূর্ণ ও দক্ষ নেতৃত্বে ময়মনসিংহে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে পুলিশ। সামাজি শান্তি, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনেও হয়েছে সফল।

দেখা গেছে, জেলা পুলিশের এ সর্বোচ্চ কর্মকর্তার অফিস কক্ষে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতে কোন বাঁধা নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সম্পর্কে বিশেষ করে জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও প্রতিভাবান নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সম্পর্কের মেলবন্ধন স্থাপনেও তিনি দৃষ্টান্ত।

বিনয় আর হাসিমুখ নিয়েই কথা বলেন আগন্তুকদের সঙ্গে। সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানও মেলে তাঁর কাছ থেকে। এসব কারণেই জেলার অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক ভাবমূর্তি অর্জন করেছে জেলা পুলিশ। আর ‘জনবান্ধব’ পুলিশ কর্মকর্তার অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

 

কালের আলো/এমএ

কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

ভাগ্য কাকে কোথায় নিয়ে যায়, তা যেন আরও একবার মানব জাতিকে ভাবতে বসালো নারায়ণগঞ্জের খামারের আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পে’র ঘটনা। কোরবানির দুয়ার থেকে পশুটির ঠিকানা এখন মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা।

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নাম রাখায় রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিল অ্যালবিনো জাতের এই মহিষটি। চেহারা এবং চুলের ঢং অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায় সেটির নামই রেখে দেওয়া হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ব্যাপক আলোচনায় আসার ফলে দ্রুতই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল মহিষটি। কিনেছিলেন কেরাণীগঞ্জের এক ক্রেতা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহার দিনে কোরবানি দেওয়ার জন্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চড়া দামে কিনেছিলেন ওই ক্রেতা।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দিয়ে ক্রেতার কাছ থেকে মহিষটি ফিরিয়ে নিয়ে বুধবার (২৭ মে) কেরানীগঞ্জের জিনজিরার ইসলামপুর থেকে মহিষটি বিকেল সাড়ে ৫টার সময় কেরানীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। সেখানে থেকে নেওয়া হয়েছে চিড়িয়াখানায়।

বুধবার (২৭ মে) রাতে জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ট্রাম্প নামের মহিষটাকে রাতেই চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছে। আমরা একটা শেডে ওটাকে রাখার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া তার খাওয়ার সব ব্যবস্থা করেছে জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।’

সূত্রে জানা যায়, মহিষটিকে ঘিরে অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় কেরানীগঞ্জের ক্রেতাকে টাকা ফেরত দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে আগের মতোই লালন-পালন করা হবে।

মূলত সম্ভাব্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে ক্রেতার কাছ থেকে সেটি ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত মহিষটিকে আগের মতোই নিবিড় পর্যবেক্ষণে লালন-পালন করা হবে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, মহিষটিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও নাকি সেটিকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। কিন্তু পরে জানা যায়, পোস্ট দেওয়ার খবর ভুয়া।

তবে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়, এবারের কোরবানির হাটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামেও একটি মহিষ আছে। এছাড়া বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমারের নামে রয়েছে একটি গরুও।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচারের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট হবে। আপনারা দেখেছেন, এক সপ্তাহ পূরণ হওয়ার আগেই চার্জশিট দাখিল করেছি। আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের এ প্রক্রিয়াকে ন্যায় বিচারের মানদণ্ডে যেমন স্বচ্ছতা রাখতে চেয়েছি, ঠিক একইভাবে যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয় তাদের সামনে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তরভাবে পথ চলছি, নিরলসভাবে চলছি।‘

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে মেধা ও মনন মঞ্চ আয়োজিত দ্যা গ্রান্ড ফিনাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ফাঁসির আসামিদের পেপার বুক তৈরির দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এর সঙ্গে শুধুমাত্র আমরা জড়িত নই, সরকার জড়িত না। এর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত। ইতিমধ্যেই আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি এবং ফাঁসির আসামিদের বিষয়ে শাস্তি ও বিচার এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটাই পদক্ষেপ নেব। এইভাবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ঠিক রামিসার মতো মাগুরার আসিয়াসহ যতগুলো ফাঁসির আসামি সেই নির্জন সেলে আছেন তাদের মামলার নিষ্পত্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে করব ইনশাল্লাহ।’

‘আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ যে কয়টি হত্যা মামলা ছিল তার মধ্যে ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া হাইকোর্ট পর্যন্ত সমাপ্ত করে আসতে চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগও আশা করি এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেবেন।’

মেধা ও মনন মঞ্চ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটাকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি চাই এ সংগঠনটি, এই মঞ্চটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, এই সোসাইটির ওয়াচডগ হিসেবে থাকুক।’

মেধা ও মনন মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ তুর্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এ কে এম মতিনুর রহমান, রোজ সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বিদ্যুৎ, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের একটি প্রাথমিক খসড়া নথি পেয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার একটি সম্ভাব্য কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার। এর বিনিময়ে ইরান ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অনুমতি দেবে।

তবে খসড়ায় বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবে না। ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ইরান ও ওমানের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই কাঠামো এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং বাস্তব যাচাই ছাড়া ইরান কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে না।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এম/এএইচ