খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

‘জনবান্ধব’ ডিসি-এসপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৮, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
‘জনবান্ধব’ ডিসি-এসপি

অ্যাক্টিং এডিটর | কালের আলো :

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্নে তাঁরা উচ্চকন্ঠ। জঙ্গিবাদ দমনেও সোচ্চার। তাদের সময়ে ময়মনসিংহ শান্তিপূর্ণ এক জেলা। জেলা প্রশাসনে নীতি নির্ধারণী পদে থেকে পরিচ্ছন্ন মনে জনসাধারণের জন্য সেবার দূয়ার খুলে দিয়েছেন। নিজ নিজ প্রশাসনে গতিশীলতা এনেছেন।
কাজের মাধ্যমেই উজ্জ্বল করেছেন সরকারের ভাবমূর্তি। সাধারণের সঙ্গে মিশে যাওয়ার অসাধারণ ক্ষমতার কারণেও তারা জনপ্রিয়। জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ দু’পদের ‘জনবান্ধব’ এ দু’ কর্মকর্তা হচ্ছেন মো: খলিলুর রহমান ও সৈয়দ নুরুল ইসলাম। একজন জেলা প্রশাসক (ডিসি)। অন্যজন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)।

সফলতা ও সুনামের সঙ্গে প্রশাসন চালাতে গিয়ে নিজেদের কাজের মাঝেও অপূর্ব সমন্বয় রেখেছেন। এসব কারণেই ময়মনসিংহের ইতিহাসে তাদের ধরা হচ্ছে অন্যতম শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে। জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে সুশীল সমাজ এমনকি নতুন প্রজন্মও তাদের ভূমিকায় মুগ্ধ।

ময়মনসিংহে যোগদানের প্রথম দিনেই তদ্বিরবাজদের সতর্ক করেছিলেন ডিসি খলিলুর রহমান। চাটুকারিতাকে ‘না’ জানিয়েছিলেন। তার মতো এমন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহে খুব কমই এসেছেন। তিনি সংস্কৃতি নগরী ময়মনসিংহে সাংস্কৃতিক জাগরণ সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছেন। সচেতনতা বিকাশে বিস্তৃত করেছেন সামাজিক আন্দোলন।

তাঁর আলোচিত ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপের একটি প্যানাফ্ল্যাক্স, ব্যানারের জঞ্জালমুক্ত নগরী উপহার দেয়ার প্রচেষ্টা। এক সময় ঠাহর করাই কষ্টকর ছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। ডিসি অফিসের সামনের পুকুরটি এক সময় ছিল ময়লা আবর্জনায় পরিপূর্ণ। চারপাশে ছিল ঘন জঙ্গল।

কিন্তু এখন সৌন্দর্যবর্ধনের অফিসের সামনের দিকটায় মনোরম পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বিউটিফিকেশনের ছোঁয়ায় এসেছে ঝকঝকে তকতকে চেহারা। সৌন্দর্যবর্ধন হয়েছে পুকুরেরও। অফিসে প্রবেশ পথেই স্বাগত জানাচ্ছে সুদৃশ্য ‘ডিসি গার্ডেন।’

জেলা প্রশাসক (ডিসি) খলিলুর রহমান নিজ অফিসেই প্রতিষ্ঠা করেছেন আইসিটি ল্যাব। সেখানে নারী উদ্যোক্তাদের দেয়া হচ্ছে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড.মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক খান এসব উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন দেখে গেছেন। উদ্বোধন করেছেন আইসিটি ল্যাব ও ডিসি গার্ডেনের। মোহনীয় এক পরিবেশ ফিরিয়ে আনায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) এমন কর্মযজ্ঞেরও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বক্তব্য স্থানীয় জনসাধারণকে উদ্দীপ্ত করেছে। দুর্নীতিমুক্ত গতিশীল প্রশাসন পরিচালনা করে রীতিমতো মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন। জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে জেলাবাসীর সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের নজির স্থাপন করেছেন ডিসি খলিলুর রহমান। এর মাধ্যমে সরাসরি যে কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন। নিজেদের সমস্যার কথাও অকপটে তুলে ধরতে পারছেন।

মূলত কল্যাণকর কাজেই সামাজিক এ নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করে নিজের কর্মকৌশল নাগরিকদের সম্মুখে তুলে ধরছেন তিনি। তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে সব রকমের সেবা প্রদানে সরকারি অঙ্গীকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

এতো গেলো জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ডিসি’র কথা। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃষ্টান্ত পুলিশ প্রশাসনের নাম্বার ওয়ান কর্মকর্তা এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলামও। শুরু থেকেই তিনি জনসম্পৃক্ত কর্মপরিকল্পনা নিয়েই এগিয়েছেন। জঙ্গিবাদ নির্মুল, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং জনহয়রানির বিষয়ে নিজের আপোষহীন অবস্থার কথাও বলেছিলেন একাধিকবার। তিনি কথা রেখেছেন।

ময়মনসিংহে এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চ্যালেঞ্জে উত্তীর্ণ হয়েছেন। কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ করেছেন তিনি সেরা। অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে দেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তও তিনি।

ছাত্রজীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় চাকরি জীবনের শুরুতেই বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের রোষানলের শিকার হয়েছিলেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

মাঠ পর্যায়ে প্রভেশনাল পিরিয়ডের ২ মাস ২১ দিন পরই তিনি সাসপেন্ড হয়েছিলেন। একটানা প্রায় সাড়ে ৫ বছর ছিলেন চাকরিহারা। তবে নিজের অনুকূলে ছিল আদালতের রায়। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত সরকার সেই রায় বাস্তবায়ন করেনি।

পরবর্তীতে ২০০৭ সালে কেয়ার টেকার সরকার ক্ষমতায় এলে আদালতের রায়ে আবারো চাকরিতে বহাল হন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
ময়মনসিংহে যোগদানের আগে এ পুলিশ কর্মকর্তা চাকরি জীবনে দীর্ঘদিন রমনা ডিভিশনের এডিসি এবং ডিসি, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার, সিটিএসবি’র এসএস (পলিটিকক্যাল), ওয়ারি ডিভিশনের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে অনার্স, মাস্টার্স এবং পপুলেশন সায়েন্স থেকে মাষ্টার্স সম্পন্ন করা সৈয়দ নুরুল ইসলাম ২০০১ সালে বিসিএসে উত্তীর্ণ হন।

ওই সময়েই সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে যোগদান করেন চাপাইনবাবগঞ্জের এ বাসিন্দা। পুলিশের ২০ তম ব্যাচের এ কর্মকর্তা ময়মনসিংহের এসপি’র দায়িত্ব পালনকালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে সাফল্যের পাশাপাশি জেলা পুলিশের তথ্য প্রযুক্তিকে বিকশিত করে গোটা দেশে চমক সৃষ্টি করেছেন।

অপরাধ দমন ও সনাক্তে ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার এলাকা প্রথমবারের মতো সিসি ক্যামেরা নেটওয়ার্কের আওতায় এনেছেন। এমন সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে দেশপ্রেমিক পুলিশ বাহিনীতে প্রশংসিত হয়েছেন। তাঁর হাত ধরেই ময়মনসিংহ মিডিয়া সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে রচিত হয়েছে নতুন এক ইতিহাস।


পুলিশ ও জনগণের সম্পর্কেও নতুন মাত্রা যুক্ত করেছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম। নিজের চিন্তা-চেতনাতেও মুক্তিযুদ্ধকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন। তাঁর কৃতিত্বপূর্ণ ও দক্ষ নেতৃত্বে ময়মনসিংহে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে পুলিশ। সামাজি শান্তি, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনেও হয়েছে সফল।

দেখা গেছে, জেলা পুলিশের এ সর্বোচ্চ কর্মকর্তার অফিস কক্ষে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতে কোন বাঁধা নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সম্পর্কে বিশেষ করে জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও প্রতিভাবান নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সম্পর্কের মেলবন্ধন স্থাপনেও তিনি দৃষ্টান্ত।

বিনয় আর হাসিমুখ নিয়েই কথা বলেন আগন্তুকদের সঙ্গে। সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানও মেলে তাঁর কাছ থেকে। এসব কারণেই জেলার অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক ভাবমূর্তি অর্জন করেছে জেলা পুলিশ। আর ‘জনবান্ধব’ পুলিশ কর্মকর্তার অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

 

কালের আলো/এমএ

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ