খুঁজুন
                               
, ,
           

‘জনবান্ধব’ ডিসি-এসপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৮, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
‘জনবান্ধব’ ডিসি-এসপি

অ্যাক্টিং এডিটর | কালের আলো :

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্নে তাঁরা উচ্চকন্ঠ। জঙ্গিবাদ দমনেও সোচ্চার। তাদের সময়ে ময়মনসিংহ শান্তিপূর্ণ এক জেলা। জেলা প্রশাসনে নীতি নির্ধারণী পদে থেকে পরিচ্ছন্ন মনে জনসাধারণের জন্য সেবার দূয়ার খুলে দিয়েছেন। নিজ নিজ প্রশাসনে গতিশীলতা এনেছেন।
কাজের মাধ্যমেই উজ্জ্বল করেছেন সরকারের ভাবমূর্তি। সাধারণের সঙ্গে মিশে যাওয়ার অসাধারণ ক্ষমতার কারণেও তারা জনপ্রিয়। জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ দু’পদের ‘জনবান্ধব’ এ দু’ কর্মকর্তা হচ্ছেন মো: খলিলুর রহমান ও সৈয়দ নুরুল ইসলাম। একজন জেলা প্রশাসক (ডিসি)। অন্যজন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)।

সফলতা ও সুনামের সঙ্গে প্রশাসন চালাতে গিয়ে নিজেদের কাজের মাঝেও অপূর্ব সমন্বয় রেখেছেন। এসব কারণেই ময়মনসিংহের ইতিহাসে তাদের ধরা হচ্ছে অন্যতম শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে। জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে সুশীল সমাজ এমনকি নতুন প্রজন্মও তাদের ভূমিকায় মুগ্ধ।

ময়মনসিংহে যোগদানের প্রথম দিনেই তদ্বিরবাজদের সতর্ক করেছিলেন ডিসি খলিলুর রহমান। চাটুকারিতাকে ‘না’ জানিয়েছিলেন। তার মতো এমন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহে খুব কমই এসেছেন। তিনি সংস্কৃতি নগরী ময়মনসিংহে সাংস্কৃতিক জাগরণ সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছেন। সচেতনতা বিকাশে বিস্তৃত করেছেন সামাজিক আন্দোলন।

তাঁর আলোচিত ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপের একটি প্যানাফ্ল্যাক্স, ব্যানারের জঞ্জালমুক্ত নগরী উপহার দেয়ার প্রচেষ্টা। এক সময় ঠাহর করাই কষ্টকর ছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। ডিসি অফিসের সামনের পুকুরটি এক সময় ছিল ময়লা আবর্জনায় পরিপূর্ণ। চারপাশে ছিল ঘন জঙ্গল।

কিন্তু এখন সৌন্দর্যবর্ধনের অফিসের সামনের দিকটায় মনোরম পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বিউটিফিকেশনের ছোঁয়ায় এসেছে ঝকঝকে তকতকে চেহারা। সৌন্দর্যবর্ধন হয়েছে পুকুরেরও। অফিসে প্রবেশ পথেই স্বাগত জানাচ্ছে সুদৃশ্য ‘ডিসি গার্ডেন।’

জেলা প্রশাসক (ডিসি) খলিলুর রহমান নিজ অফিসেই প্রতিষ্ঠা করেছেন আইসিটি ল্যাব। সেখানে নারী উদ্যোক্তাদের দেয়া হচ্ছে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড.মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক খান এসব উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন দেখে গেছেন। উদ্বোধন করেছেন আইসিটি ল্যাব ও ডিসি গার্ডেনের। মোহনীয় এক পরিবেশ ফিরিয়ে আনায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) এমন কর্মযজ্ঞেরও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বক্তব্য স্থানীয় জনসাধারণকে উদ্দীপ্ত করেছে। দুর্নীতিমুক্ত গতিশীল প্রশাসন পরিচালনা করে রীতিমতো মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন। জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে জেলাবাসীর সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের নজির স্থাপন করেছেন ডিসি খলিলুর রহমান। এর মাধ্যমে সরাসরি যে কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন। নিজেদের সমস্যার কথাও অকপটে তুলে ধরতে পারছেন।

মূলত কল্যাণকর কাজেই সামাজিক এ নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করে নিজের কর্মকৌশল নাগরিকদের সম্মুখে তুলে ধরছেন তিনি। তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে সব রকমের সেবা প্রদানে সরকারি অঙ্গীকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

এতো গেলো জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ডিসি’র কথা। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃষ্টান্ত পুলিশ প্রশাসনের নাম্বার ওয়ান কর্মকর্তা এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলামও। শুরু থেকেই তিনি জনসম্পৃক্ত কর্মপরিকল্পনা নিয়েই এগিয়েছেন। জঙ্গিবাদ নির্মুল, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং জনহয়রানির বিষয়ে নিজের আপোষহীন অবস্থার কথাও বলেছিলেন একাধিকবার। তিনি কথা রেখেছেন।

ময়মনসিংহে এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চ্যালেঞ্জে উত্তীর্ণ হয়েছেন। কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ করেছেন তিনি সেরা। অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে দেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তও তিনি।

ছাত্রজীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় চাকরি জীবনের শুরুতেই বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের রোষানলের শিকার হয়েছিলেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

মাঠ পর্যায়ে প্রভেশনাল পিরিয়ডের ২ মাস ২১ দিন পরই তিনি সাসপেন্ড হয়েছিলেন। একটানা প্রায় সাড়ে ৫ বছর ছিলেন চাকরিহারা। তবে নিজের অনুকূলে ছিল আদালতের রায়। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত সরকার সেই রায় বাস্তবায়ন করেনি।

পরবর্তীতে ২০০৭ সালে কেয়ার টেকার সরকার ক্ষমতায় এলে আদালতের রায়ে আবারো চাকরিতে বহাল হন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
ময়মনসিংহে যোগদানের আগে এ পুলিশ কর্মকর্তা চাকরি জীবনে দীর্ঘদিন রমনা ডিভিশনের এডিসি এবং ডিসি, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার, সিটিএসবি’র এসএস (পলিটিকক্যাল), ওয়ারি ডিভিশনের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে অনার্স, মাস্টার্স এবং পপুলেশন সায়েন্স থেকে মাষ্টার্স সম্পন্ন করা সৈয়দ নুরুল ইসলাম ২০০১ সালে বিসিএসে উত্তীর্ণ হন।

ওই সময়েই সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে যোগদান করেন চাপাইনবাবগঞ্জের এ বাসিন্দা। পুলিশের ২০ তম ব্যাচের এ কর্মকর্তা ময়মনসিংহের এসপি’র দায়িত্ব পালনকালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে সাফল্যের পাশাপাশি জেলা পুলিশের তথ্য প্রযুক্তিকে বিকশিত করে গোটা দেশে চমক সৃষ্টি করেছেন।

অপরাধ দমন ও সনাক্তে ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার এলাকা প্রথমবারের মতো সিসি ক্যামেরা নেটওয়ার্কের আওতায় এনেছেন। এমন সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে দেশপ্রেমিক পুলিশ বাহিনীতে প্রশংসিত হয়েছেন। তাঁর হাত ধরেই ময়মনসিংহ মিডিয়া সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে রচিত হয়েছে নতুন এক ইতিহাস।


পুলিশ ও জনগণের সম্পর্কেও নতুন মাত্রা যুক্ত করেছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম। নিজের চিন্তা-চেতনাতেও মুক্তিযুদ্ধকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন। তাঁর কৃতিত্বপূর্ণ ও দক্ষ নেতৃত্বে ময়মনসিংহে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে পুলিশ। সামাজি শান্তি, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনেও হয়েছে সফল।

দেখা গেছে, জেলা পুলিশের এ সর্বোচ্চ কর্মকর্তার অফিস কক্ষে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতে কোন বাঁধা নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সম্পর্কে বিশেষ করে জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও প্রতিভাবান নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সম্পর্কের মেলবন্ধন স্থাপনেও তিনি দৃষ্টান্ত।

বিনয় আর হাসিমুখ নিয়েই কথা বলেন আগন্তুকদের সঙ্গে। সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানও মেলে তাঁর কাছ থেকে। এসব কারণেই জেলার অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক ভাবমূর্তি অর্জন করেছে জেলা পুলিশ। আর ‘জনবান্ধব’ পুলিশ কর্মকর্তার অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

 

কালের আলো/এমএ

বাফুফের নতুন জার্সি: দাম, কোথায় পাবেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
বাফুফের নতুন জার্সি: দাম, কোথায় পাবেন

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নতুন অফিশিয়াল জার্সি ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বাজারে এসেছে। বাফুফের কিট পার্টনার দৌড় এই জার্সি তৈরি করেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জার্সির দাম ও সংগ্রহের প্রক্রিয়া জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন অফিশিয়াল ম্যাচ জার্সির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর নাম ও জার্সি নম্বর যুক্ত করে কাস্টমাইজড জার্সি কিনতে খরচ হবে ১ হাজার ৭০০ টাকা।

‘দৌড়’-এর নিজস্ব কোনো শোরুম নেই। তাই দেশজুড়ে ইনফিনিটি মেগা মলের আউটলেটগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বাফুফের অফিশিয়াল জার্সি।

এ ছাড়া ঘরে বসে জার্সি কিনতে চাইলে বাফুফের অফিশিয়াল কিট পার্টনার ‘দৌড়’-এর ফেসবুক পেজ ও অনলাইন স্টোরের মাধ্যমে সরাসরি অর্ডার করা যাবে।

অফিশিয়াল ম্যাচ জার্সির দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে ব্যবহৃত ফেব্রিকের কথা জানিয়েছেন ‘দৌড়’-এর স্বত্বাধিকারী আবিদ আলম চৌধুরী।

তিনি বলেন, “ফেব্রিকের কারণে দামটা একটু বেশি। তবে সামনে আমরা ফ্যান এডিশন করছি, যেটা ৭০০-৮০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। বাফুফের অনুমোদন পেলে এটা বাজারে ছাড়া হবে।”

অর্থাৎ, যারা তুলনামূলক কম দামে বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের জার্সি কিনতে চান, তাদের জন্য ভবিষ্যতে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে ফ্যান এডিশন বাজারে আসতে পারে। তবে সেটি এখনো বাফুফের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

কালের আলো/এসএ

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ২৩০৬ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ২৩০৬ মামলা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে একদিনে ২ হাজার ৩০৬টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

ডিএমপি জানায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১১৩টি, লালবাগে ১৯৩টি, মতিঝিলে ৩২২টি, ওয়ারীতে ৪১৫টি, তেজগাঁওয়ে ১৫৬টি, মিরপুরে ৪০৩টি, উত্তরা বিভাগে ৪৬৮টি এবং গুলশানে ২৩৬টি মামলা করা হয়েছে।

অভিযানে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়। এর মধ্যে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, সিএনজি ও মোটরসাইকেল রয়েছে।

এ ছাড়া অভিযানকালে ৪৯৮টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩৩৬টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং আইন লঙ্ঘন ঠেকাতে ট্রাফিক বিভাগের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০২, মামলা ৭১

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০২, মামলা ৭১

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৭১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

ডিএমপি জানায়, অভিযানে মিরপুর বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তেজগাঁওয়ে ৯৪, মতিঝিলে ৭২, ওয়ারীতে ৫৫, উত্তরা ৫০, লালবাগ ২৮, গুলশান ৩২, রমনা ১৮ এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানকালে ৭ হাজার ৯৪২ পিস ইয়াবা, ৫ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৩ দশমিক ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ছুরি, চারটি চাপাতি, একটি স্পোকেট, দুটি হেলমেটসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া দুটি পিকআপ, ১৫০ লিটার ডিজেল, একটি ড্রাম, একটি ব্যাটারি, একটি প্লাস্টিকের পাইপ এবং নগদ ২ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামতসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি