খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সেনা সদস্যদের কণ্ঠে মানবতার জয়গান; বন্যায় উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ বিতরণের হালহকিকত দেখতে ফেনীতে সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪, ১১:১২ অপরাহ্ণ
সেনা সদস্যদের কণ্ঠে মানবতার জয়গান; বন্যায় উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ বিতরণের হালহকিকত দেখতে ফেনীতে সেনাপ্রধান

কালের আলো রিপোর্ট:

বন্যায় মহাদুর্যোগ নেমে এসেছে ফেনীতে। শহর থেকে গ্রাম যেন ডুবন্ত এক জনপদ। স্বপ্নের সংসার তলিয়ে গেছে। ভয়াবহ বানের সঙ্গে যুদ্ধ করছে মানুষ। কারও সঙ্গে নেই কারোর কথন। কেউ অভুক্ত, কারোর জীবন বাঁচানোর সংগ্রাম আধা পেট খেয়ে। ত্রাণের জন্য হাহাকার। দুর্গম এলাকায় বন্যাপীড়িত মানুষ কেমন আছে, কীভাবে চলছে তাদের যাপিত জীবন, উদ্ধার তৎপরতার হালহকিকত ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) সরেজমিনে জেলার ছাগলনাইয়াতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন, ত্রাণ বিতরণ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

মানবতার জয়গানে এমন দু:সময়ে সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এই দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব, দৃঢ়ভাবে এমনটি বিশ্বাস করেন বলেই কীনা নির্ভীক চিত্তে, আলোর পথরেখা অঙ্কন করে ত্যাগের মনোভাব নিয়ে কাজ করতে সেনাপ্রধান উজ্জীবিত করেছেন নিজ বাহিনীর সদস্যদের। শুধু তাই নয়, বন্যাদুর্গতদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর চাহিদা সম্পর্কে অবহিত হওয়া থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে চলমান উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমকে অধিকতর ফলপ্রসু করার লক্ষ্যে করণীয় বিষয়সমূহ সম্পর্কেও মতবিনিময় করেছেন। এসময় তিনি উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণের কাজে নিয়োজিত সেনাসদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

জানা যায়, ফেনীসহ দেশের ১১টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাহস, ধৈর্য এবং আন্তরিকতার সঙ্গে ত্যাগের মনোভাব নিয়ে কাজ করে চলেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বন্যা কবলিত এলাকাসমূহে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য বিপদে ও সঙ্কটে বানভাসিদের পাশে রয়েছেন। পানিবন্দি মানুষকে মানবিকতার উজ্জ্বল আভায় পরশ পাথর হয়েই এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্গতদের পাশে থাকার সুদৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা জানান দিয়েছেন একদিন-প্রতিদিন। সেনাবাহিনীর বহুমাত্রিক মানবিক কার্যক্রমের পদক্ষেপ বন্যার্তদের মাঝে জাগিয়েছে আশার আলো। জীবনের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ নিয়েই বিপন্ন মানুষকে ‘নিরাপদ’ করতে তাঁরা ছুটছেন অহর্নিশ। সাধারণের হৃদয়গ্রোথিত আবেগ, শ্রদ্ধা আর গভীর ভালোবাসার সঙ্গে অর্জন করেছেন অভূতপূর্ব সম্মান।

সেনাপ্রধানের পরিদর্শনকালে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও কুমিল্লার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গত সোমবার (২৬ আগস্ট) রাতে জানানো হয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা ও ত্রাণ বিতরণের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর আর্মি অ্যাভিয়েশন গ্রুপ ১৫টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ১১ জন মুমূর্ষু রোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে স্থানান্তর ও ২৪ জন ব্যক্তিকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ৪ হাজার ৮৩৯ প্যাকেট ত্রাণ, ৫০ হাজার ৪০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি, ৫০০ মোবাইল ফোন ও এক লাখ পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সিলেট, চট্টগ্রাম, ফেনী সদর, ফাজিলপুর, ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী, পরশুরাম ও মধুগ্রাম এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র জিলকদ মাসের তারিখ নির্ধারণে আজ সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বায়তুল মোকাররমে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা টেলিফোন নম্বর: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনার রেলওয়ে পুলিশ লাইনে ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (২য় ফেজ) রেলওয়ে পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (বিপি নং: ৯৯১৮২১৪৯২৯)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার বাসিন্দা শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে।

জানা গেছে, গত বছরের ৩ নভেম্বর তিনি খুলনা রেলওয়ে পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সম্রাট বিশ্বাসের ডিউটি নির্ধারিত ছিল। দায়িত্ব পালনকালে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ডিউটিরত অবস্থায় মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার মাধ্যমে সম্রাট বিশ্বাস আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় একজন পুলিশ সদস্যের এমন মৃত্যুর ঘটনায় সহকর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এর পেছনের কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দিকে নজর রয়েছে।

কালের আলো/ইএম 

 

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত

৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

চলতি আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুঃসময় যেন কাটছেই না। এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। শুক্রবার গুজরাটের কাছে ৫ উইকেটে হারের পর নতুন আরেকটি লজ্জার নজির গড়েছে কলকাতা।

গুজরাটের কাছে হারায় আইপিএলের ইতিহাসে পঞ্চম দল হিসেবে কোনো মৌসুমের প্রথম ৬টি ম্যাচেই জয়হীন থাকল কেকেআর।

প্রথম দল হিসেবে লজ্জার এই নজির গড়েছিল ডেকান চার্জার্স (তৎকালীন নাম)। তারা ২০১২ সালের আইপিএলের প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। দ্বিতীয় দল হিসেবে ২০১৩ সালে দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস (তৎকালীন নাম) মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পায়নি।

২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকেও একই লজ্জার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ২০২২ সালের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। পঞ্চম দল হিসেবে এই তালিকায় নাম উঠল তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কেকেআরের।

ইডেন গার্ডেন্সের পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় ১ পয়েন্ট পান রাহানেরা। বাকি পাঁচটি ম্যাচেই হেরেছেন তারা। ফলে মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পেল না নাইট শিবির। বাজে ফর্মে পয়েন্ট তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছে শাহরুখের দল।

কালের আলো/এসএকে