খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

হিমালয়সম বাধা ডিঙিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা বজায়ে অগ্রণী সেনাপ্রধান, পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
হিমালয়সম বাধা ডিঙিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা বজায়ে অগ্রণী সেনাপ্রধান, পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর:

ছাত্র-জনতার রক্তস্রোতের গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ের পর এলোমেলো হয়ে পড়ে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা কাঠামো। তৈরি হয় পুলিশবিহীন আইনশৃঙ্খলা শুন্যতা। সব থানা ও ফাঁড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান পুলিশ সদস্যরা। সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাত্মক সহযোগিতায় সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। তবে লোকবল ও মনোবল—দুই দিক থেকেই এখনও দুর্বল অবস্থায় রয়েছে পুলিশ বাহিনী। দেশের আইনশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে প্রথমে সেনাবাহিনী ও পরে নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার প্রদান করে সরকার।

আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে সব রকমের নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গভীর দৃষ্টি ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশকে শান্ত ও স্বাভাবিক রাখতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শুধুমাত্র রুটিন কর্মকাণ্ডে নিজেকে ব্যস্ত না রেখে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ নির্ধারণ করে প্রতিনিয়ত ছুটছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন নিজ বাহিনীর সদস্যদের। হিমালয়সম বাধা ডিঙিয়ে দেশের বিপ্লব-উত্তর পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে সঠিকভাবে প্রতিটি বিষয় সমন্বয়, তদারক ও নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে সততা, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। সুস্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেছেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ, আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে সেনাবাহিনী।’

সূত্র জানায়, সেনাপ্রধান ধারাবাহিকভাবে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া পরিদর্শন করছেন। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম এরিয়া ও পাবর্ত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি রিজিয়নের নানিয়ারচর জোন সদর পরিদর্শন করেন। বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে উত্তাল পাবর্ত্য চট্টগ্রামে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সাধারণ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানসহ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন। দুর্গম পাহাড়ি সেনা ক্যাম্পে সেনাবাহিনী প্রধানের সফরের মধ্যে দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে মোতায়েনরত সেনাসদস্য এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মনোবল বেড়েছে বহুগুণে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গত বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সেনাপ্রধান ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও কুমিল্লা এরিয়া, বুধবার (০২ অক্টোবর) ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়া এবং বৃহস্পতিবার (০৩ অক্টোবর) সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও রংপুর এরিয়া পরিদর্শন করেন। এসব পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নিয়েছেন। ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’ গ্রহণের পাশাপাশি দিয়েছেন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা।

জানা যায়, গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শান্তিতে নোবেলজয়ী ড.মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। কিন্তু তাদের কোনো রকম সময় না দিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে অস্থির করে রাখা; আনসার আন্দোলন, অন্যান্য ধর্মাম্বলীর ওপর আক্রমণের প্রহসন, দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, পোশাকশিল্পসহ অন্যান্য শিল্পে শ্রমিক আন্দোলন ও ভাঙচুরের প্রচেষ্টা, পার্বত্য জেলাসমূহে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে উসকানির মাধ্যমে চরম অস্থিরতা সৃষ্টির প্রচেষ্টাসহ ইত্যাকার বিষয়ে কখনও একসঙ্গে এমন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি দেশ। এমন পরিস্থিতিতে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। এতে করে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ রেখে ড.ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সফল করতে অমিত দৃঢ়তা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছে দেশপ্রেমী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নিজেও স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ ও জনগণের আস্থার প্রতীক।’ ‘যাই হোক না কেন’ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তিনি সমর্থন দিয়ে যাবেন বলে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। কঠিন সব বাধার প্রাচীর ডিঙিয়ে জনগণের ভালোবাসা ও একাত্মতায় অনির্বাণ বাংলায় তিনি গেঁথেছেন সেই মর্মস্পর্শী সুর—‘মা তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—যেকোনো দেশেই বিপ্লব-উত্তর পরিস্থিতি সব সময় কিছুটা অস্থিতিশীল পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যায়। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে বলতে হয় যে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যান্য যেকোনো দেশের তুলনায় ভালো ছিল এবং আছে। সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় অভ্যুত্থানের প্রায় দু’মাসের মাথায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতির দিকে রয়েছে। এরপরেও সব রকমের নিরাপত্তা ঝুঁকির উত্তরণের সোনাবাহিনীর সব রকমের প্রচেষ্টা জনমনে অনুপ্রেরণা সঞ্চার করেছে। আমরা আশাবাদী দেশের মানুষের ভালোবাসা ও সংহতিতে একতাবদ্ধ থেকে তাঁরা সফল হবেন। আক্ষরিক অর্থেই রূপান্তর ঘটবে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র আর গণতান্ত্রিক সমাজের।

কালের আলো/এমএএএমকে

কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

ভাগ্য কাকে কোথায় নিয়ে যায়, তা যেন আরও একবার মানব জাতিকে ভাবতে বসালো নারায়ণগঞ্জের খামারের আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পে’র ঘটনা। কোরবানির দুয়ার থেকে পশুটির ঠিকানা এখন মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা।

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নাম রাখায় রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিল অ্যালবিনো জাতের এই মহিষটি। চেহারা এবং চুলের ঢং অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায় সেটির নামই রেখে দেওয়া হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ব্যাপক আলোচনায় আসার ফলে দ্রুতই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল মহিষটি। কিনেছিলেন কেরাণীগঞ্জের এক ক্রেতা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহার দিনে কোরবানি দেওয়ার জন্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চড়া দামে কিনেছিলেন ওই ক্রেতা।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দিয়ে ক্রেতার কাছ থেকে মহিষটি ফিরিয়ে নিয়ে বুধবার (২৭ মে) কেরানীগঞ্জের জিনজিরার ইসলামপুর থেকে মহিষটি বিকেল সাড়ে ৫টার সময় কেরানীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। সেখানে থেকে নেওয়া হয়েছে চিড়িয়াখানায়।

বুধবার (২৭ মে) রাতে জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ট্রাম্প নামের মহিষটাকে রাতেই চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছে। আমরা একটা শেডে ওটাকে রাখার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া তার খাওয়ার সব ব্যবস্থা করেছে জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।’

সূত্রে জানা যায়, মহিষটিকে ঘিরে অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় কেরানীগঞ্জের ক্রেতাকে টাকা ফেরত দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে আগের মতোই লালন-পালন করা হবে।

মূলত সম্ভাব্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে ক্রেতার কাছ থেকে সেটি ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত মহিষটিকে আগের মতোই নিবিড় পর্যবেক্ষণে লালন-পালন করা হবে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, মহিষটিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও নাকি সেটিকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। কিন্তু পরে জানা যায়, পোস্ট দেওয়ার খবর ভুয়া।

তবে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়, এবারের কোরবানির হাটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামেও একটি মহিষ আছে। এছাড়া বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমারের নামে রয়েছে একটি গরুও।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচারের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট হবে। আপনারা দেখেছেন, এক সপ্তাহ পূরণ হওয়ার আগেই চার্জশিট দাখিল করেছি। আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের এ প্রক্রিয়াকে ন্যায় বিচারের মানদণ্ডে যেমন স্বচ্ছতা রাখতে চেয়েছি, ঠিক একইভাবে যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয় তাদের সামনে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তরভাবে পথ চলছি, নিরলসভাবে চলছি।‘

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে মেধা ও মনন মঞ্চ আয়োজিত দ্যা গ্রান্ড ফিনাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ফাঁসির আসামিদের পেপার বুক তৈরির দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এর সঙ্গে শুধুমাত্র আমরা জড়িত নই, সরকার জড়িত না। এর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত। ইতিমধ্যেই আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি এবং ফাঁসির আসামিদের বিষয়ে শাস্তি ও বিচার এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটাই পদক্ষেপ নেব। এইভাবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ঠিক রামিসার মতো মাগুরার আসিয়াসহ যতগুলো ফাঁসির আসামি সেই নির্জন সেলে আছেন তাদের মামলার নিষ্পত্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে করব ইনশাল্লাহ।’

‘আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ যে কয়টি হত্যা মামলা ছিল তার মধ্যে ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া হাইকোর্ট পর্যন্ত সমাপ্ত করে আসতে চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগও আশা করি এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেবেন।’

মেধা ও মনন মঞ্চ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটাকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি চাই এ সংগঠনটি, এই মঞ্চটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, এই সোসাইটির ওয়াচডগ হিসেবে থাকুক।’

মেধা ও মনন মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ তুর্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এ কে এম মতিনুর রহমান, রোজ সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বিদ্যুৎ, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের একটি প্রাথমিক খসড়া নথি পেয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার একটি সম্ভাব্য কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার। এর বিনিময়ে ইরান ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অনুমতি দেবে।

তবে খসড়ায় বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবে না। ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ইরান ও ওমানের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই কাঠামো এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং বাস্তব যাচাই ছাড়া ইরান কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে না।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এম/এএইচ