খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

হিমালয়সম বাধা ডিঙিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা বজায়ে অগ্রণী সেনাপ্রধান, পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
হিমালয়সম বাধা ডিঙিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা বজায়ে অগ্রণী সেনাপ্রধান, পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর:

ছাত্র-জনতার রক্তস্রোতের গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ের পর এলোমেলো হয়ে পড়ে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা কাঠামো। তৈরি হয় পুলিশবিহীন আইনশৃঙ্খলা শুন্যতা। সব থানা ও ফাঁড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান পুলিশ সদস্যরা। সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাত্মক সহযোগিতায় সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। তবে লোকবল ও মনোবল—দুই দিক থেকেই এখনও দুর্বল অবস্থায় রয়েছে পুলিশ বাহিনী। দেশের আইনশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে প্রথমে সেনাবাহিনী ও পরে নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার প্রদান করে সরকার।

আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে সব রকমের নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গভীর দৃষ্টি ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশকে শান্ত ও স্বাভাবিক রাখতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শুধুমাত্র রুটিন কর্মকাণ্ডে নিজেকে ব্যস্ত না রেখে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ নির্ধারণ করে প্রতিনিয়ত ছুটছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন নিজ বাহিনীর সদস্যদের। হিমালয়সম বাধা ডিঙিয়ে দেশের বিপ্লব-উত্তর পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে সঠিকভাবে প্রতিটি বিষয় সমন্বয়, তদারক ও নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে সততা, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। সুস্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেছেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ, আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে সেনাবাহিনী।’

সূত্র জানায়, সেনাপ্রধান ধারাবাহিকভাবে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া পরিদর্শন করছেন। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম এরিয়া ও পাবর্ত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি রিজিয়নের নানিয়ারচর জোন সদর পরিদর্শন করেন। বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে উত্তাল পাবর্ত্য চট্টগ্রামে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সাধারণ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানসহ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন। দুর্গম পাহাড়ি সেনা ক্যাম্পে সেনাবাহিনী প্রধানের সফরের মধ্যে দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে মোতায়েনরত সেনাসদস্য এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মনোবল বেড়েছে বহুগুণে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গত বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সেনাপ্রধান ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও কুমিল্লা এরিয়া, বুধবার (০২ অক্টোবর) ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়া এবং বৃহস্পতিবার (০৩ অক্টোবর) সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও রংপুর এরিয়া পরিদর্শন করেন। এসব পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নিয়েছেন। ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’ গ্রহণের পাশাপাশি দিয়েছেন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা।

জানা যায়, গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শান্তিতে নোবেলজয়ী ড.মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। কিন্তু তাদের কোনো রকম সময় না দিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে অস্থির করে রাখা; আনসার আন্দোলন, অন্যান্য ধর্মাম্বলীর ওপর আক্রমণের প্রহসন, দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, পোশাকশিল্পসহ অন্যান্য শিল্পে শ্রমিক আন্দোলন ও ভাঙচুরের প্রচেষ্টা, পার্বত্য জেলাসমূহে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে উসকানির মাধ্যমে চরম অস্থিরতা সৃষ্টির প্রচেষ্টাসহ ইত্যাকার বিষয়ে কখনও একসঙ্গে এমন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি দেশ। এমন পরিস্থিতিতে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। এতে করে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ রেখে ড.ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সফল করতে অমিত দৃঢ়তা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছে দেশপ্রেমী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নিজেও স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ ও জনগণের আস্থার প্রতীক।’ ‘যাই হোক না কেন’ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তিনি সমর্থন দিয়ে যাবেন বলে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। কঠিন সব বাধার প্রাচীর ডিঙিয়ে জনগণের ভালোবাসা ও একাত্মতায় অনির্বাণ বাংলায় তিনি গেঁথেছেন সেই মর্মস্পর্শী সুর—‘মা তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—যেকোনো দেশেই বিপ্লব-উত্তর পরিস্থিতি সব সময় কিছুটা অস্থিতিশীল পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যায়। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে বলতে হয় যে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যান্য যেকোনো দেশের তুলনায় ভালো ছিল এবং আছে। সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্র বাহিনীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় অভ্যুত্থানের প্রায় দু’মাসের মাথায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতির দিকে রয়েছে। এরপরেও সব রকমের নিরাপত্তা ঝুঁকির উত্তরণের সোনাবাহিনীর সব রকমের প্রচেষ্টা জনমনে অনুপ্রেরণা সঞ্চার করেছে। আমরা আশাবাদী দেশের মানুষের ভালোবাসা ও সংহতিতে একতাবদ্ধ থেকে তাঁরা সফল হবেন। আক্ষরিক অর্থেই রূপান্তর ঘটবে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র আর গণতান্ত্রিক সমাজের।

কালের আলো/এমএএএমকে

‘সিল্কের ঐতিহ্য রক্ষায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে কাজ করা হবে’

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
‘সিল্কের ঐতিহ্য রক্ষায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে কাজ করা হবে’

রাজশাহী সিল্ক শুধু রাজশাহীর নয়, এটি সারা বাংলাদেশের সম্পদ এবং আমাদের ঐতিহ্য। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে আধুনিকায়ন এবং এর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে সরকার মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রেশম শিল্পের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং একে আরও উন্নত করার রূপরেখা তৈরি করতে রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সরেজমিন পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী রেশম শিল্পের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজশাহী রেশম বোর্ড স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও এই বোর্ডের উন্নয়নে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই শিল্পকে আধুনিকীকরণ এবং গবেষণার মাধ্যমে আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশে বর্তমানে রেশমের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও উৎপাদন তলানিতে। এ প্রসঙ্গে শরীফুল আলম জানান, দেশে বর্তমানে ৪০০ থেকে ৪৫০ মেট্রিক টন রেশমের চাহিদা রয়েছে; তবে এর প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। স্থানীয় কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার কারণেই মূলত এই পরনির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে।

এই সংকট কাটাতে পলু চাষ, তুঁত গাছের উন্নয়ন এবং রেশম সুতার মান বৃদ্ধিতে গবেষণার ওপর সরকার বিশেষ জোর দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

রেশম শিল্পের প্রাণ হিসেবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী কারিগর বা ‘বোসনি’দের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

এই দক্ষ কারিগরদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন বোসনি রয়েছেন। বয়সের কারণে তাদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। বোসনিদের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৈরি করা না গেলে এই শিল্পের ঐতিহ্য চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে এবং সিল্কের প্রসার ঘটাতে নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। চীন ও জাপানের মতো বড় দেশগুলোতে দেশীয় সিল্ক পণ্যের বাজার তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে খুব শিগগিরই সমন্বিত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে পরিদর্শনে আসা প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে, পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বোর্ডের সার্বিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশাসহ রেশম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কালের আলো/ইএম

জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে রাজধানীর জিয়া সরণি খালকে যুক্ত করতে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর জিয়া সরণি খাল, কোনাপাড়া খাল ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিয়া সরণি নাম হওয়ায় মানুষের কল্যাণে এই খাল নিয়ে কিছুই করেনি অবৈধ সরকার। আপাতত সিটি করপোরেশনের অর্থে খালটিতে অবৈধ স্থাপনাসহ সব কাজ চলছে।

সব খাল দখলমুক্ত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মীর শাহে আলম বলেন, গণমানুষের ভোটে নির্বাচিত হয় বিএনপি সরকার। যেহেতু বিনাভোটে নির্বাচিত হইনি সেক্ষেত্রে সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কাজ করা হবে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি সরকার। গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।

কালের আলো/এসএকে

সিরাজগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১৭ শিশুর দেহে হাম প্রাদুর্ভাব

সিরাজগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১৭ শিশুর দেহে হাম প্রাদুর্ভাব

সারাদেশের মতো সিরাজগঞ্জে বেড়েছে সংক্রামক ব্যাধি হামের প্রাদুর্ভাব। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জে ১৭ শিশুর দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে।

হামের টিকা দেওয়ার আগেই এ রোগে অধিকাংশ শিশুরা আক্রান্ত হওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবক ও স্বজনেরা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাম ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্য বিভাগের।

সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির জানান, চলতি মাসের ২৯ মার্চ থেকে হাম রোগী কাউন্ট শুরু হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে। এসব রোগী শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর মধ্যে ৭০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।

বর্তমানে মনসুর আলী মেডিকেলে ১৫ জন, সদর জেনারেল হাসপাতালে ২ জন, উল্লাপাড়ায় ২ জন ও রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন ভর্তি রয়েছে। এদিকে, সারাদেশে হাম রোগীর সংখ্যা বাড়ার প্রেক্ষাপটে শহীদ এম মনসুর আলী হাসপাতালেও খোলা হয়েছে বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাম সিরাজগঞ্জে আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/ইএম