খুঁজুন
                               
, ,
           

৪৪০ নবীন নাবিক পেলো নৌবাহিনী; সততা, কর্মদক্ষতা ও নিয়মানুবর্তিতায় গুরুত্ব নৌবাহিনী প্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
৪৪০ নবীন নাবিক পেলো নৌবাহিনী; সততা, কর্মদক্ষতা ও নিয়মানুবর্তিতায় গুরুত্ব নৌবাহিনী প্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

দীর্ঘ ২২ সপ্তাহের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা এখন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গর্বিত নাবিক। প্রাণবন্ত কুচকাওয়াজে দৃঢ় কণ্ঠে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করার শপথ। বাদ্যের তালে তালে শনিবার (০১ ডিসেম্বর) পটুয়াখালীর বানৌজা শের-ই-বাংলা প্যারেড গ্রাউন্ডে বর্ণাঢ্য শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজে দৃপ্ত পায়ে এগিয়ে চলে ৪৪০ জন নবীন নাবিক। মনোজ্ঞ এই কুচকাওয়াজে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। এ সময় তিনি নবীন নাবিকদের চরিত্রে দেশপ্রেম, আনুগত্য, শৃঙ্খলা, মূল্যবোধ, সাহসিকতা ও শিষ্টাচার দৃঢ়ভাবে ধারন করতে গুরুত্বারোপ করেন। স্মরণ করিয়ে দেন যেকোন পেশায় উন্নতি করতে হলে সততা, কর্মদক্ষতা ও নিয়মানুবর্তিতার কোন বিকল্প নেই। মহান সৃষ্টিকর্তার ওপর অবিচল বিশ্বাস স্থাপন করে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। নির্দেশনা দেন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা সর্বদা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকার।

নবীন নাবিকদের এমন অর্জনে উচ্ছ্বসিত তাদের অভিভাবকরাও। নিজ নিজ সন্তানরা শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে এই প্রত্যাশা তাদের। নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী নবীন নাবিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। তিনি দেশের সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণ ও বহি:শত্রুর আক্রমণ থেকে সমুদ্রসীমা সুরক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন। দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, নবীন নাবিকরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান দায়িত্বে আত্মনিয়োগ করে বাংলাদেশ এবং প্রিয় নৌবাহিনীকে বিশ্ব দরবারে আরও গৌরবোজ্জ্বল আসনে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বি/২০২৪ ব্যাচের ৪৪০ জন নবীন নাবিকের বুটক্যাম্প প্রশিক্ষণ বর্ণাঢ্য শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে এদিন শেষ হয়। নৌবাহিনীর বি/২০২৪ ব্যাচের নবীন নাবিকদের মধ্যে মো. এ কে এম শাহাদত হোসেন সাদী পেশাগত ও সকল বিষয়ে সর্বোচ্চ ফল অর্জন করে সেরা চৌকস নাবিক হিসেবে ‘নৌপ্রধান পদক’ লাভ করেন। মো. শাহীনুর আলম শিমুল দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ‘কমখুল পদক’ এবং সাব্বির রহমান তৃতীয় স্থান অধিকার করে ‘শের-ই-বাংলা পদক’ অর্জন করেন।

  • নবীন নাবিকদের নৌবাহিনী প্রধানের অভিনন্দন
  • অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নৌ-কমান্ডোদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ
  • একটি আধুনিক, সক্ষম ও সমৃদ্ধশালী ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি

নবীন নাবিকদের নৌবাহিনী প্রধানের অভিনন্দন, অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নৌ-কমান্ডোদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বি/২০২৪ ব্যাচের নবীন নাবিকদের এই মনোরম ও বর্ণাঢ্য প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হতে পেরে নিজে অত্যন্ত আনন্দিত বলে জানান নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ২২ সপ্তাহ সাফল্যের সঙ্গে প্রশিক্ষণ শেষ করে আজকের এই প্রাণবন্ত কুচকাওয়াজের মধ্যে দিয়ে নবীন নাবিকরা দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান ও পবিত্র পেশাগত জীবনে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এজন্য আমি তাদের সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।’

তিনি বলেন, ‘আজ এই বিশেষক্ষণে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নৌ-কমান্ডোদের। যাদের সবোর্চ্চ ত্যাগ শিকারের মাধ্যমে আজ আমরা একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হতে পেরেছি। একই সাথে স্মরণ করছি জাতির ক্রান্তিলগ্নে গত জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদদেরকে। আমি তাদের সকলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত সকল ছাত্র-জনতার আশু রোগ মুক্তি প্রার্থনা করছি।’

একটি আধুনিক, সক্ষম ও সমৃদ্ধশালী ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে দেশে-বিদেশে পরিচিতি
বাংলাদেশ নৌবাহিনী বর্তমানে একটি আধুনিক, সক্ষম ও সমৃদ্ধশালী ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে দেশে-বিদেশে পরিচিতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে মন্তব্য করেন নৌবাহিনী প্রধান। তিনি ফিরে যান ৫৩ বছর আগের ইতিহাসের গোড়ার দিকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এক সঙ্কটময় মুহুর্তে কতিপয় বাঙালি নাবিক ও তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত হয় নৌ কমান্ডো দল। যারা অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনা করে স্বাধীনতা যুদ্ধে বয়ে আনে অসামান্য সাফল্য। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বিস্তৃত সমুদ্র অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব ও সমুদ্র সম্পদ রক্ষায় দু’টি টহল জাহাজ ও সীমিত সংখ্যক নাবিক নিয়ে যাত্রা শুরু করে আমাদের প্রিয় নৌ বাহিনী। পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ে সক্ষমতার বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বর্তমানে একটি আধুনিক, সক্ষম ও সমৃদ্ধশালী ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে দেশে-বিদেশে পরিচিতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’

ইতিহাস পর্যালোচনা করে এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘পৃথিবীর যেসব দেশ সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করে উন্নতির চেষ্টা করেছে দ্রুত গতিতে তাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এ কারণেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রাধিকারের তালিকায় ব্লু ইকোনমি তথা সুনীল অর্থনীতি বিশেষভাবে স্থান করে নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণ ও বহি:শত্রুর আক্রমণ থেকে সমুদ্রসীমা সুরক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নৌবহরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যুদ্ধজাহাজ, হেলিকপ্টার, মেরিটাইম পেট্রোল এয়ার ক্রাফটসহ আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হয়েছে। ২০১৭ সালে দু’টি সাবমেরিন সংযোজনের মাধ্যমে আমাদের প্রাণপ্রিয় নৌবাহিনী একটি আধুনিক ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীর সক্ষমতা অর্জনের অংশ হিসেবে নতুন ঘাঁটি, জাহাজ, আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সংযোজনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সাবমেরিনের অপারেশনাল কর্মকাণ্ড ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কক্সবাজারের পেকুয়ায় সাবমেরিন ঘাঁটি নির্মাণ করা হয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলবর্তী এলাকায় নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আপনারা যে ঘাঁটিতে অবস্থান করছেন বানৌজা শের-ই-বাংলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। নবনির্মিত এই ঘাঁটিসমূহ পায়রা ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরসহ উপকূলীয় এলাকায় নিয়োজিত বাণিজ্যিক জাহাজ, মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার ও ব্লু ইকোনমি সংশ্লিষ্ট সকল মেরিটাইম প্রতিষ্ঠানসমূহের নিরাপত্তা ও সমুদ্রসম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।’

  • নৌবাহিনীর দক্ষ পরিচালনায় খুলনা শিপইয়ার্ড’র মিডিয়াম ও লার্জ পেট্রোল ক্রাফট নির্মাণের সক্ষমতা অর্জন
  • অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সার্বিক সহযোগিতা
  • বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গর্বিত নাবিক হিসেবে দেশসেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখার আহ্বান

নৌবাহিনীর দক্ষ পরিচালনায় খুলনা শিপইয়ার্ড’র মিডিয়াম ও লার্জ পেট্রোল ক্রাফট নির্মাণের সক্ষমতা অর্জন
নৌবাহিনীর দক্ষ পরিচালনায় খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড বর্তমানে মিডিয়াম ও লার্জ পেট্রোলক্রাফট নির্মাণের সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে জানান নৌবাহিনী প্রধান। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত ৫টি পেট্রোল ক্রাফট ইতোমধ্যেই নৌবহরে সংযোজিত হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল (শনিবার) খুলনা নৌ ঘাঁটিতে এই পেট্রোল ক্রাফট স্কোয়াড্রনের পঞ্চম জাহাজ ‘বানৌজা বিশখালী’ কমিশন করা হয়েছে। এছাড়া নেভেল এভিয়েশনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সম্প্রতি আরও দু’টি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ার ক্রাফট বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে সংযুক্ত হয়েছে। নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক নৌবাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দু’টি আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকেল বা ইউএভি এবং দু’টি ইউটিলিটি হেলিকপ্টার বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যুক্ত হবে বলে আশা করা যায়।’

এডমিরাল এম নাজমুল হাসান আরও বলেন, ‘নৌবহরের জাহাজসমূহের অপারেশনাল রাখার জন্য বিশেষায়িত মেরামত সুবিধা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে মংলায় একটি পূর্ণাঙ্গ ডকইয়ার্ড স্থাপন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়াও অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম সংযোজনের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রতিনিয়ত অবদান রেখে চলেছে। সমুদ্রসম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সিসমিক সার্ভে পরিচালনা, ফ্রডওয়েল স্থানান্তরে পাইপলাইন স্থাপন, কক্সবাজার জেলার মাতারবাড়িতে কয়লা ভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন, মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নিরাপত্তা ও জরুরি সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী অপারেশন ব্লু গার্ড পরিচালনা করছে। এছাড়া মৎস্য সম্পদের সুরক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড উপকূলবর্তী এলাকা ও গভীর সমুদ্রে নিয়মিত টহল পরিচালনা করে চলেছে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সার্বিক সহযোগিতা
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সশস্ত্র বাহিনীর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে জানিয়ে নৌবাহিনী প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরা ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে সহায়তা করে চলেছে। এছাড়া নদীপথে ও সমুদ্রে বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। ফেনী, কুমিল্লা ও নোয়াখালী জেলায় সাম্প্রতিককালের ভয়াবহ বন্যা মোকাবিলায় ও বন্যা পরবর্তী চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দু:স্থ পরিবারের মাঝে ঘর তৈরি করে হস্তান্তরসহ বিভিন্ন সেবা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। দেশের প্রয়োজনে সর্বদা নিবেদিত থেকে সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকার করার জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সদা প্রস্তুত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও প্রস্তুত থাকবে ইনশাআল্লাহ।’

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গর্বিত নাবিক হিসেবে দেশসেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখার আহ্বান
নবীন নাবিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যের শেষপ্রান্তে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘আজকের এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তোমরা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গর্বিত নাবিক হতে চলেছো। তোমাদের সকলের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি তোমরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান দায়িত্বে আত্মনিয়োগ করে বাংলাদেশ এবং আমাদের প্রিয় নৌবাহিনীকে বিশ্ব দরবারে আরও গৌরবোজ্জ্বল আসনে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে। তোমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও নবীন নাবিক প্রশিক্ষণ স্কুলে অর্জিত জ্ঞান প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে আমি আশাবাদী।’

তিনি বলেন, ‘তোমাদের মনে রাখতে হবে, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের রয়েছে এক সুদীর্ঘ গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তোমাদেরকে কাজ করে যেতে হবে। মনে রাখবে যেকোন পেশায় উন্নতি করতে হলে সততা, কর্মদক্ষতা ও নিয়মানুবর্তিতার কোন বিকল্প নেই। আমি আশি করি প্রশিক্ষণ স্কুল থেকে তোমাদের অর্জিত শিক্ষাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করে তোমরা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গর্বিত নাবিক হিসেবে দেশসেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখবে। নাবিক হিসেবে তোমাদের চরিত্রে দেশপ্রেম, আনুগত্য, শৃঙ্খলা, মূল্যবোধ, সাহসিকতা ও শিষ্টাচার দৃঢ়ভাবে ধারন করবে। মহান সৃষ্টিকর্তার ওপর অবিচল বিশ্বাস স্থাপন করে তোমরা উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাবে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা সর্বদা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকবে- এ আমার দৃঢ় প্রত্যাশা।

কালের আলো/এমএএএমকে

খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অধিবেশনের প্রথম প্লেনারি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে ৮১তম অধিবেশনের নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন। আগামী এক বছর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সংস্থাটির প্রতি আস্থার ঘাটতি রয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ও উপযোগী করে তুলতে গভীর সংস্কার প্রয়োজন।

মঙ্গলবার প্রথম প্লেনারি সভা শুরু হলেও আগামী ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভাষণের মধ্য দিয়ে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে। এতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জ্বালানি বিলেই নাজেহাল মার্কিনিরা, ইরান যুদ্ধে বাড়তি খরচ ১০০ বিলিয়ন ডলার

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি বিলেই নাজেহাল মার্কিনিরা, ইরান যুদ্ধে বাড়তি খরচ ১০০ বিলিয়ন ডলার

ইরান যুদ্ধের ছয় মাসেই জ্বালানি কিনতে গিয়ে মার্কিন ভোক্তাদের পকেট থেকে বেরিয়ে গেছে অতিরিক্ত প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়ে সাধারণ পরিবারের বাজেটে তৈরি হয়েছে বড় চাপ। দেশটির প্রায় ১৩ কোটি ১০ লাখ পরিবারের হিসাবে গড়ে প্রতিটি পরিবারের বাড়তি জ্বালানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৬৩ ডলার।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের তথ্যের বরাতে এই হিসাব সামনে এসেছে। এতে স্পষ্ট, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক অভিঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা আন্তর্জাতিক তেলবাজারে সীমাবদ্ধ নেই; সরাসরি মার্কিন পরিবারের দৈনন্দিন খরচেও এর প্রভাব পড়ছে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা পেট্রোলের দামে
মার্কিনিদের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে পেট্রোলের দামে। ছয় মাসের ব্যবধানে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের দাম ২ দশমিক ৯৮ ডলার থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ১৫ ডলারে উঠেছে। অর্থাৎ দাম বেড়েছে প্রায় ৩৯ শতাংশ। ডিজেলের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন। প্রতি গ্যালনের দাম ৩ দশমিক ৬৭ ডলার থেকে বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৯০ ডলার—বৃদ্ধি ৬০ শতাংশেরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের প্রবণতা বেশি হওয়ায় পেট্রোলের এই মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি পরিবারের ব্যয়ে প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে পরিবহন ও পণ্য সরবরাহের খরচে। ফলে একদিকে গাড়ি চালানোর খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে দোকানে পৌঁছানোর আগেই পণ্যের দাম বাড়ছে।

যুদ্ধ চলছে ছয় মাস
ইরানকে ঘিরে সামরিক সংঘাত শুরুর সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধটি চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে শেষ হওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছিলেন। বাস্তবে সেই সময়সীমা অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে। সংঘাত এখন ষষ্ঠ মাসে প্রবেশ করেছে এবং দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও স্পষ্ট নয়। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা আন্তর্জাতিক তেলবাজারে বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করছে।

ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিনিদের দ্বিমত
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এখন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কেরও অংশ। যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থন না থাকায় অনেক মার্কিনি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে দায়ী করছেন।তবে ট্রাম্প এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তেলের দাম বাড়ার বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব না দিয়ে বরং তেল কোম্পানিগুলোর ওপর দায় চাপিয়েছেন। ফলে যুদ্ধের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের খরচ শেষ পর্যন্ত কে বহন করছে—সরকার, তেল কোম্পানি নাকি সাধারণ মানুষ—এই প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে।

খাদ্যনিরাপত্তাতেও চাপ
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এর প্রভাব শুধু গাড়ির জ্বালানিতে আটকে থাকে না। কৃষিতে ট্রাক্টর চালানো, খাদ্য পরিবহন, পণ্য সংরক্ষণ, শীতলীকরণ থেকে শুরু করে প্লাস্টিকের প্যাকেজিং—প্রায় প্রতিটি ধাপেই তেল ও গ্যাসের ব্যবহার রয়েছে।ফলে জ্বালানির দাম বাড়লে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয়ও বাড়ে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ে ভোক্তার বাজারে। মার্কিন পরিবার একদিকে গাড়ির ট্যাংক ভরতে বেশি টাকা দিচ্ছে, অন্যদিকে একই জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির কারণে খাবার ও অন্যান্য পণ্য কিনতেও বাড়তি অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। বিশ্বের নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য ঝুঁকি আরও বড়। তেল ও সার আমদানির ব্যয় বেড়ে গেলে কৃষি উৎপাদনের খরচ বাড়তে পারে। দীর্ঘস্থায়ী হলে খাদ্য সরবরাহ ও খাদ্যনিরাপত্তাতেও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সামনে আরও চাপের শঙ্কা
জ্বালানি বাজারের এই চাপের মধ্যেই ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন ‘নিয়ন্ত্রিত জোন’ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, এ এলাকার জন্য নতুন মানচিত্র দেওয়া হবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনে সেটি অনুসরণ করতে হবে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, মার্কিন অবরোধ ও হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার নিশ্চয়তা দেবে না ইরান। নতুন নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে দেশটি। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিনিদের জন্য জ্বালানি বিলের চাপ আরও বাড়তে পারে। আর হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়লে তার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববাজারেও পড়বে। ফলে ইরান যুদ্ধ এখন শুধু ভূরাজনৈতিক সংঘাত নয়—সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দেওয়া এক বড় অর্থনৈতিক সংকটেও রূপ নিচ্ছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

জাতিসংঘ সংস্কারে গভীর পরিবর্তনের প্রয়োজন: খলিলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ
জাতিসংঘ সংস্কারে গভীর পরিবর্তনের প্রয়োজন: খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সংস্কারকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘকে কার্যকর ও আস্থাশীল রাখতে গভীর ও অর্থবহ সংস্কার প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমানে জাতিসংঘের প্রতি আস্থার ঘাটতি রয়েছে। শুধু বর্তমান সময়ের জন্য নয়, ভবিষ্যতের উপযোগী করে তুলতে হলে সংস্থাটিতে গভীর সংস্কার করতে হবে। সংস্কার যেন কেবল নামমাত্র না হয়, বরং সাধারণ মানুষের কাছে জাতিসংঘের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখে—সেদিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘এটি ১৯৪৫ সাল নয়। আমরা এখন একবিংশ শতাব্দীতে আছি। বিশ্ব এগিয়ে গেছে, তাই জাতিসংঘকেও এগিয়ে যেতে হবে।’

জাতিসংঘ মহাসচিবের সংস্কার প্রক্রিয়াকে সমর্থন করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, একজন প্রতিনিধি ও কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই সংস্থাকে কাছ থেকে দেখেছেন। তাই সংস্কারগুলো অবশ্যই অর্থবহ হওয়া প্রয়োজন।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে খলিলুর রহমান বলেন, নিজ বাড়িঘর থেকে বিতাড়িত বিশাল জনগোষ্ঠীর আকুতি তিনি কাছ থেকে দেখেছেন। ভবিষ্যতেও জাতিসংঘের সামনে রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার কাজ অব্যাহত রাখবেন তিনি।

সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে কোনো দেশ তাকে ভোট দিয়েছে কি না, সেটি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি সব দেশের জন্য একজন সভাপতি হিসেবে কাজ করতে চান।

এ সময় বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতি ও প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে খলিলুর রহমান জানান, তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাই তাকে এই পদমর্যাদা ও দায়িত্বের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রশ্ন করার আহ্বান জানান তিনি।

শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তার দরজা সবসময় খোলা থাকবে এবং সবার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে চান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি