খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

চৈত্র সংক্রান্তি ও মৎস্য উপদেষ্টাকে ব্যক্তিগত আক্রমণের নেপথ্যে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ৩:৩৮ পূর্বাহ্ণ
চৈত্র সংক্রান্তি ও মৎস্য উপদেষ্টাকে ব্যক্তিগত আক্রমণের নেপথ্যে

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাংলা বছরের শেষ দিন, অর্থাৎ চৈত্র মাসের শেষ দিনকে বলা হয় চৈত্র সংক্রান্তি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। আবহমান বাংলার চিরায়িত বিভিন্ন ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসছে এই চৈত্র সংক্রান্তি। চলতি বছর প্রথমবারের মতো চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ একত্রে উদযাপন করেছে সরকার। অন্তর্বর্তী সরকার এক্ষেত্রে রীতিমতো এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই প্রসঙ্গেই গত রোববার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দুইদিনব্যাপী চৈত্র সংক্রান্তি ও বৈশাখ উদযাপন অনুষ্ঠানে নারী ও চৈত্র সংক্রান্তি আলোচনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বাঙালির অন্যতম বড় অসাম্প্রদায়িক এই উৎসব যে প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার শিক্ষা দেয় এমনটি উচ্চারণ করেছিলেন বেশ গুরুত্বের সঙ্গে।

সেদিন তিনি বলেছিলেন, ‘এই প্রথম বাংলাদেশে সরকারিভাবে চৈত্র সংক্রান্তি এবং পহেলা বৈশাখ একত্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার ফলে দেশের সংস্কৃতিতে আমরা শুধু এতদিন পহেলা বৈশাখ উদযাপন করে আসছিলাম তার একটি পরিবর্তন আসলো; কারণ এটাই আমাদের আসল সংস্কৃতি।’ কিন্তু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের এই বক্তব্যকে ভিন্নখাতে প্রবাহের জোর অপতৎপরতা শুরু হয়েছে। উপদেষ্টাকে বিতর্কিত করতে ব্যক্তিগত আক্রমণ পর্যন্ত করা হচ্ছে। দুরভিসন্ধি থেকেই বিষয়টিকে ধর্মীয় মোড়ক দেওয়ার কসরত দৃশ্যমান হয়েছে।

অথচ উপদেষ্টা চৈত্রসংক্রান্তির এই কথাটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের দৃষ্টিকোণ থেকে বলেছেন। তিনি কোনও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের দৃষ্টিকোণ থেকে এমনটি বলেননি। পাশাপাশি দেশের গ্রামাঞ্চলের মুসলমানরাও এটি অনুসরণ করে আসছেন আবহমানকাল থেকেই। কিন্তু কথার কৌশলে পুরো বিষয়টিকে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপনের মাধ্যমে সুযোগ সন্ধানীরা পরিকল্পিতভাবে তাকে ঘিরে বিদ্বেষ ছড়ানোর পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, চৈত্র থেকে বর্ষার প্রারম্ভ পর্যন্ত সূর্যের যখন প্রচণ্ড উত্তাপ থাকে তখন সূর্যের তেজ প্রশমন ও বৃষ্টি লাভের আশায় কৃষিজীবী সমাজ বহু অতীতে চৈত্র সংক্রান্তির উদ্ভাবন করেছিল। কথিত আছে চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির আরেক বড় উৎসব। নারী ও চৈত্র সংক্রান্তি আলোচনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বিষমুক্ত শাক সবজি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যা দরিদ্র মানুষের পুষ্টির অন্যতম উৎস। চৈত্র সংক্রান্তি পালন করতে গিয়ে শাকসবজি খুঁজতে যেন আমাদের বেগ পেতে না হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই উৎসবের দিন সাধারণত বিভিন্ন পদের শাকসবজি দিয়ে তরকারি তৈরি করার প্রচলন আছে। এদিন কোনো প্রকার আমিষ খাওয়া হয় না। গ্রাম বাংলার যতো ধরনের আয়োজন ও বৈচিত্র্য সংস্কৃতি তা এই চৈত্র সংক্রান্তিতে দেখা যায়।’ চৈত্র সংক্রান্তির ঐতিহ্যবাহী ১৪ রকমের শাকের কথা উল্লেখ করে ফরিদা আখতার বলেন, ‘এই শাক বর্তমানে আর বিশুদ্ধভাবে পাওয়া যায় না। আজকাল পরিবেশ দূষণের কারণে এবং নানা আধুনিক কৃষিতে কীটনাশক ও আগাছানাশক ব্যবহারের কারণে আমরা শাক পেলেও তা ব্যবহার উপযোগী নয়। কারণ সেটা বিষাক্ত হয়ে যায়। আমরা যদি পরিবেশটাকে বিষমুক্ত করতে পারি তাহলে শাকগুলোকে আমরা সবাই খেতে পারবো।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যের পুরোটাজুড়েই চৈত্র সংক্রান্তিতে প্রকৃতি রক্ষার জ্ঞান ও কৃষির ভুল সংশোধনের চর্চাকেই প্রকারান্তরে মুখ্য করে তুলেছেন। প্রকৃতিকে সদা সর্বদা নতুন রাখাই সবার কর্তব্য এটিও তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন কোন ধরনের গাছ-গাছালি বা কোন জাত বা প্রজাতির অভাব ঘটছে, কৃষক নারী সেটা বুঝতে পারেন চৈত্র সংক্রান্তিতে। প্রকৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ চৌদ্দ রকমের শাক কুড়িয়ে এনে খাওয়া গ্রামীণ নারীর জ্ঞান ও স্বরূপকেও তিনি মোটা দাগে উদ্ভাসিত করেছেন। কিন্তু অনেকেই বুঝে না বুঝে কারণে-অকারণে অহেতুক বিতর্ক তৈরির মাধ্যমে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। যদিও ওই চক্রটির জ্ঞান পাপী হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় হালে পানি পাচ্ছেন না মোটেও।

দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং তাঁর স্বামী কবি ও রাষ্ট্রচিন্তক ফরহাদ মজহারকে নিয়ে অপতথ্যের তাণ্ডব চালানো হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে তথ্য ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পূর্ণ মূল্য দিচ্ছেন। অতীতের যা কিছু স্বৈরতন্ত্রের ত্রাসে চাপা পড়েছিল এবং ফ্যাসিবাদের তাণ্ডবে রক্তাক্ত হয়েছিল, সেসব তথ্য ও সত্য ক্রমেই উন্মোচিত হচ্ছে। কিন্তু এই সুযোগে ক্ষেত্র বিশেষে আবার প্রতিহিংসাও চরিতার্থ হচ্ছে। অবাধে ছড়ানো হচ্ছে ভুল বা অপতথ্য। গুজবকে সত্য বা তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে মতলববাজ গোষ্ঠী। উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার ও তার স্বামী ফরহাদ মজহারকে নিয়ে চরম বিভ্রান্তিকর, বিপদজনক ও ক্ষতিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। যা প্রতিনিয়ত তাদের সম্মানহানি করছে। এটিকে তথ্য ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও চরম বাড়াবাড়ি বলছেন বিশ্লেষকরা। তবে তারা এসব মিথ্যাচারকে পাত্তা না দিয়ে ঘৃণাভরেই প্রত্যাখ্যান করেছেন।

কালের আলো/আরআই/এমকে

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি