খুঁজুন
                               
, ,
           

গোপালগঞ্জে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার হয়নি, আ.লীগ কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে মেজর সাদিক সেনা হেফাজতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
গোপালগঞ্জে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার হয়নি, আ.লীগ কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে মেজর সাদিক সেনা হেফাজতে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:

গোপালগঞ্জে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন সেনাসদরের মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেটের (কর্নেল স্টাফ) কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গোপালগঞ্জে শুধু ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়নি; ককটেলও নিক্ষেপ করা হয়েছে। যখন সেখানে জীবননাশের হুমকি ছিল তখন আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বল প্রয়োগ করে।’ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশ কেন্দ্র করে কয়েক দফা হামলা হয়েছে। সরকার থেকে বলা হচ্ছে এ ধরনের তথ্য ছিল, হামলা হতে পারে। তাহলে এ তথ্য সেনাবাহিনীর কাছে ছিল কি না, আর থাকলে কয়েক দফা হামলা হলো কেন? প্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহারের পরিস্থিতি নিয়ে কথা হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো রাজনৈতিক দল কোথায় সমাবেশ করবে এটা ক্লিয়ারেন্স দেয় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন থেকে। আমাদের কাছে এসব বিষয়ে কোনো তথ্য ছিল না। গোপালগঞ্জে একটি অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি ছিল। শুধুমাত্র ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়নি ককটেলও নিক্ষেপ করা হয়েছে। যখন সেখানে জীবননাশের হুমকি ছিল তখন আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বল প্রয়োগ করে। এখানে প্রাণঘাতী কোনো অস্ত্রের ব্যবহার করা হয়নি।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে বলেছেন ‘গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনী গুলি করেছে’, এই বিষয়ে সেনাবাহিনীর অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গোপালগঞ্জে কি হয়েছিল সেটার সত্যতা উদঘাটনের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। আমরা আশা করি এই তদন্ত কমিটি সত্য ও সঠিক ঘটনা উন্মোচন করতে পারবে।’

এনসিপির নেতাদের জীবননাশের হুমকি ছিল বলে সেনাবাহিনী নিরাপত্তা দিয়েছে বলা হচ্ছে, তাহলে অনেকেইতো এমন পরিস্থিতি হয় তখন কি সেনাবাহিনী সক্রিয় থাকে, নাকি বিশেষ কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি সেনাবাহিনীর দুর্বলতা আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশেষ কোনো দলের প্রতি আলাদা কোনো নজর নেই। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর কাছে সবাই সমান। যেখানে জনদুর্ভোগ ও জীবননাশের হুমকি থাকে সেখানে আমরা কঠোর হই বা জনসাধারণকে সহযোগিতা করি। গোপালগঞ্জে যদি সেনাবাহিনী সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করতো তাহলে সেখানে অনেক হতাহত বা জীবননাশের ঘটনা ঘটতে পারতো।

গোপালগঞ্জে এনসিপি যখন ঝামেলায় পড়েছে তখন সেনাবাহিনী প্রটেকশন দিয়েছে। আবার এখন শোনা যাচ্ছে সেনাবাহিনী তাদের আর প্রটেকশন দেবে না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী কোনো রাজনৈতিক দলকে বিশেষভাবে কখনো সহায়তা করেনি। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর কাছে সবাই সমান। গোপালগঞ্জে যেটা হয়েছে ওই রাজনৈতিক দলের (এনসিপি) জীবননাশের হুমকি ছিল। তাদের জীবন বাঁচানোর জন্যই সেনাবাহিনী সহযোগিতা করেছে। এখানে জীবন বাঁচানোই মূল লক্ষ্য ছিল, অন্য কিছু না।’

পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাসীদের সংঘাতেকে সেনাবাহিনী কীভাবে দেখছে? প্রশ্ন করা হলে সেনা সদরের এই কর্মকর্তা বলন, চাঁদাবাজি ও মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য বিভিন্ন দুষ্কৃতকারী এটা করে থাকে। আমাদের কার্যক্রম ও অভিযান জারি রেখেছি। ভবিষ্যতেও আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

বান্দরবানের আর্মি ক্যাম্প গুঁটিয়ে নেওয়া, কুকি-চিন, আরকানা আর্মি ও বান্দরবানে অস্ত্র কেনা-বেচা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রটেকশন দিয়ে যাচ্ছে এবং ভালোভাবে দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বর্তমান ক্যাম্পগুলোতে আমাদের আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে যদি আমাদের ক্যাম্পের প্রয়োজন হয় তাহলে আমরা টেম্পরারি অপারেটিং বেইস করে আমরা আমাদের আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৫ হাজার ৫৭৬ জনকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে। চাঁদাবাজ বা অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যেসব আইনশৃঙ্খলা এজেন্সিগুলোর সর্বাজ্ঞে দায়িত্ব পালন করার কথা তারা যদি কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করে তাহলে আরও কমে আসবে বলে আশা করি। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের যে আভিযানিক দায়িত্ব আছে আমরা সেটা সর্বদা পালন করছি। আমরা সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি একসঙ্গে কাজ করি তাহলে চাঁদাবাজির মতো অপরাধ কমে আসবে বলে বিশ্বাস করি। অপরাধীদের গ্রেফতার করার পর বিচারিক প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করার পর আমাদের আর কিছু করার থাকে না।’

আওয়ামী লীগ কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে মেজর সাদিক সেনা হেফাজতে
আওয়ামী লীগের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন মেজর সাদিক নামে একজন সেনা কর্মকর্তা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আসা বিষয়টি নজরে আনা হলে সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা সাংবাদিকদের বলেন, মেজর সাদিককে হেফাজতে নিয়েছে সেনাবাহিনী এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকালে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেস ‘এ’-তে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, মেজর সাদিকের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। যদিও বিষয়টি তদন্তাধীন আছে, তারপরও আমি বলবো, এরকম একটা ঘটনার কথা জানার পরে সেনাবাহিনী তাকে হেফাজতে নিয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তে তিনি দোষী প্রমাণিত হলে নিঃসন্দেহে সেনাবাহিনীর প্রচলিত নিয়মে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেহেতু বিষয়টি তদন্তাধীন আছেÑ তাই এর বেশি এই মুহূর্তে বলা আমার মনে হয় সমীচীন হবে না।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা সাংবাদিকদের বলেন, ইউপিডিএফ, জেএসএসের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামে যে পার্টিগুলো আছে, আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে তারা সবসময়ই সংঘাতে লিপ্ত থাকে। সেনাবাহিনী এসব নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কেএনএফ নামের সশস্ত্র সংগঠনটি আরাকান আর্মির কাছ থেকে অস্ত্র নিচ্ছে এবং আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, আরাকান আর্মি এখন এমন একটা অবস্থায় আছে, তাদের সঙ্গে কেএনএফের যোগসূত্র সৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তারা মোটামুটি একই গোত্রীয় মানুষ এবং একই ধরনের মানসিকতা নিয়ে তারা কাজ করছে। সেক্ষেত্রে কেএনএফ আরাকান আর্মির কাছ থেকে যদি কোনও অস্ত্র পেয়েও যায়, এতে অবাক হওয়ার কিছু নাই। কিন্তু কেএনএফ কোনও অবস্থাতেই পার্বত্যাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করতে পারছে না।

কালের আলো/এমএএইচএন

বুধবার থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুল্যান্স ধর্মঘটের ডাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
বুধবার থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুল্যান্স ধর্মঘটের ডাক

পাঁচ দফা দাবিতে বুধবার সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাম্বুল্যান্স মালিক কল্যাণ সমিতি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সংগঠনের সভাপতি ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো তুলে ধরা হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

তাই বাধ্য হয়ে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ৬টা থেকে দেশের কোথাও কোনো বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স চলবে না বলেও জানান তিনি।

সংগঠনটির দাবি, অ্যাম্বুল্যান্স পরিচালনার জন্য একটি সুস্পষ্ট বাণিজ্যিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যাম্বুল্যান্স থেকে টোল আদায় বন্ধ, লাশবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুল্যান্সের সব ধরনের টোল সম্পূর্ণ মওকুফ এবং রোগীবাহী অ্যাম্বুল্যান্সে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

ধর্মঘট কার্যকর হলে সারা দেশে রোগী পরিবহনে ব্যাপক ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে জরুরি রোগী, দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি এবং আন্তঃজেলা রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সংকট দেখা দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

জাতীয় পর্যায়ে কৃতি খেলোয়াড়দের রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় পর্যায়ে কৃতি খেলোয়াড়দের রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা

নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্যোগে ‘স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী রাজশাহী জেলার কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দিয়েছে রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থা। এ সময় নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও বিভিন্ন ইভেন্টে পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের  ফুলের ষ্টিক দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই)  রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের এই সংবর্ধনা প্রদান করেন।

এ সময় তিনি বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় দলের খেলোয়াড়রা বালক বিভাগ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ও বিভিন্ন ইভেন্টে স্বর্ণপদক অর্জন করে রাজশাহী তথা দেশের সম্মান বয়ে এনেছেন যা অকল্পনিয় জয়।

এই সাফল্য অর্জনের জন্য তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তারা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে রাজশাহী তথা দেশের সুনাম উজ্জ্বল করবে।

তিনি খেলোয়াড়দের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাঃ সবুর আলী, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ বোরহান উদ্দিন অন্তর, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াছিন মিয়া, ক্রীড়া পরিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক ও ক্রিকেট টিমের ম্যানেজার মোঃ আখতারুজমানা রেজা তালুকদার রুমী,

জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, বিভিন্ন ইভেন্টের দলীয় ম্যানেজার ও সদস্য মোঃ সাইফুদ্দিনসহ কেলায়াড়বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্র

Oplus_131072

দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনকালে তিনি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে এ মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

পর্যালোচনা সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এসব কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সভায় শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, কার্যকর পাঠদান, শিক্ষকদের যুগোপযোগী ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মাঠপর্যায়ে কর্মরত অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। তারা শিক্ষাক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে গুণগত পরিবর্তন আনতে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে।’

পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

কালের আলো/এসএকে