খুঁজুন
                               
, ,
           

জাতি গঠনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত নেতৃত্বে গুরুত্ব সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
জাতি গঠনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত নেতৃত্বে গুরুত্ব সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

জাতি গঠনের সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেছেন, ‘দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হলে গতিশীল ও সংস্কারমুখী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) আয়োজিত তিন সপ্তাহব্যাপী স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ প্রশিক্ষণ ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৫/২-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা। বিকেলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোকপাত করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘বিদ্যমান পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীতি, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও নতুন জাতীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ক্যাপস্টোন কোর্স কৌশলগত অন্তর্দৃষ্টি, সহযোগিতা ও জ্ঞানভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’

অংশগ্রহণকারী ফেলোদের অভিনন্দন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘জাতিগত অগ্রগতির জন্য সম্মিলিত চিন্তাভাবনা, আন্তঃসংস্থার সহযোগিতা ও সুপরিকল্পিত নেতৃত্ব অপরিহার্য।’ কোর্সে অংশগ্রহণকারী ফেলোদের মধ্যে গড়ে ওঠা পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব তাদের পেশাগত ও জাতীয় জীবনে দীর্ঘস্থায়ী অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ক্যাপস্টোন কোর্সে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কূটনীতিক, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীসহ মোট ৪৫ জন ফেলো অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক।

তিনি বলেন, ‘ক্যাপস্টোন কোর্স জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে, বস্তুনিষ্ঠ সংলাপ ও একীভূত চিন্তা ধারা বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। এই কোর্সে অংশগ্রহণকারী ফেলোগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ; বাংলাদেশের কৌশলগত নেতৃত্বের মধ্য শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করেছে এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব বিকাশের জন্য ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।’ এনডিসি কমান্ড্যান্ট আরও বলেন, ‘ফেলোগণের সক্রিয়, চিন্তাশীল ও সশ্রদ্ধ অংশগ্রহণ তাদের কৌশলগত ও মননশীল চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটিয়েছে এবং বিভিন্ন সংস্থার নেতৃবৃন্দের মাঝে জাতীয় পর্যায়ের মেলবন্ধন তৈরি করতে কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে।’

সূত্র জানায়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন ইস্যুতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসা প্রতিষ্ঠানটির হাই প্রোফাইল এই কোর্সটি ২০১০ সাল থেকে কার্যত জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়নের নিবিড় সম্পর্ক অনুধাবন এবং কার্যকর নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়ে আসছে। গুরুত্বপূর্ণ এই কোর্সটির লক্ষ্য কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, সূক্ষ চিন্তাভাবনার বিকাশ, আন্তঃসংস্থার সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থার নেতৃত্ব পর্যায়ে জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক সমন্বিত ধারণা গড়ে তোলা।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান, সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল চৌধুরী মোহাম্মদ আজিজুল হক হাজারী, আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের গ্রুপ কমান্ডার মেজর জেনারেল আই কে এম মোস্তাহসেনুল বাকী, বিইউপি উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম, জনপ্রশাসন সচিব মোখলেছুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে : তথ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে : তথ্য উপদেষ্টা

আগামী ৫ আগস্টের আগেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, জাদুঘরের কিছু চূড়ান্ত কাজ, জনবল নিয়োগসহ কয়েকটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হলেই এটি উদ্বোধন করা হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন।এক সাংবাদিক জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জুলাই জাদুঘর নিয়ে আলোচনা চলছে।

কিছু চূড়ান্ত কাজ বাকি রয়েছে। জনবল নিয়োগসহ কয়েকটি বিষয় সম্পন্ন করা হচ্ছে।

আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, ৫ আগস্টের আগেই জুলাই জাদুঘরের উদ্বোধন হবে। এ বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়া সফর করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর ছিল চীন।

আবার বিভিন্ন পর্যায়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গেও যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকা দেশগুলোর সঙ্গেও প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পর্ক বজায় রাখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান ও তুরস্ক সফর করবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে অবশ্যই যাওয়া হবে। কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে সরকারের দ্বিধা নেই। জাতীয় স্বার্থই এখানে মূল বিবেচ্য।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে রপ্তানিমুখী বিনিয়োগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি রপ্তানিমুখী শিল্পাঞ্চল (ইপিজেড) রয়েছে। একইসঙ্গে সরকার রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। দীর্ঘদিন আমরা একটি পণ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম, যা ঝুঁকিপূর্ণ। এখন রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনতে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি দেশীয় বিনিয়োগও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে গম আমদানির অনুমোদন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টি বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের উদ্যোগ নেওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। এর অংশ হিসেবে কিছু পণ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি পরিমাণে কেনার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানির দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর হলে দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়ত। এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। তাদের আয় শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনই নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতেও বড় অবদান রাখে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, গার্মেন্টস খাত সচল থাকলে এর সুফল অন্যান্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে। তাই সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং জনগণ বিষয়টি উপলব্ধি করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি

৬ দিনের বিরতির পর সংসদ অধিবেশন শুরু, চলছে প্রশ্নোত্তর পর্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
৬ দিনের বিরতির পর সংসদ অধিবেশন শুরু, চলছে প্রশ্নোত্তর পর্ব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ছয় দিনের বিরতি শেষে শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতেই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় প্রকাশিত কার্যসূচি অনুযায়ী, এরপর জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ, একটি বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন এবং আইন প্রণয়নসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

কার্যসূচি অনুযায়ী, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের অনুমতি চাইবেন। অনুমতি পেলে বিলটি সংসদে উত্থাপন করে পরীক্ষাপূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করা হবে।

এ ছাড়া ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ স্থায়ী কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে। পরে বিলটি পাসের প্রস্তাবও উত্থাপন করবেন শিক্ষামন্ত্রী।

অধিবেশনের শুরুতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয় সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে।

এদিন বিধি-৭১ অনুযায়ী জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে প্রাপ্ত নোটিশ নিষ্পত্তির পাশাপাশি দুটি গৃহীত নোটিশের ওপর আলোচনা হবে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্পের সংকট, কাঁচা চামড়ার ন্যায্যমূল্য এবং রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। অন্যদিকে ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম প্রকৃত ভূমিহীন ও দরিদ্রদের মধ্যে খাস জমি বন্দোবস্তের বিষয়ে ভূমিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন।

অধিবেশনে বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এর ওপর বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনও উপস্থাপন করবেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ভিডিও ভাইরালের পর অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের রহস্যময় পোস্ট

কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে মালদ্বীপে অবকাশযাপনের সময় এক তরুণের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় তাকে। কখনো তারা গল্প করছেন, কখনো রেস্টুরেন্টে নিজের হাতে তরুণকে খাবার খাইয়ে দিতে দেখা গেছে।

টিকটক থেকে এ ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। তখন ভিডিওর যুবকের সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্ক নিয়েও নানা চর্চা হওয়া এবং চারদিকে গুঞ্জন ছড়াতে থাকে।

সেই ভিডিও নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হলেও ঘটনার এক সপ্তাহ পরও কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি কেয়া পায়েলের।

এদিকে এরইমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন একটি পোস্ট দিয়েছেন এ অভিনেত্রী; যা নিয়ে নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। নিজের নতুন একটি ছবি পোস্ট করে একটি রহস্যময় ক্যাপশন দিয়েছেন। কেয়া পায়েল লিখেছেন, ‘প্রথম ভালোবাসা কি ভোলা যায়?’

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে এ ক্যাপশন দেন কেয়া পায়েল। নিজের লাস্যময়ী ছবির সঙ্গে জুড়ে দেয়া ক্যাপশন মুহূর্তেই নজর কাড়ে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেটিজেনদের। তারা সঙ্গে সঙ্গে নানা মন্তব্য শুরু করেন।

তবে নেটিজেনদের অধিকাংশের মন্তব্যই একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে―কদিন আগের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা যুবকই কি তাহলে কেয়া পায়েলের প্রথম ভালোবাসা, নাকি অন্য কেউ? কারও কারও মতে, অভিনেত্রীর সেই প্রথম ভালোবাসার মানুষটিই বা কে। তবে নানা মন্তব্য থাকলেও কোনো পাল্টা জবাব বা প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি ছোটপর্দার এই তারকাকে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি