খুঁজুন
                               
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র, ১৪৩২
           

বুয়েটের নকশায় বাস্তবায়নের পরেও ঢাকা স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট নিয়ে বিভ্রান্তির নেপথ্যে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
বুয়েটের নকশায় বাস্তবায়নের পরেও ঢাকা স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট নিয়ে বিভ্রান্তির নেপথ্যে

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন নিয়ে নতুন নতুন দৃশ্যপটের সূচনা হচ্ছে। সূত্রপাত হচ্ছে নতুন নতুন ঘটনা। মাঠে ও মাঠের বাইরে ক্রিকেটীয় সব সমীকরণ বা ব্যাকরণ পাল্টে যাচ্ছে। নির্বাচন না করার ঘোষণা দিলেও অবধারিতভাবে ঘুরেফিরে তার নামটাই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তিনি বর্তমান পরিচালক মাহবুব আনাম। প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় দেশের ক্রিকেটকে বুকের উত্তাপে আগলে রেখেছেন। ৭৬টি ক্লাবের সংগঠকরাও চান তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করুন।

তবে সামনা সামনি বর্ষীয়ান এই ক্রিকেট সংগঠকের সঙ্গে যারা কুলিয়ে উঠতে পারেন না তারা নানা বাহানায় নন ইস্যুকে ইস্যু করে জল ঘোলা করতে হন্তদন্ত। এখন ঢাকা স্টেডিয়ামের ফ্ল্যাডলাইট নিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে গল্প-কেচ্ছা বানিয়ে পর্বতে মুষিক প্রসব স্টাইলে মাহবুব আনামকে ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে দুর্বল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত নব্য ফ্যাসিস্টরা!

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞদের ডিজাইনে স্টেডিয়াম সংস্কারের নথি মোতাবেক ৩৮০টি ফ্ল্যাডলাইট লাগানো হয়েছে। কোথাও কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। অথচ ৪৩০টি লাইট দেওয়ার ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে। মাহবুব আনামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এরোনেস ইন্টারন্যাশনাল পুরো কাজটি বাস্তবায়ন করেছে। স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের জন্য স্পেন থেকে আমদানি করা হয় ফিলিপস ব্র্যান্ডের এলইডি লাইট। ফ্লাডলাইট বাবদ ব্যয় হয় ৩৯ কোটি টাকা।

জানা যায়, বুয়েটের বিশেষজ্ঞরা সরেজমিনে স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে ফ্লাডলাইট কীভাবে, কোথায় স্থাপন করা হবে, সে ব্যাপারে মতামত দেন। পুরনো টাওয়ার প্রতি এলিইডি বসানো হয়েছে ৫৫টি। চারটি টাওয়ারে ২২০টি এলিইডি লাইট বসানো হয়েছে। ১৬০টি লাইট বসানো হয়েছে স্টেডিয়ামের ছাউনির ক্যানোপিতে। বুয়েটের নকশায় শুধু ক্যানোপিতেই নয় পুরো ডিজাইনের বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগের মেটাল হ্যালাইডের জায়গায় এবার বসানো হয় এলইডি লাইট।

সূত্র জানায়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের শর্ত ছিল ফ্লাডলাইট শিপমেন্টের আগে পরিদর্শনের। সেই শর্ত অনুযায়ী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ) মাহবুব মোরশেদ সোহেল, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের একজন প্রকৌশলী, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব স্পেনের মাদ্রিদে গিয়েছিলেন। সকল কিছু পর্যবেক্ষণ করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ইতিবাচক সম্মতি দেওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দ্রুততার সঙ্গে স্পেন থেকে ফ্লাডলাইট বিমানযোগে ঢাকায় আনার ব্যবস্থা করে। পরে গত মাসে ফ্লাডলাইট বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়।

সূত্র মতে, প্রতিটি ফ্লাডলাইটের দাম নিয়েও মনগড়া অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। প্রতিটি লাইটের দাম পড়েছে ৪ লাখ টাকা। এর সঙ্গে ১০০% ট্যাক্স। এই স্টেডিয়ামে ব্যবহৃত ফিলিপস ব্র্যান্ডের এলইডি বাল্ব দুবাই ও কাতারে বিশ্বকাপেও ব্যবহৃত হয়েছে। ক্যানোপিসহ কোথায় কী লাগানো হবে এটি নির্ধারণ করে দিয়েছে বুয়েট। লাইটের সঙ্গে তার, সাব স্টেশন, সুইচ গিয়ারসহ ইত্যাকার বিষয় সম্পৃক্ত থাকলেও তথ্য বিকৃতির মাধ্যমে চটকদার হেডলাইনে দেশের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী মাহবুব আনামের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা দিবালোকের মতোই পরিস্কার।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাহবুব আনামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর মধ্যে আছে দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন ও ক্যারিবিয়ান দ্বীপের একটি দেশের নাগরিকত্বের আবেদন। তবে মাহবুবের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, এ ধরনের তথ্যগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই ছড়ানো হচ্ছে। তারা বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলেই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। দুদকের সে মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল, সে সময়কার বিরোধী দলকে (বিএনপি-জামায়াত) আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সেই সূত্র ধরে তাকে ব্যাপক নাজেহালও হতে হয়। এবার হচ্ছে তার উল্টো। আন্দোলনে সরকার পরিবর্তনের পর বলা হচ্ছে, ফ্যাসিস্টদের সহযোগী নাকি তিনি!’ মাহাবুব সংশ্লিষ্টদের দাবি, চাপে ফেলে তাকে বিসিবির নির্বাচন থেকে দূরে রাখার উদ্দেশ্যেই এসব করা হচ্ছে।

কালের আলো/এএএমকে/এমএইচ

ফেনীর শহীদ হারুনের পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
ফেনীর শহীদ হারুনের পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনীর ট্রাঙ্ক রোডে হরতালের পক্ষে শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত ফেনীর যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারকে নতুন বাড়ি উপহার দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১২ এপ্রিল) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধি দল নতুন বাড়ি নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন। আমরা বিএনপি পরিবার সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

ফেনী সদর উপজেলার ১৩ নম্বর ফরহাদনগর ইউনিয়নের ভোরবাজারের যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর হরতালের পক্ষে মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান। তারেক রহমানের নির্দেশে হারুনুর রশিদকে নতুন বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এই বাড়ি নির্মাণের কাজটা তদারকি করবে। এই সংগঠন সারাদেশে বিএনপির বিপদগ্রস্ত অসহায় মানুষদের সহায়তা দিয়ে আসছে। সংগঠনটির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন ও সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন দায়িত্ব পালন করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এই মুহূর্তেই আমাদের মেয়েটির ডেডবডি আনতে পারব না, সচেষ্ট আছি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ফরিদপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
এই মুহূর্তেই আমাদের মেয়েটির ডেডবডি আনতে পারব না, সচেষ্ট আছি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, আপনারা জানেন যে লেবাননে এখন একটি যুদ্ধ অবস্থা বিরাজ করছে। আমাদের ফ্লাইট এখন সুবিধাজনক নয় যে আমরা এই মুহূর্তেই আমাদের এই মেয়েটির ডেডবডি আনতে পারব। আমরা সচেষ্ট আছি, খুব শিগগিরই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং লেবাননে আমাদের যে মিশন আছে, তারা কাজ করছে—কীভাবে নিরাপদভাবে মেয়েটিকে (মরদেহ) আমরা শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করদিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, গত দুই দিন আগে লেবাননে যে হামলাটা হয়েছে, সেই হামলায় ৩০০ জনের মতো ক্যাজুয়ালটি (যুদ্ধে হতাহত) হয়েছে। তার মধ্যে আমাদের একজন বাংলাদেশি মেয়ে, সে লেবাননে কাজ করতো, সে নিহত হয়েছে একটি পরিবারের সাথে। সেই পরিবারটিও নিহত হয়েছে। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলায়। ইতিমধ্যে তার পরিবারের সাথে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। কথা বলা হয়েছে। এখানে তার যে বোন থাকে, সেই বোনের সাথেও আমরা যোগাযোগ করেছি। আমাদের জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক ইতিমধ্যে তাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন, ফ্যামিলির সাথে যোগাযোগ করেছেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন,আমি শুধু আমার জেলার মেয়ে হিসেবে বলতে পারি যে, আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা তার পরিবারকে সেই শোক সহ্য করার শক্তি দিন এবং আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার সচেষ্ট আছে, যাতে আমাদের বাংলাদেশিরা যারা এসব দেশে আছে তারা যেন নিরাপদে থাকে। যতটুকু সম্ভব আমরা চেষ্টা করছি তাদেরকে একটি নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করতে। মিশনগুলো কাজ করছে। যেমন- লেবাননে আমাদের যে বাংলাদেশিরা আছে, তাদেরকে আমরা একটি নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করার ব্যবস্থা করেছি এবং তারা যেন নিরাপদে থাকে, সে চেষ্টা করছি। ওই দেশগুলোতে যারা বাংলাদেশি দেশে আসতে চায়, নিরাপত্তার অভাবে—তারা যেন নিরাপদে দেশে ফিরে আসতে পারে, সে ব্যবস্থাও আমরা করছি।

তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে কিছু বাংলাদেশিকে বিমানের একটি চার্টার ফ্লাইটের মাধ্যমে দেশে ফেরত এনেছি এবং যারা আসতে চায় তাদেরও আসার ব্যবস্থা করছি। এখন পর্যন্ত আমাদের আটজন বাংলাদেশি এই যুদ্ধে নিহত হয়েছে বিভিন্ন দেশে এবং এই প্রথম একজন নারী নিহত হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমরা চেষ্টা করছি এবং সরকার সচেষ্ট আছে।

শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের যেসব রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বিদেশে চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরছে, তারা যেন আবার কোনো কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারে—সেটার জন্য বাংলাদেশ সরকার অবশ্যই দেখবে এবং আমরা সচেষ্ট আছি। এটা আমাদের ম্যানিফেস্টোর একটি অংশ এবং আমরা অবশ্যই দেখব, যাতে আমাদের ভাইয়েরা যারা এতদিন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে বিদেশে ছিলেন, দেশের রেমিট্যান্স ও অর্থনীতিতে সহযোগিতা করেছেন, তারা যেন আবার একটি কর্মে যুক্ত হতে পারেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের মুখে একটি কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে রক্ষায় কেউ এগিয়ে না আসায় মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপির। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয় ৷

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাগেরহাটের ঘটনাটি তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। শুধু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও তিনি মর্মাহত।

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দেশে মানুষ এবং সব প্রাণের বসবাসের অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এই অমানবিক ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

এদিকে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পর বাগেরহাট জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিয়া খাতুনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম শরীফ খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. পলাশ কুমার দাস এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদ-উল-হাসান।

কালের আলো/এসআর/এএএন