খুঁজুন
                               
, ,
           

বুয়েটের নকশায় বাস্তবায়নের পরেও ঢাকা স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট নিয়ে বিভ্রান্তির নেপথ্যে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
বুয়েটের নকশায় বাস্তবায়নের পরেও ঢাকা স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট নিয়ে বিভ্রান্তির নেপথ্যে

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন নিয়ে নতুন নতুন দৃশ্যপটের সূচনা হচ্ছে। সূত্রপাত হচ্ছে নতুন নতুন ঘটনা। মাঠে ও মাঠের বাইরে ক্রিকেটীয় সব সমীকরণ বা ব্যাকরণ পাল্টে যাচ্ছে। নির্বাচন না করার ঘোষণা দিলেও অবধারিতভাবে ঘুরেফিরে তার নামটাই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তিনি বর্তমান পরিচালক মাহবুব আনাম। প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় দেশের ক্রিকেটকে বুকের উত্তাপে আগলে রেখেছেন। ৭৬টি ক্লাবের সংগঠকরাও চান তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করুন।

তবে সামনা সামনি বর্ষীয়ান এই ক্রিকেট সংগঠকের সঙ্গে যারা কুলিয়ে উঠতে পারেন না তারা নানা বাহানায় নন ইস্যুকে ইস্যু করে জল ঘোলা করতে হন্তদন্ত। এখন ঢাকা স্টেডিয়ামের ফ্ল্যাডলাইট নিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে গল্প-কেচ্ছা বানিয়ে পর্বতে মুষিক প্রসব স্টাইলে মাহবুব আনামকে ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে দুর্বল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত নব্য ফ্যাসিস্টরা!

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞদের ডিজাইনে স্টেডিয়াম সংস্কারের নথি মোতাবেক ৩৮০টি ফ্ল্যাডলাইট লাগানো হয়েছে। কোথাও কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। অথচ ৪৩০টি লাইট দেওয়ার ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে। মাহবুব আনামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এরোনেস ইন্টারন্যাশনাল পুরো কাজটি বাস্তবায়ন করেছে। স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের জন্য স্পেন থেকে আমদানি করা হয় ফিলিপস ব্র্যান্ডের এলইডি লাইট। ফ্লাডলাইট বাবদ ব্যয় হয় ৩৯ কোটি টাকা।

জানা যায়, বুয়েটের বিশেষজ্ঞরা সরেজমিনে স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে ফ্লাডলাইট কীভাবে, কোথায় স্থাপন করা হবে, সে ব্যাপারে মতামত দেন। পুরনো টাওয়ার প্রতি এলিইডি বসানো হয়েছে ৫৫টি। চারটি টাওয়ারে ২২০টি এলিইডি লাইট বসানো হয়েছে। ১৬০টি লাইট বসানো হয়েছে স্টেডিয়ামের ছাউনির ক্যানোপিতে। বুয়েটের নকশায় শুধু ক্যানোপিতেই নয় পুরো ডিজাইনের বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগের মেটাল হ্যালাইডের জায়গায় এবার বসানো হয় এলইডি লাইট।

সূত্র জানায়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের শর্ত ছিল ফ্লাডলাইট শিপমেন্টের আগে পরিদর্শনের। সেই শর্ত অনুযায়ী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ) মাহবুব মোরশেদ সোহেল, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের একজন প্রকৌশলী, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব স্পেনের মাদ্রিদে গিয়েছিলেন। সকল কিছু পর্যবেক্ষণ করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ইতিবাচক সম্মতি দেওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দ্রুততার সঙ্গে স্পেন থেকে ফ্লাডলাইট বিমানযোগে ঢাকায় আনার ব্যবস্থা করে। পরে গত মাসে ফ্লাডলাইট বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়।

সূত্র মতে, প্রতিটি ফ্লাডলাইটের দাম নিয়েও মনগড়া অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। প্রতিটি লাইটের দাম পড়েছে ৪ লাখ টাকা। এর সঙ্গে ১০০% ট্যাক্স। এই স্টেডিয়ামে ব্যবহৃত ফিলিপস ব্র্যান্ডের এলইডি বাল্ব দুবাই ও কাতারে বিশ্বকাপেও ব্যবহৃত হয়েছে। ক্যানোপিসহ কোথায় কী লাগানো হবে এটি নির্ধারণ করে দিয়েছে বুয়েট। লাইটের সঙ্গে তার, সাব স্টেশন, সুইচ গিয়ারসহ ইত্যাকার বিষয় সম্পৃক্ত থাকলেও তথ্য বিকৃতির মাধ্যমে চটকদার হেডলাইনে দেশের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী মাহবুব আনামের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা দিবালোকের মতোই পরিস্কার।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাহবুব আনামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর মধ্যে আছে দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন ও ক্যারিবিয়ান দ্বীপের একটি দেশের নাগরিকত্বের আবেদন। তবে মাহবুবের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, এ ধরনের তথ্যগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই ছড়ানো হচ্ছে। তারা বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলেই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। দুদকের সে মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল, সে সময়কার বিরোধী দলকে (বিএনপি-জামায়াত) আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সেই সূত্র ধরে তাকে ব্যাপক নাজেহালও হতে হয়। এবার হচ্ছে তার উল্টো। আন্দোলনে সরকার পরিবর্তনের পর বলা হচ্ছে, ফ্যাসিস্টদের সহযোগী নাকি তিনি!’ মাহাবুব সংশ্লিষ্টদের দাবি, চাপে ফেলে তাকে বিসিবির নির্বাচন থেকে দূরে রাখার উদ্দেশ্যেই এসব করা হচ্ছে।

কালের আলো/এএএমকে/এমএইচ

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে মন্ত্রণালয়টির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে বর্তমান সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার(৬ জুলাই)  এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ড. ফাহমিদা খানম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

এর আগে তিনি জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের (ন্যাকসিআই) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সময়ের জন্য জেলার সব ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সময় জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সর্বসাধারণের ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনটির মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রাতে হঠাৎ করে ওই সাবস্টেশনটির ভেতরে একটি বিকট শব্দ হয়। এর পরপরই স্টেশনটির ৬ নম্বর ফিডারে আগুন লেগে যায়। আগুনের স্থায়িত্ব মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট হলেও স্টেশনের ভিতরে থাকা অন্য ফিডার, বিভিন্ন তারের সংযোগ পুড়ে যাওয়াসহ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।

আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়েগেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা  অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যান্তরীন ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না কেনো এ ঘটনা ঘটেছে৷

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি