নবযাত্রায় অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ পরিণত এক তারেক রহমানকে দেখলেন সম্পাদকরা
জারিফ নিহাল/শফিকুল ইসলাম পলাশ, কালের আলো:
আগের দিন আনুষ্ঠানিক হাল ধরেন বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)। এরপরই শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে তাঁর প্রথম কর্মসূচি বা অনুষ্ঠান। দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময়। গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় স্বপ্নবিলাসী কোন কথা বলেননি বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাস্তব পরিকল্পনার রাজনীতির এক বলিষ্ঠ ঘোষণা দিয়েছেন। অঙ্গীকার করেছেন জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার। সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন গঠনমূলক সমালোচনার। অনুষ্ঠানের পুরো সময় একজন তারেক রহমানের রাজনৈতিক নম্রতা, বিনয় ও পরিপক্কতার প্রতিফলিত হয়।
বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর নবযাত্রা অভিজ্ঞতার আগুনে পুড়ে পরিণত এক প্রাজ্ঞ ও ঋদ্ধ রাজনীতিবিদের। ঝানু নেতৃত্বের আলোকপ্রভায় উদ্ভাসিত এক রাজনৈতিক নেতার নতুন যুগের সূচনা। মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী এ প্রসঙ্গটি সামনে আনলেন। তিনি বললেন, ‘আমি এক তারেক রহমানকে চিনতাম ২৩ বছর আগে। আমি প্রথম ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে প্রথম সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। আমি এখন দেখি ২৩ বছরে তারেক রহমান বদলে গেছেন, আমূল পরিবর্তন হয়ে গেছে তার মধ্যে।’ সংযত, ধৈর্য্যশীল ও শান্ত কণ্ঠে আধুনিক, সংস্কারমুখী ও তৃণমূলভিত্তিক জনগণের নেতা তারেক রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়ে দিলেন ৫ আগস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরতে চাই না। বিএনপি হিংসা, প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে দেশকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে চায়। নতুন প্রজন্ম আশার খোঁজে আছে, সব প্রজন্মই একটি দিকনির্দেশনা খুঁজছে বলেও মন্তব্য করেন।
যুক্তরাজ্যে দেড় যুগের নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে গত ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর ৩০ ডিসেম্বর তার মা, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মারা যান। এর ১০ দিনের মাথায় গত শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এর পরদিন প্রথম কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। দেশে ফেরার দুই সপ্তাহ বাদে দেশের জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী, বার্তা সংস্থাগুলোর শীর্ষ প্রধানসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে অনুষ্ঠানস্থলে এসেই তারেক রহমান সবার কাছে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সঙ্গে ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা চলাকালে কয়েকটি ঘটনায় তারেক রহমানের বিনয়, নম্রতা ও ভদ্রতা মোটা দাগে ফুটে উঠে। প্রবীণ নারী সাংবাদিক মমতাজ বিলকিস নিজের বক্তব্যের শেষপ্রান্তে তাঁর লেখা একটি বই তারেক রহমানকে উপহার দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁর অনুরোধে সাড়া দিয়ে তারেক রহমান মঞ্চের আসন থেকে উঠে এসে তাঁর বইটি গ্রহণ করেন। একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নারী সাংবাদিকের প্রতি তাঁর এমন সৌজন্যতা ও শ্রদ্ধাবোধ প্রমাণ করে দেশ গড়ার জন্য তিনি হাঁটছেন বাবা-মায়ের দেখানো পথেই।

তারেক রহমান অনুষ্ঠান মঞ্চে উঠার সময়ে দেখেন লাল ফিতে দিয়ে একটা বেষ্টনী বসানো হয়েছে। তারেক রহমানের কথায় সেই বেষ্টনী সরিয়ে নেওয়া হয়। বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল অনুষ্ঠান উপস্থাপনার ফাঁকে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘নিরাপত্তা বেষ্টনী যেকোন নন্দিত মানুষের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা একটি নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছিলাম। তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে সেই বেষ্টনী উঠিয়ে দিয়েছেন। কারণ তিনি এই দূরত্ব রাখতে চান না।’ করতালির মধ্যে দিয়েই সবাই তাঁর কথাকে স্বাগত জানান। মূলত বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধানের এই উচ্চারণ গণমাধ্যমের প্রতি দলীয় চেয়ারম্যানের প্রগাঢ় ভালোবাসারই ইঙ্গিত দিয়েছে।
সভায় ঢাকার একজন সাংবাদিক নেতা তারেক রহমানকে ‘মাননীয়’ বলে সম্বোধন করলে প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘দয়া করে আমার নামের আগে মাননীয় সম্বোধন করবেন না।’ সাংবাদিক নেতা স্বভাবতই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রধান রাজনৈতিক নেতাকে সম্মানের জন্যই এই শব্দটি প্রয়োগ করেছিলেন। কিন্তু রাজনীতিতে বহুলচর্চিত ‘মাননীয়’ শব্দটির বিষয়ে আপত্তি তুলে তিনি জানিয়ে দিলেন এই সংস্কৃতি জবাবদিহিমূলক গণতন্ত্রের জন্য ভয়ানক। গণতন্ত্রকে টেকসই করতে হলে এসব নীতি পরিহার করতে হবে। গত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সেই নজির ছিল ভুরি ভুরি।
অনুষ্ঠানে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত ছিলেন না। তিনি জানতেন না মুক্তিযুদ্ধ কিভাবে হয়েছে এবং তিনি ফিরে এসেও জানার চেষ্টা করেননি। তাকে আওয়ামী লীগের লোকজন যা বলেছে এবং ভারতীয় পক্ষ যা বলেছে সেটাকেই তিনি ধরে নিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন এটাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। এই জন্যই তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন।’ তারেক রহমানকে এক্ষেত্রে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান, আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। আপনি জানেন না এখানে কী হয়েছে। আপনার লোকজন আপনাকে যা বলেছে সেটাই আপনি শুনেছেন। এখন মিডিয়ার নতুন বন্ধুরা আপনাকে যেটা বলছে সেটাই আপনি শুনছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনি মনে করছেন এটাই বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস। বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস এটা না। সেই ইতিহাস আমি বর্ণনা করব। ভবিষ্যতে যদি আপনি এরকম কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন সেখানে।’

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজের বক্তব্যে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তাঁর প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই তিনি জানান, বিদেশে অবস্থান করলেও তিনি দেশের প্রতিটি পরিস্থিতির ওপর সজাগ দৃষ্টি রেখেছেন। দেশের খোঁজখবর রেখেছেন। তারেক রহমান এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি দেশে অনেকদিন থাকতে পারিনি। কী কারণে থাকতে পারিনি সে প্রসঙ্গে গেলাম না। কমবেশি সবার ধারণা আছে। তবে সারাক্ষণই দেশের সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল। দেশের মানুষের সঙ্গে কী হয়েছে? এখানে মাহমুদুর রহমান সাহেব বলেছেন একটি উদাহরণ দিয়ে। ওনার প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে আমি বলতে চাচ্ছি-‘ওনার সঙ্গে ওনার রক্তমাখা ছবি এখনও আমার চোখের সামনে ভাসে। ওনার সঙ্গে কী হয়েছে, আমি জানি। রুহুল আমিন গাজী সাহেবের সঙ্গে কী হয়েছে, জেলের মধ্যে উনি মৃত্যুবরণ করেছেন সেটি আমি জানি। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আমার ৬০ লক্ষ নেতাকর্মী এবং তাঁর থেকে আরেকটি হৃদয়বিদারক আমার জন্য হচ্ছে-আমার মায়ের সাথে কী হয়েছে? কাজেই এই ঘটনাগুলোকে যদি এক করি, যারা দেশে ছিলেন তারা অবশ্যই আমার থেকে একটু বেটার (ভালো) জানবেন। তবে আমি একদম যে জানি না বোধহয় বিষয়টি তা নয়। আমার একটি ধারণা আছে।’
এই অনুষ্ঠানে সম্পাদকদের মধ্যে ছিলেন দৈনিক যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এএমএম বাহাদ্দীন, মানব জমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউএজের নুরুল কবির, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। এছাড়া যুগান্তরের আবদুল হাই শিকদার, সংবাদের আলতামাশ কবির, ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এর ইনাম আহমেদ, কালের কন্ঠের হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আবু তাহের, বণিক বার্তার হানিফ মাহমুদ, দৈনিক সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, প্রতিদিনের বাংলাদেশ এর মারুফ কামাল খান সোহেল, দেশ রূপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, নয়া দিগন্তের সালাহ উদ্দিন বাবর, ডেইলি সানের মো. রেজাউল করিম, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, আজকের পত্রিকার কামরুল হাসান, মানবকন্ঠের শহীদুল ইসলাম, সুরমার (লন্ডন) শামসুল আলম লিটন, দেশ বার্তার সালেহ বিপ্লব, নিউ নেশনের মোকাররম হোসেন। নয়া দিগন্তের মাসুমুর রহমান খলিলী, প্রথম আলোর সাজ্জাদ শরীফ, সময়ের আলোর সৈয়দ শাহনাজ করিম, জনকন্ঠের খুরশীদ আলম, বাংলা বাজার পত্রিকার রাশেদুল হক, যুগান্তরের এনাম আবেদীন, আমাদের সময়ের নজরুল ইসলাম, দৈনিক নাগরিক সংবাদের সুমন প্রামাণিক, দিকপালের সম্পাদক শাহীন রাজা, নাগরিক প্রতিদিনের হাসনাইন খরশীদ। ছিলেন বাসসের চেয়ারম্যান আনোয়ার আল দীন, প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ, ইউএনবির প্রধান সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ খান, সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সুবহান, বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ঢাকা স্ট্রিমের সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ, ঢাকা মেইলের সম্পাদক হারুন জামিল, ঢাকা পোস্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল ইসলাম। বিবিসির সম্পাদক সাব্বির মোস্তফা, বিশেষ প্রতিনিধি কাদির কল্লোল, আল জাজিরার তানভীর চৌধুরী, রয়টার্সের রুমা পাল, এএফপির শেখ সাবিহা আলম। বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহবুব আলম, জেনারেল ম্যানেজার নুরুল আজম পবন, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক জেডএম জাহেদুর রহমান। বেসরকারি টেলিভিশনের শীর্ষ প্রধানদের মধ্যে ছিলেন সময় টিভির জুবায়ের আহমেদ, চ্যানেল আইয়ের শাইখ সিরাজ, বাংলা ভিশনের আবদুল হাই সিদ্দিকী, এনটিভির ফখরুল আলম কাঞ্চন, মোস্তফা খন্দকার, ইটিভির আবদুস সালাম, যমুনা টিভির ফাহিম আহমেদ, ডিভিসির লোটন একরাম, একাত্তর টিভির শফিক আহমেদ, এটিএনের হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, বৈশাখী টিভির জিয়াউল কবীর সুমন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের শরীফুল ইসলাম খান, গ্রীন টিভির মাহমুদ হাসান, গাজী টিভির গাউসুল আজম দীপু, এটিএন নিউজের শহীদুল আজম, মাছরাঙার রেজানুল হক রাজা, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জহিরুল আলম, আরটিভির ইলিয়াস হোসেন, মোহনা টিভির এমএ মালেক, স্টার টিভির ওয়ালিউর রহমান মিরাজ, এখন এর তুষার আবদুল্লাহ, ইন্ডিপেনডেন্টের মোস্তফা আকমল, মাইটিভির ইউসুফ আলী।

ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, আবদুল আউয়াল ঠাকুর, এম এ আজিজ, নুরু উদ্দিন নুরু, একেএম মহসিন, শাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, খাজা মাইন উদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম রনি, হাফিজুর রহমান, গিয়াস উদ্দিন রিপন, হাফিজুর রহমান সরকার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমীন, মিড়িয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমার রুমন, শাম্মী আখতার, শায়রুল কবির খান, আবু সায়েম, বিএনপির সাইমুম পারভেজ, শামসুদ্দিন দিদার, চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার এবং চেয়ারম্যানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল ও চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
কালের আলো/জেএন/এসআইপি/এমকে


আপনার মতামত লিখুন
Array