খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

নৌবাহিনী প্রধানকে শিশুদের লাল-সবুজের ‘ভালোবাসা’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
নৌবাহিনী প্রধানকে শিশুদের লাল-সবুজের ‘ভালোবাসা’

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এসেছিল বাংলার স্বাধীনতা। ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মাধ্যমে বাংলার আকাশে উড়েছিল লাল-সবুজের পতাকা। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের স্মারক এই পতাকা হাতেই ছোট্ট সোনামণিরা স্বাগত জানালেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসানকে। সমস্বরে শিশুরা সালাম জানালেন তাকে। সালামের উত্তর নিয়ে এক শিশুর সঙ্গে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দিলেন তিনি। একঝাঁক কচিকাচার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন।

অফুরন্ত খুশির ফোয়ারা তখন শিশুদের মনে। লাল-সবুজে ভর করে আগামীর পথে শিশুদের স্বপ্ন ছুটে চলার এই বিশেষ আয়োজনটি উপভোগ করলেন এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। মুগ্ধ হলেন শিশুদের লাল-সবুজের ‘ভালোবাসায়’। এই ঘটনাপ্রবাহটি রবিবারের (১৮ জানুয়ারি)। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর উদ্যোগে সাভারে বিরুলিয়ার ছোট কালিয়াকৈরে ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ সাভার’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্পন্ন ও যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। শিশুদের গুণগত শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও নৈতিক গুণাবলীসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে অভিভাবকদের।’ এ সময় ঢাকা নৌ অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। একই সঙ্গে দেশের জনবলকে আধুনিক, মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে নৌবাহিনী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন করে যাচ্ছে। এরই গতিধারায় ‘শিক্ষাই প্রগতি’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ সাভার’ যাত্রা শুরু করেছে। শিক্ষা ক্ষেত্রেও নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠিত স্কুল এন্ড কলেজগুলো নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।

নৌবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ‘নৌবাহিনী এ্যাংকোরেজ স্কুল এন্ড কলেজ খুলনা’ জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ এ জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ স্কুল নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়াও থানা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ স্কুল নির্বাচিত হয়েছে ‘নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ ঢাকা’ ও ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ কাপ্তাই’। এসব শিক্ষা বিস্তারে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দায়িত্ববোধের গৌরবজ্জ্বল স্বীকৃতি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ, সাভার’-এর পরিচিতি তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং শিশুদের গুণগত শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও নৈতিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি স্কুলটির প্রচার, প্রসার, উন্নয়ন ও সফলতায় সরকারের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ, সাভার’-বর্তমানে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। একটি উন্নত ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠন ও শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম, ইনডোর প্লে এরিয়া, শিশুপার্ক ও বিস্তৃত খেলার মাঠ। গুণগত ও মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টির মাধ্যমে দক্ষ ও মেধাবী মানব সম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর পরিচালিত স্কুলসমূহ কাজ করে যাচ্ছে। এখানে সামরিক-অসামরিক ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সন্তানদের সুশিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি