খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

নৌবাহিনী প্রধানকে শিশুদের লাল-সবুজের ‘ভালোবাসা’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
নৌবাহিনী প্রধানকে শিশুদের লাল-সবুজের ‘ভালোবাসা’

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এসেছিল বাংলার স্বাধীনতা। ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মাধ্যমে বাংলার আকাশে উড়েছিল লাল-সবুজের পতাকা। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের স্মারক এই পতাকা হাতেই ছোট্ট সোনামণিরা স্বাগত জানালেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসানকে। সমস্বরে শিশুরা সালাম জানালেন তাকে। সালামের উত্তর নিয়ে এক শিশুর সঙ্গে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দিলেন তিনি। একঝাঁক কচিকাচার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন।

অফুরন্ত খুশির ফোয়ারা তখন শিশুদের মনে। লাল-সবুজে ভর করে আগামীর পথে শিশুদের স্বপ্ন ছুটে চলার এই বিশেষ আয়োজনটি উপভোগ করলেন এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। মুগ্ধ হলেন শিশুদের লাল-সবুজের ‘ভালোবাসায়’। এই ঘটনাপ্রবাহটি রবিবারের (১৮ জানুয়ারি)। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর উদ্যোগে সাভারে বিরুলিয়ার ছোট কালিয়াকৈরে ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ সাভার’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্পন্ন ও যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। শিশুদের গুণগত শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও নৈতিক গুণাবলীসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে অভিভাবকদের।’ এ সময় ঢাকা নৌ অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। একই সঙ্গে দেশের জনবলকে আধুনিক, মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে নৌবাহিনী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন করে যাচ্ছে। এরই গতিধারায় ‘শিক্ষাই প্রগতি’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ সাভার’ যাত্রা শুরু করেছে। শিক্ষা ক্ষেত্রেও নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠিত স্কুল এন্ড কলেজগুলো নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।

নৌবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ‘নৌবাহিনী এ্যাংকোরেজ স্কুল এন্ড কলেজ খুলনা’ জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ এ জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ স্কুল নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়াও থানা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ স্কুল নির্বাচিত হয়েছে ‘নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ ঢাকা’ ও ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ কাপ্তাই’। এসব শিক্ষা বিস্তারে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দায়িত্ববোধের গৌরবজ্জ্বল স্বীকৃতি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ, সাভার’-এর পরিচিতি তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং শিশুদের গুণগত শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও নৈতিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি স্কুলটির প্রচার, প্রসার, উন্নয়ন ও সফলতায় সরকারের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ, সাভার’-বর্তমানে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। একটি উন্নত ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠন ও শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম, ইনডোর প্লে এরিয়া, শিশুপার্ক ও বিস্তৃত খেলার মাঠ। গুণগত ও মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টির মাধ্যমে দক্ষ ও মেধাবী মানব সম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর পরিচালিত স্কুলসমূহ কাজ করে যাচ্ছে। এখানে সামরিক-অসামরিক ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সন্তানদের সুশিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

ইরানের তেল চীন পাবে না: যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
ইরানের তেল চীন পাবে না: যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, চীন যেন ইরান থেকে তেল নিতে না পারে, সে জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের তিনি জানান, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের তেল বহনকারী চীনা ট্যাংকারগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র বাধা দেবে।

তিনি বলেন, তারা (চীন) তেল পাবে না। তারা তেল পেতে পারে, কিন্তু ইরানের তেল নয়।

বেসেন্ট চীনের সমালোচনা করে বলেন, বৈশ্বিক পর্যায়ে দেশটি বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার হিসেবে আচরণ করছে না।

তিনি অভিযোগ করেন, চীন তেলের মজুত বাড়াচ্ছে এবং কিছু পণ্যের রপ্তানি সীমিত করছে।

তিনি জানান, এ বিষয়ে চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে এই বিরোধ প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য বেইজিং সফরে প্রভাব ফেলবে কিনা—সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।

বেসেন্ট বলেন, এই সফরের মূল বার্তা হবে স্থিতিশীলতা। তাছাড়া যোগাযোগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাজারে চলছে অস্থিরতা

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
বাজারে চলছে অস্থিরতা

বাজারে নিতপণ্যের দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলে সরকার রেশনিং আরোপ করেছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামে বাড়তি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। এতে ট্রাক ভাড়া আগের তুলনায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পরিবহণ খাতেও খরচ বেড়েছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা। যা এক মাস আগেও ১৮০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০-৪৪০ টাকা। যা এক মাস আগে ৩২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি। আগে ছিল ৭৫০ টাকা। এদিকে ভোজ্যতেলের বাজারেও চলছে অস্থিরতা। আরেক দফা মূল্য বাড়াতে বাজার থেকে উধাও হয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেল। পাশাপাশি সংকট দেখিয়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকা। যা এক মাস আগে ১৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বেড়েছে চিনির দামও। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা। যা ঈদের আগে ১০০ টাকা ছিল।

বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, যুদ্ধের কারণে ভোজ্যতেল আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে। এতে আমদানিকারকদের ব্যয় বেড়েছে। তাই দেশের বাজারেও দাম বাড়াতে হবে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৫৮ টাকায়। বিআর-২৮ জাতের মাঝারি দানার চাল ৬৮ টাকা, সরু চালের মধ্যে মিনিকেট চাল ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে দাম না বাড়লেও প্রতি কেজি সরু মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, মাঝারি দানার মসুর ডাল ১২০-১৩০ টাকা, মোটা দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

নয়াবাজারের ব্যবসায়ী মো. আকবর বলেন, পরিবহণ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সবজি থেকে শুরু করে সব পণ্যের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। জ্বালানি পরিস্থিতির জন্য পণ্যের দাম যেটুকু বাড়ার কথা তার তুলনায় বেশি দাম নেওয়ায় সাধারণ মানুষ বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

কেজিপ্রতি ৮০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি। মাসের ব্যবধানে কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। এক মাস আগে ছিল ৮০-৯০ টাকা। পটোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। যা আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা, বরবটি ৮০-৯০, ঢ্যাঁড়শ ৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম ৩ দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কম ছিল। মূলত ট্রাক ভাড়া বাড়ার কারণে সবজির দাম বেড়েছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. মাসুম বলেন, আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে মাসে ৪০ হাজার টাকা বেতন পাই। মা-বাবা, স্ত্রী ও এক ছেলে নিয়ে আমার সংসার। সেখান আমিসহ তাদের খাবার জোগাড় করতে মাসে ৫০ কেজির এক বস্তা চাল ৪ হাজার, ৫ লিটার তেল ৮৫০, বাসা ভাড়া ১২ হাজার, সবজি, মাছ, ব্রয়লার মুরগিসহ তরকারি রান্নার উপকরণ কিনতে ৮ হাজার, গ্যাস সিলিন্ডার ২০০০, সাবান-ডিটারজেন্ট ও শ্যাম্পু ৫০০, মুদি বাজার আরও ২ হাজার, বিদ্যুৎ বিল ১০০০ ও মোবাইল টকটাইমে খরচ হয় ৫০০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহণ ব্যয় বাড়ার প্রভাব সরাসরি পণ্যের দামে পড়ছে। পাশাপাশি বাজার সিন্ডিকেটের কারণে ভোজ্যতেলসহ একাধিক পণ্যের দাম বেড়েছে। তাই বাজারে কঠোরভাবে তদারকি দরকার।

কালের আলো/এম/এএইচ

বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়েছে বার্সেলোনাকে। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমি-ফাইনালে উঠেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

মঙ্গলবার রাতে মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে শুরুতেই আধিপত্য দেখায় বার্সেলোনা। চতুর্থ মিনিটে লামিনে ইয়ামাল এবং ২৪তম মিনিটে ফেররান তোরেসের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা, ফলে দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ফেরে। তবে ৩১তম মিনিটে আদেমোলা লুকমান গোল করে আতলেতিকোকে আবারও ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন, যা শেষ পর্যন্ত নির্ণায়ক হয়ে ওঠে।

পুরো ম্যাচে প্রায় ৭১ শতাংশ বল দখলে রেখে বার্সেলোনা আক্রমণ চালালেও দুই দলই নেয় ১৫টি করে শট; লক্ষ্যে ছিল বার্সেলোনার ৮টি ও আতলেতিকোর ৫টি। বারবার সুযোগ তৈরি করেও গোল বাড়াতে পারেনি কাতালানরা, বিপরীতে গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর দৃঢ়তায় টিকে থাকে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শেষ দিকে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বার্সেলোনার জন্য। ৭৭তম মিনিটে এরিক গার্সি‌য়া লাল কার্ড দেখলে যোগ করা সময়সহ শেষ ১৯ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় তাদের। প্রথম লেগেও তারা খেলেছিল ১০ জনে।

শেষদিকে রবার্ট লেভানদোভস্কি ও রোনাল্ড আরাওহো সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে ২-১ ব্যবধানে জিতেও হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

অন্যদিকে প্রায় ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠেই উল্লাসে মাতে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

কালের আলো/এসএকে