তৃণমূলে গণভোট প্রচার কার্যক্রমে গতি, ৪ হাজার ৫০০ ইউনিয়নে ছুটবে ‘ভোটের রিকশা’
কালের আলো রিপোর্ট:
ভোটের গাড়ির পর ভোটের রিকশা। একের পর এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ অন্তর্বর্তী সরকারের। লক্ষ্য নির্বাচন ও গণভোটে মানুষকে উৎসাহিত করা। জেলা, উপজেলার গণ্ডি পেরিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে জোরালো প্রচারণায় পূর্ণ মনোযোগ সরকারের। এক্ষেত্রে স্বকীয়তা বজায় রেখে আরও আগেই যাত্রা শুরু করে ১০টি ভোটের গাড়ি-সুপার ক্যারাভান। এসব গাড়ি দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩০০টি উপজেলা পর্যায়ক্রমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। নির্বাচন ও গণভোট সফলে দেশব্যাপী এই প্রচারণায় নতুন মাত্রা যোগ করে এবার ৪ হাজার ৫০০ ইউনিয়নে ছুটবে ‘ভোটের রিকশা’। মাইকিং করে নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হবে। আইকনিক এই প্রচার কার্যক্রমের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক যাত্রাকে সফল করতে চায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ তে রায় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সাভার পৌর এলাকার রেডিও কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে দেশের ৮টি বিভাগে ৮টি ‘ভোটের রিকশা’ উদ্বোধন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তর আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা বলেন, ‘ভোটের রিকশাগুলোতে মাইকিং হবে। সেখানে জনগণকে সাধারণ নির্বাচনের সঙ্গে নির্ভয়ে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণভোটে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানানো হবে। পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটে জনগণ যেন পরিবর্তনের স্বপক্ষে থেকে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করে সেই আহ্বানটাও জানানো হবে। হ্যাঁ ভোট প্রদান করলে ক্ষমতার ভারসাম্যে, জনগণের ক্ষমতায়নে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোন কোন পরিবর্তন আসবে-সেগুলো জনগণকে বোঝানো হবে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রচারে রিকশাগুলোতে বিভিন্ন টিভিসি প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া গণভোট ২০২৬ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ‘তোমার আমার বাংলাদেশে ভোট দিবো মিলেমিশে, পরিবর্তনের চাবি আমাদের হাতে’সহ বিভিন্ন স্লোগান রিকশাতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই রিকশা ৪ হাজার ৫০০ ইউনিয়ন চষে বেড়িয়ে নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দিবে। ভবিষ্যতে নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ নকশা প্রস্তুত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।’
জানা যায়, প্রান্তিক মানুষের কাছে গণভোটের বিষয়ে অস্পষ্টতা দূর করতে মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতা এবং বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষিত করছে সরকার। গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে আটটি বিভাগে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় ও বিভাগীয় ইমাম সম্মেলন করছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। আগামী ২৪ জানুয়ারির মধ্যেই তিনি সরকারের এই কর্মযজ্ঞ শেষ করবেন।

গণভোট নিয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এর নেতৃত্বাধীন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। গণভোট সফল করতে মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ৬৪ জেলা ও চারটি উপজেলা তথ্য অফিসের মাধ্যমে নিবিড়ভাবে প্রচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারে গণভোটকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া ভোটার, তরুণ প্রজন্ম, নারী ভোটার ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভোটারদের উৎসাহিত করতে অঞ্চলভিত্তিক জনপ্রিয় সংগীত তৈরি ও প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রয়েছে ‘ভোটালাপ’ ও ‘টেন মিনিট ব্রিফ’ কর্মসূচি। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রচার কার্যক্রমে আরও গতি আনতে তাদের নতুন সংযোজন ‘ভোটের রিকশা’। তাদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সর্বত্রই আলোচিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে চলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে উপদেষ্টার নেতৃত্বে অসাধারণ এক ‘টিম ওয়ার্ক’ সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বিকাশে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ প্রচার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে তথ্য উপদেষ্টা মাঠপর্যায়ে প্রচার কার্যক্রমের কর্মপুঞ্জি (ওয়ার্ক ক্যালেন্ডার) প্রণয়ন করছেন। এর মাধ্যমে সমন্বয় করে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো তৃণমূল পর্যায়ে প্রচার এবং ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক করেছেন। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে সমন্বয় বৃদ্ধিতেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে কর্মশালা করছেন। সিলেটে এসব কর্মসূচিতে তিনি জুলাই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য দেশের টেকসই পরিবর্তন চাইলে গণভোটে অংশগ্রহণ করতে সকল সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন। গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রংপুর শিল্পকলা একাডেমির সামনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে আয়োজিত র্যালী শেষে উপদেষ্টা কেন গণভোটে ‘হ্যাঁ জয়ী করা অপরিহার্য সেই প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সাভারে ‘ভোটের রিকশা’ উদ্বোধনের পরই ছুটে গেছেন রাজবাড়ীতে। স্থানীয় ইয়াসিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণভোট ও নির্বাচন উপলক্ষ্যে উদ্বুদ্ধকরণ ও মতবিনিময় সভায় যোগ দিয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেছেন। দু’টি কর্মসূচিতেই তাঁর সঙ্গে ছিলেন তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা। তিনি নিজেও গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ ও রাজশাহী কলেজে নারী ভোটার এবং প্রথমবারের ভোটারদের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘গণভোট ও নির্বাচন ২০২৬ প্রচারণা’ অনুষ্ঠানে গণভোটের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন।

সাভারে ভোটের রিকশা উদ্বোধন করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘আমরা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে সকলের অংশগ্রহণমূলক, স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের ভোটের দিকে তাকিয়ে আছি। আমরা আশা করি, মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ৬৪টি জেলায় গিয়ে বিশেষ করে গণভোটে কেন সরকার হ্যাঁ বলছে—তা সাধারণ মানুষসহ সুধীজনকে বোঝাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে আমরা ভোটের রিকশার প্রচলন করেছি। পাশাপাশি আমরা গ্রামপর্যায়ে উঠান বৈঠক করছি। মানুষকে বলা হচ্ছে, তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হচ্ছে। আমরা আশা করি, ২২ জানুয়ারি থেকে যখন নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে, তখন বিভিন্ন দলগুলো তাদের বার্তাগুলো নিয়ে যাবে।’
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমরা যে সংস্কার প্রক্রিয়ার কথা বলছি—তা সরকারের আরোপিত কিছু না। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সরকার কমিশন গঠন করেছে। কমিশনের সেই রিপোর্টগুলো থেকে গণভোটের জন্য ছয়টি রিপোর্ট, যা নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যেগুলো ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়ে কথা বলেছে সেইগুলোর মূল সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে গণভোটের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। আমরা আশা করি, জনগণ সংস্কারের পথে পরিবর্তন করে নতুন বাংলাদেশের পথে হাঁটবে।’
‘গণভোট হচ্ছে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন, এখানে দলীয় বা ব্যক্তিগত স্বার্থ দেখলে চলবে না’ উল্লেখ করে রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থে যদি আপনি হ্যাঁ বলেন, আপনি কোনো দলকে পছন্দ করেন আর না করেন—দেশ কিন্তু জিতে যাবে। যদি দেশ জিতে যায়, আমরা সকলে জিতে যাব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এমন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই না, যেখানে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। আমরা এমন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই না, যেখানে জনগণের মুখোমুখি হয়ে উত্তর দেওয়ার সাহস থাকবে না, সদুত্তর দেওয়ার সাহস থাকবে না। কাজেই আমরা ব্যক্তি বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে, দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে, দেশের স্বার্থে গণভোটকে হ্যাঁ বলব।’ রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, ‘নির্বাচন, সংস্কার, বিচার—এই তিনটাই হচ্ছে আমাদের মোটাদাগের প্রধান কাজ। আমরা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা কাকে ভোট দেবেন—সম্পূর্ণ আপনাদের বিষয়।’
তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, ‘সুশাসন চাইলে, কতৃত্ববাদী সরকার না চাইলে সংস্কারের পক্ষে থাকতে হবে। কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ও সুন্দর আগামী চাইলে গণভোটে হ্যাঁ’ কে জয়যুক্ত করতে হবে। গণভোট ও সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটের রিকশা ৬৪ জেলায় ৪৫০০ ইউনিয়নে প্রচারণা চালাবে। এসময় গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে সরকারের নানাবিধ প্রচার কার্যক্রম তুলে ধরেন তিনি।
রাজবাড়ী ইয়াসিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষ্যে উদ্বুদ্ধকরণ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন, বৈষম্যহীন ও পরিবর্তিত বাংলাদেশ চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। দেশকে বৈষম্যহীন করতে, গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে, ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে, আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে এবং প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দিতে হবে।
উপদেষ্টা বলেন,জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট নিয়ে জুলাই যোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য মোটাদাগে সর্বদলীয় ঐক্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ গৃহীত হয়েছে। সেই সনদের আলোকে আগামীতে দেশের শাসন ব্যবস্থা কিভাবে পরিচালিত হবে, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্যই গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন করেছে এর মধ্যে ৬টি কমিশন নির্বাচনের সাথে সরাসরি জড়িত। নির্বাচনের সাথে জড়িত বিষয়গুলো নিয়ে হ্যাঁ-না ভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইচ্ছে মতো সংবিধান পরিবর্তন না চাইলে, ক্ষমতার ভারসাম্য চাইলে, নিম্ম কক্ষ ও উচ্চ কক্ষের সমন্বয়ে সংসদ চাইলে, একজনকে দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না চাইলে, দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বাদীর মতামত ব্যতীত ক্ষমা না চাইলে, নারীর ক্ষমতায়ন চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, সুশাসন, বৈষম্যদূরীকরণ, পরিবর্তন, প্রশাসনে দলীয়করণ বন্ধ ও জনহিতকর প্রশাসন চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কে জয়যুক্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন তথ্য মন্ত্রণালয় এবং আওতাধীন দপ্তরসমূহ গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচনে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ ও নির্বাচন আচরণ বিধিমালা প্রচারণায় ভোটের গাড়ি, ভোটের রিকশা, উঠান বৈঠক, মাইকিং, মতবিনিময় সভা, তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, লিফলেট বিতরণসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কালের আলো/এমএএএমকে


আপনার মতামত লিখুন
Array