খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

প্রতিমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, সরকারের পরিকল্পনা সঠিকভাবে উপস্থাপনের নির্দেশ কর্মকর্তাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
প্রতিমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, সরকারের পরিকল্পনা সঠিকভাবে উপস্থাপনের নির্দেশ কর্মকর্তাদের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সচিবালয় নিজের মন্ত্রালয়ের যাওয়ার আগেই জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবে পৌঁছলে প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ তাদের স্বাগত জানান। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের লড়াকু ছাত্র নেতা জহির উদ্দিন বরিশাল-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে সাংবাদিকদের সঙ্গে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তথ্যমন্ত্রী। এই প্রেসক্লাবকে ছাত্রজীবন থেকেই নিজের ‘সেকেন্ড হোম’ হিসেবে অভিহিত করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘আমি সব সময় সাংবাদিকদের সাথে আছি, থাকব। আমি খুবই সৌভাগ্যবান, আপনারা সবাই পরিচিত। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে এই প্রেসক্লাব আমার ছাত্রজীবন থেকে সেকেন্ড হোম। ডালপুরি খেয়ে হরতালের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতাম।’

মন্ত্রী টিভি রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সময় বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, সহসভাপতি কেএম মহসিন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সহসভাপতি বাছির জামাল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য কাজী রওনাক হোসেন, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘আমি খুব ভালো করেই জানি যে, সাংবাদিক সমাজের সমস্যার সমাধান না হলে গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধান করা যাবে না। সেই সমস্যার সমাধানটি এই মন্ত্রণালয়ের এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানের যে পরিকল্পনা, তার মধ্যে যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা আছে, সেই আলোকে আমাদের কর্মকৌশল-কর্ম পরিকল্পনা আপনাদের সামনে হাজির করব। তার আগে আমরা সাংবাদিকমহলসহ সকল অংশীদারদের সঙ্গে আমরা ধৈর্যের সাথে মতবিনিময় করব।’

পরে তথ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সচিবালয়ে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়ে যান। মন্ত্রণালয়ে পৌঁছালে তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি হন। সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি ও পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যাতে সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।’ এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।

তথ্য মন্ত্রণালয়কে একটি পেশাদার কাঠামোর মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে
সংসদ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেই প্রেক্ষাপটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাদার কাঠামোর মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে। সরকারের বার্তা স্পষ্টভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই হবে মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা প্রস্তাবে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে। ওই কমিশনের মাধ্যমে স্বাধীন প্রস্তাবনা প্রণয়ন করে রাষ্ট্র পরিচালনায় সহায়ক কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে তথ্য মন্ত্রণালয়কে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।’ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের তুলনায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা কিছুটা ভিন্ন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কারণ এটি সরাসরি জনমত, মতপ্রকাশ ও গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত।’

সরকারের পরিকল্পনা ও কর্মপন্থা সঠিকভাবে উপস্থাপন করা দায়িত্ব
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘আমাদের সবার পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে যে আমরা একটি নতুন পর্বে প্রবেশ করেছি। ৫ আগস্টের পর এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একটি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রূপরেখা দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করেছিলেন। তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কার ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন। দেশে ফেরার পরও তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেছেন- ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা ও কর্মপন্থা সঠিকভাবে উপস্থাপন করা এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে সম্পৃক্ত করা তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।’

মতবিরোধ ও বিতর্ক গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অনুষঙ্গ
মতবিরোধ ও বিতর্ক গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অনুষঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণ করে সমাজে মতপ্রকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমাজের বহুমাত্রিক মতামতের প্রতিফলন ঘটবে এবং তা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জনগণের তথ্য জানার অধিকার আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও অংশীজনদের কাছেও সরকারের বার্তা সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে হবে। এজন্য সবাইকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’ তিনি বলেন, একটি দেশের উন্নয়নের পরিপূরক কাঠামো হিসেবে তথ্য মন্ত্রণালয় কাজ করে। উন্নয়ন কতটা অগ্রসর হচ্ছে বা কোথায় ঘাটতি রয়েছে, সে বার্তাও তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই জনগণের কাছে পৌঁছায়।’

কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
নবীন-প্রবীণের অপূর্ব সমন্বয়ের চমকের মন্ত্রিসভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের সংসদ সদস্য ও বিবিসির সাবেক তথ্য ও প্রযুক্তি বিজ্ঞানী মো. ইয়াসের খান চৌধুরী। তাঁর প্রয়াত বাবা মো. আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরীও ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। রাজনৈতিক পরিবারের এই সন্তানকে এবার প্রথমবারের মতো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে বিবিসি টেলিভিশন নেটওয়ার্কেও তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব সামলানো এমন ব্যক্তিত্বকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পেয়ে খুশি সাংবাদিক নেতারাও। মন্ত্রীর নেতৃত্বে নিজ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে মতিবিনিময় সভায় আলো কেড়েছেন নতুন প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে টিম স্পিরিটের ওপর জোর দিয়েছেন। তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’ তিনি আগামীর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি