খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ইতিহাসের অনন্য এক দলিল! বাবা ও শ্বশুরের ৪৬ বছর আগের ‘বিরল’ সেই ছবিতে বিমুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
ইতিহাসের অনন্য এক দলিল! বাবা ও শ্বশুরের ৪৬ বছর আগের ‘বিরল’ সেই ছবিতে বিমুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাবা ও শ্বশুর। একটি ছবি। দুর্লভ সেই ছবি। একজন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। অন্যজন সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান। হারানো দিনের ফ্রেমে বন্দি দুষ্প্রাপ্য এই ছবিতে প্রকারান্তরে কথা বলে ইতিহাস। দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঐতিহাসিক রেকর্ড বা উপকরণের সঞ্চয়ন নিজস্ব আর্কাইভ থেকেই নেয়া এই ছবিটি। বিশেষভাবে সংরক্ষিত রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের ছবিটি আবার ইতিহাসের দলিলও। এই ছবিটি পুরনো, হারানোর দিনের। কিন্তু এর আবেদন চিরকালের। এই ছবির দু’জনের কেউ আজ বেঁচে নেই। কিন্তু কী উজ্জ্বল জীবন্ত আজও তাঁরা!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যারিগষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণের পর তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই দুষ্প্রাপ্য ছবিটি উপহার দেন এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। সাক্ষাৎকালে দেশের জলসীমার সার্বিক নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি, সমুদ্রসম্পদ রক্ষা এবং নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নৌবাহিনীর পেশাদারিত্ব, দেশপ্রেম এবং সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একটি ছবি কখনও কথা বলে। কখনও ভাবায় আপনমনে। অনুভূতিকে নাড়িয়ে দেয় ভীষণভাবে। স্বভাবতই সব ছাপিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের হৃদয় কেড়েছে দুর্লভ এই ছবিটি। ৪৬ বছর আগের বাবা ও শ্বশুরের এই ছবিটির মাঝে যেন স্মৃতিতে হারিয়ে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চোখের পলকেই ছবিটি তাঁর অতীতকে যেন হাজির করে সামনে। দৃশ্যত প্রধানমন্ত্রী এ সময় ছিলেন বিমুগ্ধ।

ছবিটির ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আনুগত্য, শৃঙ্খলা, উচ্চ মনোবল এবং সকল ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সময়টি ১৯৭৯ সালের ১০ ডিসেম্বর। চট্টগ্রামের বানৌজা ঈসা খান এ এই অনুুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এ সময় সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মাহাবুব আলী খান উপস্থিত ছিলেন।

সেদিনের চিত্রগাথা হাতে পেয়ে হয়তো প্রধানমন্ত্রী খুঁজে ফিরছিলেন বাবা ও শ্বশুরের সেই মুখ যেটি ক্ষণিকের জন্য তাকে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল অতীতের ধুলো জমা পাতায়। এটি যেন দেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও সাবেক নৌবাহিনী প্রধানের প্রতি বর্তমান নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর গভীর সম্মান-শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভালোবাসারই উদাহরণ।

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার মধ্য দিয়ে পরিচিত হয়েছিলেন আপসহীন একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক তিনি। রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে তিনি সেই দেশপ্রেমকে রূপ দেন কার্যকর রাষ্ট্রনায়কত্বে। ভগ্ন অর্থনীতি পুনর্গঠন, কৃষি ও উৎপাদনমুখী উন্নয়ন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন এবং জাতীয় ঐক্য গঠনে প্রয়াত এই রাষ্ট্রনায়কের ভূমিকা আজও ইতিহাসে অনন্য। অন্যদিকে, রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেই দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশের নৌবাহিনীকে বিশ্বমানের আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

স্বাধীন বাংলাদেশের নৌবাহিনী আইন তার হাত ধরেই সংশোধিত রূপে অধ্যাদেশ আকারে জারি হয়েছিল। নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ১৯৮০ সালে মিসাইল বোট ক্রয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অর্জন করে। প্রয়াত মাহবুব আলী খান এক সময় যে নৌবাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই নৌবাহিনী আজ একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সমুদ্র সম্পদের সুরক্ষা, সমুদ্রে অপরাধ দমন ও সুশাসন বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ