খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ইতিহাসের অনন্য এক দলিল! বাবা ও শ্বশুরের ৪৬ বছর আগের ‘বিরল’ সেই ছবিতে বিমুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
ইতিহাসের অনন্য এক দলিল! বাবা ও শ্বশুরের ৪৬ বছর আগের ‘বিরল’ সেই ছবিতে বিমুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাবা ও শ্বশুর। একটি ছবি। দুর্লভ সেই ছবি। একজন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। অন্যজন সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান। হারানো দিনের ফ্রেমে বন্দি দুষ্প্রাপ্য এই ছবিতে প্রকারান্তরে কথা বলে ইতিহাস। দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঐতিহাসিক রেকর্ড বা উপকরণের সঞ্চয়ন নিজস্ব আর্কাইভ থেকেই নেয়া এই ছবিটি। বিশেষভাবে সংরক্ষিত রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের ছবিটি আবার ইতিহাসের দলিলও। এই ছবিটি পুরনো, হারানোর দিনের। কিন্তু এর আবেদন চিরকালের। এই ছবির দু’জনের কেউ আজ বেঁচে নেই। কিন্তু কী উজ্জ্বল জীবন্ত আজও তাঁরা!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যারিগষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণের পর তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই দুষ্প্রাপ্য ছবিটি উপহার দেন এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। সাক্ষাৎকালে দেশের জলসীমার সার্বিক নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি, সমুদ্রসম্পদ রক্ষা এবং নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নৌবাহিনীর পেশাদারিত্ব, দেশপ্রেম এবং সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একটি ছবি কখনও কথা বলে। কখনও ভাবায় আপনমনে। অনুভূতিকে নাড়িয়ে দেয় ভীষণভাবে। স্বভাবতই সব ছাপিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের হৃদয় কেড়েছে দুর্লভ এই ছবিটি। ৪৬ বছর আগের বাবা ও শ্বশুরের এই ছবিটির মাঝে যেন স্মৃতিতে হারিয়ে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চোখের পলকেই ছবিটি তাঁর অতীতকে যেন হাজির করে সামনে। দৃশ্যত প্রধানমন্ত্রী এ সময় ছিলেন বিমুগ্ধ।

ছবিটির ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আনুগত্য, শৃঙ্খলা, উচ্চ মনোবল এবং সকল ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সময়টি ১৯৭৯ সালের ১০ ডিসেম্বর। চট্টগ্রামের বানৌজা ঈসা খান এ এই অনুুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এ সময় সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মাহাবুব আলী খান উপস্থিত ছিলেন।

সেদিনের চিত্রগাথা হাতে পেয়ে হয়তো প্রধানমন্ত্রী খুঁজে ফিরছিলেন বাবা ও শ্বশুরের সেই মুখ যেটি ক্ষণিকের জন্য তাকে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল অতীতের ধুলো জমা পাতায়। এটি যেন দেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও সাবেক নৌবাহিনী প্রধানের প্রতি বর্তমান নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর গভীর সম্মান-শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভালোবাসারই উদাহরণ।

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার মধ্য দিয়ে পরিচিত হয়েছিলেন আপসহীন একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক তিনি। রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে তিনি সেই দেশপ্রেমকে রূপ দেন কার্যকর রাষ্ট্রনায়কত্বে। ভগ্ন অর্থনীতি পুনর্গঠন, কৃষি ও উৎপাদনমুখী উন্নয়ন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন এবং জাতীয় ঐক্য গঠনে প্রয়াত এই রাষ্ট্রনায়কের ভূমিকা আজও ইতিহাসে অনন্য। অন্যদিকে, রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেই দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশের নৌবাহিনীকে বিশ্বমানের আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

স্বাধীন বাংলাদেশের নৌবাহিনী আইন তার হাত ধরেই সংশোধিত রূপে অধ্যাদেশ আকারে জারি হয়েছিল। নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ১৯৮০ সালে মিসাইল বোট ক্রয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অর্জন করে। প্রয়াত মাহবুব আলী খান এক সময় যে নৌবাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই নৌবাহিনী আজ একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সমুদ্র সম্পদের সুরক্ষা, সমুদ্রে অপরাধ দমন ও সুশাসন বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি