খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

দক্ষ নেতৃত্বগুণাবলীতে নির্ভরযোগ্য মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী ডিজিএফআই’র নেতৃত্বে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
দক্ষ নেতৃত্বগুণাবলীতে নির্ভরযোগ্য মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী ডিজিএফআই’র নেতৃত্বে

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, কালের আলো:

দীর্ঘ বর্ণাঢ্য সাফল্যমণ্ডিত ক্যারিয়ারের দিগন্তরেখায় ঊষার উন্মেষে আলোকিত করেছেন নিজেকে। দক্ষতা, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব আর সততার সঙ্গে আধুনিক-অগ্রসর চিন্তার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন। তার ইস্পাতকঠিন মনোবলের সঙ্গে পরিণত ভাবনার মননশীলতার মূল্যবোধকে করেছেন উচ্চকিত।

প্রতিনিয়ত নিজেকে অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে চলার প্রতীতিতে আশাবাদের স্বর্ণালোকে আরও চ্যালেঞ্জিং অধ্যায়ের সূত্রপাত করতে চলেছেন মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী। মহান স্বাধীনতার অনির্বাণ চেতনা, অবিরাম প্রেরণা ও গভীর দেশপ্রেমের বিশ্বস্ততায় দক্ষ নেতৃত্বগুণাবলীতে নির্ভরযোগ্য হিসেবেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন সেনা সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করা এই কর্মকর্তা। সরকারে এসেই এই দুই তারকা জেনারেলের হাতেই এবার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) নেতৃত্ব তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে তাকে ডিজিএফআই’র নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরীকে ‘র‌্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান।

মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী ঢাকা সেনানিবাসের কচুক্ষেতে ডিজিএফআই’র ১৪ তলা ভবনে বসে ডিজিএফআইকে নেতৃত্ব দিবেন। তিনি ডিজিএফআই’র ২৮তম ডিজি। সামরিক বাহিনীর অত্যন্ত প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ এই পদটিতে সাধারণত সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়। সরকারপ্রধান তারেক রহমান এই পদটিতে ‘বেস্ট অব দ্য বেস্ট’ সেনা কর্মকর্তাকেই মনোনীত করেন।

  • চ্যালেঞ্জিং নতুন অধ্যায়ের সূত্রপাত
  • দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে আধুনিক-অগ্রসর চিন্তার মেলবন্ধন
  • অযুত সম্ভাবনাময় নতুন অধ্যায়ের প্রারম্ভে প্রীতি ও শুভেচ্ছায় সিক্ত
  • আরও অনন্য-অনুপম উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন ডিজিএফআইকে

বিশ্লেষকরা মনে করেন, মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরীর আলোকোজ্জ্বল ক্যারিয়ার প্রমাণ করে শুধুমাত্র মেধা ও পেশাদারিত্বের ওপর ভিত্তি করেই ডিজিএফআই এর মতো একটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার মহাপরিচালক হিসেবে তাঁকে এই গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও দেশের জন্য ফলপ্রসূ হবে। তিনি কর্মের দ্যুতি ছড়িয়ে ডিজিএফআইকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হবেন।

যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও পেশাদারিত্বের প্রমাণ দিয়েই সর্বোচ্চ পদে আসীন
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেধাবী, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন ও চৌকস একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে সর্বমহলে সুপরিচিত মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী। সামরিক সূত্র ও তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি দেশে এবং বিদেশে নিজ যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও পেশাদারিত্বের প্রমাণ দিয়েই প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন। ডিজিএফআই’র ডিজি হিসেবে তাঁর অভিষিক্ত হওয়ার বার্তা স্বভাবতই আনন্দ মহিমান্বিত সুসংবাদ তাঁর এলাকার বাসিন্দা, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীদের মাঝে।

দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট, কখনও দ্বিতীয় হননি সামরিক প্রশিক্ষণে
অবারিত আনন্দের ফল্গুধারার আবাহনে অযুত সম্ভাবনাময় নতুন অধ্যায়ের প্রারম্ভে সোশ্যাল মিডিয়ার বিশাল ক্যানভাসে প্রীতি ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন ২৯তম বিএমএ লং কোর্সের দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট হিসেবে কমিশন লাভ করা মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী। বর্তমানে তিনি তার কোর্সের প্রথম কর্মকর্তা। সামরিক প্রশিক্ষণে তিনি কখনও দ্বিতীয় হননি বলে তাঁর সহকর্মীরা জানান। তাঁর রয়েছে দেশ-বিদেশের নানা সম্মানজনক সামরিক কোর্স সম্পন্ন করার অভিজ্ঞতা। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য থেকে মোট দু’বার অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া তিনি তুরস্ক থেকে আর্টিলারি বেসিক কোর্স এবং পাকিস্তান থেকে গানারি স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। নিজের উজ্জ্বল নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় ডিজিএফআই’র ডিজির এই চ্যালেঞ্জিং দায়িত্বেও তিনি দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সর্বোচ্চ প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবেন বলেই মনে করছেন অনেকেই।

অনন্য-অনুপম উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন ডিজিএফআইকে
দেশের অন্যতম বৃহৎ গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই সাধারণত প্রতিরক্ষা বিষয়ে ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গোয়েন্দা কার্যক্রম চালিয়ে থাকে। দেশপ্রেমিক এই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবেও অভিজ্ঞতা ও অর্জনের স্বর্ণালী সংযোগসূত্রে দেশের মানুষের ভালোবাসা আর আত্মপ্রত্যয়ের মিলিত শক্তিতে সংস্থাটিকে তিনি আরও অনন্য-অনুপম উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন, এমন অভিমত বিশ্লেষকদের।

বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনে নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে বেশ দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা কায়ছার রশীদ চৌধুরী পার্বত্য চট্টগ্রামে আর্টিলারি ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর (বিএম) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে (ডিএসসিএসসি) তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রশিক্ষক (ডিরেক্টিং স্টাফ) এবং প্রধান প্রশিক্ষক (চিফ ইনস্ট্রাক্টর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্কুল অব আর্টিলারিতেও তিনি তিন মেয়াদে প্রশিক্ষক হিসেবে নিজ যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরীর রয়েছে অনবদ্য ভূমিকা। ২০১৯ সালে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে (ইউএনএইচকিউ) যোগ দেন। সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায় তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ (টপ টিসিসি) হিসেবে সম্মান অর্জন করে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করে। তাঁর পুরো সময়কালেই বাংলাদেশ এই শীর্ষস্থান ধরে রাখে। শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য ডেপ্লয়মেন্ট বা নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মেধার জন্য তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের সামরিক উপদেষ্টার (এমআইএলএডি) আস্থাভাজন ছিলেন।

নিজ বাহিনীর সদস্যের সঙ্গে নিজেকে মিশিয়েছেন কর্মের চাঞ্চল্যে
মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী দীর্ঘ ক্যারয়ারে নিবিড় প্রসন্নতায় হৃদয়ের বিভায় নিজেকে নিজ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের সঙ্গে তিনি মিশিয়েছেন কর্মের চাঞ্চল্যে; সাহসিক প্রেরণাশক্তিতে। তাঁর এক সহকর্মী (সাবেক সেনা কর্মকর্তা) স্মৃতিচারণ করে বলেন, বিএমএ-তে তাঁর ফার্স্ট টার্ম কর্পোরাল ছিলেন কায়ছার রশীদ, যাঁর হাত ধরে সেনাবাহিনীতে তাঁর পথচলা শুরু হয়েছিল। বুট পরা থেকে শুরু করে জীবনের প্রথম স্যালুট করা—সবকিছুই তিনি এই কর্মকর্তার কাছ থেকে শিখেছিলেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রশিক্ষণ, অপারেশন ও প্রশাসন—সর্বক্ষেত্রেই মেজর জেনারেল কায়ছার তাঁর যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন। ডিজিএফআই এর হাল ধরার জন্য এমন মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাকে বাছাই করায় তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

কালের আলো/এমএএএমকে

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি