খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

দক্ষ নেতৃত্বগুণাবলীতে নির্ভরযোগ্য মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী ডিজিএফআই’র নেতৃত্বে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
দক্ষ নেতৃত্বগুণাবলীতে নির্ভরযোগ্য মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী ডিজিএফআই’র নেতৃত্বে

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, কালের আলো:

দীর্ঘ বর্ণাঢ্য সাফল্যমণ্ডিত ক্যারিয়ারের দিগন্তরেখায় ঊষার উন্মেষে আলোকিত করেছেন নিজেকে। দক্ষতা, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব আর সততার সঙ্গে আধুনিক-অগ্রসর চিন্তার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন। তার ইস্পাতকঠিন মনোবলের সঙ্গে পরিণত ভাবনার মননশীলতার মূল্যবোধকে করেছেন উচ্চকিত।

প্রতিনিয়ত নিজেকে অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে চলার প্রতীতিতে আশাবাদের স্বর্ণালোকে আরও চ্যালেঞ্জিং অধ্যায়ের সূত্রপাত করতে চলেছেন মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী। মহান স্বাধীনতার অনির্বাণ চেতনা, অবিরাম প্রেরণা ও গভীর দেশপ্রেমের বিশ্বস্ততায় দক্ষ নেতৃত্বগুণাবলীতে নির্ভরযোগ্য হিসেবেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন সেনা সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করা এই কর্মকর্তা। সরকারে এসেই এই দুই তারকা জেনারেলের হাতেই এবার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) নেতৃত্ব তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে তাকে ডিজিএফআই’র নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরীকে ‘র‌্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান।

মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী ঢাকা সেনানিবাসের কচুক্ষেতে ডিজিএফআই’র ১৪ তলা ভবনে বসে ডিজিএফআইকে নেতৃত্ব দিবেন। তিনি ডিজিএফআই’র ২৮তম ডিজি। সামরিক বাহিনীর অত্যন্ত প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ এই পদটিতে সাধারণত সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়। সরকারপ্রধান তারেক রহমান এই পদটিতে ‘বেস্ট অব দ্য বেস্ট’ সেনা কর্মকর্তাকেই মনোনীত করেন।

  • চ্যালেঞ্জিং নতুন অধ্যায়ের সূত্রপাত
  • দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে আধুনিক-অগ্রসর চিন্তার মেলবন্ধন
  • অযুত সম্ভাবনাময় নতুন অধ্যায়ের প্রারম্ভে প্রীতি ও শুভেচ্ছায় সিক্ত
  • আরও অনন্য-অনুপম উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন ডিজিএফআইকে

বিশ্লেষকরা মনে করেন, মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরীর আলোকোজ্জ্বল ক্যারিয়ার প্রমাণ করে শুধুমাত্র মেধা ও পেশাদারিত্বের ওপর ভিত্তি করেই ডিজিএফআই এর মতো একটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার মহাপরিচালক হিসেবে তাঁকে এই গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও দেশের জন্য ফলপ্রসূ হবে। তিনি কর্মের দ্যুতি ছড়িয়ে ডিজিএফআইকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হবেন।

যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও পেশাদারিত্বের প্রমাণ দিয়েই সর্বোচ্চ পদে আসীন
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেধাবী, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন ও চৌকস একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে সর্বমহলে সুপরিচিত মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী। সামরিক সূত্র ও তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি দেশে এবং বিদেশে নিজ যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও পেশাদারিত্বের প্রমাণ দিয়েই প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন। ডিজিএফআই’র ডিজি হিসেবে তাঁর অভিষিক্ত হওয়ার বার্তা স্বভাবতই আনন্দ মহিমান্বিত সুসংবাদ তাঁর এলাকার বাসিন্দা, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীদের মাঝে।

দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট, কখনও দ্বিতীয় হননি সামরিক প্রশিক্ষণে
অবারিত আনন্দের ফল্গুধারার আবাহনে অযুত সম্ভাবনাময় নতুন অধ্যায়ের প্রারম্ভে সোশ্যাল মিডিয়ার বিশাল ক্যানভাসে প্রীতি ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন ২৯তম বিএমএ লং কোর্সের দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট হিসেবে কমিশন লাভ করা মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী। বর্তমানে তিনি তার কোর্সের প্রথম কর্মকর্তা। সামরিক প্রশিক্ষণে তিনি কখনও দ্বিতীয় হননি বলে তাঁর সহকর্মীরা জানান। তাঁর রয়েছে দেশ-বিদেশের নানা সম্মানজনক সামরিক কোর্স সম্পন্ন করার অভিজ্ঞতা। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য থেকে মোট দু’বার অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া তিনি তুরস্ক থেকে আর্টিলারি বেসিক কোর্স এবং পাকিস্তান থেকে গানারি স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। নিজের উজ্জ্বল নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় ডিজিএফআই’র ডিজির এই চ্যালেঞ্জিং দায়িত্বেও তিনি দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সর্বোচ্চ প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবেন বলেই মনে করছেন অনেকেই।

অনন্য-অনুপম উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন ডিজিএফআইকে
দেশের অন্যতম বৃহৎ গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই সাধারণত প্রতিরক্ষা বিষয়ে ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গোয়েন্দা কার্যক্রম চালিয়ে থাকে। দেশপ্রেমিক এই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবেও অভিজ্ঞতা ও অর্জনের স্বর্ণালী সংযোগসূত্রে দেশের মানুষের ভালোবাসা আর আত্মপ্রত্যয়ের মিলিত শক্তিতে সংস্থাটিকে তিনি আরও অনন্য-অনুপম উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন, এমন অভিমত বিশ্লেষকদের।

বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনে নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে বেশ দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা কায়ছার রশীদ চৌধুরী পার্বত্য চট্টগ্রামে আর্টিলারি ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর (বিএম) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে (ডিএসসিএসসি) তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রশিক্ষক (ডিরেক্টিং স্টাফ) এবং প্রধান প্রশিক্ষক (চিফ ইনস্ট্রাক্টর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্কুল অব আর্টিলারিতেও তিনি তিন মেয়াদে প্রশিক্ষক হিসেবে নিজ যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরীর রয়েছে অনবদ্য ভূমিকা। ২০১৯ সালে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে (ইউএনএইচকিউ) যোগ দেন। সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায় তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ (টপ টিসিসি) হিসেবে সম্মান অর্জন করে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করে। তাঁর পুরো সময়কালেই বাংলাদেশ এই শীর্ষস্থান ধরে রাখে। শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য ডেপ্লয়মেন্ট বা নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মেধার জন্য তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের সামরিক উপদেষ্টার (এমআইএলএডি) আস্থাভাজন ছিলেন।

নিজ বাহিনীর সদস্যের সঙ্গে নিজেকে মিশিয়েছেন কর্মের চাঞ্চল্যে
মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী দীর্ঘ ক্যারয়ারে নিবিড় প্রসন্নতায় হৃদয়ের বিভায় নিজেকে নিজ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের সঙ্গে তিনি মিশিয়েছেন কর্মের চাঞ্চল্যে; সাহসিক প্রেরণাশক্তিতে। তাঁর এক সহকর্মী (সাবেক সেনা কর্মকর্তা) স্মৃতিচারণ করে বলেন, বিএমএ-তে তাঁর ফার্স্ট টার্ম কর্পোরাল ছিলেন কায়ছার রশীদ, যাঁর হাত ধরে সেনাবাহিনীতে তাঁর পথচলা শুরু হয়েছিল। বুট পরা থেকে শুরু করে জীবনের প্রথম স্যালুট করা—সবকিছুই তিনি এই কর্মকর্তার কাছ থেকে শিখেছিলেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রশিক্ষণ, অপারেশন ও প্রশাসন—সর্বক্ষেত্রেই মেজর জেনারেল কায়ছার তাঁর যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন। ডিজিএফআই এর হাল ধরার জন্য এমন মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাকে বাছাই করায় তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

কালের আলো/এমএএএমকে

মার্কিন হামলার মধ্যেও ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন রুবিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
মার্কিন হামলার মধ্যেও ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন রুবিও

নতুন করে মার্কিন হামলা ও ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তার মধ্যেও কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব বলে মনে করছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। একই সঙ্গে তিনি হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ভারতের জয়পুর সফরকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মার্কো রুবিও বলেন, নতুন মার্কিন হামলার পরও ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি কয়েক দিনের মধ্যেই সম্ভব হতে পারে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আজ কাতারে কিছু আলোচনা চলছিল, তাই দেখা যাক আমরা কোনো অগ্রগতি করতে পারি কি না। আমার মনে হয় প্রাথমিক খসড়া নথির নির্দিষ্ট ভাষা নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা চলছে, তাই বিষয়টি শেষ হতে কয়েক দিন লাগবে।’

তিনি আরো জানান, ইরানের সঙ্গে চুক্তির আলোচনার ভাষা চূড়ান্ত করতে ‘আরও কয়েক দিন’ সময় লাগতে পারে।

মার্কো রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি করতে চান। তিনি হয় একটি ভালো চুক্তি করবেন, না হয় কোনো চুক্তিই হবে না।’

হরমুজ প্রণালির বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনোভাবেই হোক না কেন, হরমুজ প্রণালি অবশ্যই খোলা থাকতে হবে।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ব্যাপক হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। জবাবে ইরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত দেশগুলোতে হামলা চালায় এবং কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়।

৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বাহিনী যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে। এ সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ইরান, আর মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলো অবরোধের চেষ্টা করছে।

ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধবিরতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র গতকাল সোমবার ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং সমুদ্রপথে মাইন পুঁতে রাখার চেষ্টায় লিপ্ত স্পিডবোটগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটাতে নতুন দফার আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য ইরানের শীর্ষ আলোচকেরা কাতারের দোহায় পৌঁছানোর পরই এসব হামলা চালানো হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ছুটির দিনে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ৪ কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
ছুটির দিনে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ৪ কর্মকর্তা

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শুরুর দিনে চার অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাসির–উদ–দৌলাকে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মীকে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়াকে একই মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কালের আলো/এসএকে

শাকিবের ‘রকস্টার’ দেখতে পারবে সবাই

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ
শাকিবের ‘রকস্টার’ দেখতে পারবে সবাই

ঈদের আনন্দ বাড়াতে প্রেক্ষাগৃহে আসছে মেগাস্টার শাকিব খানের সিনেমা ‘রকস্টার’। আজমান রুশো পরিচালিত এবং সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত বহুল আলোচিত এই সিনেমাটি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ‘ইউ’ (U) অর্থাৎ আনরেস্ট্রিক্টেড বা ‘সবার জন্য উন্মুক্ত’ সার্টিফিকেট পেয়েছে। অর্থাৎ, সব বয়সের দর্শক প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি দেখতে পারবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিচালক আজমান রুশো। সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত এই সিনেমাটি নিয়ে ইতোমধ্যেই দর্শকদের মাঝে ব্যাপক হাইপ তৈরি হয়েছে।

আসন্ন ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহ কাঁপাতে প্রস্তুত ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের এই নতুন প্রজেক্ট। সিনেমাটির মুক্তির দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ভক্ত ও সাধারণ দর্শকদের মাঝে কৌতূহল ততটাই বাড়ছে। কেবল চিরচেনা রোমান্সই নয় সিনেমাটিতে উঠে আসবে এক রকস্টারের জীবনের গল্প।

তারকাখ্যাতির চাপ, ভেতরের চাপা আবেগ আর তীব্র মানসিক দ্বন্দ্বের মিশেলে এক রকস্টারের উত্থান-পতনের গল্প রূপালি পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক আজমান রুশো। সিনেমাটির মূল আকর্ষণ শাকিব খানের তিন নায়িকা। গল্পে এই তিন নায়িকার উপস্থিতিতে রকস্টারের জীবনে শেষ পর্যন্ত কী ঘটতে যাচ্ছে সেই রহস্য আর প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে দর্শক মহলে।

সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘রকস্টার’-এর নতুন টিজারে শাকিব খানের সঙ্গে গ্ল্যামারের ঝলক দেখিয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর, মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা এবং সুনিধি নায়েক।

টিজার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ঈদে ঢালিউড বক্স অফিসে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে এই ‘রকস্টার’।

কালের আলো/এম/এএইচ