খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন: শিক্ষামন্ত্রী

প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রোববার (৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. হে ইউন জিয়ংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি, ডিজিটাল শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নেই। একইসঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নে উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন, শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং শিক্ষা খাতে চলমান ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একইসঙ্গে শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ডিজিটাল শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা শক্তিশালীকরণ এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়।

পরে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. হে ইউন জিয়ং বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে এডিবির সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী ভবিষ্যতেও শিক্ষা খাতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দীর্ঘমেয়াদি জনকল্যাণ নিশ্চিতে উন্নয়ন প্রকল্প নিতে হবে: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
দীর্ঘমেয়াদি জনকল্যাণ নিশ্চিতে উন্নয়ন প্রকল্প নিতে হবে: মির্জা ফখরুল

জনগণের জীবনমানের বাস্তব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জনস্বার্থ, জবাবদিহি, দক্ষতা এবং দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দৃশ্যমান অবকাঠামো নির্মাণের চেয়ে মানুষের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ নিশ্চিত করে—এমন প্রকল্পই অগ্রাধিকার পাবে।

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের চলমান এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত অননুমোদিত নতুন প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা ও প্রয়োজন অনুযায়ী

পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

সভার শুরুতে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন ২০২৫–২৬ ও ২০২৬–২৭ অর্থবছরের এডিপির সার্বিক চিত্র উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বিন্যাসের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধু দৃশ্যমান অবকাঠামো নয়, মানুষের জীবনমানের ওপর প্রকৃত প্রভাবকে বিবেচনায় নিতে হবে। জনপ্রিয়তার জন্য নয়, মানুষের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে কার্যকর হবে—এমন প্রকল্পকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। আগামী পাঁচ, ১০ কিংবা ৫০ বছর পর দেশের উন্নয়নের অবস্থান কোথায় দেখতে চাই, সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্প প্রণয়নে আরও সতর্কতা, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা এবং ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রকল্প গ্রহণের পাশাপাশি চলমান প্রকল্প সংশোধন, পুনর্বিন্যাস কিংবা সমজাতীয় প্রকল্প একীভূত করে বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় অর্থ জনগণের কষ্টার্জিত সম্পদ। তাই প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়ানুবর্তিতা, গুণগত মান, ব্যয়দক্ষতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এ বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও আন্তরিকতা, দক্ষতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই। এ খাতে টেকসই ও সময়োপযোগী প্রকল্প গ্রহণ এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে হবে।

প্রশিক্ষণ ও গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিই টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এমন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যা আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়ক হবে। নারী উন্নয়ন ও নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি এসব উদ্যোগ আরও ব্যাপকভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী, পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের সদস্য, দুই বিভাগের সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিবসহ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং অধীনস্থ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন যশোরে গ্রেপ্তার 

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন যশোরে গ্রেপ্তার 

চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৮) দিবাগত রাত ৩টার দিকে যশোরের ধুমধুমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ধুমধুমপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালানো হয়। যশোর ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

পরে তাকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, একসময় সাধারণ জীবনযাপন করলেও শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ গ্রুপে যোগ দেওয়ার পর চট্টগ্রামে সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ডে ডেভিড ইমনের নাম উঠে আসে।

বিদেশি পিস্তল হাতে তার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তিনি সাজ্জাদ গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিতি পান। দুবাইয়ে অবস্থান করে সেখান থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দাবি অনুযায়ী চাঁদা না দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাসভবনে গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনাও ঘটানো হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’র ইতিহাস

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’র ইতিহাস

মুক্তির মাত্র ১০ দিনেই বিশ্বব্যাপী ৬৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা) আয় করে বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস গড়েছে খ্যাতনামা পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’। প্রায় তিন হাজার বছরের পুরোনো গ্রিক মহাকাব্য অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমার অবিশ্বাস্য বাণিজ্যিক সাফল্য চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদেরও বিস্মিত করেছে।

মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে ছবিটি সংগ্রহ করে ১২ কোটি ৪৫ লাখ মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারসহ বিশ্বব্যাপী এর মোট আয় দাঁড়ায় ২৬ কোটি ৪১ লাখ ডলারে। ২৫ কোটি মার্কিন ডলার বাজেটে নির্মিত এই ছবিটি ইতোমধ্যেই চলতি বছরের অন্যতম সেরা ব্যবসাসফল সিনেমায় পরিণত হয়েছে।

চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, গ্রিক কবি হোমারের মহাকাব্যভিত্তিক একটি ভাবগম্ভীর চলচ্চিত্রের এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে মূলত পাঁচটি বড় কারণ রয়েছে:

নোলানের ব্র্যান্ড ভ্যালু: ‘ইনসেপশন’, ‘ইন্টারস্টেলার’ কিংবা ‘ওপেনহাইমার’-এর মতো কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়ে ক্রিস্টোফার নোলান নিজেই এক বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছেন। সিনেমাটি তাঁর ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ বৈশ্বিক উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ডও গড়েছে।

আইম্যাক্সের নতুন অভিজ্ঞতা: ‘দ্য ওডিসি’ বিশ্বের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা সম্পূর্ণভাবে আইম্যাক্স ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী সপ্তাহান্তেই শুধু আইম্যাক্স সংস্করণ থেকে আয় এসেছে ৫ কোটি ১৮ লাখ ডলার।

তারকাবহুল অভিনয়শিল্পী: প্রধান চরিত্র ওডিসিউসের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন। এছাড়া টম হল্যান্ড, অ্যান হ্যাথাওয়ে, জেন্ডায়া, লুপিতা নিয়ঙ্গ’ও, রবার্ট প্যাটিনসন, শার্লিজ থেরন ও জন বার্নথালের মতো তারকাদের উপস্থিতি দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে টেনে এনেছে।

সব বয়সী দর্শকের আগ্রহ: সিনেমাটি কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের আকর্ষিত করবে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হলেও বাস্তবে দেখা গেছে, উদ্বোধনী সপ্তাহান্তের দর্শকদের প্রায় অর্ধেকই ছিলেন ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী তরুণ-তরুণী।

ইতিবাচক পর্যালোচনা (পজেটিভ রিভিউ): সমালোচক ও সাধারণ দর্শক—উভয় পক্ষের প্রশংসার ঝড় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জোরালো প্রচার টিকিট বিক্রি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যেভাবে দর্শক ও সমালোচকদের মন জয় করে নিয়েছে ছবিটি, তাতে আগামী কয়েক সপ্তাহজুড়ে বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ‘দ্য ওডিসি’-র এই আধিপত্য অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এসএ