খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

আশা পুতিনের

বাবার কাজ ‘মর্যাদার সঙ্গে’ এগিয়ে নিয়ে যাবেন মোজতবা খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
বাবার কাজ ‘মর্যাদার সঙ্গে’ এগিয়ে নিয়ে যাবেন মোজতবা খামেনি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে তেহরানের প্রতি মস্কোর ‘অটল’ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সোমবার ক্রেমলিনের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পুতিন বলেন, “তিনি আত্মবিশ্বাসী যে, মোজতবা খামেনি তার বাবার (আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি) কাজ ‘মর্যাদার সঙ্গে’ এগিয়ে নিয়ে যাবেন এবং ‘কঠিন পরিস্থিতির মুখে’ ইরানি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখবেন”।

তেহরানের প্রতি রাশিয়ার ‘অবিচল সমর্থন’ পুনর্ব্যক্ত করে রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘রাশিয়া তেহরানের পাশে থাকবে। আমরা আমাদের ইরানি বন্ধুদের সাথে সংহতি নিশ্চিত করতে চাই’।

এদিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নিয়োগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘সন্তুষ্ট নন’ বলে জানিয়েছেন। ট্রাম্পের বরাত দিয়ে রক্ষণশীল মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলা হয়।

ফক্স নিউজের উপস্থাপক ব্রায়ান কিলমিড বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণার পর তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। ট্রাম্প তাঁকে বলেছেন, ‘আমি সন্তুষ্ট নই।’

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা যে-ই হোন— তাকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন নিতে হবে। নাহলে তিনি বেশিদিন টিকে থাকতে পারবেন না।

এছাড়াও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘আয়াতুল্লাহ খামেনি উত্তরসূরি যেই হবে তাকে নির্মূল করা হবে’।

এরআগে রোববার ইরানের ৮৮ সদস্যের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস (ধর্মীয় নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত সংস্থা) ভোটের মাধ্যমে ইরানের সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনিকে নির্বাচিত করে। এর ফলে তিনি ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের পর তৃতীয় সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন। দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন- আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি (১৯৭৯-১৯৮৯), দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা সদ্য প্রয়াত আয়াতুল্লা আলী খামেনি (১৯৮৯-২০২৬)।

মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করার মাধ্যমে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পিতা-পুত্রের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরকে চিহ্নিত করেছে, যা ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর রাজতন্ত্র উল্টে দেওয়ার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অনেকে মনে করেন।

যুদ্ধের এই সংকটময় মুহূর্তে মোজতবা খামেনির নেতৃত্ব ইরানের ভবিষ্যৎ ও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার উপর গভীর প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ মোজতবা এখন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং আঞ্চলিক ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ (হিজবুল্লাহ, হুথি, হামাসসহ)-এর নেতৃত্বও পাবেন।

অনেকের ধারণা, মোজতবা তার বাবার কঠোর নীতিগুলোই অব্যাহত রাখবেন। কেউ কেউ এটাও মনে করেন যে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় যিনি তার বাবা, মা ও স্ত্রীকে হারিয়েছেন, তিনি পশ্চিমা চাপের কাছে সহজে নতি স্বীকার করবেন না।

সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি
কালের আলো/এসআর/এএএন

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি