খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, ধৈর্য ধরুন : মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, ধৈর্য ধরুন : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সঙ্গে করা নির্বাচন পূর্ব অঙ্গীকার পূরণ করবার পথে চলছে। আল্লাহতালার কাছে আমরা শুকরিয়া আদায় করছি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি। ফ্যামিলি কার্ড হচ্ছে শক্তি। এই কার্ডটা আপনাকে সেই ক্ষমতা দেবে যে ক্ষমতা দিয়ে আপনারা সবার সামনে দাঁড়াতে পারবেন। শুধুমাত্র আর্থিক ও অন্যান্য সুযোগ পাবেন তা না, আপনি এ দেশের একজন নারী হিসেবে, পরিবারের প্রধান হিসেবে আপনার অবস্থান থেকে দৃঢ় থাকতে পারবেন। পুরুষেরা অনেক সময় মা-বোনদের বুঝতেই চায় না। যখনই কার্ড আর অর্থ আসবে, তখনই বুঝতে শুরু করবে। এটাই হলো আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, সারাদেশের মধ্যেই মাত্র ১৪টি ইউনিয়নে আমরা প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যকর্ম শুরু করেছি। তবে মা-বোনেরা সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এমনকি জেলা প্রশাসক (ডিসি) তিনিও পাবেন যেহেতু তিনি নারী। এই কার্ড প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা মাঠে এসব কথা বলেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের বলেছিলাম এটাই আমার শেষ নির্বাচন এবং আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের এই ঋণ শোধ করার ভাষা আমার জানা নেই। আপনাদের সমস্যা সমাধান করে আমি এই ঋণ শোধ করতে চাই। আপনারা জানেন এরই মধ্যে একটি মেডিকেল টিম এসেছিল। ইনশাল্লাহ আগামী অর্থবছরে মেডিকেলে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি শুরু হবে। আমাদের ইউনিভার্সিটির আইন হয়ে গেছে, এখন শুধু ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ করে জায়গা নির্ধারণ করে সেটাও চালু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ এবং এয়ারপোর্টও চালু হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আলোচনা করেছি। এই অঞ্চলে কৃষক বেশি। এখানে কৃষি-কাজ বেশি হয়। অন্য কোনো কাজ তেমন নেই, কলকারখানা নেই। কৃষিই একমাত্র মূল চাকা। তাই আমাদের কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে এলাকার কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। আমি আরেকটা কথা বলেছিলাম, সেটা হলো আমাদের শিক্ষিত ছেলে-মেয়ের আইটি ট্রেনিং দিতে চাই। যাতে তারা ঘরে বসে মাসে ২/৩ লাখ টাকা আয় করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মাদক। আমাদের যুবক ছেলেরা মাদকের ঝুকে যাচ্ছে। ভুল পথে চলে যাচ্ছে। এজন্য শুধু পুলিশ-প্রশাসন নয় আপনাদেরকেও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মা-বাবাদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা সবাইকে মাদককে না বলি।

মহাসচিব বলেন, আমার শেষ কথা। আপনারা হতাশ হবেন না। সে কার্ড পেল, আমি কেন পেলাম না- এটা ভাববেন না। আপনারা সবাই পাবেন, শুধু একটু ধৈর্য ধরতে হবে। আপনারা এটুকু বিশ্বাস করেন আমাদের আর অন্য কোনো ইস্যু নেই। অন্যদের মতো ঢাকায় বাড়ি, এমনকি বিদেশে গিয়েও বাড়ি-গাড়ি করব না। যতদিন আছি শুধু জনগণের কাজ করে যাব।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২১ পূর্বাহ্ণ
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

প্রায় দেড় যুগ বিরতির পর শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে শুরু হচ্ছে এই পরীক্ষা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরীক্ষার রুটিন ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এতে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনা এবং পরীক্ষা চলাকালীন আচরণবিধি কী হবে তা জানানো হয়েছে।

সবশেষ ২০০৮ সালে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালু করা হলে তার ফলাফলের ভিত্তিতেই বৃত্তি প্রদান করা হতো।

এবারের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী ১৫ এপ্রিল বাংলা, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তবে তিন পার্বত্য জেলা- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পরীক্ষার সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন রাখা হয়েছে। এসব জেলায় ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত, ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান, ১৯ এপ্রিল বাংলা এবং ২০ এপ্রিল ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় অপরিবর্তিত থাকবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ-এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে, অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে নির্বাচন করা হবে। এছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রবেশপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। উত্তরপত্র যথাযথভাবে পূরণ, ইনভিজিলেটরের স্বাক্ষর নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের আগে হল ত্যাগ না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পরীক্ষা কক্ষে কোনো ধরনের কথাবার্তা, প্রশ্নপত্র বিনিময় বা অননুমোদিত উপায়ে সহায়তা নেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে ইনভিজিলেটরের কাছে উত্তরপত্র জমা দিয়েই পরীক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

কালের আলো/এসাআর/ এএএন 

৩০০ কোটি ডলার ঋণের খোঁজে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ
৩০০ কোটি ডলার ঋণের খোঁজে সরকার

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, ভর্তুকি ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের পরিকল্পনাকে সামনে রেখে আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য বড় আকারের বাজেট প্রস্তুত করছে সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন বাজেটের আকার ৯ লাখ কোটি টাকার বেশি হতে পারে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় বাজেট বৃদ্ধির একটি হতে যাচ্ছে।

এদিকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় এসব পণ্য আমদানিতে চার মাসে প্রয়োজন ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। আবার ভর্তুকি দিতে লাগবে সাড়ে ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

বিশাল অঙ্কের এই চাপ সামাল দিতে ৩০০ কোটি ডলার ঋণের খোঁজ করছে সরকার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। গত মার্চ থেকে আগামী জুন সময়ের জন্য বাজেট সহায়তা হিসেবে উন্নয়ন–সহযোগীদের কাছ থেকে এই ঋণ নিতে চায় সরকার। ঋণ পাওয়া যায় কি না, তা আলোচনা করে দেখতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে (ইআরডি) চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামষ্টিক অর্থনীতি শাখা।

চিঠির সঙ্গে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে একটি অবস্থানপত্র। সেখানে জরুরি ঋণসহায়তার জন্য যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর তৈরি হওয়া চাপ তথ্য-উপাত্ত দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রথমত, এই ঋণ বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ধরে রাখা এবং জ্বালানি, সার ও খাদ্য আমদানি নিশ্চিতে সহায়তা করবে।

দ্বিতীয়ত, নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সহায়তা দিতে ভূমিকা রাখবে। তৃতীয়ত, দেশে জ্বালানি তেল, গ্যাস, সার ইত্যাদির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে তা ব্যয় করা যাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় অবস্থানপত্রে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য চাপের মুখে পড়েছে। এই ঋণসহায়তা জরুরি প্রয়োজন মেটানো ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে দরকার।

বিষয়টি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও ইআরডির শীর্ষস্থানীয় কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কারণ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ১৪ কর্মকর্তা ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে শুরু হওয়া বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বসন্তকালীন সভায় যোগ দিতে গেছেন। এই সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইএমএফের কাছে বাড়তি ঋণ চাওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও খাদ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হলে এবং বিশ্ববাজারে মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। এ সময় বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গিয়েছিল।

বাড়তি দরে আমদানি করতে গিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত দ্রুত কমতে থাকে। একটি পর্যায়ে তা ৪ হাজার ৮০০ কোটি (৪৮ বিলিয়ন) ডলার থেকে নেমে আসে ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলারের নিচে।

অন্যদিকে ৮৬ টাকার ডলারের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। ফলে দেশে মূল্যস্ফীতি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। এর জন্য দায়ী করা হয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের অব্যবস্থাপনাকে।

এ দায় থেকে বাঁচতে তখনকার সরকার জ্বালানি তেল ও সারের দাম বেড়ে যাওয়ার চাপ সাধারণ মানুষের ওপর দিয়ে দেয়। দফায় দফায় বাড়ানো হয় বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি তেল ও সারের দাম। কিন্তু মজুরি মূল্যস্ফীতি অনুযায়ী বাড়েনি।

অর্থনীতির এই পরিস্থিতি বিপুলসংখ্যক মানুষকে দারিদ্র্যসীমার নিচে নামিয়ে দেয়। বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) গত বছরের আগস্টে প্রকাশিত গবেষণায় জানায়, তিন বছরে দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮ শতাংশে, যা ২০২২ সালে ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

কালের আলো/ এসাআর/ এএএন 

১০ টাকা নিয়ে বিরোধে চাচিকে হত্যায় ভাতিজা গ্রেফতার

মময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
১০ টাকা নিয়ে বিরোধে চাচিকে হত্যায় ভাতিজা গ্রেফতার

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় মাত্র ১০ টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধের জেরে চাচিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ভাতিজাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ৭নং বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত আয়েশা (৪৮) একই গ্রামের বাসিন্দা ও তারা মিয়ার স্ত্রী। অভিযুক্ত তৌহিদ (১৯) নিহতের আপন ভাতিজা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পাওনা ১০ টাকা নিয়ে চাচি-ভাতিজার মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা উত্তেজনায় রূপ নেয়। এ সময় তৌহিদ তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আয়েশার বুকে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ফুলবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পালানোর সময় ফুলবাড়িয়া বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন।

পুলিশ জানায়, আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কালের আলো/এম/এএইচ