খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

খোঁজ মিলছে না মার্কিন ৬ পারমাণবিক বোমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
খোঁজ মিলছে না মার্কিন ৬ পারমাণবিক বোমার

ইসরায়েল ও মার্কিন সেনাদের সঙ্গে সমান তালে লড়ে যাচ্ছে ইরানের সেনাবাহিনীও, চলছে পাল্টাপাল্টি হামলা। যুদ্ধ এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এ উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পরমাণু ওয়ারহেড নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে দেশটিতে।

নিখোঁজ এসব পরমাণু ওয়ারহেড শত্রু দেশের হাতে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক দশকে অন্তত ৬টি এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র হারিয়ে গেছে। আজও সেগুলোর কোনো হদিস মেলেনি।

সেগুলো এখন যে কেউ খুঁজে পেতে পারে। মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের পারমাণবিক দুর্ঘটনাকে বলা হয় ‘ব্রোকেন অ্যারো’। অর্থাৎ এমন ঘটনা, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনায় হারিয়ে যায় বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হচ্ছে, তারা যদি এসব নিখোঁজ বোমা খুঁজে না পায়, তাহলে প্রতিপক্ষরাও সহজে তা খুঁজে পাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের নথিভুক্ত ৩২টি ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনার মধ্যে এখনো পর্যন্ত অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের হদিস পাওয়া যায়নি।

এ ধরনের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার একটি ঘটে ১৯৫৮ সালে। ওই বছর টাইবি দ্বীপের কাছে আকাশে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ হয়। একটি বি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বোমারু বিমান তখন একটি সম্পূর্ণ সশস্ত্র মার্ক-১৫ পারমাণবিক বোমা বহন করছিল।

সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাইলট আশঙ্কা করেন, বোমাটি বিস্ফোরিত হতে পারে। ফলে তিনি জরুরি সিদ্ধান্ত নিয়ে জর্জিয়ার উপকূলের কাছে ওয়াসাউ সাউন্ডের পানিতে বোমাটি ফেলে দেন।

প্রায় ৭ হাজার ৬০০ পাউন্ড ওজনের এই মার্ক-১৫ হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৮ মেগাটন। তুলনা করলে দেখা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলায় ব্যবহৃত ফ্যাট ম্যানের চেয়ে এটি প্রায় ১৯০ গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল।

দুর্ঘটনার পর বহুবার অনুসন্ধান চালানো হলেও ওই পারমাণবিক বোমাটি আজ পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। ফলে এটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

মার্কিন বিমানবাহিনী জনসাধারণকে জানিয়েছিল, বোমার প্লুটোনিয়াম ওয়ারহেডটি উড্ডয়নের আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং সিসার বিকল্প দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

তবে, কয়েক দশক পর ১৯৯৪ সালে, ১৯৬৬ সালের কংগ্রেসনাল সাক্ষ্য থেকে প্রকাশিত নথিগুলো প্রকাশ করে যে, টাইবি মার্ক ১৫ আসলে একটি অক্ষত পারমাণবিক অস্ত্র ছিল।

১৯৬৬ সালে, দুটি মার্কিন সামরিক বিমানের সংঘর্ষের পর ভূমধ্যসাগরে একটি বি-২৬ থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা হারিয়ে যায় এবং এর ওয়ারহেড এখনো নিখোঁজ।

এদিকে, মার্কিন হামলা এবং পূর্ববর্তী লক্ষ্যবস্তু মার্কিন-ইসরায়েল অভিযানের ফলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি উল্লেখযোগ্যভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে। কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, তাদের সক্ষমতা পুনর্নির্মাণের জন্য এটি কেবল সময়ের ব্যাপার।

এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জেফ্রি লুইস বলেছেন, যদি এই হামলা কোনো শাসনব্যবস্থা অপসারণে সফল না হয়, তাহলে ইরানে হাজার হাজার মানুষ এই ধরনের কর্মসূচি পুনর্গঠন করতে সক্ষম থাকবে।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিটি নিজেই কয়েক দশক পুরোনো এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ ইরান সম্ভবত উত্তর কোরিয়ার মতো একই সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।

কালের আলো/এসএম/এএএন

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৭:০১ পূর্বাহ্ণ
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৬ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। বিবৃতিটি বিএনপির সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন স্বাক্ষর করে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশসহ দুনিয়াজুড়ে মুসলমানদের আমি পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি হলো ঈদুল আজহা, যা ‘ত্যাগের উৎসব’ নামেও পরিচিত। ঈদুল আজহার তাৎপর্য হলো আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা। এ কারণে বিশ্ব মুসলিম ঈদুল আজহার উৎসবে মিলিত হয়।

মনের অশুভ অন্ধকার দূর করে সহজ-সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জনের মূল শিক্ষার উৎসই হলো পশু কুরবানি। কুরবানির মহিমান্বিত শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আল্লাহর নিকট নিজেকে সমর্পণ করা এবং মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, আমি কামনা করি তাদের অবিরাম সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। ঈদুল আজহা সকলের জীবনকে করে তুলুক আনন্দময়… মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে আমি এ প্রার্থনা জানাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষা হলো আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিঃশর্ত আনুগত্য প্রদর্শন। এটি ত্যাগের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য অর্জনের উৎসব। এর মাধ্যমে মুসলমানেরা মহান আল্লাহ পাকের প্রতি নিবেদিত বান্দা হওয়ার প্রেরণা পায়। প্রতিটি উৎসবই ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের চিত্তবৃত্তি ও ঔদার্য প্রসারিত করে। উৎসব মানবজাতিকে সম্প্রীতির অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং সামাজিক অন্ধকারের গহন থেকে মানবিক আলোর ভূমিতে সমবেত করে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইসরায়েলকে অবশ্যই উৎখাত করা হবে: মোজতবা খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ইসরায়েলকে অবশ্যই উৎখাত করা হবে: মোজতবা খামেনি

ইসরায়েলকে উৎখাতের হুঁশিয়ারি দিয়ে পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে বার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাতে সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তায় ইসরায়েলকে এই অঞ্চলের জন্য ‘বিপজ্জনক ও প্রাণঘাতী ক্যানসারযুক্ত টিউমার’ আখ্যা দিয়ে খামেনি বলেন, অবশ্যই ইসরায়েলকে উৎখাত করা হবে।

তিনি বলেন, ইরানের ধ্বংসাত্মক আঘাতে ইসরায়েলের শাসনব্যবস্থা এখন অসহায় হয়ে পড়েছে।

একে যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ‘চরম আঘাত’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। বার্তায় এ বছর হজে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বর্জন করার আহ্বান জানিয়েছেন মোজতবা খামেনি। একইসঙ্গে ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নিপাত যাক’ স্লোগানকে ‘ইসলামি উম্মাহর প্রধান স্লোগান’ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বিবৃতির বরাতে আল অ্যারাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির জন্য ঢাল হিসেবে কাজ করবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।

খামেনি বলেছেন, এই অঞ্চলে আগ্রাসন চালানো বা সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য আর কোনো নিরাপদ আশ্রয় পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। বরং প্রতিদিনই তারা তাদের আগের অবস্থান থেকে আরও দূরে সরে যাচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

তেজগাঁওয়ে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
তেজগাঁওয়ে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৩২

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগে অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এ তথ্য জানান।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. শরীফুল ইসলাম ওরফে রনি (৩৮), উম্মে খুলসুম রানী, মো. রাব্বি (২৫), মো. জনি গাজী (২৪), মো. শাকিল (২৩), মো. সাগর, মো. বাদশা মিয়া, মো. জুয়েল, কৃষ্ণচন্দ্র, মো. শাকিল (১০), মো. সজল ভূঞা (২২), মো. এরশাদ হোসেন (২৬), মো. বাপ্পী (২০), মো. আব্দুর রহিম রাজীব (২১), মো. সোহেল মিয়া (১৯), মো. আফছার মোল্লা (২৪), মো. মহসিন (২৫), মনজুর এলাহি সজীব (৪২), মিরাজ হোসেন (২০), মো. রাকিবুল ইসলাম (২৮), মো. রবিন ইসলাম আলিফ (২০), মো. ফাহাদ হোসেন (৩২), মো. জাহাঙ্গীর (২০), মো. মাসুদ খান রনি (৩০), মো. সোহেল (২৬), মো. মিলন (২২), মো. সুমন মিয়া (৪৫), মো. জয়নাল আবেদিন (৪৪), মো. ফজলে রাব্বী (৩৬), আ. মজিদ (২৩), মো. সুমন (৪২) ও মো. টোকেন মিয়া ওরফে মো. রোকেন মোল্যা (২৮)।

ডিএমপি তেজগাঁও বিভাগের বরাত দিয়ে এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, সোমবার (২৫ মে) বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এ ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ২ জন, শেরেবাংলানগর থানায় ২ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ১৪ জন, আদাবর থানায় ৮ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৪ জন ও হাতিরঝিল থানায় ২ জন।

গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি