খুঁজুন
                               
, ,
           

হরমুজে সচল ইরানের টোল বুথ, পার হলো জাপান, ফ্রান্স ও ওমানের নৌযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
হরমুজে সচল ইরানের টোল বুথ, পার হলো জাপান, ফ্রান্স ও ওমানের নৌযান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে স্থবির হয়ে পড়া বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আংশিকভাবে বাণিজ্যিক জাহাজের আনাগোনা শুরু হয়েছে।

শিপিং ডাটার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে ওমান, ফ্রান্স ও জাপান-সংশ্লিষ্ট একাধিক জাহাজ অত্যন্ত সংবেদনশীল এই প্রণালিটি নিরাপদে অতিক্রম করেছে।

সংঘাত তীব্রতর হওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান। তবে দেশটি নিজেদের জলসীমায় অবস্থিত লারাক দ্বীপের কাছে একটি বিশেষ অনুমোদিত রুট তৈরি করে। পরবর্তীতে তেহরান ঘোষণা করে, যেসব জাহাজের সঙ্গে তাদের প্রধান শত্রু যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই, শুধুমাত্র সেগুলোকে বিশেষ নজরদারিতে সীমিত আকারে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।  আন্তর্জাতিক শিপিং জার্নাল ‘লয়েড’স লিস্ট’ এই বিশেষ রুটটিকে ‘তেহরান টোল বুথ’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

তবে যুদ্ধ  শুরুর এক মাস পর ইরানের বেঁধে দেওয়া এই কঠিন শর্ত মেনে গত বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের খ্যাতনামা শিপিং কোম্পানি ‘সিএমএ সিজিএম’-এর একটি বিশাল কনটেইনার জাহাজ নিরাপদে প্রণালিটি পার হয়। তবে ইরানের রোষানল থেকে বাঁচতে জাহাজটি এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করে। ইরানি জলসীমায় প্রবেশের ঠিক আগে এটি তার অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস)-এ গন্তব্য হিসেবে শুধু “ফ্রান্স মালিকানাধীন” জাতীয়তা সংকেত প্রদর্শন করে। তবে পারাপারের স্পর্শকাতর সময়ে বহু জাহাজ নিজেদের এআইএস সিস্টেম সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ বন্ধ রেখেছিল।

উল্লেখ্য, গত ১ মার্চের পর ইউরোপীয় কোনো বড় শিপিং গ্রুপের অংশ হিসেবে এই প্রথম কোনো ফরাসি কন্টেইনার শিপ এই রুট দিয়ে পার হলো।

এদিকে, জাপানের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মিতসুই ও.এস.কে. লাইনস-এর সহ-মালিকানাধীন এলএনজি ট্যাংকার “সোহর এলএনজি” সফলভাবে প্রণালিটি অতিক্রম করেছে। সংঘাত শুরুর পর এটিই প্রথম জাপান-সম্পৃক্ত কোনো এলএনজি জাহাজ, যা এই রুট ব্যবহার করল। তবে দেশটির আরও প্রায় ৪৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ এখনও ওই যুদ্ধকবলিত অঞ্চলে আটকা পড়ে আছে।

অন্যদিকে শুক্রবার ভারতের পতাকাবাহী ‘গ্রিন সানভিও’ নামের একটি এলপিজি ট্যাংকারও সফলভাবে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা অতিক্রম করে। হামলার হাত থেকে বাঁচতে এই নৌযানটি অত্যন্ত কৌশলে তাদের ডিজিটাল পরিচয়পত্রে গন্তব্যের জায়গায় বড় অক্ষরে লিখে রেখেছিল— ‘ভারতীয় জাহাজ ভারতীয় ক্রু’। এছাড়া পানামার পতাকাবাহী বড় একটি গ্যাসবাহী জাহাজও একই পথ দিয়ে চীনের উদ্দেশ্যে উপসাগর ছেড়েছে।

একই দিনে এই রুট ব্যবহার করে পারস্য উপসাগর ত্যাগ করেছে ওমান শিপিং ম্যানেজমেন্ট পরিচালিত দুটি বড় ক্রুড ক্যারিয়ার এবং একটি এলএনজি ট্যাংকারও।

এদিকে, যুদ্ধপরবর্তী পরিস্থিতি সুশৃঙ্খলভাবে মোকাবিলা করতে এবং সমুদ্রসীমা ব্যবস্থাপনায় এক নতুন ও দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ নিয়েছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবেশী দেশ ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে হরমুজ প্রণালিতে বেসামরিক জাহাজ চলাচলের জন্য একটি যুগান্তকারী ‘শান্তিকালীন প্রোটোকল’ তৈরি করছে ইরান।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা স্পুটনিককে এক সাক্ষাৎকারে জানান, এই প্রোটোকলটি মূলত চলমান যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হওয়ার পর কার্যকর করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের মৌলিক নিয়মাবলি নির্ধারণ এবং আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করা হবে।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের এই ভয়াবহ যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় থমকে গিয়েছিল। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে যায়। সীমিত পরিসরে এই জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় বিশ্ব তেলের বাজার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে কানাডার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে কানাডার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এর সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট ) ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আইএসপিআর এক বার্তা বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবগত করার জন্য

​সাক্ষাৎকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এবং কানাডার হাইকমিশনার পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন এবং বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ ও চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ এই আলোচনায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কানাডার সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।

​আলোচনায় সামরিক প্রযুক্তি আদান-প্রদান, কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, যৌথ প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন। এছাড়া, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয়ে আশা প্রকাশ করেন দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার ও সুসংহত হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে মামলাটির রায় অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মামলার শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এ সিদ্ধান্ত দেন। মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে। শুনানিতে প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। পাশাপাশি আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশও চাওয়া হয়।

মামলার সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন—ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ও আসামিপক্ষের বক্তব্যসহ মামলার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা শেষে এখন ট্রাইব্যুনালের রায়ের অপেক্ষা। রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ না হওয়ায় যেকোনো দিন তা প্রকাশ হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্মসনদ, শিক্ষাগত সনদসহ বিভিন্ন সরকারি নথি সত্যায়নে বিদ্যমান জটিলতা ও ভোগান্তি নিরসনে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস, হাইকমিশন ও কনস্যুলেটগুলোতে নথি সত্যায়নের ক্ষেত্রে ‘ডাবল লেজিসলেশন’ বা বারবার সত্যায়নের প্রক্রিয়া কেন বেআইনি হবে না, একইসঙ্গে ‘হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন’(উদ্দেশ্য নথি সত্যায়নের জটিলতা দূর করতে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি) অনুযায়ী কেন একটি অভিন্ন নীতিমালা জারি করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নূরে আলম জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত জাহান।

রুলের জবাব দিতে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পররাষ্ট্র সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দুই বিভাগের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ‘সাধারণত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনে জন্মসনদ, বিবাহ সনদ বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মতো নথিগুলো আইন অনুযায়ী নোটারাইজড ও অ্যাপোস্টিল করার পরও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো পুনরায় অথেন্টিকেশন বা সত্যায়ন করতে বাধ্য করে। এর ফলে একই নথি নিয়ে মানুষকে একাধিক দফতর ও মিশনে ঘুরতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘অনেক দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসস্থান থেকে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে। সেখানে যাতায়াত, আবাসন ব্যয় এবং কর্মস্থল থেকে ছুটি নেওয়ার ফলে প্রবাসীরা চরম আর্থিক ও মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অনেক সময় এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময়সীমা পার হয়ে যায় এবং চাকরিতে যোগদান বিলম্বিত হয়।’

আদালতে জানানো হয়, আইন মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে আগেই প্রজ্ঞাপন বা সার্কুলার জারি করা হলেও দূতাবাসগুলো তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছে না। একেক দূতাবাসে একেক নিয়ম চালু থাকায় সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে।

শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে- বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোকে অভিন্ন নির্দেশনা না দিয়ে পাবলিক ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে পুনরায় লেজিসলেশন বা সত্যায়ন করার চলমান নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী একটি অভিন্ন নীতিমালা কেন জারি করা হবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন প্রতিটি মিশনকে একই নিয়মের আওতায় আনতে নির্দেশনা দেবে না এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বরের এসআরওগুলোর ইমপ্লিমেন্টেশন বা বাস্তবায়ন কেন নিশ্চিত করা হবে না।

একইসঙ্গে দূতাবাসগুলোর ওয়েবসাইট, ম্যানুয়াল এবং পাবলিক নোটিশগুলো হালনাগাদ করে সঠিক তথ্য প্রচারের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী, কোনো নথি একবার অ্যাপোস্টিল করা হলে তা ওই কনভেনশনভুক্ত দেশগুলোতে পুনরায় সত্যায়ন ছাড়াই গ্রহণযোগ্য হওয়ার কথা। বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার পদক্ষেপ নিলেও মাঠ পর্যায়ে বিশেষ করে বিদেশের মিশনগুলোতে এর সুফল মিলছে না- এমন অভিযোগে রিটটি করা হয়েছিল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ