খুঁজুন
                               
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১৫ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

এসএসসির খাতা মূল্যায়নে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
এসএসসির খাতা মূল্যায়নে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে সম্পূর্ণ নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের পাশাপাশি খাতা মূল্যায়নেও যথাযথ নিয়ম অনুসরণের ওপর জোর দেন তিনি। কোনো পরীক্ষক মূল্যায়নে অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ড এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় নকল বন্ধ করা যেমন জরুরি, তেমনি খাতা মূল্যায়নেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। খাতা মূল্যায়নে নির্ধারিত নিয়ম মানা না হলে তা শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে পরীক্ষকদের দায়িত্বশীল হতে হবে। কোনো ধরনের গাফিলতি বা পক্ষপাতিত্ব বরদাশত করা হবে না।

সভায় তিনি নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন নিজ যোগ্যতায় উত্তীর্ণ হতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক হতে হবে। পরীক্ষাকেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় কঠোরতা বজায় রাখতে হবে এবং প্রতিটি ধাপে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার কাজ করছে এবং এ ক্ষেত্রে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

কালের আলো/এসএকে

শেষ মুর্হূতের গোলে প্রথম দল হিসেবে সেরা ষোলোতে কানাডা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৩:০৮ পূর্বাহ্ণ
শেষ মুর্হূতের গোলে প্রথম দল হিসেবে সেরা ষোলোতে কানাডা

নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দল। গোলশূন্যতে শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা। এরপর চলছিল যোগ করা মিনিটের খেলা। আর তখনই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেয়ে যায় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডা। আর সেই গোলের লিড ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানে জিতে নেয় তারা।

এই জয়ের মাধ্যমে প্রথম দল হিসেবে এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার সেরা ষোলোতে জায়গা করে নিল কানাডা।

কালের আলো/এসএকে

ইতালিতে ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ইতালিতে ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের ওই তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আরেক বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ।

নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির বড় ছেলে আমির। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ইতালীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ৪৩ বছর বয়সী শাহাদাত হোসেন কয়েক মাস আগে যুক্তরাজ্য থেকে রোমে যান। তদন্তকারীদের ধারণা, তিনি আরজু বেগমের প্রতি একতরফাভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন। তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরই এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে শাহাদাত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘কেউ একা মারা যায় না। সবসময় তার সঙ্গে আরেকজনও মারা যায়। মৃত্যু এলে নিজের প্রিয়জনদেরও সঙ্গে নিয়ে যাওয়া উচিত, যাতে কাউকে প্রিয়জন হারানোর কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকতে না হয়।’

তদন্তকারীরা পোস্টটিকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শনিবার রাত ৯টার কিছু পরে শাহাদাত একটি ধারালো দা (ম্যাশেটি) নিয়ে ওই পরিবারের বাসায় প্রবেশ করেন। প্রথমে তিনি আরজু বেগম ও তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়াকে কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে আরজু বেগমের স্বামী কামাল উদ্দিনকেও হত্যা করেন।

হত্যার পর তিনজনের মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে পুলিশের ধারণা। এদিকে হত্যাকাণ্ডের সময় বাসায় এসে বাবা-মা ও বোনকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির। তবে হামলাকারীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হন।

বর্তমানে রোমের জেমেলি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আমির। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি বারবার বলছিলেন, ‘সে আমার মাকে হত্যা করেছে, আমার পুরো পরিবারকে শেষ করে দিয়েছে।’

পুলিশকে তিনি হামলাকারীর নামও জানান এবং বলেন, ‘এটা শাহাদাতই করেছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা আগোস্তিনো জানান, সেদিন রাতে তিনি টেলিভিশনে নরওয়ে ও ফ্রান্সের ফুটবল ম্যাচ দেখছিলেন। হঠাৎ চিৎকার শুনে বাইরে বের হয়ে দেখেন, আমির রাস্তায় পড়ে আছেন এবং তার ওপর একজন ব্যক্তি হামলা চালাচ্ছে। পরে ওই ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই শাহাদাত হোসেন পলাতক। তাকে ধরতে কাসালোত্তি এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে ইতালির পুলিশ। পাশাপাশি দেশজুড়ে তার সন্ধানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

শনিবার বিকেলে বোলোনিয়া রেলস্টেশন থেকে তার সম্ভাব্য অবস্থানের খবর পাওয়া গেলেও সেটি শেষ পর্যন্ত সঠিক প্রমাণিত হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে শাহাদাতের ফেলে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেটির তথ্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি নিহত পরিবারের স্বজন, প্রতিবেশী ও পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের দাবি, নিহত তিন বাংলাদেশি ও অভিযুক্ত শাহাদাত— উভয়ের বাড়িই বাংলাদেশের নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। তারা একই এলাকার বাসিন্দা। কামাল উদ্দিন ২০০৯ সালে স্ত্রীকে নিয়ে ইতালিতে যান। আর প্রায় ছয় মাস আগে শাহাদাত স্ত্রীকে নিয়ে লন্ডন থেকে রোমে চলে আসেন।

স্থানীয়দের দাবি, শাহাদাত দীর্ঘদিন ধরেই আরজু বেগমের প্রতি অস্বাভাবিকভাবে আসক্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে কোনও সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন থাকলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য দেয়নি।

রোমের প্রসিকিউটর অফিস এ ঘটনায় হত্যা ও গুরুতর আহত করার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। তদন্তকারীরা বলছেন, শাহাদাতকে দ্রুত গ্রেপ্তার করাই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। এরপর হত্যার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও ঘটনার পেছনের সব কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করা হবে।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, আরজু বেগমকে নিজের একচ্ছত্র অধিকার হিসেবে দেখতেন শাহাদাত। সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়ায় তিনি শুধু আরজু বেগমকেই নয়, তার স্বামী ও শিশুকন্যাকেও নির্মমভাবে হত্যা করেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

খুলনায় চাঁদা না দেওয়ায় ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ীকে গুলি

খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় চাঁদা না দেওয়ায় ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ীকে গুলি

খুলনা নগরীতে দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় রফিকুল ইসলাম মানিক (৪০) নামে এক ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ীকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই পাঠানো হয়েছে ঢাকায়।

রবিবার রাত ১০টার দিকে নগরীর গল্লামারী এলাকার আইডিয়াল নার্সিং হোম ক্লিনিকের সামনে ঘটে এ ঘটনা।

আহত রফিকুল ইসলাম মানিক নগরীর এম এ বারী সড়ক এলাকার রুস্তম মাঝির ছেলে। তিনি গল্লামারী এলাকায় ভাঙ্গাড়ির ব্যবসা করেন।

স্থানীয়রা জানায়, ঘটনার সময় মানিক তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করছিলেন। এর আগে সায়েল নামে পরিচিত এক ব্যক্তি তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত অর্থ না দেওয়ায় তাকে গুলি করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে এবং জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি