খুঁজুন
                               
, ,
           

আবু সাইদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর আসামিদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
আবু সাইদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর আসামিদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এজলাসে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। কিন্তু, রায় ঘোষণার পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় দায়িত্বরত পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে লিপ্ত হন উপস্থিত আসামিরা।

এ সময় তারা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

জুলাই অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক আলোচিত এ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। এদের মধ্যে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন চাকরিচ্যুত এএসআই আমির হোসেন ও চাকরিচ্যুত কনস্টেবল সুজন। এছাড়া, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, সাবেক এডিসি মারুফ হোসেনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড, সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামানের ১০ বছরের, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নুর আলমকে ৫ বছরের, ছাত্রলীগের পদধারী ৬ জনকে ৩ বছরের, সাবেক প্রক্টর শরীফুল ইসলামকে ৫ বছরের, বেরোবির গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান ও লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে রিপোর্ট পাল্টে দেওয়ার অভিযোগে ডা. সরোয়াত হোসেনকে ৫ বছরের কারদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তবে, মামলার ৩০ আসামির মধ্যে মাত্র ছয়জন গ্রেপ্তার আছেন। তারা হলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের চাকরিচ্যুত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, চাকরিচ্যুত কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। এদের সবাইকেই বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা হয়েছে।

মামলার বাকি ২৪ আসামি পলাতক আছেন। পলাতক আসামির মধ্যে রয়েছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো.মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার মো.হাফিজুর রহমান, সাবেক সেকশন অফিসার মো.মনিরুজ্জামান পলাশ, বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল, সাবেক এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন, সাবেক নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া এবং সাবেক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো.মাহাবুবার রহমান।

রংপুর মহানগর পুলিশের (আরপিএমপি) সাবেক কমিশনার মো.মনিরুজ্জামান, আরপিএমপির সাবেক উপকমিশনার মো.আবু মারুফ হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো.শাহ নূর আলম পাটোয়ারী, সাবেক সহকারী কমিশনার মো.আরিফুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রবিউল ইসলাম ও সাবেক এসআই (নিরস্ত্র) বিভূতিভূষণ রায়ও পলাতক রয়েছেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি চিকিৎসক মো.সরোয়ার হোসেনও (চন্দন) পলাতক। এছাড়া, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া, বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ সম্পাদক মো.মাহাফুজুর রহমান, সহসভাপতি মো.ফজলে রাব্বি, সহসভাপতি মো.আখতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেজান আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার, দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.মাসুদুল হাসান এ মামলার পলাতক আসামি।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনাটিতে আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায় এবং সারা দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় গত বছরের ২৪ জুন ৩০ জনকে আসামি করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। পরে ৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন এ মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষ হয় গত ২৭ জানুয়ারি।

কালের আলো/এসএকে

আরো দুই মামলায় জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
আরো দুই মামলায় জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে আরো দুই মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। তিনি জানান, খিলগাঁও থানা এবং মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় রুল যথাযথ রেখে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জামিন দিয়েছেন।

এর আগে তিনটি মামলায় হাইকোর্ট তাকে জামিন দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ স্থগিত চেয়ে আবেদন করায় তা শুনানির অপেক্ষায় আছে।

এ ছাড়া বিচারিক আদালতে তার বিরুদ্ধে আরো দুটি মামলা রয়েছে।

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাবেক স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় এবং হবিগঞ্জে বেশ কয়েকটি মামলা হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

নৌপথে বাণিজ্য বাড়াতে খালগুলোর আন্তঃসংযোগ অপরিহার্য: পানি সম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ
নৌপথে বাণিজ্য বাড়াতে খালগুলোর আন্তঃসংযোগ অপরিহার্য: পানি সম্পদমন্ত্রী

রাজধানীর চারপাশের খালগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের রক্তনালীর মতো হলেও দখল ও দূষণের কারণে এগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তবে এ কর্মসূচির সুফল পেতে সারাদেশের খালগুলোর মধ্যকার আন্তঃসংযোগ একান্ত অপরিহার্য।

বুধবার (২৯ জুলাই) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের বৃত্তাকার নৌপথের পুনরুজ্জীবন এবং অভ্যন্তরীণ নৌবাণিজ্য সম্প্রসারণে খাল খনন কর্মসূচির ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি একথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধুমাত্র খাল খননই করছে না, পরবর্তীতে তা সংরক্ষণের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে কমিটি গঠন করেছে।

এছাড়া পরিবেশ সুরক্ষায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

খাল ও নদী খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শিল্প বর্জ্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, শিল্পের বর্জ্য যেন নদীতে না পড়ে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

বিশেষ করে ছোট শিল্প-কারখানায় যেন স্বল্প খরচে ইটিপি স্থাপন করা যায়, সে বিষয়ে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ। তিনি বলেন, নদীপথ পিছিয়ে পড়ার কারণে দেশের ৭৭ শতাংশ পণ্য পরিবহন বর্তমানে সড়কপথের ওপর নির্ভরশীল, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। বর্তমান সরকারের দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্যোগ অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নদীভিত্তিক গ্রামীণ অর্থনীতির পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে, যা সামষ্টিক অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনবে।

তিনি আরও জানান, সড়কপথের তুলনায় নৌপথে পণ্য পরিবহন ব্যয় ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ কম এবং এটি ৪ থেকে ৬ গুণ জ্বালানি সাশ্রয় করে। ফলে ব্যবসায় পরিচালন ব্যয় বহুলাংশে হ্রাস পাবে।

রাজধানীর চারপাশের ৪টি নদীর ১১২ কিলোমিটার নৌপথকে সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থার আদলে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা চেম্বার সভাপতি বলেন, এর মাধ্যমে ঢাকার যানজট নিরসন ও নদীভিত্তিক পর্যটন গড়ে তোলা সম্ভব।

নদীভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সুবিধা কাজে লাগাতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ, সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং এই খাতের বিনিয়োগে বেসরকারি খাতকে সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, নদীতে পানির নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ নিশ্চিত করতে নিচু কালভার্ট বা সেতু নির্মাণ বন্ধ করতে হবে এবং খাল খননের ক্ষেত্রে পানির প্রবাহ কোন দিকে যাচ্ছে তা বিবেচনা করা প্রয়োজন।

প্রায় ১৫টি সরকারি সংস্থা নদীর সঙ্গে জড়িত থাকলেও এককভাবে কেউ দায়িত্ব নিচ্ছে না। এমতাবস্থায় একটি একক অভিভাবক প্রতিষ্ঠান নিশ্চিতের পাশাপাশি জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের কার্যকর ব্যবহারের ওপর তিনি জোর দেন।

কাজী গোলাম নাসির বলেন, নদীর পানিকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে তা রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি সরকারের সব সংস্থার দায়বদ্ধতা নিশ্চিতের আহ্বান জানান।

বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ হোসেন বলেন, নদীপথের উন্নয়নে প্রকল্প থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। তাই সংস্থাগুলোর কাজের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া জরুরি।

এছাড়া আলোচনায় নদী ও পলি জমে নাব্যতা হারানোর চিত্র তুলে ধরে মো. তানিম সারওয়ার সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেন।

অন্যদিকে মো. মোতালেব হোসেন সরকার নদী ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর কমিশন গঠন এবং পিপিপি মডেলের আওতায় বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রস্তাব জানান। নদী ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত নজরদারির অভাব দূর করার ওপর তাগিদ দেন মো. আলমগীর।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

সিলেটে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

সিলেট প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ
সিলেটে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

সিলেটের পাঁচ উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ও পদযাত্রা ঘিরে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ও শুক্রবার (৩১ জুলাই) জেলার ওসমানীনগর, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জে পদযাত্রা করবে দলটি। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় কানাইঘাট ও সন্ধ্যা ৭টায় ওসমানীনগরে পদযাত্রা ও সমাবেশ করবে। শুক্রবার বিকেল ৩টায় কোম্পানীগঞ্জ, ৫টায় গোয়াইনঘাট ও সন্ধ্যা ৭টায় জৈন্তাপুরে পদযাত্রা শেষে সমাবেশ হবে। এই সমাবেশ ও পদযাত্রা ঘিরে সিলেটে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জাকির হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, সিলেটের পাঁচ উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা উপলক্ষে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫টি উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন করতে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

চিঠির প্রেক্ষিতে বুধবার (২৯ জুলাই) সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের জন্য বিজিবি চাওয়া হয়েছে।

সিলেটের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সম্রাট তালুকদার বলেন, এনসিপি নেতারা সিলেটের ৫টি উপজেলায় এনসিপি নেতারা পদযাত্রা করবেন। শৃঙ্খলার স্বার্থে পোশাকে-সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সেই সঙ্গে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন চেয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি বলেন, কয়েকটি স্থানে সূর্যাস্তের পর কর্মসূচি হবে। এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবেলায় পাঁচটি উপজেলায় পোশাকে-সাদা পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন থাকবে।

এনসিপি সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাড. আব্দুর রহমান আফজল বলেন, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার জেলার ৫টি উপজেলায় জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জেলার গোলাপগঞ্জে শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন। বেলা ৩টায় কানাইঘাট উপজেলা ও সন্ধ্যা ৭টায় ওসমানীনগর উপজেলায় জুলাই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলায় পর্যায়ক্রমে বিকেল ৩টা, ৫টা ও সন্ধ্যা ৭টায় জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ