খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

আবু সাইদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর আসামিদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
আবু সাইদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর আসামিদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এজলাসে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। কিন্তু, রায় ঘোষণার পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় দায়িত্বরত পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে লিপ্ত হন উপস্থিত আসামিরা।

এ সময় তারা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

জুলাই অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক আলোচিত এ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। এদের মধ্যে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন চাকরিচ্যুত এএসআই আমির হোসেন ও চাকরিচ্যুত কনস্টেবল সুজন। এছাড়া, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, সাবেক এডিসি মারুফ হোসেনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড, সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামানের ১০ বছরের, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নুর আলমকে ৫ বছরের, ছাত্রলীগের পদধারী ৬ জনকে ৩ বছরের, সাবেক প্রক্টর শরীফুল ইসলামকে ৫ বছরের, বেরোবির গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান ও লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে রিপোর্ট পাল্টে দেওয়ার অভিযোগে ডা. সরোয়াত হোসেনকে ৫ বছরের কারদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তবে, মামলার ৩০ আসামির মধ্যে মাত্র ছয়জন গ্রেপ্তার আছেন। তারা হলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের চাকরিচ্যুত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, চাকরিচ্যুত কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। এদের সবাইকেই বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা হয়েছে।

মামলার বাকি ২৪ আসামি পলাতক আছেন। পলাতক আসামির মধ্যে রয়েছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো.মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার মো.হাফিজুর রহমান, সাবেক সেকশন অফিসার মো.মনিরুজ্জামান পলাশ, বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল, সাবেক এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন, সাবেক নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া এবং সাবেক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো.মাহাবুবার রহমান।

রংপুর মহানগর পুলিশের (আরপিএমপি) সাবেক কমিশনার মো.মনিরুজ্জামান, আরপিএমপির সাবেক উপকমিশনার মো.আবু মারুফ হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো.শাহ নূর আলম পাটোয়ারী, সাবেক সহকারী কমিশনার মো.আরিফুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রবিউল ইসলাম ও সাবেক এসআই (নিরস্ত্র) বিভূতিভূষণ রায়ও পলাতক রয়েছেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি চিকিৎসক মো.সরোয়ার হোসেনও (চন্দন) পলাতক। এছাড়া, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া, বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ সম্পাদক মো.মাহাফুজুর রহমান, সহসভাপতি মো.ফজলে রাব্বি, সহসভাপতি মো.আখতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেজান আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার, দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.মাসুদুল হাসান এ মামলার পলাতক আসামি।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনাটিতে আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায় এবং সারা দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় গত বছরের ২৪ জুন ৩০ জনকে আসামি করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। পরে ৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন এ মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষ হয় গত ২৭ জানুয়ারি।

কালের আলো/এসএকে

সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে  রোববার (২১ জুন) সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

এর আগে শনিবার (২০ জুন) ওয়াশিংটন থেকে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হন তিনি।

রোববার সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি অবকাশকেন্দ্র বুর্গেনস্টকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সুইজারল্যান্ডে পৌঁছানোর আগে জেডি ভ্যান্স জানান, মার্কিন বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ ইতিমধ্যে সেখানে অবস্থান করছেন এবং আলোচনার বিভিন্ন কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ওয়াশিংটন ও তেহরান বর্তমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

এরই মধ্যে আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন ইরানি প্রতিনিধিরাও। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, মূল আলোচনার আগে শনিবারই ইরানের উচ্চপর্যায়ের আলোচক দল জুরিখে পৌঁছেছে। এছাড়া কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই শীর্ষ আলোচনায় অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কাতারও অন্যতম মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে এই টেবিলে অংশ নেবে। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্জিত সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে ইসলামাবাদ তার সর্বাত্মক সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

এদিকে এই শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়া একজন শীর্ষ কূটনীতিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, সুইজারল্যান্ডের শান্তি আলোচনার প্রথম দিনের মূল এজেন্ডায় ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত নিয়ে একটি বিশেষ জরুরি অধিবেশন যুক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসার পর এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম প্রধান আলোচ্য বিষয়। তবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ত্রিদেশীয় মধ্যস্থতা আলোচনায় সরাসরি অংশ নিচ্ছে না ইসরায়েল, হিজবুল্লাহ এবং লেবানন সরকারের কোনো প্রতিনিধি।

কালের আলো/এসএকে

ওসিকে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া সেই এডিসিকে প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
ওসিকে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া সেই এডিসিকে প্রত্যাহার

‎সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেওয়া নাগরিকদের তথ্য ফাঁস করলে পুলিশ সদস্যদের (ওসি-এসআই) ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার দায়িত্ব হস্তান্তর করে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে রিপোর্টের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।‎

‎শনিবার (২০ জুন) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।‎ ‎চিঠিতে বলা হয়, আপনি বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করে আগামী ২১ জুন পুলিশ হেডকোয়ার্টারে রিপোর্ট করবেন।

‎‎এর আগে, স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল হাসান খানের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

২৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘দারোগা বা ইন্সপেক্টরকে বলার পর কোনো ইনফরমেশন যদি পাস হয়, আমি মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি আমি ইন্সপেক্টরকে ঝুলায় দেব, আপনারা পিটায় মারবেন। আপনারা গোপন তথ্য দিবেন, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানলে আমি কথা দিচ্ছি, গাছের সঙ্গে ঝুলাইয়া পিটাবো।’

‎তার সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ‎

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সুইজারল্যান্ডের পথে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
সুইজারল্যান্ডের পথে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির।

রোববার (২১ জুন) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। তারা বলেছে, কাতারও এ আলোচনায় অংশ নেবে বলে তাদের প্রত্যাশা। খবর আলজাজিরা ও দ্যা ডনের।

বিবৃতিতে পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লিখেছে, ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে সমঝোতাগুলো হয়েছে, পাকিস্তান সেগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে সমর্থন ও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অব্যাহত রাখবে।

সুইজারল্যান্ডের এ আলোচনায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সও গিয়ে পৌছেছেন।

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।

লেবাননে ইসরায়েলের হামলাকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের স্বাক্ষরিত চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে হরমুজ বন্ধ করেছে ইরান। শনিবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে খাতাম-আল আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স বলেছে, সব ধরনের নৌযান চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। শত্রুর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই প্রথম এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

যদি এই আগ্রাসন অব্যাহত থাকে, তাহলে শত্রুকে তার বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে বাধ্য করতে পরবর্তী পদক্ষেপ পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ