খুঁজুন
                               
, ,
           

সিলেটে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

সিলেট প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ
সিলেটে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

সিলেটের পাঁচ উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ও পদযাত্রা ঘিরে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ও শুক্রবার (৩১ জুলাই) জেলার ওসমানীনগর, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জে পদযাত্রা করবে দলটি। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় কানাইঘাট ও সন্ধ্যা ৭টায় ওসমানীনগরে পদযাত্রা ও সমাবেশ করবে। শুক্রবার বিকেল ৩টায় কোম্পানীগঞ্জ, ৫টায় গোয়াইনঘাট ও সন্ধ্যা ৭টায় জৈন্তাপুরে পদযাত্রা শেষে সমাবেশ হবে। এই সমাবেশ ও পদযাত্রা ঘিরে সিলেটে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জাকির হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, সিলেটের পাঁচ উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা উপলক্ষে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫টি উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন করতে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

চিঠির প্রেক্ষিতে বুধবার (২৯ জুলাই) সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের জন্য বিজিবি চাওয়া হয়েছে।

সিলেটের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সম্রাট তালুকদার বলেন, এনসিপি নেতারা সিলেটের ৫টি উপজেলায় এনসিপি নেতারা পদযাত্রা করবেন। শৃঙ্খলার স্বার্থে পোশাকে-সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সেই সঙ্গে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন চেয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি বলেন, কয়েকটি স্থানে সূর্যাস্তের পর কর্মসূচি হবে। এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবেলায় পাঁচটি উপজেলায় পোশাকে-সাদা পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন থাকবে।

এনসিপি সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাড. আব্দুর রহমান আফজল বলেন, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার জেলার ৫টি উপজেলায় জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জেলার গোলাপগঞ্জে শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন। বেলা ৩টায় কানাইঘাট উপজেলা ও সন্ধ্যা ৭টায় ওসমানীনগর উপজেলায় জুলাই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলায় পর্যায়ক্রমে বিকেল ৩টা, ৫টা ও সন্ধ্যা ৭টায় জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অস্থিরতা সবজির বাজার,  কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
অস্থিরতা সবজির বাজার,  কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা

সপ্তাহ ব্যবধানে রাজধানীর কাঁচাবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের সবজি।

তবে সবচেয়ে বেশি অস্থিরতা দেখা দিয়েছে কাঁচামরিচের বাজারে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, যা কেজি হিসাবে দাঁড়ায় ৪০০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও এই কাঁচামরিচ মরিচ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল।

শুধু কাঁচামরিচই নয়, অন্যান্য সবজির দামও কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এসব বাজারে বেগুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৮০ টাকায়, টমেটো কেজিপ্রতি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১৪০ টাকা।

পটল, ঢ্যাঁড়শ, কাকরোল ও ঝিঙা মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। পেঁপে ৪০ টাকা এবং আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ২২০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০/৫০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস এবং কেপসিকাম ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে সোনালি মুরগি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

লাল শাক আঁটিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ৩২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায়, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়,

পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২০০ টাকায়, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৪০০ টাকায় এবং পাঁচমিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, হাঁসের ডিম এক ডজন ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টি ও কিছু নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার কারণে মরিচ ও সবজির ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে মাঠপর্যায়ে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মিরপুরের সবজি বিক্রেতা দেলোয়ার জানান, আড়তগুলোতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে, এ কারণে সবকিছুর দাম বেড়েছে।

বেসরকারি চাকরিজীবী আতিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজারে এসে হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। ১০০ টাকার নিচে মানসম্মত কোনো সবজি নেই। আর কাঁচামরিচ তো এখন বিলাসিতার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৫০ টাকার নিচে মরিচ কেনাই যাচ্ছে না।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্ষা মৌসুমে সবজির দাম কিছুটা বাড়া স্বাভাবিক হলেও কাঁচামরিচ ৪০০ টাকায় ওঠা স্বাভাবিক নয়। অসাধু সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকট রোধে এখনই জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বাজার তদারকি টিমগুলোর মাঠে নামা জরুরি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১:০৬ অপরাহ্ণ
নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, হামলা, ভাঙচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রুকন মামলার আবেদন করেন। পরে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে হবিগঞ্জ পৌরসভার কোর্ট মসজিদ এলাকার সামনে এনসিপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়।

বাদীর দাবি, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ রিপন শীলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শোকসভায় অংশ নিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মাহবুবুল বারী চৌধুরীসহ ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল তাদের ওপর হামলা চালায়।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, হামলায় জেলা ছাত্রদলের নেতা মাহফুজ চৌধুরী, মোজাক্কির হোসেন ইমনসহ কয়েকজন আহত হন। তাদের লোহার রড, রামদা, ফিকল ও ইটসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, সংঘর্ষের সময় বাদীর আইফোন-১৩, মোজাক্কির হোসেন ইমনের আইফোন-১১, মাহফুজ চৌধুরীর আইফোন-১৪, মাহমুদুল হাসান গাজীর স্যামসাং এস-২২, রক্সি ইসলামের কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা এবং শিমুল হাসানের আইফোন-১৫ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা সরে যায়। আহতদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার নামীয় আসামিরা হলেন— এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, হবিগঞ্জ জেলা জাতীয় শক্তির আহ্বায়ক নুর আলম চৌধুরী, জেলা কমিটির সদস্য ফখরুল জাকির, আ. হাই কামাল, রুহাম গাজী, সদস্যসচিব মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিন, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাহিদ উদ্দিন তারেক, জেলা আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং জেলা কমিটির সদস্য ওয়াদুদ মাহমুদ চৌধুরী।

অন্যদিকে, একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এর আগেই এনসিপির পক্ষ থেকেও ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছিল। দলটির দাবি, ২৮ জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার পথে ছাত্রদলের হামলায় সারজিস আলমসহ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের অভিযোগ, ওই হামলায় এনসিপির এক কর্মী একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান। পাশাপাশি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

এনসিপির ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম নিরাপত্তার জন্য থানার পাশের সোনালী ব্যাংক ভবনে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায় এবং রাতে পুলিশি নিরাপত্তায় মৌলভীবাজারে পৌঁছে দেয়।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল হক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এদিকে, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহবুব আহমেদও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও মামলাগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

কালের আলো/এসএকে

নতুন দায়িত্বে ৩ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
নতুন দায়িত্বে ৩ মন্ত্রী

রাজধানীর ইমারত নির্মাণ ও নগর উন্নয়ন সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন-বিধিমালা যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে ৩ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। গতকাল বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটিবিষয়ক অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা মহানগরে ইমারত বিধিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আইনি কাঠামো আরো শক্তিশালী করতে The Building Construction Act, 1952 Ges The Town Improvement Act, 1953 পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিমার্জন ও সুপারিশ প্রণয়নের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটি বিদ্যমান দুটি আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনের সুপারিশ করবে, যাতে ঢাকা মহানগরের ইমারত বিধিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

এ ছাড়া প্রয়োজন হলে কমিটি নতুন সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা অনুষ্ঠিত হবে। কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালার সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি