খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সরকার সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী অভয় পাওয়ার কথা বললেন নোয়াব সভাপতি

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
সরকার সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী অভয় পাওয়ার কথা বললেন নোয়াব সভাপতি

সরকার সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশন দেখেন— পত্রিকা ও গণমাধ্যমে খবরকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেন বলেও জানান তিনি। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসনের সভাকক্ষে নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সদস্যদের বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ। নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে এমন বৈঠকে নির্দিষ্ট সময় পরপর করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের অবস্থান পরিষ্কার। সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা ও মানুষের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।’ প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের প্রতিনিধিরা সংবাদপত্র শিল্পের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য অধীর আগ্রহের সঙ্গে শোনেন। প্রেস সচিব বলেন, ‘বৈঠকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা স্পষ্টভাবে বলেছেন। মুক্ত ও স্বাধীন সংবাদপত্রকে সরকার এনকারেজ করেন সেটা প্রধানমন্ত্রী নোয়াব সদস্যদের জানিয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে জানান, তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশন দেখেন। পত্রিকা ও গণমাধ্যমে খবরকে গুরুত্ব দেন। প্রকাশিত খবরের কোনও সমস্যার কথা উঠলে তিনি তার খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

বৈঠকের শুরুতে নোয়াবের সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। তিনি এই সংবাদপত্র শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা, বিগত সরকারগুলোর আমলে বিপুল সরকারি বিজ্ঞাপনের বিল বকেয়া থাকার বিষয়টি তুলে ধরে তার সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। নোয়াব সদস্যরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয় এবং প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। সরকারের আমলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেফতারকৃত সাংবাদিকদের জামিনের মুক্তি দিতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন নোয়াব সদস্যরা।

বৈঠকে নোয়াবের সহ-সভাপতি এএসএম শহীদুল্লাহ খান, কোষাধ্যক্ষ আলতামাশ কবির, সদস্য এ কে আজাদ, দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক, পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. রমীজউদ্দিন চৌধুরী এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রকাশক নাসিম মনজুর উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

অভয় পাওয়ার কথা বলেছেন নোয়াবের সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অভয় পাওয়ার কথা বলেছেন মুদ্রিত সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের সভাপতি দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি ‘হোস্টাইল’ হতে চান না। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মতিউর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সব থেকে বড় জিনিসটা হচ্ছে যে তাকে (প্রধানমন্ত্রী) আমরা বলেছি যে আপনি উদার গণতন্ত্রের পথে হাঁটছেন। এটা বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক। সংবাদপত্র হিসেবে আমরা, গণমাধ্যম হিসেবে আমরা এ ব্যাপারে ওনাদের সমর্থন দেব এই উদার গণতন্ত্রের পথে যদি হাঁটেন। প্রেস ফ্রিডমের কথা আমরা বলেছি, প্রেস ফ্রিডমে তিনি বলছেন যে আমি কাউকেই ‘হোস্টাইল’ করতে চাই না। এটা খুব ভালো কথা, কোনো রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এটা বলেন নাই।’ বৈঠকে কী আলোচনা হল? জবাবে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আপনারা জানেন সংবাদপত্র শিল্প এখন নানা চাপের মধ্যে আছে। অর্থনৈতিক চাপ সবথেকে বেশি।

সংবাদপত্র শিল্প টিকে থাকবে কি থাকবে না এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি শুনেছেন। ‘আমরা এটাও বলেছি যে আপনি তো এই শিল্পেরই একজন মানুষ। আপনারা জানেন যে তিনি একটা পত্রিকার (দিনকাল) সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন এবং তিনি এটার সুখ-দুঃখ সম্পর্কেও জানেন। তিনি শুনেছেন, তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।’ মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) আমাদের যেসব দাবি-দাওয়া, সবের ব্যাপারে একমত হয়েছেন। সময়ের ব্যাপার, হয়ত উনি কিছুর ব্যাপারে ‘ইমপ্লিমেন্ট’ করার সময় হয়ত অনেক ক্ষেত্রে সময় লাগতে পারে সেটা বলেছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এটা উনাকে স্মরণ করিয়েছি যে আগের সরকারগুলো কী করেছে, তিনি এটা জানেন সবই। উনি বলেছেন যে আমরা সে পথে যাব না। আমাদের কাছে খুব ভালো লেগেছে, আমাদের ‘মিটিংটা’ খুবই ‘ইউজফুল’ হয়েছে এবং কার্যকর ‘মিটিং’ হয়েছে।’ বৈঠকে তাদের তরফে কী দাবি রাখা হয় প্রশ্ন করা হলে নোয়াব সভাপতি বলেন, ‘সাংবাদিকদের হয়রানি যেটা, যারা গ্রেপ্তারকৃত সাংবাদিক যারা, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা আছে, তারপরও তিনি শুনেছেন, তিনি বলছেন যে এই বিষয়টা আমরা আলোচনা করব। আমরা (সরকার) দেখব যে আসলে তারা বিনা কারণে তারা জেলে আছেন কি না বা তাদের জামিন দেওয়া যায় কি না। এই বিষয়টা তিনি (প্রধানমন্ত্রী) ভালোভাবে দেখবেন এবং এটা বলেছেন।’ প্রধানমন্ত্রী প্রতি তিনমাসে একবার অন্তত বসতে রাজি হয়েছেন বলে তিনি তুলে ধরেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি