খুঁজুন
                               
, ,
           

ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চলতে দেওয়া হবে না : নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চলতে দেওয়া হবে না : নাছির উদ্দীন

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেছেন, চট্টগ্রামসহ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে উল্টো দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিল পরবর্তী সভায় ছাত্রদল সেক্রেটারি এই মন্তব্য করেন।

এর আগে চট্টগ্রাম নগরের নিউমার্কেট মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। মিছিলটি পুরাতন রেলস্টেশন মাঠ থেকে শুরু হয়ে নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিউমার্কেট মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে নাছির উদ্দীন বলেন, ‘আমরা প্রকাশ্যে রাজনীতি করি, আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। কিন্তু প্রতিপক্ষ গোপনে হামলা চালিয়ে নিজেদের ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরতে চায়।’

মতপার্থক্য থাকলে তা আলোচনা ও যুক্তির মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো লেখা বা বক্তব্য পছন্দ না হলে পাল্টা বক্তব্য দেওয়া যেতে পারে। হামলার পথ বেছে নেওয়া স্বাভাবিক রাজনৈতিক চর্চার পরিপন্থী।

নাছির উদ্দীন দাবি করেন, চট্টগ্রাম সিটি কলেজের সাম্প্রতিক ঘটনায় তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহিংসতা বন্ধ করে স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব শরিফুল ইসলাম তুহিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন– চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ নোমান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবিউল আলম রবি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তকিবুল হাসান চৌধুরী তকী ও সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার হোসেন রুবেল প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রিজভী

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম এখনো অনেক কম বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ দাবি করেন। রিজভী বলেন, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবের মধ্যেও সরকার জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম। মূল্য সমন্বয় করার পরও সরকারকে জ্বালানি খাতে লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

রিজভী আরও বলেন, সরকার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তরিকভাবে কাজ করছে। জ্বালানি তেলের দাম কীভাবে কম রাখা যায় এবং সংকট কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

লংমার্চ নিয়ে বিরোধী দলকে হুঁশিয়ারি

বিরোধী দলের রাজধানীমুখী লংমার্চ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম কমানো বা জনগণের জন্য কম দামে জ্বালানি সরবরাহের উপায় নিয়ে আলোচনা না করে লংমার্চ থেকে সরকারের বিরুদ্ধে যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কাম্য নয়।

তিনি বলেন, এক দফার হুঁশিয়ারি দেওয়া হলে বিএনপি হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।

নাশকতার অভিযোগ বিএনপির

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন রিজভী।

তার দাবি, দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারের সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্যও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ানোর ঘোষণা

অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে রিজভী জানান, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের কর্মসূচি বাড়ানোর বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস সৃষ্টি কিংবা অস্থিতিশীলতা তৈরির যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো রাজপথে সক্রিয় থাকবে।

এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শিগগিরই মিছিল, সমাবেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

কালের আলো/এসএ

জামায়াতের লং মার্চ ঘিরে উত্তপ্ত ইসলামাবাদ, ২৪ স্কুলের নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
জামায়াতের লং মার্চ ঘিরে উত্তপ্ত ইসলামাবাদ, ২৪ স্কুলের নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের

জ্বালানি তেলের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর প্রত্যাহারের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর রাজধানীমুখী লং মার্চ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কয়েকটি সরকারি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।

একই সঙ্গে নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসলামাবাদের ২৪টি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এসব প্রতিষ্ঠানের ভবন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান ও অন্যান্য নিরাপত্তা কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় স্কুল কর্তৃপক্ষ আগেই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ছুটির বিষয়টি জানিয়ে দেয়। জি-৭ সেক্টর ও সিতারা মার্কেট এলাকার কয়েকটি স্কুল ভবনে পুলিশ সদস্যদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া এফ-৭/৩ সেক্টরের একটি সরকারি স্কুলেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যা থেকে ইসলামাবাদ প্রশাসন ২৪টি সরকারি স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইসলামাবাদ মডেল স্কুল, বালিকা বিদ্যালয়, মডেল কলেজ এবং ছেলেদের মডেল স্কুল রয়েছে।

রেড জোনে কনটেইনার, বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা

সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি ঠেকাতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইসলামাবাদের রেড জোন এলাকায় কনটেইনার বসিয়ে বিভিন্ন সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শহরের বিভিন্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার পথেও ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতেও বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে।

কর প্রত্যাহারের দাবিতে লং মার্চ

জ্বালানি তেলের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর পুরোপুরি প্রত্যাহারের দাবিতে এই রাজধানীমুখী কর্মসূচি শুরু করেছে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী।

দলটি রোববার করাচি থেকে ট্রেনযোগে ইসলামাবাদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। দলটির প্রধান হাফিজ নাঈমুর রহমান জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হলে আন্দোলনের পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে।

রাজধানীমুখী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীরা ইসলামাবাদে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ অবস্থায় সম্ভাব্য বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি ও সড়ক অবরোধের আশঙ্কায় আগাম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।

সামনে আরও কর্মসূচি

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচির পাশাপাশি আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) ইসলামাবাদমুখী কর্মসূচি রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজধানীতে রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও কঠোর থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্ভাব্য বিক্ষোভ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

আরব নিউজ জানিয়েছে, ইসলামাবাদে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রশাসন আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। রেড জোন সিল করার পাশাপাশি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একটি অংশ সাময়িকভাবে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহারের জন্য নেওয়ায় রাজধানীর স্বাভাবিক কার্যক্রমেও এর প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: আরব নিউজ, দ্য নিউজ ও ডন

কালের আলো/এসএ

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৩, মামলা ৪৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৩, মামলা ৪৭

রাজধানী ঢাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী।

ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি ও অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ১৮ জন, লালবাগ বিভাগে ২৮ জন, ওয়ারী বিভাগে ৫৩ জন, মতিঝিল বিভাগে ৩৬ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৮৬ জন, মিরপুর বিভাগে ৯৭ জন, গুলশান বিভাগে ৪২ জন, উত্তরা বিভাগে ৪১ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে দুজন রয়েছেন।

ককটেল ও মাদক উদ্ধার

ডিএমপির অভিযানে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৩৭৬ পিস ইয়াবা ও ৩৪০ গ্রাম গাঁজা। এ ছাড়া দুটি মোবাইল ফোন, দুটি মোটরসাইকেল এবং মাদক বিক্রির ৩ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি উদ্ধার করা আলামত ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উদ্ধার করা আলামতও পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: ডিএমপি

কালের আলো/এসএ