খুঁজুন
                               
, ,
           

এনসিপির জাতীয় কনভেনশন রোববার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
এনসিপির জাতীয় কনভেনশন রোববার

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আগামীকাল রোববার (৩ মে) জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার ও গণভোট বিষয়ক জাতীয় কনভেনশন আয়োজন করতে যাচ্ছে।

দলের সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে দিনব্যাপী চার পর্বে এ কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাজনীতিবিদ, অ্যাক্টিভিস্ট, বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজনরা অংশ নেবেন।

শনিবার (২ মে) রাজধানীর বাংলা মোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার বলেন, সরকার শুরু থেকেই শপথ ভঙ্গ করেছে এবং সংস্কার পরিষদে শপথ নেয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, তাঁদের দল সংস্কার বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বুঝেছি এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তাই চলমান অচলাবস্থা দূর করার জন্য তখন থেকেই সভা-সেমিনার ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।

এনসিপির চার পর্বের আয়োজনে যা থাকছে
সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত উদ্বোধনী সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এই সেশনে আসন গ্রহণ করবেন সংসদ সদস্য ও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখবেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির উপ-প্রধান সারোয়ার তুষার। প্যানেলিস্ট হিসেবে থাকবেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, সংসদ সদস্য ও দলের সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, সমাজবিজ্ঞানী মির্জা হাসান এবং বিআইবিএসের সাবেক মহাপরিচালক তৌফিক আহমদ চৌধুরী। কনভেনশনে মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রথম সেশনে “অর্থনৈতিক পুনর্গঠন: দুদক, এনবিআর, ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ও কর্মসংস্থান” বিষয়ে আলোচনা হবে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এতে সেশন চেয়ার থাকবেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। প্যানেলিস্ট হিসেবে থাকবেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম. মাসরুর রিয়াজ, বিডিজবস ডটকমের সিইও ফাহিম মাসরুর, ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ এবং এজ এএমসি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আসিফ খান। মডারেটর থাকবেন নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।

দ্বিতীয় সেশনে “জ্বালানি নিরাপত্তা : বর্তমান সংকট ও ভবিষ্যৎ করণীয়” শীর্ষক আলোচনা হবে সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। সেশন চেয়ার থাকবেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। এ সেশনে অংশ নেবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খান, ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ড. খান জহিরুল ইসলামসহ জ্বালানি ও অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা। মডারেটর থাকবেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ।

তৃতীয় সেশনে “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার: বর্তমান ঝুঁকি ও করণীয়” বিষয়ে আলোচনা হবে দুপুর ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এতে সেশন চেয়ার থাকবেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এ সেশনে অংশ নেবেন আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী সারা হোসেন, সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী, সাংবাদিক আশরাফ কায়সার, অ্যাক্টিভিস্ট জায়মা ইসলাম এবং গুম কমিশনের সাবেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিসসহ অনেকে। মডারেটর থাকবেন এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আলামিন।

সমাপনী সেশনে “গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে জুলাই সনদ, সংস্কার ও গণভোট” বিষয়ে আলোচনা হবে বিকেল ৪টা থেকে ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। সেশন চেয়ার থাকবেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ সেশনে অংশ নেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন এবং এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। মডারেটর থাকবেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৫

রংপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৫

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার পাশাপাশি জুডিশিয়াল কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা কয়েকজন নেতার ছবি প্রদর্শন করা হয়।

এ সময় ওই ছবিগুলোর কয়েকটি নিয়ে আপত্তি তোলে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

ছাত্রদলের নেতারা দাবি করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিতর্কিত ভূমিকা থাকা কয়েকজন ব্যক্তির ছবি প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।

তারা এসব ছবি অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানান।

অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।

তাদের বক্তব্য, প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত ছবি ও তথ্য তারা সরাবেন না। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা উত্তেজনায় রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

এ সময় ইট-পাটকেল ও চেয়ার নিক্ষেপের পাশাপাশি লাঠিসোঁটা দিয়েও একে অপরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হন। আহতদের মধ্যে উভয় সংগঠনের নেতাকর্মী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে রাত পর্যন্ত তাদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন। রাত ১২টা পর্যন্ত ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘একটি প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা কোনো ধরনের সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’

এ বিষয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং জড়িতদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ক্যাম্পাসে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে অপপ্রচার চালালে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে অপপ্রচার চালালে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের

সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোকে ‘বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা নাকচ করে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত প্রাপ্ত সব অভিযোগ এরই মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে যথাযথ প্রমাণ ছাড়াই ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানোর বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছিল, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং দেশের বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলো যৌথভাবে সেগুলো সমাধান করেছে।

তবে কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল বিষয়ক অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করলে সে বিষয়ে অবশ্যই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

একই সাথে বিভাগটি সতর্ক করে বলেছে, বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি প্রমাণ ছাড়াই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং বিচ্ছিন্নভাবে কিছু গ্রাহকের পক্ষ থেকে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে এই স্পষ্টীকরণ দিল বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কেন এমন জটিলতা তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তারা ইতিপূর্বে বেশ কিছু কারণ জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে: মিটারে না দেখে আনুমানিক রিডিং দেওয়া, মিটারের তথ্য সিস্টেমে আপডেট করতে বিলম্ব, বিলিং চক্রের সমন্বয় অথবা গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে বিল বেশি আসা।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলেছে, যাচাই না করে সামাজিক মাধ্যমে কোনো দাবি না তুলে প্রকৃত অভিযোগ থাকলে গ্রাহকদের উচিত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।

কালের আলো/এম/এএইচ

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন, জেন্ডার সমতা ও রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে জাতিসংঘের সংস্থা ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ইসলাম।

সোমবার (৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে ইউএন উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিংয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে গীতাঞ্জলি সিং বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার সমতা এগিয়ে নিতে ইউএন উইমেনের চলমান বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি ইউএন উইমেনের কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে শামা ওবায়েদ ইসলাম নারীর ক্ষমতায়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণসহ জনগণকেন্দ্রিক বিভিন্ন উদ্যোগ, যেমন ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড চালু করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

প্রতিমন্ত্রী নারীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল হয়রানি মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ‘গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম টু অ্যাড্রেস ডিজিটাল হ্যারাসমেন্ট অ্যাগেইনস্ট উইমেন’ উদ্যোগে ইউএন উইমেনের সমর্থন ও অংশীদারত্ব কামনা করেন।

পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের অসম প্রভাব থেকে নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় জাতিসংঘ সংস্থাটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। শামা ওবায়েদ বলেন, রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর আরও সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক সহায়তার অর্থায়নের ঘাটতি পূরণ এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নারী ও মেয়েদের ওপর সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া, বৈঠকে জাতিসংঘের নারীর মর্যাদাবিষয়ক কমিশনের (সিএসডাব্লিউ) ৭১তম অধিবেশন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রস্তুতি, নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ (সিডও) বাস্তবায়নে জাতীয় প্রতিবেদন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক পরবর্তী জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।

কালের আলো/এসএকে