হামের টিকার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত, বাদ পড়াদেরও টিকা দেওয়া হচ্ছে : জাহেদ উর রহমান
দেশজুড়ে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, এরপরও কোনো শিশু বাদ পড়ে থাকলে নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে গিয়ে এমআর টিকা নিতে পারবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচে ১ কোটি ৮০ লাখ এমআর টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিলো। তা অর্জিত হয়েছে। এরপরও কেউ বাদ পরে থাকলে এবং নির্ধারিত টিকা কেন্দ্রে গেলে তাদের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছে সরকার। সরকার এরইমধ্যে ৮৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইউনিসেফকে দিয়েছে, যার মাধ্যমে ১০ ধরনের প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে।
এ মাসে ৩ মে প্রথম চালানে ১৫ লাখের বেশি ডোজ আইপিভি ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছায় জানিয়ে তিনি বলেন, ৬ মে আরও ১৫ লাখ ডোজ এমআর এবং ৯ লাখ ডোজ টিডি ভ্যাকসিন এসেছে। এ মাসে ১০ মে পর্যন্ত সবমিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, টিসিভি, ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন (ওপিভি) এবং পেন্টা ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছাছে এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরো সরবরাহ সম্পন্ন হবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে টিসিভি ও এইচপিভি ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। নতুন সরবরাহের ফলে আগামী ৮ থেকে ১২ মাস ভ্যাকসিনের ঘাটতি হবে না। কোল্ড চেইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভ্যাকসিনের গুণগতমান নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে ইউনিসেফ কারিগরি সহায়তা করছে।
কালের আলো/এসএকে


আপনার মতামত লিখুন
Array