খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

পাঁচ স্তম্ভের উন্নয়ন কৌশলে এগোচ্ছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
পাঁচ স্তম্ভের উন্নয়ন কৌশলে এগোচ্ছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপি

রাষ্ট্র সংস্কার, বৈষম্যহীন উন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং সামাজিক সংহতিকে ভিত্তি করে পাঁচ স্তম্ভের উন্নয়ন কৌশলে সাজানো হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)। প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার এই উন্নয়ন পরিকল্পনাকে সরকার দেশের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও টেকসই উন্নয়ন যাত্রার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে তুলে ধরেছে। সরকার বলছে, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং প্রশাসনিক দক্ষতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলাই হবে নতুন এডিপির মূল লক্ষ্য।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপি অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। এতে সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের জন্য কৌশলগত আর্থিক পরিকল্পনার কাঠামোতেও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) অধীনে একটি উপদেষ্টা কমিটি এই কাঠামো প্রস্তুত করছে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত এডিপির মোট আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। চলমান অর্থবছরের তুলনায় এটি বড় আকারের উন্নয়ন কর্মসূচি, যা সরকারের বিনিয়োগ সক্ষমতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের ইঙ্গিত বহন করছে।

এডিপিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে ১ হাজার ২৭৭টি নতুন প্রকল্প সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় ৮০টি এবং বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় ১৪৮টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে জলবায়ু অভিযোজন, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতি সরকারের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বৃদ্ধি ও আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চলমান অর্থবছরে প্রকল্প ব্যয়ের বাস্তবায়ন হার বৃদ্ধি পাওয়াকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে সরকার। একই সঙ্গে জুন ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ করা সম্ভব এমন প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ প্রকল্পে নতুন ব্যয় সীমিত রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে, যাতে উন্নয়ন ব্যয় আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক হয়।

এডিপির আওতায় ১৫টি খাতের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত হিসেবে স্থান পেয়েছে। এছাড়া দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা খাতে ১৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সরকারের ঘোষিত ‘ফাইভ ইয়ার স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্ক ফর রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’র আলোকে পুরো এডিপিকে পাঁচটি প্রধান স্তম্ভে বিন্যস্ত করা হয়েছে।

রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার
এ বিচার ও আইনগত সেবা সম্প্রসারণ, প্রশাসনিক ডিজিটালাইজেশন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার আধুনিকীকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাল্টি-ইয়ার পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম চালুর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হবে বলে মনে করছে সরকার।

বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন
এ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কারিগরি শিক্ষা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বড় বরাদ্দের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার
এ জ্বালানি নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবহন অবকাঠামো, শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন
এ উত্তরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা, পার্বত্য অঞ্চল এবং বন্দরকেন্দ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম ও মোংলাকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা এবং উপকূলীয় সুরক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতি
এতে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা, সংস্কৃতির বিকাশ, যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার মনে করছে, উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি শক্তিশালী না হলে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব ইরানের

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। এ শর্তও পূর্বেরগুলোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এ তথ্য জানিয়েছে ইরানি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ।

বার্তাসংস্থাটি বলেছে, ইরান ১৪ দফার নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এই প্রস্তাবের প্রধান লক্ষ্য হলো যুদ্ধ বন্ধ করা ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বাস অর্জন করা।

এনিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যার শর্তগুলো আগের প্রস্তাবগুলোর মতোই। এর মধ্যে কিছু প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও কিছু বিষয়ে নমনীয় হয়েছে ওয়াশিংটন।

জানা যায়, বর্তমানে ইরানে অবস্থান করছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কোনো ঘোষণা না দিয়েই তিনি দেশটির রাজধানী তেহরানে যান। আজ তৃতীয় দিনের মতো তার সফরের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যেই ইরানের এই নতুন প্রস্তাবের খবর আসে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া জানিয়েছে, নতুন প্রস্তাবে দেখা গেছে ইরান শর্তসাপেক্ষে তাদের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় পাঠাতে রাজি।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হবে। তবে তেহরান বলে, সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে নয়, রাশিয়ার কাছে পাঠানো হবে। কিন্তু এতে থাকবে শর্ত।

এছাড়া ইরান প্রস্তাব দিয়েছে, তারা লম্বা একটি সময়ের জন্য তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম স্থগিত রাখবে। কিন্তু স্থায়ীভাবে কার্যক্রম বন্ধ করবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানকে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।

সংশোধিত প্রস্তাবে ইরান আরও বলেছে তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ নেবে না। এর বদলে তেহরানকে অর্থনৈতিক ছাড় দিতে হবে ওয়াশিংটনকে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ছাগল ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপচাঁচিয়ায় মাংস বিক্রেতাকে খুন

বগুড়া( দুপচাঁচিয়া)প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
ছাগল ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপচাঁচিয়ায় মাংস বিক্রেতাকে খুন

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় জমিতে ছাগল ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মানিক চৌধুরী (৫০) নামে এক মাংস বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১৮ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার গুনাহার ইউনিয়নের ঝাজিড়া বাঙালি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত মানিক চৌধুরী ঝাজিড়া গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে নিহতের ভাই বুলুন চৌধুরীর একটি ছাগল স্থানীয় যুবক কাকরুলের ঘাসের জমিতে প্রবেশ করে ঘাস খায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে রাতে মানিক চৌধুরী ঝাজিড়া বাঙালি বাজারে গেলে কাকরুল ও তার ভাতিজা রেজাউল তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা ধাতব বস্তু দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করলে গুরুতর আহত হন মানিক চৌধুরী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান বলেন, মরদেহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কালের আলো/এসআইপি

সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

বাংলাদেশের মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (আইসিটি) মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের এই যুগে স্যাটেলাইট, ড্রোন ও স্পেস টেকনোলজি শুধু বিলাসিতা নয়, বরং জাতীয় উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা খাতে অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত ‘স্যাটেলাইট, ড্রোনস অ্যান্ড ফিউচার স্পেস টেকনোলজি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্বাভাস, নদীভাঙন পর্যবেক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকার ইতোমধ্যে সাইক্লোন ও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দ্রুত জেলেদের কাছে পৌঁছে দিতে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

ড্রোন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড্রোন এখন শুধু ফটোগ্রাফি বা বিনোদনের যন্ত্র নয়; এটি সীমান্ত নিরাপত্তা, কৃষি ব্যবস্থাপনা, জরিপ কার্যক্রম ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকার ভবিষ্যতে লো আর্থ অরবিট ভিত্তিক নতুন স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যাতে আরও স্পষ্ট ও কার্যকর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে স্পেস ডাটা ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কি নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড(বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেমিনারের আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বাংলাদেশের মহাকাশ প্রযুক্তির সম্ভাবনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে তরুণ প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ