খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

তিস্তা ব্যারেজও করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
তিস্তা ব্যারেজও করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজও বর্তমান সরকার করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২০ মে) সকালে গাজীপুরে দেশের প্রথম, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই বড় বড় কথা বললেও তিস্তার পানির নায্য হিস্যায় একমাত্র বিএনপি আন্দোলন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি দেশে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। জনগণকে দেওয়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করছে বর্তমান সরকার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা নদীর ওপর নতুন পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করতে যাচ্ছে সরকার। মেগা এই প্রকল্পটি আগামী সাত বছরে নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীগুলোর আশপাশের ২৪টি জেলার পানিসংকট নিরসন হবে, যার ফলে প্রায় সাত কোটি মানুষ উপকৃত হবে।

কালের আলো/এসএকে

আমরা বাজেটকে যথাসম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছি: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
আমরা বাজেটকে যথাসম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছি: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা বাজেটকে যথাসম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছি। বাজেটের প্রতিটি বিষয়ই মূলত একেকটি প্রত্যক্ষ নীতির প্রতিফলন।

আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, বিভিন্ন নীতির মাধ্যমে দেশের সব নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সম্মেলন’ তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনের একটি প্লেনারি সেশনে অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, করনীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নীতিনির্ধারকদের করব্যবস্থাকে একটি কার্যকর প্রভাবক হিসেবে বিবেচনা করা। এজন্য এমন একটি দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ দল প্রয়োজন, যারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে করনীতি পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।

তিনি বলেন, আমরা একটি নতুন পথ তৈরি করেছি। যে সংস্থা নীতি ও করব্যবস্থা চূড়ান্ত করবে, তাদের সিদ্ধান্তে অবশ্যই জনগণের মতামতের প্রতিফলন থাকতে হবে। নীতির মূল অর্থই হলো—এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথমত একটি নীতিনির্ধারণী সংস্থার প্রয়োজন রয়েছে। সেখানে দায়িত্বের সুস্পষ্ট বিভাজন থাকবে। আপনি যদি সঠিকভাবে নীতি প্রণয়ন করতে পারেন, তাহলে বাস্তবায়নের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।

অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, আমরা বাজেটকে যতটা সম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছি। দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রয়োজন ও স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়েই নীতিগুলো প্রণয়ন করা হয়েছে। আমার বিশ্বাস, এর চেয়ে বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট হওয়া কঠিন।

তিনি বলেন, আমার এক বন্ধু মজা করে আমাকে কিছুটা বামপন্থী-ঘেঁষা নীতির অনুসারী বলেছিলেন, কারণ আমরা ব্যাপক কল্যাণমূলক কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যারা দীর্ঘদিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে বা অবহেলিত ছিলেন, তাদের মূলধারায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা সবসময় চেষ্টা করেছি কীভাবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে বাস্তবে রূপ দেওয়া যায়। এখানেই সৃজনশীল অর্থনীতির ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে দেশের সকল নাগরিককে অর্থনীতির মূল স্রোতে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, দেশের গ্রামীণ কারিগর, নাট্যশিল্পী, গায়ক, ডিজাইনার ও চিত্রশিল্পীদের মতো সৃজনশীল পেশাজীবীরা এতদিন অর্থনীতির মূলধারার বাইরে ছিলেন। তাদের পণ্য ও সৃজনশীল কাজের যথাযথ আর্থিক মূল্যায়নের সুযোগও ছিল না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই একজন গ্রামীণ কারিগর, যিনি মাটির পাত্র তৈরি করেন, কাপড় বোনেন কিংবা অন্য কোনো পণ্য উৎপাদন করেন, তিনি যেন সহজ শর্তে ঋণ পান, দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পান এবং পণ্যের নকশা ও ব্র্যান্ডিংয়ে সহায়তা পান। পাশাপাশি আমরা এমন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছি, যা অ্যামাজন বা ইবের মতো বৈশ্বিক বাজারে তাদের পণ্য পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, এবারের বাজেটেই সৃজনশীল অর্থনীতির বিষয়টি কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আমরা ছোট পরিসরে শুরু করেছি, তবে ভবিষ্যতে ঐতিহ্যবাহী শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল সম্পদও এর আওতায় আসবে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য যারা চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন, তারাও এই উদ্যোগের অংশ হবেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এমন একটি ক্ষেত্র উন্মুক্ত করতে চাই, যা মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট মানুষের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন আসবে।

তিনি বলেন, আমাদের নীতিতে একটি ‘লাইফ সাইকেল অ্যাপ্রোচ’ থাকবে। একজন নাগরিকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। আমরা এমন একটি জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ও সহায়তা কাঠামো গড়ে তুলতে চাই, যা দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ সৃজনশীল অর্থনীতি থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে। উদাহরণ হিসেবে থাইল্যান্ডকে উল্লেখ করা যায়। আশির দশকে দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা খুব শক্তিশালী ছিল না, কিন্তু সৃজনশীল অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে তারা নিজেদের অবস্থান বদলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

সম্মেলনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ছাড়াও বিডার কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রেমের সম্পর্ক প্রমাণিত হওয়ায় সেই শিবির নেতাকে বহিষ্কার

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
প্রেমের সম্পর্ক প্রমাণিত হওয়ায় সেই শিবির নেতাকে বহিষ্কার

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. জিসান মিয়া প্রধানকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ।

ওই পোস্টে ফরহাদ বলেন, গতরাতে পুলিশ জিসানকে উদ্ধার করার পর থেকে শনিবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কোনো প্রতিনিধি দল কিংবা জিসানের পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেয়নি প্রশাসন। এখনও জিসান পুলিশের জিম্মায় রয়েছে। ফলে নিখোঁজ সংক্রান্ত তার বিস্তারিত বক্তব্য জানবার সুযোগ আমরা পাইনি। ফলশ্রুতিতে, নিখোঁজ কিংবা অপহরণ সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছাড়া দ্বিতীয় কোনো সোর্স এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে নেই।

তিনি বলেন, জিসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারী বিধবা নারী লিজা আক্তারের বড় বোন জানিয়েছেন, গতকাল বিকালে ১৫-২০ জন পুলিশ বা প্রশাসনের লোক তাদের বাড়ি থেকে লিজাকে নিয়ে যায়। এসময় পরিবারের অন্য সদস্যদের তার সঙ্গে যেতে দেয়া হয়নি। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, লিজা ও তার বাবাকে এখনও পুলিশের জিম্মায় আইসোলেটেড অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। লিজার বড় বোন সাবিকুন্নাহার জানান, বাড়ি থেকে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার সময় থেকে শুরু করে থানায় নেয়া, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি—কোনো বিষয় সম্পর্কেই তিনি বিস্তারিত অবগত নন। কারণ, তিনি বা তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের জিম্মায় থাকা তার বোন লিজা ও তার বাবার সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ করতে পারেনি। তবে, তিনি জিসান এবং লিজার প্রেমের সম্পর্কের ব্যাপারে আগে থেকেই অবগত বলে জানিয়েছেন।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় এখন পর্যন্ত আমরা নিখোঁজ ঘটনার প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হইনি। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরণের অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে সব ধরনের আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন মর্মে পরদিন দাউদকান্দি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার চাচাতো ভাই মো. রাসেল আহম্মেদ। পরে পুলিশ জানায়, মূলত বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণ, পরবর্তীতে জোরপূর্বক তার গর্ভপাত (ভ্রূণ হত্যা) করানো এবং ওই নারী বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান জিসান। এদিকে উদ্ধার হওয়ার পর জিসানের বিরুদ্ধে দাউদকান্দি থানায় ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জনগণের বয়ানেই নির্ধারিত হয় বাংলাদেশের গতিপ্রবাহ: তথ্য মন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
জনগণের বয়ানেই নির্ধারিত হয় বাংলাদেশের গতিপ্রবাহ: তথ্য মন্ত্রী 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাস, রাজনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার গতিপ্রবাহ নির্ধারিত হয় এ দেশের জনগণের বয়ানে; কোনো পরগাছা, ধার করা বা কৃত্রিম বয়ানে নয়। জনগণের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম, ইতিহাস ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মিত হবে। জনগণের তৈরি করা বয়ানই সকল কৃত্রিম বয়ানকে ভেঙে দেবে এবং গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে শক্তিশালী করবে।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘আমরা বাংলাদেশি’ আয়োজিত ‘দেশ পুনর্গঠনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে ফ্যাসিবাদী শক্তি নিজেদের রাজনৈতিক প্রয়োজনেই বাংলাদেশের রাজনীতিকে কৃত্রিমভাবে বিভক্ত ও মেরুকরণ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জনগণের শক্তি, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সত্য ইতিহাসের প্রবাহ সেই কৃত্রিম বয়ানকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি বলেন, ইতিহাসের বাস্তবতা যখন স্পষ্টভাবে সামনে আসে, তখন ইতিহাস বিকৃতকারীরা টিকে থাকতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, ইতিহাস যেখানে সঠিকভাবে কথা বলে সেখানে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে করে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ নিজস্ব ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা গড়ে তুলেছে। এ দেশের মানুষকে তাদের পরিচয়ের বৈধতা প্রতিষ্ঠার জন্য সীমান্তের ওপারে গিয়ে কারও কাছ থেকে সনদ নিতে হয় না। বাংলাদেশের স্বকীয়তা এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এ দেশের ইতিহাস ও বাস্তবতার মধ্যেই প্রোথিত।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের স্বতন্ত্র পরিচয়কে রাজনৈতিক দর্শনে রূপ দিয়েছিলেন। ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, নৃতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই জাতীয়তাবাদ আজও বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তার অন্যতম ভিত্তি।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই হতে হবে সকল নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দু। আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সার্ক এবং বৈশ্বিক পরিসরে জাতিসংঘের কাঠামোর মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ তার মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারে। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার ২২০ কোটিরও বেশি মানুষের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সার্ককে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিএনপি নেতা সৈয়দ এহসানুল হুদার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুবুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

উপস্থিত বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় স্বার্থভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তা প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ