খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

কোরবানির ঈদ ঘিরে জাল টাকার কারবার

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
কোরবানির ঈদ ঘিরে জাল টাকার কারবার

কোরবানির ঈদ ঘিরে দেশজুড়ে সরব হয়ে উঠেছে জাল নোটের কারবারিরা। তারা এখন এতটাই বেপরোয়া যে প্রকাশ্যেই চালাচ্ছে জাল নোট কেনাবেচার প্রচারণা। নির্দিষ্ট চার্জের বিনিময়ে দিচ্ছে হোম ডেলিভারিও। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার উত্তরা ও গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট ও বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে প্রায়ই ধরা পড়ছেন জাল টাকার কারবারিরা। তবুও থামছে না জাল নোটের বিস্তার।

ঈদুল আজহা মানেই বাড়তি খরচ, বাড়তি লেনদেন। পশু কেনাবেচা, নতুন পোশাক কেনা, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়দের মধ্যে উপহার বিনিময় সব মিলিয়ে নগদ টাকার লেনদেন বহুগুণ বেড়ে যায়। এই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চায় জাল টাকার সিন্ডিকেটগুলো। এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষেও এই চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ ঘিরে নগদ লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের অসতর্কতার সুযোগ নিচ্ছে প্রতারক চক্র। ভিড় ও দ্রুত লেনদেনের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই আসল-নকল যাচাই করা সম্ভব হয় না। অত্যন্ত কম খরচে উন্নতমানের জাল নোট তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে এখন।

আগে যেখানে ৫০০ বা ১০০০ টাকার ১০০টি নোট তৈরি করতে খরচ হতো ৪ থেকে ৭ হাজার টাকা, এখন তা নেমে এসেছে প্রায় আড়াই হাজার টাকায়। বর্তমানে এক লাখ টাকার জাল নোট বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায়।

গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গোপনে চালু রয়েছে জাল নোট তৈরির কারখানা। সাধারণ প্রিন্টার, বিশেষ কাগজ, জলছাপ ও গাম ব্যবহার করে এমন সূক্ষ্মভাবে নোট তৈরি করা হচ্ছে, যা অনেক সময় সাধারণ মানুষের পক্ষে শনাক্ত করা কঠিন। কিছু ক্ষেত্রে জাল নোট শনাক্তকারী সাধারণ মেশিনেও তা ধরা পড়ছে না।

সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরা ও গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ জাল নোটসহ তিনজনকে আটক করার পাশাপাশি জাল টাকা তৈরির তিনটি বিশেষ মেশিন এবং অন্যান্য সরঞ্জামও উদ্ধার করেছে। গত ১৪ মে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, প্রথমে উত্তরায় অভিযান চালিয়ে মুজিবুর রহমান নামে এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গীর একটি স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার সমমূল্যের জাল নোট এবং বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ সময় দুলাল ও মামুন নামে আরও দুই সদস্যকে আটক করে পুলিশ। গত ১৬ মে চট্টগ্রাম নগর ও জেলার পৃথক দুটি অভিযানে ১ লাখ ১৩ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। র‍্যাব জানায়, পশুর হাটে ছড়ানোর জন্য জাল নোটগুলো তৈরি করছিল তারা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সারাদেশে অনুমোদিত কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপন করতে হবে। সেখানে ব্যাংকের একজন অভিজ্ঞ ক্যাশ অফিসারকে নিযুক্ত করতে হবে। ব্যাংক থেকে দিতে হবে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন। হাট শুরুর দিন থেকে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের বিনামূল্যে এ সেবা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, কোরবানির পশুর হাটগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন বসানো হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবও কন্টোল রুম স্থাপন, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা তৎপরতা ও সিসি ক্যামেরায় নজরদারির করবে। বড় অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

কালের আলো/এম/এএইচ

ভাড়ায় ইট নিয়ে সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের বিষয়ে এবার মুখ খুললেন ঠিকাদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
ভাড়ায় ইট নিয়ে সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের বিষয়ে এবার মুখ খুললেন ঠিকাদার

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যকে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন ঠিকাদার।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে বগুড়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেসার্স হক ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. শামীম রেজা শামীম লিখিত বক্তব্যে এ দাবি করেন।

এর আগে শুক্রবার একই স্থানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে শামীম রেজা বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এলজিইডির গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ অফিস থেকে জিয়া বাড়ি পর্যন্ত ৪০০ থেকে ৯০০ মিটার অংশে নতুন কার্পেটিং সড়ক নির্মাণের দায়িত্ব পায় মেসার্স হক ট্রেডার্স।

ইলেকট্রনিক দরপত্র (ই-জিপি) পদ্ধতির মাধ্যমে লটারিতে প্রথম বিজয়ী হয়ে প্রতিষ্ঠানটি কাজটি পায়। পরে ৫ শতাংশ কার্যসম্পাদন জামানত জমা দিয়ে চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

তবে চুক্তি অনুযায়ী কাজ শুরু করতে গিয়ে মাঠপর্যায়ে নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কাজের ধীরগতির কারণ ব্যাখ্যা করে শামীম রেজা বলেন, প্রকল্পের নকশাগত কিছু ত্রুটি এবং মেঠোপথটির সংকীর্ণতা প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

যেখানে ১৬ ফুট প্রশস্ত সড়কের প্রয়োজন, সেখানে বাস্তবে জায়গা রয়েছে মাত্র ৩ থেকে ৫ ফুট। এছাড়া সড়কের দুই পাশে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি, শৌচাগার, গোয়ালঘর ও গাছপালা থাকায় সেগুলো অপসারণে স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করতে হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় প্রায় দুই থেকে তিন মাস সময় লেগেছে।

তিনি দাবি করেন, প্রকল্পের প্রায় ৩০ শতাংশ অংশ স্থানীয় জনগণের ব্যক্তিগত সম্পত্তির মধ্যে পড়ায় সীমানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কাও দেখা দেয়। বর্তমানে দুইজন বাসিন্দার লিখিত অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনের কাছে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

ঠিকাদার আরও বলেন, এলজিইডির জমি অধিগ্রহণ বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুযোগ না থাকায় বিষয়গুলো স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, সড়কটি পাশের ঢালাই সড়কের তুলনায় ৩ থেকে ৪ ফুট নিচু এবং একটি খালের পাশে অবস্থিত। ফলে সেখানে বিপুল পরিমাণ মাটি ভরাট করতে হয়েছে। নতুন ভরাট করা মাটি টেকসই করতে একটি বর্ষা মৌসুম প্রয়োজন ছিল। এরই মধ্যে খালের পাশের কিছু অংশে মাটি ধসে পড়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে আবারও আগের অবস্থায় সড়ক

প্রধানমন্ত্রীর সফরে ভাড়ায় ইট আনার ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাড়ির এই সড়ক প্রসঙ্গে শামীম রেজা বলেন, গত ১৭ বছর সড়কটির বেহাল অবস্থা নিয়ে কেউ কথা বলেননি। এটি রাজনৈতিক কারণে অবহেলিত ছিল। অথচ বর্তমানে কাজ চলমান থাকা অবস্থায় ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী,

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা ব্যবসায়িক ও সামাজিকভাবে মানহানিকর।

সংবাদ সম্মেলনে শামীম রেজা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জরুরি ভিত্তিতে যে সংস্কারকাজ করা হয়েছিল, তার সঙ্গে মেসার্স হক ট্রেডার্স বা চলমান প্রকল্পের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সেটি সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয় ও জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়েছিল।

প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অর্থ লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি দাবি করে তিনি বলেন, আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর ২০২৬ সালের মধ্যে সড়কটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য পুরোপুরি উপযোগী করে তোলা সম্ভব হবে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর ওই এলাকায় সফরের সময়কার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শুক্রবারে একই স্থানে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সময় সড়কটি কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী ছিল।

বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় স্থানীয় প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে সাময়িকভাবে ভাড়ায় আনা ইট সেখানে বিছিয়ে দেয়। বর্তমানে অনুমোদিত ঠিকাদার বালু ভরাট ও কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু করায় ওই ইট মালিককে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে কোনো ধরনের দুর্নীতির সম্পর্ক নেই। তিনি সংবাদ প্রকাশের আগে সঠিক তথ্য-উপাত্ত যাচাই করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

সামাজিক মূল্যবোধ ও আচরণগত ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
সামাজিক মূল্যবোধ ও আচরণগত ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, মানুষের সামাজিক মূল্যবোধ ও আচরণগত ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি। তিনি বলেন, জনসচেতনতা সৃষ্টিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও চিত্র (রিলস) তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। নারীর প্রতি সম্মান, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নৈতিকতা বজায় রাখার বিষয়গুলো এই উদ্যোগে বিশেষ প্রাধান্য পাবে।

শনিবার (১৩ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ইনসাইট ফর চেঞ্জ ফাউন্ডেশন’ (আইসিএফ)-এর আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেবল মানব আচরণই নয়, বরং পশুপাখির প্রতি মমত্ববোধ জাগিয়ে তুলতেও তথ্য মন্ত্রণালয় কাজ করবে। এছাড়া সড়ক ব্যবহারের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাস্তাঘাট নোংরা না করার মতো মৌলিক নাগরিক দায়িত্বগুলো প্রাথমিক স্তর থেকেই মানুষকে শেখানোর দরকার। তিনি রাস্তায় যত্রতত্র থুথু না ফেলা এবং ময়লা-আবর্জনা না ফেলার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে আমাদের দীর্ঘদিনের সামাজিক মূল্যবোধকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে যেকোনো বয়স্ক মানুষকে অপমান করাকে অনেকে ‘স্মার্টনেস’ মনে করে, যা সম্পূর্ণ ভুল এবং অন্যায়।

মানুষের আচরণগত ও অভ্যাসগত নেতিবাচক পরিবর্তনের কারণে সমাজে অল্প বয়সেই নানা জটিল রোগ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার নতুন স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরিচর্যাকে বিশেষ ফোকাস দিচ্ছে। সুস্থ থাকার জন্য সবাইকে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস করার আহ্বান জানান তিনি।

ইনসাইট ফর চেঞ্জ ফাউন্ডেশনের (আইসিএফ) প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নওফেল জমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির এবং জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম।

অনুষ্ঠানে নাগরিক আচরণ পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার ওপর দুটি তথ্যবহুল ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

কালের আলো/এম/এএইচ

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Oplus_131072

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ সবাইকে দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু তাদের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। টাকার কাছে কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর নিজ তহবিল থেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল সেবার নামে মানুষে হয়রানি করে আসছিল। তাদের এই অন্যায়ে সাপোর্ট করছে জামায়াতের নেতারা।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার পাইলটিং স্কিমের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দেওয়ার চিন্তা করছে। যেখানে প্রতিটা ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবার লোক যাবে। তারা গিয়ে প্রাথমিক সেবা দেওয়ার পর যদি মনে করে হাসপাতালে নিতে হবে তবেই একজন রোগীকে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। এভাবে দেশব্যাপী সবার চিকিৎসাব্যবস্থাকে সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার দুর্নীতি করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। আমরা একটি ব্যতিক্রমধর্মী সরকার চালাচ্ছি। দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের সেবা করতে চাই আমরা। চায়নার সহযোগিতায় আমরা ৩ হাজার বেডের দুইটি বিশেষায়িত হাসপাতাল করতে যাচ্ছি। যেখানে শিশু ও নারীদের চিকিৎসা সেবার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মনোহরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সজীব মিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড আবদুল হান্নান প্রমুখ।

কালের আলো/এসএকে