খুঁজুন
                               
, ,
           

বিদায়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ফুটবলের মহাতারকারা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
বিদায়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ফুটবলের মহাতারকারা

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই পর্দা উঠবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের। তবে এবারের আসর শুধু নতুন চ্যাম্পিয়নের লড়াই নয়, বিশ্ব ফুটবলে হতে পারে এক স্বর্ণযুগের অবসানেরও। কারণ গত দুই দশক ধরে ফুটবলকে শাসন করা কয়েকজন মহাতারকার জন্য এটি হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসে প্রথমবারে মতো ৪৮ দল নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বসছে আসর। আর এই আসরেই নিজেদের ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় লিখতে পারেন ফুটবলের সাত কিংবদন্তি। উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপেই শেষবারের মতো দেখা যেতে পারে মেসি, রোনালদো, নেইমার, মদরিচ, সালাহ, সন ও ডি ব্রুইনাকে। এদের মধ্যে কেউ কেউ ইতিমধ্যেই গৌরবের স্বাদ পেয়েছেন, আবার অন্যরা সেই অধরা স্বপ্নের পেছনে ছুটছেন, তবে তাদের সবার লক্ষ্য একটাই: ‘শীর্ষে থেকে শেষ করা।’

পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, এটিই হবে তার শেষ বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ছয়টি আসরে খেলা প্রথম ফুটবলার হওয়ার পাশাপাশি ২০০৬ সাল থেকে অধরা থাকা শিরোপা জয়ের শেষ সুযোগও হবে তার সামনে।

অন্যদিকে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না করলেও তিনিও একই পথেই হাঁটতে পারেন। এই বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে তিনিও রোনালদোর মতো ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া খেলোয়াড় হবেন। ২০২২ সালে জেতা শিরোপা ধরে রাখার মিশনও থাকবে তার সামনে।

ব্রাজিলের নেইমারের ভবিষ্যত নির্ভর করছে ফিটনেসের ওপর। ২০২৩ সালের গুরুতর হাঁটুর চোটের পর জাতীয় দলের হয়ে আর মাঠে নামেননি তিনি। ব্রাজিলের স্কোয়াডে রাখা হয়েছে তাকে। তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে নামলেও এটিই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ।

ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদরিচ, বেলজিয়ামের কেভিন ডি ব্রুইনা, দক্ষিণ কোরিয়ার সন হিউং-মিন এবং মিশরের মোহাম্মদ সালাহও রয়েছেন একই তালিকায়। বয়স, শারীরিক সামর্থ্য এবং জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিবেচনায় তাদের জন্যও ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে শেষ আন্তর্জাতিক মহাযজ্ঞ।

ফুটবলের ইতিহাসে অনেক বিদায় এসেছে, অনেক কিংবদন্তি মঞ্চ ছেড়েছেন। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ সত্যিই যদি মেসি-রোনালদো-নেইমারদের শেষ মঞ্চ হয়, তাহলে উত্তর আমেরিকা সাক্ষী থাকবে এক যুগের অবসানের।

কালের আলো/এম/এএইচ

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ফাইনালে মোহনপুর

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ফাইনালে মোহনপুর

রাজশাহী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহনপুর উপজেলা ফুটবল দল। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রথম সেমিফাইনালে পবা উপজেলা ফুটবল দলকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মোহনপুর।

সোমবার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১৭ হাজার দর্শক। ২২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার গ্যালারিতে ম্যাচজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। দুই দলই বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি। ফলে গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দুই দল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গোল করে ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত কোনো দলই সফল হয়নি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য থাকায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

দুই দলই নিজেদের শক্তি বাড়াতে নাইজেরিয়ান ফুটবলার দলে নিয়েছিল। মোহনপুরের দলে ছিলেন দুজন নাইজেরিয়ান খেলোয়াড়, আর পবার দলে ছিলেন একজন। পবা মূলত তাদের নাইজেরিয়ান ফুটবলার বেনজামাকে দিয়ে আক্রমণ পরিচালনার চেষ্টা করলেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি।

শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে পবাকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে মোহনপুর উপজেলা ফুটবল দল।

ম্যাচটি পরিচালনা করেন রেফারি আক্তার হোসেন। খেলা উপভোগ করতে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) মুখোমুখি হবে পুঠিয়া উপজেলা ফুটবল দল ও দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল। ওই ম্যাচের বিজয়ী দল ফাইনালে মোহনপুরের প্রতিপক্ষ হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত ৪

জামালপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ণ
জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত ৪

জামালপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় রাজিব পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সদর উপজেলার লাহেরীকান্দা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া রাজিব পরিবহনের বাসটি লাহেরীকান্দা এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে অটোরিকশার ওপর পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। তারা ঘটনাস্থল থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। প্রাথমিকভাবে দুইজনের মরদেহ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং আরও দুইজনের মরদেহ ঘটনাস্থলে রয়েছে বলে জানা গেছে। বাসের ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বেপরোয়া গতিতে বাস চালানোর অভিযোগ তুলে দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। উল্টে থাকা বাসটি সরানোর কাজও চলছে। দুর্ঘটনার কারণ ও হতাহতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দিলেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দিলেন মেসি

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখা যাবে না লিওনেল মেসিকে। দীর্ঘ ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক আবেগঘন চিঠিতে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর থেকেই মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা চলছিল। নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে শিরোপা হারায় আর্জেন্টিনা।

তবে ফাইনালের পরপরই অবসরের ঘোষণা দেননি মেসি। বরং ২১ জুলাই দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ফাইনালের পরের যন্ত্রণা কাটতে সময় লাগবে এবং বিশ্বকাপে দলের অর্জন ও সমর্থকদের ভালোবাসাকে তিনি স্মরণীয় করে রাখতে চান। তখনও জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি।

এরপর আগস্টে বাবার মৃত্যু মেসির সিদ্ধান্তকে আরও দৃঢ় করে। মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট হোর্হে মেসি ৮ আগস্ট ৬৮ বছর বয়সে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মেসি নিজের ফুটবল ভবিষ্যৎ নিয়েও গভীর অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছিলেন।

এবার সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন তিনি।

মেসি তার চিঠির শুরুতেই লিখেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভাবার পর তিনি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিদ্ধান্তটি তার জন্য অত্যন্ত কষ্টের হলেও এটিই সঠিক সময় বলে মনে করছেন তিনি।

জাতীয় দলের হয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার কথাও স্মরণ করেছেন মেসি। শুধু সাম্প্রতিক সময়ে শিরোপা জয়ের সময় নয়, তার আগেও প্রতিটি ম্যাচে আর্জেন্টিনার জার্সির জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

মেসির ভাষায়, জাতীয় দলের হয়ে খেলা তার কাছে সবসময়ই ছিল ভালোবাসার বিষয়। তবে এখন মনে হচ্ছে, তার দেওয়ার মতো আর কিছু বাকি নেই। একই সঙ্গে তিনি আর্জেন্টিনার নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের জায়গা করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন।

সবচেয়ে আবেগঘন বার্তাটি এসেছে সমর্থকদের উদ্দেশে। দুই দশক ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় সমর্থকদের যে ভালোবাসা পেয়েছেন, তা তিনি কখনো ভুলবেন না বলে জানিয়েছেন।

এখন থেকে মাঠের ভেতর নয়, গ্যালারির বাইরে থেকে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করবেন তিনি। অর্থাৎ, জাতীয় দলের জার্সিতে আর নয়—একজন সাধারণ সমর্থক হিসেবেই প্রিয় দলকে অনুসরণ করবেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার।

মেসি তার পরিবার, জাতীয় দলের সতীর্থ, কোচ ও কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাদের সঙ্গে কাটানো সময়কে নিজের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়গুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

চিঠির শেষদিকে মেসি লিখেছেন, আর্জেন্টিনার হয়ে পাওয়া সব অর্জন ও স্মৃতি নিয়ে তিনি গর্বিত। সতীর্থদের সঙ্গে মিলে দেশকে কিছু ‘স্বপ্নের মুহূর্ত’ উপহার দিতে পেরেছেন- এটাই তার সবচেয়ে বড় তৃপ্তি।

এরপর ভালোবাসা ও আবেগে তিনি লিখেছেন- ঈশ্বর তাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে জন্ম দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞ। শেষ করেছেন, ‘গো আর্জেন্টিনা!’ বার্তা দিয়ে।

তবে মেসির প্রকাশিত চিঠির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো এর সময়কাল। তিনি জানিয়েছেন, চিঠিটি মূলত লিখেছিলেন ২১ জুলাই- বিশ্বকাপ ফাইনালের দুদিন পর। অর্থাৎ স্পেনের কাছে হারের পরই জাতীয় দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর সেই সিদ্ধান্ত আরও দৃঢ় হয়েছে।

দুই দশকের অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের শেষ
আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে। দীর্ঘ দুই দশকে তিনি জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও ফাইনালিসিমা জয়ের পাশাপাশি অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন।

বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ৩৯ বছর বয়সেও তিনি আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন। আসরে আট গোল ও চার অ্যাসিস্ট নিয়ে দলের আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও (এএফএ) উল্লেখ করেছে।

২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করার পর মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতাও পূরণ হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে শিরোপা ধরে রাখার শেষ সুযোগটি স্পেনের কাছে হেরে শেষ হয়।

এবার সেই হারের কয়েক সপ্তাহ পরই জাতীয় দলকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানালেন তিনি। ফলে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচ হিসেবে ইতিহাসে থেকে যাচ্ছে স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালটিই।

একটি যুগের শেষ- মেসি আর আর্জেন্টিনার হয়ে মাঠে নামবেন না। তবে তার রেখে যাওয়া স্মৃতি, অর্জন ও অসংখ্য অবিস্মরণীয় মুহূর্ত আর্জেন্টাইন ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল বেঁচে থাকবে।

কালের আলো/এম/এএইচ