খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

উজবেকিস্তানকে ৩–১ গোলে হারাল কলম্বিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ
উজবেকিস্তানকে ৩–১ গোলে হারাল কলম্বিয়া

গ্রুপ পর্বে ৪৭ ও ৪৮তম দল হিসেবে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল উজবেকিস্তান–কলম্বিয়া। এই ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩–১ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে কলম্বিয়া।

মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামের ম্যাচটিতে প্রথমার্ধে ১–০ গোলে এগিয়ে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় কলম্বিয়া। দলটির হয়ে ৪০ মিনিটে গোল করেন ডিফেন্ডার দানিয়েল মুনিওজ।

লুইস দিয়াজের বক্সের ভেতরে পাঠানো বলে দারুণভাবে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান দানিয়েল মুনিওজ।
ম্যাচের ৬০তম মিনিটে সমতা আনে উজবেকিস্তান।

দলের হয়ে গোল শোধ করেন আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভ। এল্দর শোমুরোদভের ভলি কলম্বিয়া গোলকিপার কামিলো ভার্গাস বিপদমুক্ত করতে না পারলে গোলমুখে বল পেয়ে যান ফাইজুল্লায়েভ।

তাকে শুধু মাথা ছুঁইয়ে বল জালমুখী করতে হয়েছে। এর পাঁচ মিনিট পরই ফের এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে বল দূরের পোস্ট দিয়ে জালে পাঠিয়েছেন লুইস দিয়াজ। বায়ার্ন মিউনিখ ফরোয়ার্ডের শটে অবশ্য উজবেক গোলকিপার ঝাঁপিয়ে হাত লাগিয়েছিলেন। তবে বলের গতিপথ খুব একটা না পাল্টানোয় জালেই পৌঁছেছে।

শেষ দিকে যোগ করা সময়ের নবম মিনিটে কলম্বিয়ার হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন হামিন্তন কাম্পাজ। এরপরই ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজান রেফারি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১৭ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, ৬টার মধ্যে রংপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে সকালের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া গোপালগঞ্জ, রাজশাহী ও পাবনা জেলাসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

আগামী দিনে ফল হবে বাংলাদেশের শক্তিশালী রফতানি পণ্য: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
আগামী দিনে ফল হবে বাংলাদেশের শক্তিশালী রফতানি পণ্য: কৃষিমন্ত্রী

দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী দিনে ফল বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী রফতানি পণ্যে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সক্ষমতা বাড়ছে, আমদানি কমছে এবং ইতোমধ্যে আম, আনারস ও কাঁঠাল রফতানিও শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই ড্রাগন ফলসহ আরও বিভিন্ন ফল বিদেশে রফতানির সুযোগ তৈরি হবে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের মানুষের ফলের চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত্ত উৎপাদন বিদেশে রফতানি করা। জাতীয় ফল মেলা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতিবছর আয়োজিত এ মেলা দেশে ফল উৎপাদনে এক ধরনের বিপ্লব ঘটিয়েছে। এ মেলায় দেশীয় বিলুপ্তপ্রায় নানা জাতের ফলের পাশাপাশি আগে আমদানিনির্ভর বিদেশি ফলের সফল উৎপাদনের চিত্রও উঠে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে ড্রাগন ফল আমদানি করতে হতো। এখন দেশের কৃষকেরা এমন মানসম্পন্ন ও সুস্বাদু ড্রাগন ফল উৎপাদন করছেন, যা বিদেশি ফলের চেয়েও স্বাদে ভালো। এ কারণে ভবিষ্যতে ড্রাগন ফলও রফতানি করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু তাজা ফল নয়, ফলভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত পণ্যের বাজারও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। কাঁঠাল দিয়ে পিঠা, সিঙ্গারা, চমচম, কাবাবসহ নানা ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরি হচ্ছে, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। বিশ্বের কয়েকটি দেশ বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল নিয়ে এসব পণ্য উৎপাদনের আগ্রহ দেখিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও এ ধরনের পণ্য তৈরিতে এগিয়ে আসছেন।’

তিনি জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ থেকে আম, আনারস ও কাঁঠাল রফতানি শুরু হয়েছে। চলতি বছরে কাঁঠাল রফতানি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী দিনে ফল বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী রফতানি পণ্যে পরিণত হবে।

রফতানি সম্প্রসারণে কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করার পাশাপাশি ক্রেতা ও রফতানিকারকদের মধ্যে সংযোগ তৈরির কাজ করছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে দেশে যেমন ফল মেলার আয়োজন অব্যাহত থাকবে, তেমনি বিদেশেও বাংলাদেশি ফলের প্রচার ও বাজার সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক ফল মেলার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

কৃষি বাজেট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘অনেকেই মনে করছেন কৃষি বাজেট কমেছে, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। গত অর্থবছরের তুলনায় কৃষি বাজেট ১০ শতাংশ বেড়েছে এবং উন্নয়ন বাজেট বেড়েছে ৫৯ শতাংশ। অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার কৃষি খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কারণ সরকারের মূল পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা।’

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রকাশ হলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার ১৪ দফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
প্রকাশ হলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার ১৪ দফা

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্প্রতি সম্পাদিত বহুল আলোচিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) পূর্ণাঙ্গ ১৪ দফা অবশেষে প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

কয়েকদিন ধরে নথিটির বিস্তারিত গোপন রাখার কারণে সমালোচনা বাড়তে থাকলে বুধবার (১৭ জুন) মার্কিন প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে এর বিষয়বস্তু জনসমক্ষে আনে।

মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা চুক্তির প্রধান বিষয়গুলো তুলে ধরে জানান, এতে হরমুজ প্রণালি দ্রুত চালু করা, ইরানের ওপর আরোপিত কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যৎ আলোচনার কাঠামো নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

‘ইসলামাবাদ মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং বিটুইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা অ্যান্ড দ্য ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান’ শিরোনামের এ সমঝোতায় আগামী ১৯ জুন আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।

স্বাক্ষরের পর উভয় পক্ষ একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ৬০ দিনের আলোচনার সুযোগ পাবে। এর আগে সংবাদমাধ্যম সিএনএন যে খসড়া প্রকাশ করেছিল, প্রকাশিত সরকারি নথির সঙ্গে তার উল্লেখযোগ্য মিল পাওয়া গেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দ্রুত উন্মুক্ত করা হবে এবং ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে উৎপন্ন বর্জ্য অপসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। এর বিনিময়ে তেহরান চুক্তির শর্ত মেনে চললে ওয়াশিংটন ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সুবিধা ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের উদ্যোগ বাড়াবে।

প্রকাশিত ১৪ দফার প্রথম ধারায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের সংশ্লিষ্ট মিত্ররা লেবাননসহ বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে সব ধরনের সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করবে। পাশাপাশি একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধ বা সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এবং লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় ধারায় দুই দেশ পরস্পরের স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার অঙ্গীকার করেছে। তৃতীয় ধারায় ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যদিও পারস্পরিক সম্মতিতে এই সময়সীমা বাড়ানো যাবে।

চতুর্থ ও পঞ্চম ধারায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক চলাচলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সমঝোতা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবে, যা ৩০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে।

একই সময়ে ইরান পারস্য উপসাগর থেকে ওমান সাগর পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করবে। সমুদ্রপথে থাকা মাইন ও অন্যান্য বাধা অপসারণের কাজও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে ষষ্ঠ ও সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে, ইরানের পুনর্গঠন ও উন্নয়নে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং তার আঞ্চলিক অংশীদাররা অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে প্রত্যাহারের বিষয়টি চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হবে।

পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত অষ্টম ধারায় ইরান পুনরায় জানিয়েছে যে তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা সংগ্রহ করবে না। দেশটির মজুত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে এবং ভবিষ্যৎ পারমাণবিক চাহিদা কীভাবে পূরণ হবে, তা আইএইএ’র তত্ত্বাবধানে চূড়ান্ত চুক্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

নবম ধারায় বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান পরিস্থিতি বজায় থাকবে। এ সময় ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা অপরিবর্তিত রাখবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করবে না।

দশম ও একাদশ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানি, ব্যাংকিং কার্যক্রম, বীমা এবং পরিবহন খাতে বিশেষ ছাড় দেবে। একই সঙ্গে ইরানের স্থগিত বা জব্দ করা সম্পদ ও তহবিল ধাপে ধাপে মুক্ত করার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

শেষ তিনটি ধারায় সমঝোতা বাস্তবায়নের জন্য একটি তদারকি কাঠামো গঠনের কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু প্রাথমিক শর্ত বাস্তবায়নের পর বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং চূড়ান্ত চুক্তি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে হোয়াইট হাউস এই সমঝোতা স্মারককে মূলত একটি রাজনৈতিক দলিল হিসেবে উল্লেখ করে এর গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছিল। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এটি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার সব গোপন বোঝাপড়ার পূর্ণ প্রতিফলন নয়।

অন্যদিকে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম আগে ফাঁস হওয়া খসড়ার নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। তবে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে নির্ধারিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি